বিষয়বস্তুতে চলুন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর
জুন ২০২৫ সালে চিত্রিত ভবনটির ধ্বংসাবশেষ
মানচিত্র
সাধারণ তথ্যাবলী
অবস্থাধ্বংসপ্রাপ্ত
ধরনআবাসিক ভবন (১৯৬১–১৯৭৫)
জাদুঘর (১৯৯৪–২০২৪)
ঠিকানাবাড়ি ৬৭৭/১০, সড়ক ৩২/১১, ধানমন্ডি, ঢাকা
দেশবাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৩°৪৫′০৬″ উত্তর ৯০°২২′৩৬″ পূর্ব / ২৩.৭৫১৭° উত্তর ৯০.৩৭৬৭° পূর্ব / 23.7517; 90.3767
নির্মাণ শুরু১৯৬০
সম্পূর্ণ১৯৬৬
উন্মুক্ত হয়েছে১৪ অগাস্ট ১৯৯৪ (জাদুঘর হিসেবে)
ভেঙ্গে ফেলা হয় ফেব্রুয়ারি ২০২৫; ১৬ মাস আগে (2025-02-06)
গ্রাহকশেখ মুজিবুর রহমান
স্বত্বাধিকারীবঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট
কারিগরি বিবরণ
তলার সংখ্যা
পরিচিতিবাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এ বাংলাদেশে অভ্যুত্থান
ওয়েবসাইট
bangabandhumuseum.org.bd

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর[] ঢাকা শহরের ধানমন্ডিতে অবস্থিত শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণার্থে স্থাপিত একটি জাদুঘর ছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্-কালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই স্থানে প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।[] ২০২৪ সালে সংঘটিত ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সহিংসতায় এটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়[] এবং ২০২৫ সালে পুনরায় হামলা চালিয়ে এটি ভেঙে ফেলা হয়[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করছেন শেখ মুজিবুর রহমান

ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে শেখ মুজিব স্বাধীনতাপূর্ব কাল থেকেই বসবাস করতেন। ১৯৫৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান মন্ত্রী থাকাকালীন তার একান্ত সচিব নূরুজ্জামান বেগম মুজিবের অনুরোধে ধানমন্ডি এলাকার জমির জন্য গণপূর্ত বিভাগে আবেদনপত্র জমা দেন। ১৯৫৭ সালে ছয় হাজার টাকায় ধানমন্ডিতে এক বিঘা জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে প্রথমে এখানে দুই কক্ষবিশিষ্ট একতলা বাড়ি ও পরে দোতলা করা হয়। ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর শেখ মুজিবুর রহমান পরিবার-পরিজন নিয়ে নির্মাণাধীন এই বাড়িতে ওঠেন। তখন একতলা বাড়িটিতে মাত্র দু’টি শয়নকক্ষ ছিল, যার একটি কক্ষে মুজিব দম্পতি থাকতেন। ১৯৬৬ সালে দ্বিতীয় তলার নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত নিচতলার এই কক্ষেই মুজিব দম্পতি থাকতেন। দ্বিতীয় তলায় বসবাস শুরু হলে এই কক্ষটি তিনি গ্রন্থাগার হিসেবে ব্যবহার করতেন। উত্তর পাশের লাগোয়া কক্ষে শেখ হাসিনাশেখ রেহানা থাকতেন। এই কক্ষেরই একপাশে থাকতেন শেখ কামালশেখ জামাল। বাড়িতে ঢুকতেই ছিল ছোট একটি কক্ষ, যা ড্রয়িং রুম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। শেখ মুজিবুর রহমান এই বাড়ি থেকে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্-কালীন সময়ে জনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও জরুরি সিদ্ধান্ত দিতেন। ১৯৭১ সালের সাতই মার্চের ভাষণের পর এই বাড়ি থেকে যে দিক-নির্দেশনা দেওয়া হতো সেই মোতাবেক দেশ পরিচালিত হতো।[]

তিনি যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তখন এই ভবনেই ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সামরিক বাহিনীর একদল সশস্ত্র সদস্যের আক্রমণে সপরিবারে নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর সরকার বাড়িটিকে সিলগালা করে দেয়। ১৯৮১ সালে বাড়িটি শেখ হাসিনার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পরে মুজিবের দুই জীবিত উত্তরাধিকারী শেখ হাসিনাশেখ রেহানা ১৯৯৪ সালের ১১ই এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করে এই বাড়িটি ট্রাস্টের হাতে অর্পণ করেন। ১৯৯৪ সালের ১৪ই আগস্ট মুজিব ও তার পরিবারের স্মৃতি বিজড়িত কিছু সামগ্রীর সংগ্রহ নিয়ে এ বাড়িতেই "জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর" নামে একটি জাদুঘর স্থাপন করা হয়। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানের এই বাড়িটি ও টুঙ্গিপাড়ার বাড়িটি দেখাশোনার পাশাপাশি বর্তমানে এর অধীনে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ছাড়াও শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল এন্ড নার্সিং কলেজটিও পরিচালিত হচ্ছে।[][]

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

হামলা, ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংস

[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে হামলা ও দখল

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার পর রাত ১টা ৩০ মিনিট তথা ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে প্রথমে ঢাকা সেনানিবাস ও পরে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের মিয়ানওয়ালি কারাগারে আটক রাখা হয়। মুজিব পরিবারকে ধানমন্ডির ১৮ নম্বর সড়কের ২৬ নম্বর বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। বাংলাদেশ বিজয় লাভ করার আগ পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাড়িটি দখল করে রাখে। পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর গুলির আঘাতে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বাড়ির মেরামত কাজ শেষ হলে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে তিনি এই বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতে থাকেন।[]

১৯৭৫ সালে হত্যাকান্ড ও লুট

[সম্পাদনা]

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর হামলাকারীরা বাড়িটি আংশিক লুট করে।[] হত্যা মামলায় ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল ১২ জন সামরিক কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।[]

১৯৮৯ সালে হামলা

[সম্পাদনা]

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট রাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থান কালে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ১৫/২০ জনের একদল অস্ত্রধারী ভবনটি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় নিরাপত্তারক্ষীরা পাল্টা গুলি চালায় এবং আওয়ামী লীগের উপস্থিত নেতাকর্মীরা ধাওয়া করলে অস্ত্রধারীরা বাংলাদেশ ফ্রিডম পার্টির পক্ষে স্লোগান দিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে ধানমন্ডি ২৬ নম্বরের দিকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর মামলার ঘোষিত রায়ে ফ্রিডম পার্টির ১১ জনের সাজা হয়।[]

২০২৪ সালে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুট

[সম্পাদনা]

২০২৪ সালের আগস্ট মাসে অসহযোগ আন্দোলন চলাকালীন ৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ বাড়িটিতে অগ্নিসংযোগ করে ও লুটপাট চালায়। এতে জাদুঘরে সংরক্ষিত প্রায় সকল নিদর্শন ধ্বংস হয়ে যায়।[] এসময় পার্শ্ববর্তী কয়েকটি ভবন ও স্থাপনায়ও হামলার ঘটনা ঘটে।[১০] পরবর্তীতে পুড়ে যাওয়া স্থাপনা থেকে অজ্ঞাত ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।[১১] পরের দিন ভবনটি দেখতে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভীড় করেন এবং জাদুঘরে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দেয়ালে প্রতিবাদী গ্রাফিতি আঁকা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সাথে ছাত্ররাও যোগদান করে। তারা ঘটনাস্থল থেকে লুটপাট ঠেকানোর চেষ্টার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেয়। ভবনের পাঠাগার থেকে উদ্ধারকৃত বই সমূহ কেন্দ্রীয় পাঠাগারে স্থানান্তর করা হয় এবং সেনাবাহিনী ভবনটি নিয়ন্ত্রণে নেয়।[১০][১২]

ধ্বংসপ্রাপ্ত স্মৃতিস্তম্ভে ছাত্রদের আঁকা গ্রাফিতি

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেন,

"আজকে ৩২ এর বাড়ি যেভাবে জ্বলতে, পুড়তে, ধ্বংস হতে দেখলাম, তার আগে আমার মৃত্যু হলে অনেক ভালো হত।... আজকের এই ধ্বংস ভবিষ্যত ইতিহাসে বাঙালি জাতির জন্যে একটা কলঙ্কের হয়ে থাকবে।"[১৩]

২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট, শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে কিছু মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার চেষ্টা করলে লাঠিসোঁটা হাতে একদল লোক তাদের বাধা দেয় ও আক্রমণ করে।[১৪] এতে একজন নিহত ও শতাধিক আহত হন।[১৫][১৬] এসময় অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীও হামলার শিকার হন এবং কাদের সিদ্দিকীর গাড়ি ভাংচুর করা হয়।[১৭][১৮] হামলাকারীরা স্থানটিতে প্রবেশের পথ অবরুদ্ধ করে রাখে এবং সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা প্রদান করে।[১৯]

২০২৫ সালে হামলা ও ধ্বংস

[সম্পাদনা]
ধ্বংসযজ্ঞ চলাকালীন ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ফেব্রুয়ারি চিত্রিত ভবনটির ধ্বংসাবশেষ

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ফেসবুক পাতায় শেখ হাসিনা ৫ ফেব্রুয়ারি রাত ৯ টায় ভাষণ দেবেন বলে জানানো হয়। ভাষণ দেওয়ার পূর্বে সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চ সমর্থিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ উনার ফেসবুক পাতায় "বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্তি হবে" বলে পোস্ট দেন। একই দিনে ডানপন্থী নির্বাসিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পিনাকী ভট্টাচার্যও ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় ধানমন্ডি-৩২ ভেঙে ফেলার জন্য আহ্বান করেন।[২০] ফেসবুকে অনেকে বুলডোজার মিছিল শিরোনামে পোস্ট করেন। রাত ৮ টার পরপরই ভবনটি ভাঙা শুরু হয়।[২১] শেখ হাসিনা তার ভাষণে এই হামলার সমালোচনা করেন।[২২] ভবনটি ধ্বংসের পর বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দা জানানো হয়।[২৩] ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই শেখ মুজিবের জন্মস্থান গোপালগঞ্জে 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির কর্মসূচি পালন কালে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে উঠে। এসময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে।[২৪][২৫] ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ধানমন্ডি ৩২ এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে পুনরায় বাধা ও হামলার শিকার হন অনেকে।[২৬] ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর ভবনটির ধ্বংসাবশেষে ভাংচুরের একটি সংঘবদ্ধ চেষ্টা পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রতিহত করে।[২৭] ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যু পরবর্তী সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতিতে হাদি সমর্থকদের একাংশ ধানমন্ডির ৩২-এর ধ্বংসাবশেষে ৩য় দফায় হামলা ও ভাংচুর চালায়।[২৮]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. দাপ্তরিক নাম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর হলেও সংক্ষেপে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর এবং অনানুষ্ঠানিকভাবে ধানমন্ডি ৩২ নামেও পরিচিত

উদ্ধৃতি

[সম্পাদনা]
  1. দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ১৪ আগস্ট ২০১০ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. 1 2 "ধানমন্ডি ৩২ এখন ধ্বংসস্তূপ"বাংলা ট্রিবিউন। ৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৪
  3. "ভেঙে দেওয়া হচ্ছে ৩২ নম্বরের বাড়ি"দৈনিক প্রথম আলো। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
  4. 1 2 Hasan, Mahbub (১৫ আগস্ট ২০২০)। ধানমন্ডি-৩২ এর সেই বাড়িটি যেভাবে হয়ে উঠলো 'বঙ্গবন্ধু জাদুঘর' [How that house in Dhanmondi-32 became 'Bangabandhu Museum']বাংলা ট্রিবিউন। ১৪ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২২
  5. "অফিসিয়াল ওয়েবসাইট"। ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  6. "বঙ্গবন্ধু ভবন যেন বাংলাদেশের হৃদয়"Newsbangla24। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ৮ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০২৩
  7. "প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২১
  8. "News Details" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৭[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  9. "'৮৯ সালের ১০ আগস্ট গ্রেনেড গুলিতে কেঁপে ওঠে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর"Cumillar Dhoni। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  10. 1 2 "Bangabandhu museum on Dhanmondi 32: Torching an integral part of country's history"দ্য ডেইলি স্টার। ৭ আগস্ট ২০২৪।
  11. "ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে ৪ লাশ"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৪
  12. "Students step up to clean streets after Hasina's ouster"Daily Sun। ৮ আগস্ট ২০২৪।
  13. "Torching Bangabandhu Museum will be a 'dark chapter' in Bengali history, says Kader Siddique"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ৭ আগস্ট ২০২৪।
  14. "ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে যেতে বাধা, মারধর"বণিক বার্তা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৪
  15. "১৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে গিয়ে হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু"দৈনিক প্রথম আলো। ৩০ আগস্ট ২০২৪।
  16. "Dhanmondi 32: More than 100 hospitalised after beatings, 30 taken away by security forces"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৫ আগস্ট ২০২৪।
  17. "Crowd paying homage to Bangabandhu at Dhanmondi 32 assaulted with sticks"Crowd paying homage at Dhanmondi 32 attacked (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৪
  18. Mojid, Muhammad Ibrahim (১৬ আগস্ট ২০২৪)। "Vandalism, media harassment and citizens' humiliation"ঢাকা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৪
  19. "ধানমন্ডি ৩২: হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা 'ছবি তোলা যাবে না ভিডিও করা যাবে না'"দ্য ডেইলি স্টার। ১৫ আগস্ট ২০২৪। ১৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৪
  20. "আওয়াজ তোলেন থাকবে না, ৩২ নাম্বার থাকবে না: পিনাকী"একুশে টিভি। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  21. জনকণ্ঠ, দৈনিক। "ভাঙ্গা হচ্ছে ধানমন্ডি ৩২"দৈনিক জনকণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  22. "বিবিসি বাংলা লাইভ: ধানমন্ডি ৩২, সুধাসদনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ"BBC News বাংলা। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  23. "২৬ বিশিষ্ট নাগরিক, টিআইবি, ব্লাস্ট ধ্বংসযজ্ঞ ও অগ্নিসংযোগের নিন্দা জানিয়েছে"দ্য ডেইলি স্টার। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
  24. "এনসিপির 'মার্চ টু গোপালগঞ্জ' ঘিরে সারা দিন যা যা হলো"বিবিসি বাংলা। ১৬ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৫
  25. "গোপালগঞ্জে গু'লিবিদ্ধ রিকশাচালক রমজান মুন্সী মা'রা গেছেন"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৫
  26. বাধা উপেক্ষা করে ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা, হেনস্তার শিকার অনেকে
  27. Excavators removed from Dhanmondi 32, law enforcers remain deployedProthom Alo। ১৮ নভেম্বর ২০২৫। {{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: অবৈধ |script-title=: উপসর্গ অনুপস্থিত (সাহায্য)
  28. "রোষের মুখে বঙ্গবন্ধুর ভাঙা বাড়িও, হাদির মৃত্যুর প্রতিশোধে আগুন হাসিনার পোস্টারে"এশিয়ানেট নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]