বাংলাদেশের পদমর্যাদা ক্রম
এই নিবন্ধটি মেয়াদোত্তীর্ণ। (এপ্রিল ২০২৬) |
| পদমর্যাদা ক্রম ধারাবাহিকের অংশ |
|---|
|
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পদমর্যাদা ক্রম রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের শ্রেণিবিন্যাসের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল তালিকা। এটি রাষ্ট্রীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অনুষ্ঠান, বিদেশি অতিথিদের অভ্যর্থনা, এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতার ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ ও তাদের আসনের ব্যবস্থার জন্য ব্যবহৃত হয়।[১][২] পদমর্যাদা ক্রমের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি সহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের গমনাগমনের সময় প্রোটোকল অনুযায়ী শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এই তালিকাটি শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে প্রতিফলিত করে এবং ব্যক্তি একাধিক পদে থাকলে সর্বোচ্চ পদকে গণনা করা হয়। তবে এই ক্রম সংক্রান্ত কিছু বিষয় আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট একটি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রদান করে, যা এই পদমর্যাদার ক্রম নিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছে। নতুন পদমর্যাদা ক্রমের সঙ্গে ২০২০ সালের সংশোধনীতে কিছু অসঙ্গতি দেখা দেয়, তবে সংবিধান এবং সুপ্রীম কোর্টের ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
বাংলাদেশের পদমর্যাদার ক্রমটি সরকারীভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত হয়, যা বিভিন্ন পদের গুরুত্বের ভিত্তিতে ক্রমবিন্যাস করে।
পদমর্যাদা ক্রম
[সম্পাদনা]| ক্রম | পদ |
|---|---|
| ১ | |
| ২ | |
| ৩ | |
| ৪ | |
| ৫ |
|
| ৬ |
|
| ৭ |
|
| ৮ |
|
| ৯ |
|
| ১০ |
|
| ১১ |
|
| ১২ | |
| ১৩ | |
| ১৪ |
|
| ১৫ |
|
| ১৬ |
|
| ১৭ |
|
| ১৮ |
|
| ১৯ |
|
| ২০ |
|
| ২১ |
|
| ২২ |
|
| ২৩ |
|
| ২৪ |
|
| ২৫ |
|
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "বাংলাদেশ গ্যাজেট" (পিডিএফ)। ২০ জুলাই ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৬।
- ↑ "Warrant Of Precedence, 1986 (Revised up to July, 2020)" (পিডিএফ)। ১৩ আগস্ট ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৬।