বিষয়বস্তুতে চলুন

ফোকাস (জার্মান সাময়িকী)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফোকাস
সম্পাদকরবার্ট স্কেইডার
বিভাগসাময়িক পত্র
প্রকাশনা সময়-দূরত্বসাপ্তাহিক
সংবহন৪৪১.৮০৫ (০২/২০১৭)
প্রকাশকহেলমাট মার্কোর্ট
প্রথম প্রকাশ১৮ জানুয়ারি ১৯৯৩; ৩৩ বছর আগে (1993-01-18)
কোম্পানিহুবার্ট বুর্ডা মিডিয়া
দেশজার্মানি
ভিত্তিমিউনিখ
ভাষাজার্মান
ওয়েবসাইটwww.focus.de
আইএসএসএন০৯৪৩-৭৫৭৬


ফোকাস হলো একটি জার্মান-ভাষার সাময়িক পত্র বা সাময়িকী, যা প্রকাশ করে হুবার্ট বুর্ডা মিডিয়া।[][] এটা সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে স্পিজেল এর পাশাপাশি ১৯৯৩সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।[][] ২০১৫সালে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে নতুন সদস্যদের নিয়ে এটির সদর দপ্তর খোলা হয়।[] স্পিজেল এবং স্টার্নের পাশাপাশি, ফোকাস হলো জার্মানে সবচেয়ে প্রচলিত সাপ্তাহিকী।[][] এটি প্রতিষ্ঠা করেন হুবার্ট বুর্ডা এবং হেলমাট মার্কোর্ট[][][১০] ২০১৬সালের মার্চ অনুযায়ী বর্তমানে এটির প্রধান সম্পাদক হলেন রবার্ট স্কেইডার।[১১][১২]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

"জুগমিজে" কোড নাম দিয়ে ১৯৯১সালের গরমে ফোকাসের কাজ শুরু করা হয়।[১৩] ১৯৯২সালের অক্টোবরে, হুবার্ট বুর্ডা মিডিয়া নতুন সাময়িক পত্রের পরিকল্পনার ঘোষণা দেন।[১৪] পর্যবেক্ষকরা ধারণা করেন এই পরিকল্পনাটি শুধু অল্প সফল হতে পারবে।[১৫] স্পিজেল এবং স্টার্ন সাময়িকীর প্রতিযোগী হিসেবে অন্য প্রকাশকদের প্রচেষ্টা পূর্বে কয়েকবার ব্যর্থ হয়েছে। ফোকাসের প্রথম সংস্করণ ১৮জানুয়ারি, ১৯৯৩সালে প্রকাশ করা হয় এবং তা পরের দিনই বিক্রয় হয়ে যায়।[১৬] ফোকাসের স্লোগান ছিল "দ্যা মডার্ন ম্যাগাজিন" এবং হেলমাট মার্কোর্ট সাময়িকীর প্রথম প্রধান সম্পাদক হন।[১৭][১৮][১৯] ফোকাস সম্পর্কে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক উভয় ধরনের মন্তব্য ছিল।[২০] পর্যবেক্ষকরা ফোকাসকে স্পিজেলের কঠোর প্রতিযোগী মনে করে।[২১]

পাঁচটি সমস্যার পর, ফোকাসের ১৫,০০০জন গ্রাহক ছিলো এবং এটির ৩০০,০০০সংখ্যার বেশি বিক্রিত হয়। এটি শুরু থেকেই বাণিজ্যিকভাবে সফল ছিল।[২২] হুবার্ট বুর্ডা মিডিয়ার বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়াতে এই সাময়িকী বড় ভূমিকা রাখে।[২৩][২৪][২৫] ১৯৯৪সালের মাঝে, একটি ডাচ আদালত নির্দেশ দেয় যে, দন্ধের কারণে ফোকাসকে বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ এ বিক্রি করা যাবেনা।[২৬] এটির পর, ফোকাস বাণিজ্যিক বৃদ্ধির কৌশল বজায় রাখে।[২৭][২৮][২৯] বুর্ডা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিকভাবে এর বাণিজ্য বাড়ায়, যেমন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম দল জিফ ডেভিস এর সাথে চুক্তি সম্পন্ন করে।[৩০] ১৯৯৬সালে ইন্টারনেটে পোর্টাল ফোকাস অনলাইন উদ্ভোদন করা হয়। আবার এটি ফোকাস টিভি নাম দিয়ে টেলিভিশন মাধ্যমে যোগ দেয়।[৩১][৩২][৩৩][৩৪] ফোকাস জার্মানের একটি মুখ্য সাময়িক পত্রে পরিণত হয়।[৩৫] ১৯৯৭সালে, এটির প্রকাশক হুবার্ট বুর্ডা সাময়িকীর সৃজনশীল আবিষ্কারের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার পায়।[৩৬][৩৭]

২০১৭সালে, ফোকাস মিউনিখ এবং ডুসেলডর্ফে এর অফিস বন্ধের ঘোষণা দেয়।[৩৮][৩৯] তারপর থেকে, এই সাময়িকী সম্পূর্ণ বার্লিনে তৈরি হয়।[৪০] এই বছরের শেষে, হুবার্ট বুর্ডা মিডিয়া একটি প্রচারণা অভিযান চালায়, যার নাম "মুঞ্চেন ইম ফোকাস" (ফোকাসে লোকজন)।[৪১]

বিতরণ

[সম্পাদনা]

ফোকাস হলো সবচেয়ে বিক্রিত সাময়িক পতৃর এবং বিজ্ঞাপন বাজারের একটি বড় অংশ এটির দখলে।[৪২] স্পিজেল এবং স্টার্নের মতো, ফোকাস ক্ষতি সামলাতে পেরেছে। যদিও ১৯৯৮সাল থেকে ২০১৭সালের মাঝে এটির বিক্রিত সংখ্যার পরিমাণ ৭৮২,৬৮৫ থেকে ৪৩৮,০৫৫ এ কমে আসে।[৪৩][৪৩]

সমালোচনা

[সম্পাদনা]

২০১৬সালে, ফোকাস যৌন নিপীড়নের উপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে যেটি সমালোচনার সৃষ্টি করে।[৪৪] এটির মূল পৃষ্ঠাতে একজন নগ্ন শেতাঙ্গ নারীর দেহে কালো হাতের ছাপ দেখা যায়, এটিকে অনেকে "নগ্নতা" এবং "বর্ণবাদ" হিসেবে তুলনা করেছে।[৪৫][৪৬][৪৭][৪৮] জার্মান প্রেস কাউন্সিল ফোকাসের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পেয়েছে,[৪৯] কিন্তু সবগুলোকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে।[৫০]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "15 Jahre Fakten, Fakten, Fakten" (German ভাষায়)। ১৮ জানুয়ারি ২০০৮। ১৩ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  2. "Focus feiert 20-jähriges Bestehen" (German ভাষায়)। ১৪ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  3. Ekkehard Kohrs (১৯ জানুয়ারি ১৯৯৩), "Burdas Kampfansage an Augstein", Bonner General-Anzeiger (German ভাষায়), পৃ. {{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  4. Rainer Hoffmann (২১ জানুয়ারি ১৯৯৩), "Bunter Spiegel", Neue Zürcher Zeitung (German ভাষায়){{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  5. "Nachrichtenmagazin: Focus zieht nach Berlin um" (German ভাষায়)। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  6. "Ein starkes Führungs-Trio", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ৬৬, ২০ নভেম্বর ২০০৩{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  7. "Focus, Spiegel, Stern: Die Großen im tiefen Wandel", Nordkurier (German ভাষায়), পৃ. ২৫, ২৭ আগস্ট ২০১৪{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  8. Heidrun Plewe (১৭ ডিসেম্বর ১৯৯৩), "Wenige glaubten zunächst an den Erfolg", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ২০{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  9. "Focus-Chefredakteur Markwort geht" (German ভাষায়)। ২৯ অক্টোবর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  10. Marvin Schade (১৭ জানুয়ারি ২০১৭)। "Ende einer Ära: Magazin-Gründer Helmut Markwort gibt Focus-Herausgeberschaft ab" (German ভাষায়)। ৩ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৭ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  11. Sonja Álvarez (২১ জানুয়ারি ২০১৬)। "Neuer Chefredakteur für den Focus" (German ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  12. "Neuer Focus-Chef kommt von der Super Illu" (German ভাষায়)। ২১ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  13. "Eine Zugmieze macht Karriere", Kress Report (German ভাষায়), পৃ. ৮, ১০ জানুয়ারি ২০১৩{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  14. "Focus: Burda will es wissen", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ৪৬, ৯ অক্টোবর ১৯৯২{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  15. Harald Kurz (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯২), "Zugmieze: Zugpferd oder Katzenjammer?", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ৫৬{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  16. Uli Baur (১৯ মার্চ ২০১২), "Das war unser Start", Focus Magazin (German ভাষায়), ১৯ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  17. Heinz Pürer, Johannes Raabe (২০০৭), Presse in Deutschland (German ভাষায়) (3. সংস্করণ), Konstanz: UVK, পৃ. ২৬৩, আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৮২৫২-৮৩৩৪-৬{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  18. "Ein Mann der Fakten", Frankfurter Neue Presse (German ভাষায়), পৃ. ১, ৮ ডিসেম্বর ২০১১{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  19. Klaus Schmeh (২০০৪), David gegen Goliath: 33 überraschende Unternehmenserfolge (German ভাষায়), Frankfurt am Main: Redline, পৃ. ৩৪, আইএসবিএন ৩-৮৩২৩-১০৫৭-৬{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  20. "Brennpunkt Focus am Montag", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ২, ২২ জানুয়ারি ১৯৯৩{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  21. "Focus kontra Spiegel", Saarbrücker Zeitung (German ভাষায়), ১৬ জানুয়ারি ১৯৯৩{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  22. Heidrun Plewe (১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩), "Focus liegt zur Zeit gut im Plan", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ২৫{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  23. "Burda kostet Focus-Erfolg aus", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ৬, ১ এপ্রিল ১৯৯৪{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  24. "Investitionen kräftig ausgeweitet: Verlag auf der Focus-Welle", Handelsblatt (German ভাষায়), পৃ. ১৬, ২২ জুলাই ১৯৯৪{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  25. "Burda-Konzern wächst im letzten Jahr dank Focus", Der Tagesspiegel (German ভাষায়), ১২ মে ১৯৯৫{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  26. "Focus nicht mehr in den Benelux-Laender", Deutscher Drucker (German ভাষায়), পৃ. ৪, ২৫ আগস্ট ১৯৯৪{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  27. "Nachrichtemagazine: Burda bleibt mit Focus auf Erfolgskurs", Deutscher Drucker (German ভাষায়), পৃ. ৪, ৪ আগস্ট ১৯৯৪{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  28. Peter Turi (১৭ মার্চ ১৯৯৫), "Mit Fakten, Fakten auf dem Weg zur Spitze", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ৭০{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  29. "Fakten zu Focus", Die Tageszeitung (German ভাষায়), পৃ. ১৪, ১ ডিসেম্বর ১৯৯৫{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  30. "Burdas Focus-Verlag kooperiert mit Ziff-Davis", Deutscher Drucker (German ভাষায়), পৃ. ৬, ৭ জুলাই ১৯৯৪{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  31. Thomas Voigt (১৯ জানুয়ারি ১৯৯৬), "Markwort gebiert weitere Focus-Kinder", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ৩৬{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  32. "Focus-Online-Währung", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ১২, ১২ জানুয়ারি ১৯৯৬{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  33. Isabella Hofmann (৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬), "Focus bald auch im TV: Neues Fernsehmagazin startet im März auf Pro7", Wirtschaftsblatt (German ভাষায়), পৃ. {{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  34. "Focus TV liefert Beiträge für Frauensender tm3", Der Tagesspiegel (German ভাষায়), ৮ আগস্ট ১৯৯৬{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  35. Barbara Held (৩০ নভেম্বর ১৯৯৭), "Ende des Amüsements", Der Tagesspiegel (German ভাষায়), পৃ. ৩১{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  36. "Hubert Burda erhält den Medienpreis für Focus", Horizont (German ভাষায়), পৃ. ১০৮, ৩০ অক্টোবর ১৯৯৭{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  37. "Focus ist Hubert Burdas Erfolgsstory", Darmstädter Echo (German ভাষায়), ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০০{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  38. David Hein (৩০ মার্চ ২০১৭)। "Focus verlässt München und baut Stellen ab" (German ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৭ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  39. "Nachrichtenmagazin: Focus schließt Büros in München und Düsseldorf" (German ভাষায়)। ৩০ মার্চ ২০১৭। ৬ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৭ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  40. Alexander Krei (৩০ মার্চ ২০১৭)। "Focus schließt Büros in München und Düsseldorf" (German ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৭ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  41. Gregory Lipinski (১১ মে ২০১৭)। "Leserkampagne Menschen im Focus: Wie Burda dem Wochenmagazin ein neues Image verpasst" (German ভাষায়)। ১৫ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৭ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  42. Bettina Kaltenhäuser (২০০৫), Abstimmung am Kiosk (German ভাষায়), Springer, পৃ. ৯৩–৯৬, আইএসবিএন ৩-৮২৪৪-৪৬১৭-০{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  43. 1 2 "Quartalsauflagen" (German ভাষায়)। Informationsgemeinschaft zur Feststellung der Verbreitung von Werbeträgern। ২৮ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  44. "Schwarze Hände auf nackter, blonder Frau: Focus wegen Köln-Cover im Sexismus-Shitstorm" (German ভাষায়)। ৮ জানুয়ারি ২০১৬। ১ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  45. Sonja Álvarez (১১ জানুয়ারি ২০১৬), "Nackte Beleidigung", Der Tagesspiegel (German ভাষায়), পৃ. ২১{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  46. Lalon Sander, Anna Böcker (৯ জানুয়ারি ২০১৬)। "Titel der Schande" (German ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  47. "Rassistische Titelbilder: Süddeutsche entschuldigt sich, Focus nicht" (German ভাষায়)। ১০ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  48. "Medien-Diskussion geht weiter: Wir bilden ab, was leider passiert ist" (German ভাষায়)। ১১ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  49. Renate Bölingen (১১ জানুয়ারি ২০১৬)। "Beschwerden gegen Focus-Titelbild beim Deutschen Presserat" (German ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  50. "Keine Rüge für den Focus: Presserat weist alle Beschwerden zur Berichterstattung in Köln ab" (German ভাষায়)। ১১ মার্চ ২০১৬। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটারs রয়েছে: |day= এবং |month= (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]