ফ্রিডরিখ মেরৎস
ফ্রিডরিখ মেরৎস | |
|---|---|
২০২৫ খ্রিস্টাব্দে মেরৎস | |
| জার্মানির চ্যান্সেলর (কানৎসলার) | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ৬ই মে ২০২৫ | |
| রাষ্ট্রপতি | ফ্রাংক-ভাল্টার ষ্টাইনমাইয়ার |
| উপ-চ্যান্সেলর | লার্স ক্লিংবাইল |
| পূর্বসূরী | ওলাফ শলৎস |
| খ্রিস্টান গণতান্ত্রিক সংঘের নেতা | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ৩১শে জানুয়ারি ২০২২ | |
| ডেপুটি | আন্ড্রেয়াস ইউং কারিন প্রিয়েন জিলভিয়া ব্রেয়ার মিখায়েল ক্রেটশ্মার কার্ল-ইয়োজেফ লাউমান |
| পূর্বসূরী | আর্মিন লাশেট |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ইওয়াখিম-ফ্রিডরিখ মার্টিন ইয়োজেফ মেরৎস ১১ নভেম্বর ১৯৫৫ ব্রিলন, পশ্চিম জার্মানি |
| রাজনৈতিক দল | খ্রিস্টান গণতান্ত্রিক সংঘ (১৯৭২ থেকে) |
| দাম্পত্য সঙ্গী |
|
| সন্তান | ৩ |
| বাসস্থান | আর্নসবের্গ |
| শিক্ষা | |
| স্বাক্ষর | |
| ওয়েবসাইট | www |
| সামরিক পরিষেবা | |
| আনুগত্য | |
| শাখা | |
| কাজের মেয়াদ | ১৯৭৫–১৯৭৬ |
| ইউনিট | পানৎসার গোলন্দাজি প্রশিক্ষণ ব্যাটালিয়ন ৩১০ |
ইওয়াখিম-ফ্রিডরিখ মার্টিন ইয়োজেফ মেরৎস (জার্মান: [joˈaxɪm ˈfʁiːdʁɪç ˈmɛʁts] ;[১] জন্ম ১১ই নভেম্বর ১৯৫৫) একজন জার্মান রাজনীতিবিদ, যিনি ২০২৫ সাল থেকে জার্মানির চ্যান্সেলর (কানৎসলার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে খ্রিস্টান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) নেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত জার্মানির জাতীয় আইনসভা বুন্ডেসটাগে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে সিডিইউ/সিএসইউ (ইউনিয়ন) সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
মেরৎস পশ্চিম জার্মানির নর্ডরাইন-ভেস্টফালেন রাজ্যের ব্রিলন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭২ সালে যুব সংঘে যোগদান করেন। ১৯৮৫ সালে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করার পর মেরৎস ১৯৮৯ সালে ইউরোপীয় সংসদে নির্বাচিত হন এবং এর পর পূর্ণকালীন রাজনীতিতে প্রবেশের আগে একজন বিচারক এবং কর্পোরেট আইনজীবী হিসেবেও কাজ করেন। ইউরোপীয় সংসদে এক মেয়াদ দায়িত্ব পালনের পর তিনি বুন্ডেসটাগে নির্বাচিত হন, যেখানে তিনি সিডিইউ দলের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক নীতি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ২০০০ সালে তিনি সিডিইউ/সিএসইউ সংসদীয় দলের প্রধান নির্বাচিত হন। একই বছর আঙ্গেলা মের্কেল সিডিইউর প্রধান নির্বাচিত হন। সে সময়ে তাঁরা দলের নেতৃত্বের জন্য প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, এবং তাদের দল সিএসইউ-এর সাথে মিলে প্রধান বিরোধী দল গঠন করেছিল।[২][৩]
২০০২ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর মের্কেল নিজের জন্য সংসদীয় দলের প্রধানের পদ দাবি করেন এবং মেরৎস সংসদীয় দলের উপনেতা নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন, যার ফলে তার সাথে মের্কেলের বছরের পর বছর ধরে চলা ক্ষমতার লড়াইয়ের অবসান ঘটে।[৪][৩] এরপর মেরৎস ধীরে ধীরে রাজনীতি থেকে সরে আসেন ও আইনি কর্মজীবনে মনোনিবেশ করেন। ২০০৯ সালে তিনি সম্পূর্ণরূপে সংসদ ত্যাগ করেন। তবে তিনি ২০২১ সালে সংসদে ফিরে আসেন। ২০০৪ সালে তিনি মেয়ার ব্রাউন আইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি ব্যবসা একীভূতকরণ এবং অধিগ্রহণ, ব্যাংকিং ও অর্থায়ন এবং সম্মতির উপর মনোনিবেশ করেছেন। তিনি ব্ল্যাকরক জার্মানিসহ বহু কোম্পানির পর্ষদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মেরৎস খ্যাতনামা কোটিপতি, অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তিগত বিমানচালক ও দুইটি বিমানের মালিক।[৫][৬] ২০১৮ সালে তিনি রাজনীতিতে ফিরে আসার ঘোষণা দেন। তিনি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সিডিইউ-এর নেতা নির্বাচিত হন এবং ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৮ সালে[৭][৮] এবং ২০২১ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দুটি পূর্ববর্তী নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি এই পদে জয়লাভ করতে ব্যর্থ হন।[৯][১০] ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি ২০২৫ সালের জার্মান জাতীয় নির্বাচনের আগে জার্মানির চ্যান্সেলর (কানৎসলার) পদে ইউনিয়নের প্রার্থী হন। পরবর্তীতে সিডিইউ/সিএসইউ এসপিডির সাথে একটি জোট গঠনের জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছে।[১১][১২][১৩] জার্মান ইতিহাসে প্রথম দফার ভোটে অপ্রত্যাশিতভাবে প্রয়োজনীয় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর ৬ই মে ২০২৫ তারিখে দ্বিতীয় দফার ভোটে মেরৎস চ্যান্সেলর (কানৎসলার) নির্বাচিত হন।[১৪]
১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে একজন তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে মেরৎস পশ্চিম জার্মানির প্রভাবশালী রাজনৈতিক মতবাদ এবং সিডিইউ-এর একটি মূলনীতি সাম্যবাদ-বিরোধিতার একজন কট্টর সমর্থক ছিলেন। তাকে সিডিইউর ঐতিহ্যবাহী রক্ষণশীল এবং ব্যবসা-বান্ধব শাখার প্রতিনিধি হিসেবে দেখা হয়।[১৫] তার বই মের কাপিটালিজমুস ভাগেন (আরও পুঁজিবাদের উদ্যোগ) অর্থনৈতিক উদারনীতির পক্ষে বলেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত আগে, তাকে প্রায়শই "অস্বাভাবিকভাবে মার্কিনপন্থী" হিসাবে বর্ণনা করা হত।[১৬] এক সময় তিনি আটলান্টিক-ব্র্যুকে সংস্থার প্রধান ছিলেন, যে সংস্থাটি জার্মান-মার্কিন বন্ধুত্ব ও আটলান্টিকবাদের প্রবক্তা। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ন্যাটো এবং উদারনৈতিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একজন দৃঢ় সমর্থক। তিনি নিজেকে "সত্যিকার অর্থেই দৃঢ়বিশ্বাসী ইউরোপীয়, দৃঢ়বিশ্বাসী আন্তঃ-আটলান্টিকবাদী এবং বিশ্বের প্রতি উন্মুক্ত একজন জার্মান" হিসেবে বর্ণনা করেছেন।[১৭] মেরৎস একটি আরও ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও "ইউরোপের জন্য একটি সেনাবাহিনী "-র পক্ষে।[১৮] তিনি মাঝে মাঝে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভ্লাদিমির পুতিনের অধীনে রাশিয়ার সাথে তুলনা করেন, মার্কিন ও রুশ নির্বাচনী হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেন এবং বলেন যে ইউরোপকে অতি জরুরিভাবে তার প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে হবে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে "স্বাধীনতা" অর্জনের জন্য ন্যাটোর বিকল্প খুঁজে বের করতে হবে।[১৯]
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]মেরৎস ব্যক্তিগত জীবনে বিচারক শার্লটে মেরৎসের সাথে বিবাহিত। তাদের তিনটি সন্তান রয়েছে এবং তারা জাউয়ারলান্ড অঞ্চলের আর্নসবের্গ শহরে বাস করেন।[২০][২১] হেলমুট কোলের পর ২৭ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম জার্মান চ্যান্সেলর, যার নিজস্ব সন্তান রয়েছে (যদিও গেরহার্ড শ্রোডার ২০০৪ সালের জুলাই মাসে রাশিয়া থেকে একটি কন্যা সন্তান দত্তক নিয়েছিলেন)।[২২][২৩] তাঁদের পুত্রসন্তান (জন্ম ১৯৮১) দর্শনে ডক্টরেট উপাধির অধিকারী, তাঁদের বড় মেয়ে একজন চিকিৎসক এবং ছোট মেয়ে একজন আইনজীবী।[২৪] মেরৎসের সাতজন নাতি-নাতনি রয়েছে।[২৫] ২০০৫ সালে মেরৎস এবং তার স্ত্রী শিক্ষা খাতের প্রকল্পগুলিকে সমর্থনকারী একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন, যার নাম ফ্রিডরিখ উন্ড শার্লটে মেরৎস ষ্টিফটুং।[২৬] মাতৃভাষার পাশাপাশি মেরৎস ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষাতেও কথা বলতে পারেন।[২৭]
২০১৮ সালে মেরৎস লুডভিগ এরহার্ড পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ তিনি লুডভিগ এরহার্ড ফাউন্ডেশনের প্রধান রোলান্ড টিখির প্রকাশনাগুলিকে আপত্তিকর মনে করেন। টিখিকে কেউ কেউ চরম ডানপন্থী হিসেবে মনে করেন।[২৮]
গ্রন্থ
[সম্পাদনা]- ফ্রিডরিখ মেরৎস (২০০৮)। Mehr Kapitalismus wagen (জার্মান ভাষায়)। মিউনিখ: Piper Verlag। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৪৯২-০৫১৫৭-৬। এলসিসিএন 2010514604। ওসিএলসি 634130092। ওএল 24354103M। Wikidata Q130425553।
টীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Kleiner, Stefan; Knöbl, Ralf (২০২৩)। Duden – das Aussprachewörterbuch (8th ed.)। Dudenverlag। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৪১১-০৪০৬৮-১।
- ↑ Huggler, Justin (৩১ অক্টোবর ২০১৮)। "Merkel rival Friedrich Merz emerges as surprise early frontrunner to succeed chancellor"। The Telegraph। ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 Neukirch, Ralf; Schult, Christoph (২৯ জুন ২০০৩)। "Der Männerbund"। Der Spiegel (জার্মান ভাষায়)। আইএসএসএন 2195-1349। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০২৪। উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "DM" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ Weiland, Severin (৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)। "Enthüllung: Wie Merkels und Merz' Feindschaft begann"। Der Spiegel (জার্মান ভাষায়)। আইএসএসএন 2195-1349। ২৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০২৪।
- ↑ Sorge, Nils-Viktor (২০ মে ২০১৪)। "Ex-CDU-Star Friedrich Merz: Ganz unten"। manager-magazin.de (জার্মান ভাষায়)। ২৩ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "Hat Friedrich Merz wirklich zwei Flugzeuge?"। stern.de (জার্মান ভাষায়)। ২৮ নভেম্বর ২০১৮। ২৮ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Braun, Stefan (২০১৮)। "Die große Zeitenwende ist eine Chance für die CDU"। Süddeutsche Zeitung (জার্মান ভাষায়)। আইএসএসএন 0174-4917। ২৯ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ Connolly, Kate (৭ ডিসেম্বর ২০১৮)। "Annegret Kramp-Karrenbauer elected Merkel's successor as CDU leader"। The Guardian। ৭ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Laschet zum neuen CDU-Chef gewählt"। tagesschau.de (জার্মান ভাষায়)। ১৬ জানুয়ারি ২০২১। ১৬ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ "Pragmatic governor Laschet elected to lead Merkel's party"। Associated Press। ১৬ জানুয়ারি ২০২১। ১৬ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "German exit polls: Clear win for Merz's centre-right CDU/CSU"। Yahoo News। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ Parker, Jessica (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)। "Friedrich Merz: Risk-taker who flirted with far right"। BBC News। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Germany's Merz set to be elected chancellor on May 6, sources say"। Reuters। ১১ এপ্রিল ২০২৫। ১২ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ Picheta, Rob (৬ মে ২০২৫)। "Merz wins on second ballot to be Germany's next chancellor, hours after historic defeat in first round"। CNN (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০২৫।
- ↑ Escritt, Thomas (৩১ অক্টোবর ২০১৮)। "Conservative contenders vie to overturn Merkel's centrism"। Reuters। ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Friedrich Merz: Who is Germany's election winner and how will he fare against AfD leader Alice Weidel?"। The Independent। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "Merz will CDU-Chef werden: 'Wir brauchen Aufbruch und Erneuerung, keinen Umsturz'"। Die Welt (জার্মান ভাষায়)। ৩১ অক্টোবর ২০১৮। ১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Time to wake up: We are deeply concerned about the future of Europe and Germany"। Handelsblatt। ৯ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Germany's Merz vows 'independence' from Trump's America, warning NATO may soon be dead"। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Gerichtsvorstellung: Das Amtsgericht Arnsberg stellt sich vor"। Amtsgericht Arnsberg। ৬ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ Achim Gieseke (২ জুলাই ২০১৬)। "Mit großer Liebe zum Beruf"। Westfalenpost। ৬ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ Aris, Ben (১৮ আগস্ট ২০০৪)। "Schröder adopts Russian orphan"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। ২৯ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২৫।
- ↑ Escritt, Thomas। "Who is Friedrich Merz? Meet the conservative leader taking the reins of the German chancellery"। USA TODAY। ৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২৫।
- ↑ Forster, Jonas (৬ মে ২০২৫)। "Friedrich Merz Kinder: Das ist über die Familie des Politikers bekannt"। DerWesten.de (জার্মান ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২৫।
- ↑ Korte, Martin (৯ এপ্রিল ২০২৫)। "Friedrich Merz privat: Frau, Familie, Kinder – Infos zum CDU-Chef"। www.morgenpost.de (জার্মান ভাষায়)। ৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২৫।
- ↑ "Friedrich und Charlotte Merz Stiftung"। ২৭ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Friedrich Merz, Senior Counsel"। Mayer Brown। ৬ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Plickert, Philip (১৬ জুলাই ২০১৮)। "Ärger für die Ludwig-Erhard-Stiftung"। Frankfurter Allgemeine Zeitung। ১৮ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| রাজনৈতিক দপ্তর | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী {{{before}}} |
{{{title}}} | উত্তরসূরী {{{after}}} |
| পূর্বসূরী {{{before}}} |
{{{title}}} | উত্তরসূরী {{{after}}} |
| পূর্বসূরী {{{before}}} |
{{{title}}} | নির্ধারিত হয়নি |
| পার্টির রাজনৈতিক কার্যালয় | ||
| পূর্বসূরী {{{before}}} |
{{{title}}} | উত্তরসূরী {{{after}}} |
| পূর্বসূরী {{{before}}} |
{{{title}}} | উত্তরসূরী {{{after}}} |
| পূর্বসূরী {{{before}}} |
{{{title}}} | নির্ধারিত হয়নি |
| অর্ডার অব প্রেসিডেন্স | ||
| পূর্বসূরী {{{before}}} |
{{{title}}} | উত্তরসূরী {{{after}}} |