ফ্রানস জি. বেংটসন
ফ্রান্স জি. বেংটসন | |
|---|---|
| জন্ম | ফ্রান্স গুনার বেংটসন ৪ অক্টোবর ১৮৯৪ অ্যাঙ্গেলহোম পৌরসভা, সুইডেন |
| মৃত্যু | ১৯ ডিসেম্বর ১৯৫৪ (বয়স ৬০) সুইডেন |
| পেশা | ঔপন্যাসিক |
| ধরন | কল্পকাহিনী |
ফ্রান্স গুনার বেংটসন (৪ অক্টোবর ১৮৯৪ – ১৯ ডিসেম্বর ১৯৫৪) ছিলেন একজন সুইডিশ ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি এবং জীবনীকার। তিনি স্কানিয়ার তশ্যোতে (বর্তমানে অ্যাঙ্গেলহোম পৌরসভায়) জন্মগ্রহণ করেন এবং উত্তর ভেস্টেরিয়েটলান্ডের রিবিংসফোর্স ম্যানর-এ মৃত্যুবরণ করেন।
সাহিত্যিক জীবন
[সম্পাদনা]বেংটসন সাহিত্যজীবন শুরু করেন একজন কবি হিসেবে; ১৯২৩ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘টার্নিংকাস্ট ’ (পাশা খেলা)-এর মাধ্যমে। ১৯২৯ সালে তিনি ‘লিটারেটোরার ওখ মিলিটারার’ (লেখক ও যোদ্ধা) শিরোনামে প্রথম প্রবন্ধ সংকলন প্রকাশ করেন, যেখানে ফ্রাঁসোয়া ভিওঁ, ওয়াল্টার স্কট, জোসেফ কনরাড এবং স্টোনওয়াল জ্যাকসনকে নিয়ে রচিত প্রবন্ধ ছিল; পরবর্তী কর্মজীবনে তিনি আরও চারটি সংকলন প্রকাশ করেন। তাঁর প্রবন্ধগুলো মূলত সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে লেখা। ১৯৫০ সালে তাঁর কয়েকটি নির্বাচিত প্রবন্ধ ইংরেজিতে অনূদিত হয় এবং ‘আ ওয়াক টু অ্যান অ্যান্ট হিল অ্যান্ড আদার এসেস’ নামে প্রকাশিত হয়।
১৯৩২ সালে প্রকাশিত সুইডেনের রাজা চার্লস দ্বাদশকে নিয়ে তাঁর লেখা একটি জীবনীগ্রন্থ (কার্ল ডেন টুয়েল্ভথ্স লেভনাড) হলো তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা। এখানে তিনি সমসাময়িক কর্মকর্তা ও সাধারণ সৈনিকদের দিনলিপির অংশ এবং প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থের অনেক উদ্ধৃতি ব্যবহার করে রাজার জীবন চিত্র এঁকেছেন। বেংটসনের এই কাজটি ভলতেয়ারের ১৭৩১ সালে প্রকাশিত চার্লস দ্বাদশের জীবনীগ্রন্থের ওপরও অনেকটাই নির্ভরশীল, যা রাজার মৃত্যুর তেরো বছর পর প্রকাশিত হয়।
পরবর্তীকালে, বেংটসন তাঁর ভাইকিং গাথাভিত্তিক উপন্যাস রোদে অরম (দ্য লং শিপস )-এর জন্য ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন,[১] যা ১৯৪১ এবং ১৯৪৫ সালে দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। এর মূল চরিত্র অর্ম, যিনি লাল দাড়ির কারণে পরে ‘রোদে অরম’ (লাল সাপ) নামে পরিচিত হন, শৈশবে একটি লুণ্ঠনকারী জাহাজে অপহৃত হন এবং আনুমানিক ১০০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে এক রোমাঞ্চকর জীবন কাটান। পরে, তিনি পূর্বদিকে গার্ডারিকের অভিমুখে একটি অভিযান পরিচালনা করেন। দ্য লং শিপস অবলম্বনে পরে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।[১] বেতার প্রযুক্তি ব্লুটুথ -এর নামকরণেও এই উপন্যাসটি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।[২]
বেংটসন একবার বলেছিলেন: "জোয়ান অফ আর্ক, দ্বাদশ চার্লস এবং গ্যারিবাল্ডি —এই তিনজনের সঙ্গেই আমি সাক্ষাৎ করতে চাইতাম; তাঁদের কাছে সত্য কূটচালের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।" [তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]১৯১২ সাল থেকে বেংটসন পড়াশোনা করতেন লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে, তবে পড়াশোনার তুলনায় তিনি কবিতা রচনা ও দাবা খেলায় বেশি সময় দিতেন। ১৯৩০ সালে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে লাইসেনশিয়েট ডিগ্রি লাভ করেন। [তথ্যসূত্র প্রয়োজন ] বেংটসন ১৯৩৯ সালে গের্ডা ফিনেমানকে বিয়ে করেন, এবং তাঁদের এক পুত্রসন্তান ছিল।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Thompson, Howard (২৫ জুন ১৯৬৪)। "The Long Ships (1963) Screen: 'The Long Ships': Widmark and Poitier in Viking Adventure"। The New York Times।
- ↑ Kardach, Jim (৫ মার্চ ২০০৮)। "Tech History: How Bluetooth got its name"। EE Times।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Petri Liukkonen. "Frans G. BengtBooks and Writers.
- Frans G. Bengtsson-sällskapet (The Frans G. Bengtsson society, in Swedish)