বিষয়বস্তুতে চলুন

ফ্লরেন্স ফস্টার জেনকিন্স

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফ্লরেন্স ফস্টার জেনকিন্স
ইংরেজি: Florence Foster Jenkins
জন্ম
নার্সিসা ফ্লরেন্স ফস্টার

(১৮৬৮-০৭-১৯)১৯ জুলাই ১৮৬৮
মৃত্যু২৬ নভেম্বর ১৯৪৪(1944-11-26) (বয়স ৭৬)
নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশাঅপেশাদার সঙ্গীতশিল্পী
কর্মজীবন১৯১২–১৯৪৪
দাম্পত্য সঙ্গীফ্র্যাঙ্ক থর্নটন জেনকিন্স (বি. ১৮৮৩; পৃথক ১৮৮৬)
সঙ্গীসেন্ট ক্লেয়ার বেফিল্ড (১৯০৯–১৯৪৪)

ফ্লরেন্স ফস্টার জেনকিন্স (জন্ম: নার্সিসা ফ্লরেন্স ফস্টার;[] ১৯ জুলাই ১৯৬৮ – ২৬ নভেম্বর ১৯৪৪) একজন মার্কিন বিশিষ্ট অভিজাত নারী ও অপেশাদার সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন, যিনি তার জাঁকজমক পোশাক কিন্তু খুবই দুর্বল গানের গলার জন্য পরিচিত ছিলেন। স্টিফেন পাইল তার লেখা দ্য বুক অব হেরোইক ফেইলারে তাকে বিশ্বের সবচেয়ে বাজে অপেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।[]

তার গায়কীতে দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও ১৯২০, ১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটিতে গায়িকা হিসেবে কাল্ট ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। কোল পোর্টার, জান কার্লো মেনোত্তি, লিলি পন্স ও স্যার টমাস বিচামের মত তারকারা তার ভক্ত ছিলেন।[][] কথিত আছে এনরিকো কারুজো "তাকে স্নেহ ও শ্রদ্ধার সাথে সম্মান করতেন।"[]

প্রারম্ভিক জীবন

[সম্পাদনা]

নার্সিসা ফ্লরেন্স ফস্টার ১৮৬৮ সালের ১৯শে জুলাই পেন্সিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের উইলকেস-বার শহরে জন্মগ্রহণ করেন।[] তার পিতা চার্লস ডোরেন্স ফস্টার একজন অ্যাটর্নি এবং পেন্সিলভেনিয়ার এক ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান ছিলেন,[][] এবং তার মাতা ম্যারি জেন হোগল্যান্ড ফস্টার।[] তার একমাত্র ছোট বোন লিলিয়ান ১৮৮৩ সালে আট বছর বয়সে ডিপথেরিয়া রোগে মারা যান।[][১০][১১]

ফস্টার বলেন তার যখন সাত বছর বয়স তখন তার জনসম্মুখে পরিবেশনার প্রতি আগ্রহ জন্মে।[১২] তিনি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে "লিটল মিস ফস্টার" নামে পিয়ানো বাজাতেন[১৩] এবং রাদারফোর্ড বি. হেইজের প্রশাসনকালীন হোয়াইট হাউজে একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন।[১২] তিনি ১৮৮১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৮৮২ সালের মার্চ পর্যন্ত পেন্সিলভেনিয়ার বেথেলহেমের মোরাভিয়ান সেমিনারি ফর ইয়াং লেডিজে পড়াশোনা করেন। তিনি সেখানকার ফোর্থ রুমের ২০ জন শিক্ষার্থীর একজন ছিলেন।[১৪] ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক বড়দিনের অনুষ্ঠানে ফস্টার "টু মেরি অ্যালপাইন মেইডস" পরিবেশন করেন।[১৫] বেথেলহেম ফিমেল সেমিনারিতে এক বছর থেকে কিছু কম সময়ে তিনি সঙ্গীতের তালিমের জন্য ১০০ মার্কিন ডলারের বেশি খরচ করেন।[১৬] হাইমনাল ক্রয়ের পর ফস্টারের সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পায়।[১৪][১৭]

উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করার পর তার পিতার অনুমতি ও অর্থ প্রদান করতে নারাজ হওয়ায় তার ইউরোপে সঙ্গীত নিয়ে পড়াশোনা করার আশা ধূলিসাৎ হয়ে যায়। ১৮৮৩ সালের ১১ই জুলাই তার বোনের শেষকৃত্যের দশ দিন পর এবং তার ১৫তম জন্মদিনের আট দিন পূর্বে তার থেকে ১৬ বছরের বড় একজন চিকিৎসক ডাক্তার ফ্রান্সিস "ফ্র্যাঙ্ক" থর্নটন জেনকিন্সের (১৮৫২-১৯১৭) সাথে তার বিয়ে হয়। ১৮৮০-এর দশকের পেন্সিলভেনিয়ায় বিয়ের বয়স ছিল দশ।[১০] পরের বছর, তার স্বামীর থেকে তার সিফিলিস সংক্রমিত হয়েছে জানতে পারার পর তিনি তাদের সম্পর্কের সমাপ্তি টানেন। অনেক বছর পর তিনি দাবি করেন ১৯০২ সালের ২৪শে মার্চ তিনি বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রি পেয়েছিলেন, যদিও এর কোন নথি পাওয়া যায়নি।[১৮] তিনি তার বাকি জীবন জেনকিন্স নাম ধারণ করে রেখেছিলেন।

বাহুতে আঘাত পাওয়ার পর পিয়ানোবাদক হিসেবে তার আকাঙ্খার ইতি ঘটে। জেনকিন্স ফিলাডেলফিয়ায় ১৮৯৭ সালের নির্মিত তার অ্যাপার্টমেন্ট "দ্য নিউপোর্ট"-এ পিয়ানোর তালিম দিতেন।[১৯] ১৯০০ সালের দিকে তিনি তার মাকে নিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটিতে চলে যান।[১২]

১৯০৯ সালে জেনকিন্স ৩৩ বছর বয়সী ব্রিটিশ অভিনেতা সেন্ট ক্লেয়ার বেফিল্ডের (১৮৭৫-১৯৬৭) সাথে পরিচিত হন। তারা একত্রে বসবাস শুরু করেন, যা তার বাকি জীবন ব্যাপী ছিল।[২০] সেই বছরের শেষভাগে তার পিতার মৃত্যুর পর,[১০] জেনকিন্স বিপুল পরিমাণ সম্পদের উত্তরাধিকারী হন এবং সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার সঙ্গীত জীবন পুনরায় শুরু করেন ও বেফিল্ড তার ব্যবস্থাপক হন।[২১] তিনি গানের তালিম নেওয়া শুরু করেন এবং নিউ ইয়র্ক সিটির ধনী সমাজের ডজন খানের সামাজিক ক্লাবে যুক্ত হন।[১৩]

১৯১২ সালের ৪৪ বছর বয়সের জেনকিন্স গানের তালিম নেওয়া শুরু করেন।[২১] ১৯১৭ সালে তিনি তার নিজের সামাজিক সংগঠন ভের্দি ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সোপরানো সঞ্চালক হন।[][২২] অচিরেই এই সংগঠনের সদস্য ৪০০ ছাড়িয়ে যায় এবং এর সম্মানিত সদস্য ছিলেন এনরিকো কারুসোজেরাল্ডিন ফেরার[১৩] ১৯৩০ সালে জেনকিন্সের মাতা মারা যাওয়ার পর তার সঙ্গীতজীবনের ব্যপ্তি ও প্রচারণার জন্য তিনি আরও সম্পদ লাভ করেন।[২৩]

মৃত্যু

[সম্পাদনা]

জেনকিন্স জি. শার্মারের সঙ্গীতের দোকানে কেনাকাটা করার সময় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এবং এক মাস পর ১৯৪৪ সালের ২৬শে নভেম্বর ম্যানহাটনে তার নিজ বাড়ি দ্য হোটেল সিমোরে মৃত্যুবরণ করেন।[১০][২২] তাকে পেন্সিলভেনিয়ার উইলকেস-বারের হোলেনব্যাক সেমেটারিতে তার পিতার পাশে সমাহিত করা হয়।[২৪]

সম্ভাব্য শারীরিক সমস্যা

[সম্পাদনা]

জেনকিন্সের গান পরিবেশনের সমস্যার কারণ হিসেবে চিকিৎসা না করা সিফিলিসকে চিহ্নিত করা হয়, যা এর তৃতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ক্রমাগত অবনতি ঘটায়।[২৫] এই রোগের কারণে সৃষ্ট স্নায়ুর ক্ষতি এবং অন্যান্য অসুস্থতা পারদ এবং আর্সেনিকের বিষাক্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার—যেমন শ্রবণশক্তি হ্রাস—কারণে আরও বেড়ে থাকতে পারে, যা অ্যান্টিবায়োটিক-পূর্ব যুগের প্রচলিত (এবং মূলত অকার্যকর) প্রতিকার ছিল।[২৬] ১৯৪০-এর দশকে পেনিসিলিন সহজলভ্য হওয়ার আগেই, জেনকিন্সের রোগ তৃতীয় পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল, যা অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি অসংবেদনশীল ছিল।[১২]

রেকর্ডিং

[সম্পাদনা]
  • এ-পার্শ্ব
  1. মোৎসার্ট: "কুইন অব দ্য নাইট এরিয়া", দ্য ম্যাজিক ফ্লুট (ইংরেজি ভাষায়)
  2. লিয়াদফ: "দ্য মিউজিক্যাল স্নাফ-বক্স" (অ্যাডেল এপস্টিনের ইংরেজি সংস্করণ)
  3. ম্যাকমুন: "লাইক আ বার্ড" (জেনকিন্সের গীত)
  4. ডেলিব্লেস: "বেল সং", লাকমি (ফরাসি ভাষায়)
  5. দাভিদ: "শার্মাঁ ওসো" (বাঁশি ও পিয়ানো সহযোগে), লা প্যর্ল দ্যু ব্রেসিল থেকে (ফরাসি ভাষায়)
  6. বাখ/পাভলোভিচ: "বিয়াসি" (বাখের প্রিলুড অ্যান্ড ফ্যুগ ইন জি মাইনর, বিডাব্লিউভি ৮৬১ এর ভূমিকাংশ থেকে, আলেক্সান্দ্‌র পুশকিনের গীত, রুশ ভাষায়)
  7. দ্বিতীয় ইয়োহান স্ট্রাউস: "মাইন হার মার্কেস" (অ্যাডেল'স লাফিং সং), ডিয়ে ফ্লেডেরমাউস" থেকে (লরেইন নোয়েল ফিনলির ইংরেজি সংস্করণ)
  • বি-পার্শ্ব আ ফাউস্ট ট্র্যাভেস্টি (গুনোডের ফাউস্ট থেকে), জেনি উইলিয়ামস (সোপরানো), টমাস বার্নস (পিয়ানো)
  1. "ভ্যালেনটাইন্‌স এরিয়া" (এয়ার আই লিভ মাই নেটিভ ল্যান্ড)
  2. "জুয়েল সং" (ও হেভেনলি জুয়েলস)
  3. "সালুত, দ্যমোর" (ইমোশন্স স্ট্রেঞ্জ)
  4. ফাইনাল ট্রায়ো (মাই হার্ট ইজ ওভারকাম উইথ টেরর, দ্বৈত সঙ্গীত)

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. One reference, Encyclopaedia Britannica, lists her first name as "Nascina", but according to all others, including the 1870 Federal Census, it is "Narcissa".

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. পাইল, স্টিফেন (২০১১)। The Ultimate Book of Heroic Failures। ফেবার অ্যান্ড ফেবার। পৃ. ১১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫৭১-২৭৭২৮-৫
  2. "Florence Foster Jenkins". ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত নভেম্বর ১২, ২০১৬ তারিখে. American National Biography Online. Retrieved October 18, 2016.
  3. "Celebrity fan club: the stars who loved the world's worst singer". ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত এপ্রিল ৪, ২০১৮ তারিখে. The Daily Telegraph. London.
  4. Dixon, Daniel (December 1957). "Florence Foster Jenkins The Diva of Din". ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ৫, ২০০৩ তারিখে Coronet. Via MaxBass.com.
  5. "Florence Foster Jenkins"এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। ১৬ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৬
  6. 1 2 "Music. Dreamer"টাইম। ১৯ নভেম্বর ১৯৩৪। ১৩ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০২৬
  7. স্ক্রাপিটস, এলিজাবেথ (২৪ ডিসেম্বর ২০১৪)। "Opera singer's family owned land"দ্য সিটিজেন্স' ভয়েস। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৬
  8. ওয়েপম্যান, ডেনিস (ফেব্রুয়ারি ২০০০) "Jenkins, Florence Foster". ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত নভেম্বর ১২, ২০১৬ তারিখে. American National Biography
  9. গ্যারেট, চার্লস হিরোশি, সম্পাদক (২০১৩)। "Jenkins, Florence Foster (née Foster, Nascina Florence)"। The Grove Dictionary of Music (২য় সংস্করণ)। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসআইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯৫৩-১৪২৮-১। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৬
  10. 1 2 3 4 রেইচেল, উইলিয়াম কর্নওয়ালিস; লেভারিগ, জে. মর্টিমার; বিগলার, উইলিয়াম সি. (১৯০১)। A history of the Moravian seminary for young ladies: at Bethlehem, PA. / with a catalogue of its pupils, 1785–1870. By William C. Reichel and Wm. H. Bigler. With a sketch of the school from 1742–1785, by Bishop J. Mortimer Levering, and a continuation of history and catalogue to the year 1900.। Moravian Church Archives, Bethlehem, Pa.: দ্য সেমিনারি। পৃ. ৬০২।
  11. লাউরি, মার্ক (১০ আগস্ট ২০১৬)। "Fort Worth man's film inspired Streep's Florence Foster Jenkins"ফোর্ট ওয়ার্থ স্টার-টেলিগ্রাম। ৬ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৬
  12. 1 2 3 4 কলাপ, ডি, Florence Foster Jenkins: A World of Her Own. DVD, Video Artists Int'l (2007). ওসিএলসি 191749195
  13. 1 2 3 সলসবুর্গ, নাথান (১৪ জুন ২০১৭)। "The Worst Singer in the World"প্যাসিফিক স্ট্যান্ডার্ড। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  14. 1 2 Class rosters of the Bethlehem Female Seminary। Moravian Church Archives, Bethlehem, Pa.: Records of the Female Seminary। ১৮৮১–১৮৮২।
  15. Musical Entertainment. Moravian Seminary for Young Ladies, Bethlehem, Pa.। Moravian Church Archives, Bethlehem, PA: Moravian Female Seminary। ১৮৮১। পৃ. Programme।
  16. "Bill Books" S & T, with Accounts for Florence Foster September- November 1881। Moravian Church Archives, Bethlehem, PA: Records of the Female Seminary। ১৮৭২–১৮৯৬।
  17. Accounts, Books Purchased by Students। Moravian Church Archives, Bethlehem, Pa.: Records of the Female Seminary। ১৮৭৯–১৮৮৯। পৃ. জানুয়ারি - মার্চ ১৮৮২।
  18. মার্টিন ও রিস ২০১৬, পৃ. ২৮–৩০।
  19. List of Alumnae, Bethlehem Female Seminary। Moravian Church Archives, Bethlehem, PA: Records of the Female Seminary, Bethlehem, Pa.। ১৮৯৬–১৮৯৯।
  20. Peters, Brooks (June 15, 2006). "Florence, The Nightingale?". (also appeared, but in slightly different format, in Opera News) 65 (12): 20–23 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত মার্চ ১৬, ২০১০ তারিখে
  21. 1 2 ম্যাকইন্টায়ার, এফ. গোয়াইনপ্লেইন (২৩ জুন ২০০৪)। "Happy in her work"নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ। ১০ আগস্ট ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৬
  22. 1 2 "Mrs. Florence F. Jenkins. Founder of Verdi Club. Gave Recital Here on Oct. 25"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। ২৭ নভেম্বর ১৯৪৪। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০২৬
  23. অটো, জুলি হেলেন "Ancestry of Florence Foster Jenkins". ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত এপ্রিল ৩০, ২০১৭ তারিখে. wargs.com. Retrieved August 17, 2024.
  24. "Queen Of The Night"এনপিআর (ইংরেজি ভাষায়)। ১ আগস্ট ২০১৪। ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০২৬
  25. নিকোলাস, জেরেমি. "Review: Florence Foster Jenkins – (A) World of Her Own" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে. গ্রামোফোন.
  26. মার্টিন ও রিস ২০১৬, পৃ. ২৮।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]