বাঁশ কোড়ল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাঁশ কোড়ল
Thorny Bamboo.jpg
খাবার যোগ্য বাঁশ কোড়ল
চীনা নাম
ঐতিহ্যবাহী চীনা 竹筍
সরলীকৃত চীনা 竹笋
কোরীয় নাম
হাঙ্গুল죽순, 대나무싹
জাপানি নাম
কাঞ্জি 竹の子 or 筍
কানা タケノコ
মারমা নাম
মারমাမျှစ် (ম্‌হই)
চাকমা নাম
চাকমাবাচ্ছুরি
নেপালী নাম
নেপালীतामा (তামা)
ভিয়েতনামীয় নাম
ভিয়েতনামীয়măng
তাগালং নাম
তাগালংতাবং বা তাম্বু
অসমীয় নাম
অসমীয়বাঁহ গাজ (bãh gaz)
ইন্দোনেশীয় নাম
ইন্দোনেশীয়rebung
Bamboo shoots, raw
প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স)-এ পুষ্টিমান
শক্তি১১৫ কিজু (২৭ kcal)
৫.২ g
চিনি৩ g
খাদ্য তন্তু২.২ g
০.৩ g
২.৬ g
ভিটামিনপরিমাণ দৈপ%
থায়ামিন (বি)
১৩%
০.১৫ মিগ্রা
রিবোফ্লাভিন (বি)
৬%
০.০৭ মিগ্রা
নায়াসিন (বি)
৪%
০.৬ মিগ্রা
প্যানটোথেনিক
অ্যাসিড (বি)
৩%
০.১৬১ মিগ্রা
ভিটামিন বি
১৮%
০.২৪ মিগ্রা
ফোলেট (বি)
২%
৭ μg
ভিটামিন সি
৫%
৪ মিগ্রা
ভিটামিন ই
৭%
১ মিগ্রা
খনিজপরিমাণ দৈপ%
লৌহ
৪%
০.৫ মিগ্রা
ম্যাঙ্গানিজ
১২%
০.২৬২ মিগ্রা
ফসফরাস
৮%
৫৯ মিগ্রা
পটাসিয়াম
১১%
৫৩৩ মিগ্রা
জিংক
১২%
১.১ মিগ্রা

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মার্কিন সুপারিশ ব্যবহার করে শতাংশ অনুমান করা হয়েছে।
উৎস: ইউএসডিএ ফুডডাটা সেন্ট্রাল

বাঁশ কোড়ল মূলত বাঁশ গোড়ার কচি অংশকে বোঝায় যা সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। প্রাচ্যের রন্ধন শিল্পে এর বহুল ব্যাবহার রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৃগোষ্ঠীদের ভোজন তালিকায় এর বিষেশ স্থান রয়েছে। বাঁশ কোড়ল মারমাদের কাছে মহ্‌ই, চাকমাদের কাছে বাচ্ছুরি, আর ত্রিপুরাদের কাছে মেওয়া নামে পরিচিত। এই সবজিটি বিশেষ করে বর্ষাকালে দেখা যায়। তবে সব বাঁশের কোড়ল খাওয়া যায় না। যেগুলো খাওয়া যায়, তার মধ্যে মুলি বাঁশ, ডলু বাঁশ, মিতিংগ্যা বাঁশ, ফারুয়া বাঁশ, বাজ্জে বাঁশ, ও কালিছুরি জাত বেশ সুস্বাদু।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]