ফেরদৌস জামে মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফেরদৌস জামে মসজিদ
Ferdows Congregation Mosque.JPG
ফেরদৌস জামে মসজিদ
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিশিয়া ইসলাম
প্রদেশদক্ষিণ খোরাসান প্রদেশ
অবস্থান
অবস্থানইরান ফেরদৌস, ইরান
পৌরসভাফেরদৌস
ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক৩৪°০′২৫″ উত্তর ৫৮°৯′৩৩″ পূর্ব / ৩৪.০০৬৯৪° উত্তর ৫৮.১৫৯১৭° পূর্ব / 34.00694; 58.15917স্থানাঙ্ক: ৩৪°০′২৫″ উত্তর ৫৮°৯′৩৩″ পূর্ব / ৩৪.০০৬৯৪° উত্তর ৫৮.১৫৯১৭° পূর্ব / 34.00694; 58.15917
স্থাপত্য
ধরনমসজিদ
সম্পূর্ণ হয়সপ্তম শতাব্দী

ফেরদৌসের জামে মসজিদ (ফার্সি: مسجد جامع تون/فردوس‎‎ ) ইরানের অন্যতম প্রাচীন একটি মসজিদ। ধারণা করা হয় ইরানের প্রাচীন শহর টুন এর মূল কেন্দ্র এখানেই ছিলো। মসজিদটি ফেরদৌসের অন্যতম বড় জুমা নামাযের মসজিদ। অসাধারন স্থাপত্যশৈলীর কারণে এই মসজিদটি একটি দর্শণীয় স্থান হিসেবে পরিচিত।

অবস্থান[সম্পাদনা]

ফেরদৌস জামে মসজিদ ইরানের দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশের ফেরদৌসে অবস্থিত। স্থানের নামের সাথে মিলিয়ে মসজিদের নামকরণ করা হয়েছে।

দরদালান[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ফেরদৌস জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে গবেষকদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মতামত প্রচলিত আছে। বেশিরভাগ গবেষকের বিশ্বাস এই যে, আনুমানিক একাদশ শতাব্দীতে মসজিদটি সেলজুক রাজবংশের আমলে তৈরী করা হয়েছিলো। [১] কিন্তু কিছু গবেষক মনে করেন যে, এটি নির্মিত হয়েছিল সপ্তম শতাব্দীতে। দক্ষিণ দিকের ছাদ ও খিলানের নকশা দেখে মনে হবে এর সাথে জুজুন ও গোনাবাদের মসজিদের সাদৃশ্য রয়েছে। মসজিদের কিছু কারুকাজ টাইলস ও ইটের সাহায্যে করা হয়েছে, যা অনেকটা খোরাসানি মসজিদের মত দেখতে। খোরাসানি মসজিদ কাজার আমলে নির্মিত হয়েছিলো।

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

মসজিদটি ইসলামের শিয়া বিশ্বাস অনুযায়ী পরিচালিত হয়। মসজিদটি সপ্তাহে প্রতিদিন খোলা থাকে। এখানে প্রতিদিন পাঁচ বার নামায পড়া হয়। এছাড়া শুক্রবার ও বিশেষ দিনগুলোতে অতিরিক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" خبرگزاری میراث فرهنگی‌ (Persian ভাষায়)। ২১ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]