ফরহাদ হোসেন
ফরহাদ হোসেন দোদুল | |
|---|---|
২০২৪ সালে | |
| মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ৫ জানুয়ারি ২০১৪ – ৬ আগস্ট ২০২৪[১] | |
| মন্ত্রী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় | |
| কাজের মেয়াদ ১১ জানুয়ারি ২০২৪ – ৬ আগস্ট ২০২৪ | |
| প্রতিমন্ত্রী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় | |
| কাজের মেয়াদ ৭ জানুয়ারি ২০১৯ – ৫ জানুয়ারি ২০২৪ | |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ৫ জুন ১৯৭২ মেহেরপুর, বাংলাদেশ |
| নাগরিকত্ব | বাংলাদেশ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সৈয়দ মোনালিসা ইসলাম শিলা |
| পিতামাতা | মোহাম্মদ সহিউদ্দিন |
| শিক্ষা | ইংরেজি সাহিত্য, এলএলবি |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | |
| পেশা | রাজনীতি |
| জীবিকা | অধ্যাপনা ঢাকা সিটি কলেজ |
| ওয়েবসাইট | http://www.farhadhossainmp.com |
ফরহাদ হোসেন দোদুল[২] (জন্ম: জন্ম: ৫ জুন ১৯৭২) একজন বাংলাদেশী অধ্যাপক, রাজনীতিবিদ ও মেহেরপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।[১]
জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]ফরহাদ হোসেন মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর উপজেলার বোস পাড়া এলাকায় ৫ জুন ১৯৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছহিউদ্দীন বিশ্বাস। ফরহাদ হোসেন বি এল কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধ্যয়ন করেন। তিনি রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন এং সেই সূত্র ধরেই ১১ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর-১ আসনের হয়ে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পান এবং জয় লাভ করেন।
তার পিতা মোহাম্মদ সহিউদ্দিন মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন। তিনি (মোহাম্মদ সহিউদ্দিন) তৎকালীন কুষ্টিয়া-৫ ও মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।[৩]
তিনি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাতিজি সৈয়দ মোনালিসা ইসলাম শিলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ২০০৪ সালে। তার স্ত্রী হিসাবে স্থানীয় জেলা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি। সামিন ও মাহিন নামে তার দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]ফরহাদ হোসেন ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর-১ আসন থেকে থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি মেহেরপুর-১ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
৭ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে ১০ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি মেহেরপুর-১ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১০ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৫ আগস্ট ২০২৪ সালে অসহযোগ আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারত পালিয়ে গেলে পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।[৪][৫][৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা রাষ্ট্রপতির"। দৈনিক কালের কণ্ঠ। ৬ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ মেহেরপুর-১, ফরহাদ হোসেন। "Constituency 73_10th_Bn"। www.parliament.gov.bd। ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৮।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "ফরহাদ হোসেন প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুরে আনন্দের বন্যা"। দৈনিক যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২০।
- ↑ "সংসদ ভেঙে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "যা আছে সংসদ ভেঙে দেওয়ার সারসংক্ষেপে"। বাংলা ট্রিবিউন। ৬ আগস্ট ২০২৪। ১৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত"। দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৪।
- ১৯৭২-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- দশম জাতীয় সংসদ সদস্য
- মেহেরপুরের ব্যক্তি
- একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য
- শেখ হাসিনার চতুর্থ মন্ত্রিসভার সদস্য
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- সরকারি ব্রজলাল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- খুলনার রাজনীতিবিদ
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ
- শেখ হাসিনার পঞ্চম মন্ত্রিসভার সদস্য
- মেহেরপুর জেলার রাজনীতিবিদ
- মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি