ফিজোর পরীক্ষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চিত্র-১. ফিজোর পরীক্ষায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি

১৮৫১ সালে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হিপ্পোলেট ফিজো গতিশীল পানিতে আলোর আপেক্ষিক বেগ ফিজোর পরীক্ষা দিয়ে নির্ণয় করেছিলেন। ফিজো বিশেষ ইন্টারফেরোমিটার ব্যবস্থায় গতিশীল মাধ্যমে আলোর গতির তারতম্য পরিমাপ করতে পেরেছেন।

সময়ের প্রচলিত তত্ত্ব থেকে পাওয়া যায়, আলো কোন গতিশীল মাধ্যমের ভিতর দিয়ে অতিক্রম করার সময় মাধ্যম আলোর বেগকে কিছুটা কমিয়ে দেয়। মাধ্যমে আলোর বেগ ও মাধ্যমের বেগের সাধারণ যোগফল হলো নির্ণেয় আলোর বেগ। মাধ্যমের বেগ জানা থাকলে সহজেই আলোর বেগ নির্নয় সম্ভব। ফিজো আলোর টেনে নেয়া প্রভাব (ড্রাগিং প্রভাব) সনাক্ত করেছেন কিন্তু নির্ণেয় মান প্রত্যাশিত মানের থেকে অনেক কম পেয়েছিলেন। ফিজোর নির্ণেয় মানগুলো ফ্রেনেলের আংশিক ইথার ড্রাগিং হাইপোথিসিসকে সমর্থন করে। যা পদার্থবিজ্ঞানীদেরকে বিব্রত করে। প্রায় অর্ধশত শতাব্দি পার হয়ে গেলে। প্রকৃতপক্ষে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করার নতুন কোন তত্ত্ব পাওয়া যায়নি। আইনস্টাইনের ঐতিহাসিক আপেক্ষিকতা তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সীমাবদ্ধ বেগ দিয়ে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার পরীক্ষা করা সম্ভব। যা পরবর্তীতে আপেক্ষিকতার-বেগ সংযোজন সূত্র বা ত্রিমাত্রিক স্থানে সীমাবদ্ধ বেগের সূত্র নামে অভিহিত করেন।

যা ফিজোর পরীক্ষা নামে পরিচিত। বিজ্ঞানী ফিজো সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন পরিবেশে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোর বেগ সঠিকভাবে পরিমাপ করার চেষ্টা করেছিলেন।

পরীক্ষণের পরিবেশ[সম্পাদনা]

চিত্র-২.অতি সাধারণভাবে উপস্থাপিত ফিজোর পরীক্ষা।
চিত্র-৩. ফিজোর পরীক্ষা এর পরিবেশ (১৮৫১)

ফিজো খুব সাধারণভাবে তার পরীক্ষা ১৯৫১ সালে উপস্থাপন করছেন। চিত্র-২ এ দেখানো হলো। তিনি আলো প্রবেশের পথকে বিম স্প্লিটারের(রশ্মি লম্বালম্বিভাবে বিভক্তকারী) সাহায্যে দুভাগে বিভক্ত করেন। প্রাপ্ত আলো বিপরীতমুখী বেগে প্রবাহিত দুটি পানির পাইপের মধ্য দিয়ে গমন করার ব্যবস্থা করেন। একজন পর্যবেক্ষক অপর প্রান্তে আলোর ব্যতিচারের দরুন একধরনের নকশা বা আলোর পরিবর্তন স্পষ্ট হয়।

ফ্রেনেলের ড্রাগ গুনাঙ্ক[সম্পাদনা]

পুনরাবৃত্তি[সম্পাদনা]

হুক পরীক্ষা[সম্পাদনা]