বাংলাদেশী মার্শাল আর্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বাংলাদেশ অনেক ধরনের মার্শাল আর্টের জন্মভূমি। অত্যন্ত প্রাচীন বলিখেলা ও লাঠিখেলা বাংলাদেশের দুটি খুবই জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক মার্শাল আর্ট। ব্যুত্থান বাংলাদেশে দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে। বাকি মার্শাল আর্টসমূহ হল শংকর বা হাইব্রিড।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জমিদারদের জন্য গ্রামবাসীদের সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার কারণে বাংলাদেশী মার্শাল আর্টগুলির উৎপত্তি ঘটেছে। ব্রিটিশ শাসনামলের শুরুর দিকে কৃষকদের নিকট হতে খাজনা আদায়ের জন্য লাঠিয়াল বাহিনী পাঠানো হত। জমিদারদের লাঠিয়াল বাহিনীর বিরুদ্ধে কৃষক ও যুবকরা মিলে আলাদা লাঠিয়াল বাহিনী তৈরি করত। তখন নতুন জেগে ওঠা চর, জমি দখল অথবা অন্যকোন ব্যাপার, যেখানে কারও অধিকার প্রতিষ্ঠা বা অধিকার হরণ বিষয়টি জড়িত হয়ে পড়ত, সেখানে লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে যুদ্ধ হত।[১]

লাঠিখেলা[সম্পাদনা]

লাঠি খেলা একটি ঐতিহ্যগত মার্শাল আর্ট যেটি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কিছু জায়গায় চর্চা করা হয়। 'লাঠি খেলা' অনুশীলনকারীকে 'লাঠিয়াল' বলা হয়। এছাড়াও, লাঠি চালনায় দক্ষ কিংবা লাঠি দ্বারা মারামারি করতে পটু কিংবা লাঠি চালনা দ্বারা যারা জীবিকা অর্জন করে, তিনি/তাঁরা লেঠেল বা লাঠিয়াল নামে পরিচিতি পান। ঈদ ও পুজাসহ বিভিন্ন ধর্মানুষ্ঠানের সময় "লাঠি খেলা" এর প্রদর্শনী দেখা যায়।

বলিখেলা[সম্পাদনা]

ব্যুত্থান[সম্পাদনা]

ব্যুত্থান একটি বাংলাদেশী মার্শাল আর্ট। এটি প্রাচীন দক্ষিণ এশিয়ার আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধকলার ঐতিহ্যের ধারায় গঠিত নিরাপদ ক্রীড়া, বিজ্ঞানভিত্তিক এক বাস্তবধর্মী আত্মরক্ষা ও আত্মউন্নয়নের পদ্ধতি। ব্যুত্থান বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অনুমদিত একটি নিরাপদ ক্রীড়া । ইন্টারন্যাশনাল ব্যুত্থান ফেডারেশন এই খেলাটি পৃথিবী ব্যাপি প্রসারের দায়িত্ব পালন করছে।

অাধুনিক[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "লাঠিয়াল"বাংলাপিডিয়া। এশিয়াটিক সোসাইটি। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯