বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক, পুরুলিয়া জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বলরামপুর
সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক
বলরামপুর পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
বলরামপুর
বলরামপুর
পশ্চিমবঙ্গে বলরামপুরের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°০৫′৪৮″ উত্তর ৮৬°১৩′০৫″ পূর্ব / ২৩.০৯৬৬৭° উত্তর ৮৬.২১৮০৬° পূর্ব / 23.09667; 86.21806
দেশ ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাপুরুলিয়া
লোকসভা কেন্দ্রপুরুলিয়া
বিধানসভা কেন্দ্রবাঘমুন্ডি
আয়তন
 • মোট৩০০.৮৮ বর্গকিমি (১১৬.১৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১,৩৭,৯৫০
 • জনঘনত্ব৪০৭/বর্গকিমি (১,০৫০/বর্গমাইল)
ভাষা
 • সরকারিবাংলা, সাঁওতালি, ইংরেজি
সময় অঞ্চলভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+০৫.৩০)
টেলিফোন/এসটিডি কোড০৩২৫৪
যানবাহন নিবন্ধনডব্লিউবি-৫৫, ডব্লিউবি-৫৬
সাক্ষরতার হার৬০.৪০%
ওয়েবসাইটhttp://purulia.gov.in/

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলার পুরুলিয়া সদর মহকুমার একটি প্রশাসনিক বিভাগ (সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক)।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে রচিত জৈন ধর্মগ্রন্থ ভগবতীসূত্রে পুরুলিয়াকে প্রাচীন ষোড়শ মহাজনপদের অন্যতম বজ্রভূমির অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৮৩৩ সালে জঙ্গলমহল জেলা বিভাজিত করে মানভূম জেলা গঠিত হয়। এই জেলার সদর ছিল মানবাজার। ১৮৩৮ সালে সদর স্থানান্তরিত হয় পুরুলিয়া শহরে। স্বাধীনতার পর মানভূম জেলা বিহার রাজ্যের অংশই থেকে যায়। এই সময় বিহার সরকার জেলার সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাভাষীদের উপর হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে এই জেলায় বাংলা ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। ১৯৫৬ সালের রাজ্য পুনর্গঠন আইন এবং বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ (অঞ্চল হস্তান্তর) আইন অনুযায়ী মানভূম জেলা বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়।[১][২]

লাল করিডোর[সম্পাদনা]

অতি-বামপন্থী কার্যকলাপের নিরিখে ভারতের ১০টি রাজ্যের ১০৬টি জেলাকে লাল করিডোর বলে বর্ণনা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াবীরভূম জেলা লাল করিডোরের অংশ। অবশ্য ২০১৬ সালের জুলাই মাসের হিসেব অনুযায়ী, পূর্ববর্তী চার বছরে এই জেলাগুলিতে মাওবাদীদের কোনও কার্যকলাপের কথা নথিভুক্ত হয়নি।[৩]

পুরুলিয়া জেলার মাওবাদী-অধ্যুষিত সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকগুলি হল: ঝালদা ১, ঝালদা ২, আড়শা, বাঘমুন্ডি, বলরামপুর, বরাবাজার, মানবাজার ২বান্দোয়ান[৪] মানবাজার ১জয়পুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক থেকেও কয়েকটি মাওবাদী কার্যকলাপের খবর আসে এবং ক্ষেত্রবিশেষে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে সমগ্র পুরুলিয়া জেলাতেই মাওবাদী কার্যকলাপ চলছিল।[৫]

২০০৮ সালের ২ নভেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনী এলাকায় পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হত্যার একটি প্রয়াস ব্যর্থ হওয়ার পর লালগড় আন্দোলন সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এরপর পুলিশ এলাকায় শান্তিরক্ষায় প্রবৃত্ত হলে আশেপাশের এলাকাতেও ধড়পাকড় শুরু হয়।[৬] সিপিআই(এম)-এর অনেক কর্মী মাওবাদীদের হাতে নিহত হত। লালগড় আন্দোলনের কেন্দ্র লালগড় হলেও এটি পার্শ্ববর্তী তিন জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার ১৯টি থানা এলাকার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী এই সব ক'টি জেলাই ঘন অরণ্যে ঢাকা অঞ্চল। ২০০৯ সালের ১১ জুন এই অঞ্চলে সিআরপিএফ ও অন্যান্য বাহিনী নিয়োগ করা হয়। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তন ঘটে এবং ধীরে ধীরে লালগড় আন্দোলনও স্তিমিত হয়ে পড়ে। ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর মাওবাদী নেতা কিশেনজির মৃত্যুই এই ঘটনা-পরম্পরার শেষ উল্লেখযোগ্য ঘটনা।[৬][৭]

ভূগোল[সম্পাদনা]

পুরুলিয়া জেলার সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক গঠনকারী অন্যতম পঞ্চায়েত তেঁতলোর স্থানাংক ২৩°০৫′৪৮″ উত্তর ৮৬°১৩′০৫″ পূর্ব / ২৩.০৯৬৫৪৯৪° উত্তর ৮৬.২১৮১২৮২° পূর্ব / 23.0965494; 86.2181282

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক পুরুলিয়া জেলার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। বাঘমুন্ডি-বান্দোয়ান উচ্চভূমি রাঁচি মালভূমি থেকে নেমে আসা একটি অঞ্চল। বাঘমুন্ডি ও বলরামপুর অঞ্চলে অযোধ্যা পাহাড়ই প্রধান উচ্চভূমি অঞ্চলটি গঠন করেছে, যা সুবর্ণরেখাকংসাবতী নদীদ্বয়ের মধ্যে জলবিভাজিকার কাজ করে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই অঞ্চলের উচ্চতা ৪৭৫ থেকে ৭০০ মিটার।[৮]

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের উত্তর দিকে রয়েছে আড়শা সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক, পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে রয়েছে বরাবাজার সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক; এবং পশ্চিম দিকে রয়েছে ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সরাইকেলা খারসাওয়ান জেলার নিমডি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক ও বাঘমুন্ডি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক।[৯]

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের আয়তন ৩০০.৮৮ বর্গ কিলোমিটার। এই ব্লকে একটি পঞ্চায়েত সমিতি, ৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ৯২টি গ্রাম সংসদ, ৯০টি মৌজা, ৮৯টি জনবসতিপূর্ণ গ্রাম ও একটি জনগণনা নগর রয়েছে। ব্লকটি বলরামপুর থানার এক্তিয়ারভুক্ত এলাকার অন্তর্গত।[১০] এই ব্লকের সদর দফতর বাঘাডিতে অবস্থিত।[১১]

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক/পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি হল: বলরামপুর, বরা-উরমা, বেলা, দারদা, গেঁড়ুয়া, ঘাটবেড়া-কেড়োয়া ও তেঁতলো।[১২]

জনপরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের জনগণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের মোট জনসংখ্যা ১৩৭,৯৫০। এর মধ্যে ১১৩,৫১৯ জন গ্রামাঞ্চলের অধিবাসী এবং ২৪,৪৩১ জন শহরাঞ্চলের অধিবাসী। পুরুষের মোট সংখ্যা ৭০,৯৯৫ (৫১%) ও মহিলার মোট সংখ্যা ৬৬,৯৫৫ (৪৯%)। ২০,১১৮ জনের বয়স ছয় বছরের কম। তফসিলি জাতি-তালিকাভুক্ত জনসংখ্যা ১৬,৪২৭ (১১.৯১%) এবং তফসিলি উপজাতি-তালিকাভুক্ত জনসংখ্যা ৪৩,৭৩৮ (৩১.৭১%)।[১৩]

২০০১ সালের জনগণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের মোট জনসংখ্যা ছিল ১১৮,০৭৮; যার মধ্যে ৬০,৪২৪ জন ছিল পুরুষ এবং ৫৭,৬৪৭ জন ছিল মহিলা। ১৯৯১-২০০১ দশকে আড়শার জনসংখ্যা বৃদ্ধির নথিবদ্ধ হার ছিল ১৪.২৭ শতাংশ। উল্লেখ্য, এই দশকে পুরুলিয়া জেলায় এই হার ছিল ১৩.৯৬ শতাংশ[১৪] এবং সমগ্র রাজ্যে এই হার ছিল ১৭.৮৪ শতাংশ।[১৫]

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের একমাত্র জনগণনা নগরটি হল (বন্ধনীতে ২০১১ সালের জনগণনার হিসেব): বলরামপুর (২৪,৪৩১)।[১৩]

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের বড়ো গ্রাম (৪,০০০+ জনসংখ্যাবিশিষ্ট) হল (বন্ধনীতে ২০১১ সালের জনগণনার হিসেব): গেঁড়ুয়া (৬,৪৫৬).[১৩]

এই ব্লকের অন্যান্য গ্রামগুলি হল (বন্ধনীতে ২০১১ সালের জনগণনার হিসেব): বেলা (৩,৪৩৬), দারদা (২,৬১৯), তেঁতলো (২,৯২৪), ঘাটবেড়া (১,৮৫৮) ও কেড়ায়া (২,১৪০)।[১৩]

সাক্ষরতা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের জনগণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের মোট সাক্ষর জনসংখ্যা ৭১,১৭৬ (অন্যূন ছয় বছর বয়সী জনসংখ্যার ৬০.৪০ শতাংশ); এর মধ্যে পুরুষ সাক্ষরের সংখ্যা ৪৪,৯৫০ (অন্যূন ছয় বছর বয়সী পুরুষ জনসংখ্যার ৭৪.১৮ শতাংশ) এবং সাক্ষর মহিলার সংখ্যা ২৬,২২৬ (অন্যূন ছয় বছর বয়সী মহিলা জনসংখ্যার ৪৫.৮২ শতাংশ)। সাক্ষরতার ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্যের হার ছিল ২৮.৩৫ শতাংশ।[১৩] টেমপ্লেট:Literacy in CD Blocks of Purulia district

ভাষা ও ধর্ম[সম্পাদনা]

২০০১ সালের জনগণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরুলিয়া জেলার ৭৬.৬ শতাংশ অধিবাসীর মাতৃভাষা ছিল বাংলা, ১১.৪ শতাংশের সাঁওতালি, ৭.৭ শতাংশের কুর্মালি, ১.৯ শতাংশের হিন্দি, ১.১ শতাংশের উর্দু, ০.৩ শতাংশের খোরঠা/খোট্টা, ০.২ শতাংশের তেলুগু, ০.১ শতাংশের ওডিয়া, ০.১ শতাংশের মুন্ডারি এবং ০.৪ শতাংশের অন্যান্য ভাষা।[১৬]

২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারি ভাষা (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল অনুযায়ী, কোনও নির্দিষ্ট ব্লক বা মহকুমা বা জেলায় জনসংখ্যা ১০ শতাংশের বেশি অংশের ভাষা হিন্দি, সাঁওতালি, ওডিয়া বা পাঞ্জাবি হলে সংশ্লিষ্ট ভাষাটি সেই অঞ্চলে অতিরিক্ত সরকারি ভাষার মর্যাদা পাবে। এরপর ২০১৮ সালের পশ্চিমবঙ্গ সরকারি ভাষা (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিলে রাজ্যের সংখ্যালঘু ভাষার তালিকায় কামতাপুরী, রাজবংশী ও কুর্মালিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।[১৭][১৮]

পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যে স্থানীয় বাংলা উপভাষা প্রচলিত তা প্রায়শই কুর্মালি, খোরঠা ও খোট্টাহির মতো মগহি উপভাষা, এমনকি খোট্টা বাংলার সঙ্গেও মিশে যায়। জেলার অনেক সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকেই আদিবাসীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। পূর্বতন মানভূম জেলার জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশের মাতৃভাষা ছিল সাঁওতালি। কেউ কেউ কুর্মালি, মুণ্ডারি এবং ভূমিজ বা মাহলি সম্প্রদায়ের ভাষার মতো মুন্ডারি বা কোলারিয়ান ভাষাতেও কথা বলত। যদিও খুব অল্প সংখ্যক মানুষই এই ভাষাগুলিতে (বিষেষত ভূমিজদের ভাষায়) কথা বলত। সেই কারণে সন্দেহ করা হয় যে, বিভিন্ন জনগণনায় আদিবাসীরাও বাংলাকে নিজেদের মাতৃভাষা বলে নথিভুক্ত করেছে, যদিও তারা এখনও এই সকল ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথোপকথন চালায়।[১৯]

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের ধর্মবিশ্বাস
হিন্দু
  
৭৮.৮৯%
মুসলমান
  
৫.৭৭%
খ্রিস্টান
  
০.৪৭%
অন্যান্য
  
১৪.৮৭%

২০১১ সালের জনগণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আড়শা সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের হিন্দুদের মোট সংখ্যা ১০৮,৮২৯; যা মোট জনসংখ্যার ৭৮.৮৯ শতাংশ। মুসলমানের সংখ্যা ৭,৯৬৬ (৫.৭৭ শতাংশ), খ্রিস্টানের সংখ্যা ৬৪৮ (০.৪৭ শতাংশ) এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ২০,৫০৭ (১৪.৮৭ শতাংশ)।[২০] অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আছে আদিবাসী, মারাং বোরো, সাঁওতাল, সারনাথ, সারি ধর্ম, সর্না, আলছি, বিদিন, সন্ত, সায়েভধর্ম, সেরান, সরন, সারিন, খেরিয়া,[২১] ও অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়।[২০]

গ্রামীণ দারিদ্র[সম্পাদনা]

২০০৫ সালে গ্রামীণ পরিবার সমীক্ষার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরুলিয়া জেলার ৩২.৮৫ শতাংশ পরিবার দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।[২২] বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১২ সালে পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদউত্তর দিনাজপুর জেলার ৩১-৩৮ শতাংশ পরিবার দারিদ্র সীমার নিচের রয়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গে সকল জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ হার। উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের মোট জনসংখ্যার মধ্যে ২০ শতাংশই দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।[২৩]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জীবিকা[সম্পাদনা]

বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে
জীবিকা

  কৃষক (২১.৭৬%)
  খেতমজুর (৩১.৭৩%)
  কুটিরশিল্পের শ্রমিক (২.৬৮%)
  অন্যান্য শ্রমিক (৩৭.৮৩%)

২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের সকল শ্রমিকদের মধ্যে ১২,৩৩৩ জন কৃষক (২১.৭৬ শতাংশ), ২১,৩৮৪ জন খেতমজুর (৩১.৭৩ শতাংশ), ১,৫১৭ জন কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত (২.৬৮ শতাংশ) এবং ২১,৪৪১ জন অন্যান্য ক্ষেত্রের শ্রমিক (৩৭.৮৩ শতাংশ)।[২৪] ব্লকে মোট শ্রমিকের সংখ্যা ৫৬,৬৭৫ (মোট জনসংখ্যার ৪১.০৮ শতাংশ) এবং অ-শ্রমিকের সংখ্যা ৮১,২৭৫ (মোট জনসংখ্যার ৫৮.৯২ শতাংশ)।[২৫]

টীকা: জনগণনার নথিতে সেই ব্যক্তিকেই কৃষক বিবেচনা করা হয়েছে, যিনি স্বীয়/সরকারি/প্রাতিষ্ঠানিক মালিকানাধীন জমিতে কৃষিকাজ/তত্ত্বাবধানের কাজে নিযুক্ত। যে ব্যক্তি অন্যের জমিতে অর্থ বা সম্পদ বা অংশীদারিত্বের বিনিময়ে শ্রমদান করেন, তাঁকে খেতমজুর ধরা হয়। কুটিরশিল্প সেই শিল্পকেই বলা হয়, যাতে পরিবারে বা গ্রামের মধ্যে এক বা একাধিক সদস্য যুক্ত এবং যে শিল্প ১৯৪৮ সালের কারখানা আইন মোতাবেক কারখানা হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন নয়। অন্যান্য শ্রমিকেরা হলেন কৃষক, খেতমজুর বা কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক ভিন্ন অন্য উপায়ে যাঁরা অর্থনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। এঁদের মধ্যে আছেন কারখানা, খনি, বন, পরিবহণ ও অফিসের কর্মচারী, যাঁরা ব্যবসা ও বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত, শিক্ষক, বিনোদনশিল্পী প্রমুখ।[২৬]

পরিকাঠামো[সম্পাদনা]

২০১১ সালে প্রকাশিত ডিস্ট্রিক্ট সেন্সাস হ্যান্ডবুক, পুরুলিয়া-য় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে ৮৯টি জনবসতিপূর্ণ গ্রাম রয়েছে। ৮৭টি গ্রামে (৯৭.৯৫ শতাংশ) বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। ৮৯টি গ্রামে (১০০ শতাংশ) পানীয় জলের সরবরাহ রয়েছে। ১৪টি গ্রামে (১৫.৭৩ শতাংশ) ডাকঘর রয়েছে। ৭৮টি গ্রামে (৮৭.৬৪ শতাংশ) টেলিফোন সংযোগ (ল্যান্ডলাইন, পাবলিক কল অফিস ও মোবাইল ফোন সহ) রয়েছে। ২২টি গ্রামে (২৪.৭২ শতাংশ) পাকা রাস্তা এবং ২৪টি গ্রামে (২৬.৯৭ শতাংশ) পরিবহন সংযোগ (বাস, রেল ও নাব্য জলপথ) রয়েছে। ৬টি গ্রামে (৬.৭৪ শতাংশ) কৃষিঋণ সংস্থা ও ৪টি গ্রামে (৪.৪৯ শতাংশ) ব্যাংক পরিষেবা সুলভ।[২৭]

কৃষি[সম্পাদনা]

২০১৩-১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিম্নোক্ত উপায়ে শ্রেণিবিভক্ত করা হয়: বর্গাদার ০.৭১ শতাংশ, পাট্টার (নথি) অধিকারী ১৭.৬২ শতাংশ, ছোটো চাষি (১ ও ২ হেক্টর জমির মালিক) ৬.৬৫ শতাংশ, প্রান্তিক চাষি (১ একরের কম পরিমাণ জমির মালিক) ২৪.১০ শতাংশ ও খেতমজুর ৫০.৯২ শতাংশ।[২৮]

২০১৩-১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের মোট সেচিত জমির পরিমাণ ৭,৫৯১.৭৩ হেক্টর, যার মধ্যে ৩,৩৯৩.৬১ হেক্টর জমির খালের জলে সেচিত, ৩,৭৩৬.৬৭ হেক্টর জমি জলাধারের জলে সেচিত, ৬১.৫৭ হেক্টর জমি নদী থেকে তোলা জলে সেচিত, ৯৯.৮০ হেক্টর জমি খনিত কূপের জলে সেচিত এবং ৩০০.০০ হেক্টর জমি অন্য উপায়ে সেচিত হয়।[২৮]

২০১৩-১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে ৩০,০৩৪ হেক্টর জমি থেকে মোট ৭৪,৪১০ টন আমন ধান (প্রধান শীতকালীন ফসল); ১১৩ হেক্টর জমি থেকে ৩৩৪ টন বোরো ধান (গ্রীষ্মকালীন ফসল); ১২৫ হেক্টর জমি থেকে ২৯৯ টন গম; ৩৭৩ হেক্টর জমি থেকে ৩৭৩ টন ভুট্টা; ৭৫ হেক্টর জমি থেকে ১,৭৭৫ টন আলু উৎপাদিত হয়। এছাড়াও এই ব্লকে মাসকলাই, তিল ও সরষে উৎপাদিত হয়।[২৮]

ব্যাংক পরিষেবা[সম্পাদনা]

২০১৩-১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ১টি গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যালয় রয়েছে।[২৮]

অনুন্নত অঞ্চল অনুদান তহবিল[সম্পাদনা]

পুরুলিয়া জেলা অনুন্নত অঞ্চল হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ায় এই জাতীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক গঠিত অনুন্নত অঞ্চল অনুদান তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য লাভ করে। ২০১২ সালের হিসেব অনুযায়ী, সারা দেশের ২৭২টি জেলা এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত; যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জেলা রয়েছে।[২৯][৩০]

পরিবহণ[সম্পাদনা]

২০১৩-১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, আশড়া সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে ৪টি প্রান্তিক বাস রুট রয়েছে।[২৮]

১৮ নং জাতীয় সড়ক ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ধানবাদ জেলার গোবিন্দপুর (১৯ নং জাতীয় সড়কের মোড়) থেকে ওডিশা রাজ্যের বালেশ্বরের দিকে যাওয়ার পথে পুরুলিয়া জেলার ঝালদা থেকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জুনপুট পর্যন্ত প্রসারিত ৪ নং জাতীয় সড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে বলরামপুরে।[৩১][৩২]

দক্ষিণ পূর্ব রেলের আসানসোল-টাটানগর-খড়গপুর লাইনের আদ্রা-চান্ডিল শাখা এই সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের উপর দিয়ে গিয়েছে। বরাভূমবিরামডি রেল স্টেশন দু'টি এই ব্লকে অবস্থিত।[৩৩]

শিক্ষাব্যবস্থা[সম্পাদনা]

২০১৩-১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের ১২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৩,৫৩৭ জন শিক্ষার্থী, ২০টি মধ্য বিদ্যালয়ে ৯৩৪ জন শিক্ষার্থী এবং ১০টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৩,৯৩৮ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এই ব্লকের একটি সাধারণ কলেজে ১,৮৬২ জন শিক্ষার্থী এবং বিশেষ ও অচিরাচরিত ধারার ৩৭৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭,৮৬০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।[২৮]

২০১১ সালের জনগণনার তথ্য অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের ৮৯টি জনবসতিপূর্ণ গ্রামের মধ্যে ৫টি গ্রামে একটিও বিদ্যালয় নেই, ৩৬টি গ্রামে দুই বা ততোধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে, ৩৫টি গ্রামে অন্তত একটি প্রাথমিক ও একটি মধ্য বিদ্যালয় আছে এবং ৮টি গ্রামে অন্তত একটি মধ্য ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে।[৩৪]

১৯৮৫ সালে রাঙাডিতে বলরামপুর কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।[৩৫]

স্বাস্থ্য পরিষেবা[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, বলরামপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে একটি গ্রামীণ হাসপাতাল, ৩টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১টি বেসরকারি নার্সিং হোম আছে। এগুলিতে মোট ৬৭টি শয্যা ও ৮ জন চিকিৎসক সুলভ। ব্লকের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপকেন্দ্রগুলিতে ১০,২৫৫ জন রোগী অন্তর্বিভাগে ও ২৫০,৪১৪ জন রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসার সুযোগ পান।[২৮]

রাঙাডির ৩০টি শয্যাবিশিষ্ট বাঁশগড় গ্রামীণ হাসপাতাল হল এই ব্লকের প্রধান সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। কেড়োয়াতে (১০টি শয্যাবিশিষ্ট), নেকরায়ে (৬টি শয্যাবিশিষ্ট) ও মালতীতে (৬টি শয্যাবিশিষ্ট) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে।[৩৬][৩৭] বাঁশগড়ে ১৫টি শয্যাবিশিষ্ট গান্ধী স্মৃতি হাসপাতাল একটি বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত হয়।[৩৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Historical background"। Purulia District। ২০০৮-০১-০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০১৬ 
  2. "Historical Event: Bhasa Andolan"Department of Information and Cultural Affairs। Purulia.nic.in। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  3. Singh, Vijayita। "Red Corridor to be redrawn"। The Hindu, 25 July 2016। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৬ 
  4. "IAP improving lives in Maoist-affected areas"। Ideas for India। ২ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  5. "Maoists observe 24 hr bandh in five states"। UNI, One India। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  6. "Lalgarh Battle"Frontline। ১৭ জুলাই ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৬ 
  7. "Kishenji's death a serious blow to Maoist movement"The Hindu। ২৫ নভেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৬ 
  8. "District Census Handbook Puruliya" (PDF)pages 11,12। Directorate of Census Operations West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  9. "Purulia district"Blocks in Purulia district। Purulia district administration। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  10. "District Statistical Handbook 2014 Purulia"Tables 2.1, 2.2। Department of Statistics and Programme Implementation, Government of West Bengal। ২১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  11. "District Census Handbook: Puruliya" (PDF)Map of District Puruliya with CD block HQs and Police Stations (on the fifth page)। Directorate of Census Operations, West Bengal, 2011। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  12. "Directory of District, Subdivision, Panchayat Samiti/ Block and Gram Panchayats in West Bengal"Paschim Medinipur - Revised in March 2008। Panchayats and Rural Development Department, Government of West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  13. "C.D. Block Wise Primary Census Abstract Data(PCA)"2011 census: West Bengal – District-wise CD blocks। Registrar General and Census Commissioner, India। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  14. "Provisional population totals, West Bengal, Table 4, Puruliya District"Census of India 2001। Census Commission of India। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  15. "Provisional Population Totals, West Bengal. Table 4"Census of India 2001। Census Commission of India। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০১৬ 
  16. "District Census Handbook Puruliya, Series 20, Part XXA" (PDF)page 44: Mother tongue। Directorate of Census Operations West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  17. "Multilingual Bengal"। The Telegraph, 11 December 2012। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ 
  18. "Kamtapuri, Rajbanshi make it to the list of official languages in Bengal"। Outlook, 28 February 2015। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ 
  19. "Bengal District Gazetteers - Manbhum by H. Coupland, ICS"Section 72, First Published 1911। University of California, San Diego। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  20. "C1 Population by Religious Community"West Bengal। Registrar General and Census Commissioner, India। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  21. "ST-14 A Details Of Religions Shown Under 'Other Religions And Persuasions' In Main Table"West Bengal। Registrar General and Census Commissioner, India। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  22. "West Bengal Summary"Rural Household Survey 2005। Department of Panchayat & Rural Development, Government of West Bengal। ১৩ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২০ 
  23. "West Bengal: Poverty, Growth and Inequality" (PDF)। World Bank Group। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২০ 
  24. "District Census Handbook Puruliya, Census of India 2011, Series 20, Part XII A" (PDF)Table 33: Distribution of Workers by Sex in Four Categories of Economic Activity in Sub-district 2011। Directorate of Census Operations, West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  25. "District Census Handbook Puruliya, Census of India 2011, Series 20, Part XII A" (PDF)Table 30: Number and percentage of Main workers, Marginal workers and Non workers by Sex, in Sub-districts, 2011। Directorate of Census Operations, West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  26. "District Census Handbook Puruliya, Census of India 2011, Series 20, Part XII A" (PDF)Census Concepts and Definitions, Page 23। Directorate of Census Operations, West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  27. "District Census Handbook, Puruliya, 2011, Series 20, Part XII A" (PDF)Page 79, Table 36: Distribution of villages according to availability of different amenities, 2011। Directorate of Census Operations, West Bengal.। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২০ 
  28. "District Statistical Handbook 2014 Purulia"Tables 8.2, 17.2, 18.2, 18.1, 20.1, 21.2, 4.4, 3.1, 3.3 – arranged as per use। Department of Statistics and Programme Implementation, Government of West Bengal। ২১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  29. "Backward Regions Grant Funds: Programme Guidelines" (PDF)। Ministry of Panchayati Raj, Government of India। ৩০ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  30. "Backward Regions Grant Fund"Press Release, 14 June 2012। Press Information Bureau, Government of India। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২০ 
  31. "Rationalisation of Numbering Systems of National Highways" (PDF)। New Delhi: Department of Road Transport and Highways। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৬ 
  32. "List of State Highways in West Bengal"। West Bengal Traffic Police। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৬ 
  33. "63594 Asansol-Purulia MEMU"Time Table। indiarailinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  34. "District Census Handbook, Puruliya, 2011, Series 20, Part XII A" (PDF)Page 976-77, Appendix I A: Villages by number of Primary Schools and Appendix I B: Villages by Primary, Middle and Secondary Schools। Directorate of Census Operations, West Bengal.। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০২০ 
  35. "Balarampur College"। BC। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২০ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  36. "Health & Family Welfare Department" (PDF)Health Statistics – Rural Hospitals। Government of West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০২০ 
  37. "Health & Family Welfare Department" (PDF)Health Statistics – Primary Health Centres। Government of West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০২০ 
  38. "Purulia.nic.in"Health। District administration। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০২০