প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

এই পাতার নিবন্ধগুলো যুদ্ধ প্রবেশদ্বারের বিশেষ জীবনী নিবন্ধ।

ব্যবহার[সম্পাদনা]

The layout design for these subpages is at প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/Layout.

  1. Add a new Selected article to the next available subpage.
  2. The "blurb" for all selected articles should be approximately 10 lines, for appropriate formatting in the portal main page.
  3. Update "max=" to new total for its {{Random portal component bn}} on the main page.

নির্বাচিত নিবন্ধ তালিকা[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/১

তৃতীয় দারিয়ুসের সঙ্গে যুদ্ধরত আলেকজান্ডার। আলেকজান্ডার মোজাইক থেকে, নেপলস জাতীয় পুরাতাত্ত্বিক জাদুঘর, পম্পেই, নেপলস

মহামতি আলেকজান্ডার (Alexander the great) (জন্ম - জুলাই খ্রিস্টপূর্ব ৩৫৬, মৃত্যু জুন ১১, খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩)পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম সফল সামরিক প্রধান। তিনি তৃতীয় আলেকজান্ডার বা মেসিডনের রাজা হিসেবেও পরিচিত। তিনি ছিলেন মেসিডোনিয়ার শাসনকর্তা। মেসিডোনিয়া বর্তমান গ্রীসের অন্তর্গত একটি অঞ্চল। তার পিতা ফিলিপ ছিলেন মেসিডোনিয়ার রাজা। তার মৃত্যুর পূর্বে তিনি পরিচিত পৃথিবীর বেশির ভাগ জয় (টলেমির মানচিত্র অনুযায়ী) করেছিলেন। আলেকজান্ডার তার সামরিক কৌশল ও পদ্ধতির জন্য বিশ্ব বিখ্যাত। তিনি পারস্যে অভিশপ্ত আলেকজান্ডার নামেও পরিচিত, কারণ তিনি পারস্য সাম্রাজ্য জয় করেন এবং এর রাজধানী পারসেপলিস ধ্বংস করেন।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/২

মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, যিনি জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী নামে অধিক পরিচিত (সেপ্টেম্বর ১, ১৯১৮ - ফেব্রুয়ারি ১৬, ১৯৮৪), বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার্থে লন্ডন থাকাকালীন ১৯৮৪ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি এম. এ. জি. ওসমানী মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সিলেটে সমাহিত করা হয়। তাঁর স্মরণে ঢাকায় গড়ে উঠেছে ‘ওসমানী উদ্যান’ ও স্থাপিত হয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিপরীতে ‘ওসমানী মেমোরিয়াল হল’৷ এছাড়া তার সিলেটস্থ বাসভবনকে পরিণত করা হয়েছে জাদুঘরে৷ সরকারি উদ্যোগে সিলেট শহরে তার নামে একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে৷


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/৩

Adolf Hitler.jpg

আডলফ হিটলার ( [ˈadɔlf ˈhɪtlɐ] জার্মান ভাষায়: Adolf Hitler আডল্‌ফ্‌ হিট্‌লা) (২০শে এপ্রিল, ১৮৮৯ - ৩০শে এপ্রিল, ১৯৪৫) অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ যিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর এবং ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সে দেশের ফিউরার ছিলেন। হিটলার প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৪৫ সালে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে হিটলার বার্লিনেই ছিলেন। রেড আর্মি যখন বার্লিন প্রায় দখল করে নিচ্ছিল সে রকম একটা সময়ে ইভা ব্রাউনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তিনি ফিউরারবাংকারে সস্ত্রীক আত্মহত্যা করেন।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/৪

মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক (১৯ মে ১৮৮১ (ধারণা) - ১০ নভেম্বর ১৯৩৮) ছিলেন উসমানীয় সামরিক কর্মকর্তা, বিপ্লবী রাজনীতিক, লেখক এবং তুরষ্কের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি আধুনিক তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আতাতুর্ক একজন সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পরাজয়ের পর তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি তুর্কি জাতীয় আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। আঙ্কারায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর মাধ্যমে তিনি মিত্রশক্তির প্রেরিত বাহিনীকে পরাজিত করেন। তার সামরিক অভিযানের ফলে তুরস্ক স্বাধীনতা লাভ করে। আতাতুর্ক এরপর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/৫

Genghis Khan.jpg

চেঙ্গিজ খান (মঙ্গোলীয়: Чингис Хаан এই শব্দ সম্পর্কেছিঙ্গিস্‌ খ়াং  আ-ধ্ব-ব: [ʧiŋgɪs χaːŋ], ), (১১৬২ আগস্ট ১৮, ১২২৭) প্রধান মঙ্গোল রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা বা মহান খান, ইতিহাসেও তিনি অন্যতম বিখ্যাত সেনাধ্যক্ষ ও সেনাপতি। জন্মসূত্রে তার নাম ছিল তেমুজিন (মঙ্গোলীয়: Тэмүжин টেমপ্লেট:ত্রুটি-small)। তিনি মঙ্গোল গোষ্ঠীগুলোকে একত্রিত করে মঙ্গোল সম্রাজ্যের (Екэ Монгол Улус; ১২০৬ - ১৩৬৮) গোড়াপত্তন করেন। নিকট ইতিহাসে এটিই ছিল পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সম্রাজ্য। এক সাধারণ গোত্রপতি থেকে নিজ নেতৃত্বগুণে বিশাল সেনাবাহিনী তৈরি করেন। যদিও বিশ্বের কিছু অঞ্চলে চেঙ্গিজ খান অতি নির্মম ও রক্তপিপাসু বিজেতা হিসেবে চিহ্নিত তথাপি মঙ্গোলিয়ায় তিনি বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে সম্মানিত ও সকলের ভালোবাসার পাত্র। তাকে মঙ্গোল জাতির পিতা বলা হয়ে থাকে।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/৬

সালাদিন (১১৩৭-মার্চ ৪,১১৯৩) একজন বীর মুসলিম সেনাপতি এবং মিশরের আইউবীয় সুলতান। আরবি ভাষায় তাঁর পুরো নাম সালাহ্‌ আদ দীন ইউসুফ। তিনি ছিলেন ক্রুসেডারদের প্রবল প্রতিপক্ষ। তাঁর জন্মস্থান মেসোপটেমিয়া (বর্তমান ইরাক)এর তিকরিত নামক এলাকায়। তিনি ছিলেন কুর্দী বংশোদ্ভূত। ইউসুফ তাঁর প্রকৃত নাম। সালাহ আদ দীন লাকাব বা খেতাব। তিনি কুর্দি জাতিভুক্ত ও রাওয়াদিদ গোত্রের লোক ছিলেন। তাঁর পরিবার দিভিন নগরীর আজদানাকান গ্রাম থেকে আগত বলে প্রচলিত থাকলেও এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। দামেস্‌ক এ তিনি নুরুদ্দিন এর দরবারে দশ বছর ছিলেন। নুরুদ্দিনের প্রতিনিধি শিরকু এর সাথে তিনি মিশরের ফাতিমীয় সুলতান গণের বিরুদ্ধে অভিযানে গমন করেন। পরবর্তীতে শিরকু মিশরের প্রধান উজীর হন।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/৭

ন্যান্সি ওয়েক (১৯৪৫)

ন্যান্সি গ্রেস অগাস্টা ওয়েক (জন্মঃ ৩০ আগস্ট, ১৯১২; মৃত্যুঃ ৭ আগস্ট, ২০১১) একজন ব্রিটিশ এজেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে কাজ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ফ্রান্স রেজিসটেন্সের গেরিলা বাহিনী মাকিস এর একজন নেতৃস্থানীয় এজেন্ট ছিলেন এবং যুদ্ধে একজন নিবেদিত প্রান সৈনিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৪০ সালে জার্মানি ফ্রান্স আক্রমন করলে তিনি ফ্রান্স রেজিসটেন্সের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করেন ও পরে ক্যাপ্টেন অইয়ান গ্যারোর নেতৃত্বাধীন গেরিলা বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৪২ সালের পর গেস্টাপো বাহিনীর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় শীর্ষ ব্যাক্তি ছিলেন ন্যান্সি ওয়েক এবং তখন তার মাথার দাম ঘোষনা করা হয় ৫ মিলিয়ন ফ্রাঙ্ক।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/৮

দ্য এম্পেরর নেপোলিয়ন ইন হিজ স্টাডি অ্যাট দ্য তুইলারিস, - জ্যাকুইস-লুইস ডেভিড, ২০১২

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট (১৫ই আগস্ট, ১৭৬৯; এজাক্সিউ, করসিকা - ৫ই মে, ১৮২১; সেন্ট হেলেনা) ছিলেন ফরাসি বিপ্লবের সময়কার একজন জেনারেল। তিনি ফরাসি প্রজাতন্ত্রের প্রথম কনসল ছিলেন। তিনি নেপোলিয়ন ১ নামে ১১ নভেম্বর, ১৭৯৯ থেকে ৬ এপ্রিল ১৮১৪ পর্যন্ত ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন এবং পুনরায় ১৮১৫ সালের ২০ মার্চ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন। তিনি ইতালির রাজাও ছিলেন। এছাড়া তিনি সুইস কনফেডারেশনের মধ্যস্থাকারী এবং কনফেডারেশন অফ রাইনের রক্ষকও ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ফরাসি সেনাবাহিনী এক দশকের বেশী সময় ধরে সকল ইউরোপীয় শক্তির সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয় এবং তিনি ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চল তাঁর আয়ত্বে নিয়ে আসেন।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/৯

CheHigh.jpg

এর্নেস্তো "'চে" গেভারা (স্পেনীয়: tʃe geˈβaɾa চে গেবারা) (১৪ জুন, ১৯২৮৯ অক্টোবর, ১৯৬৭) ছিলেন একজন আর্জেন্টিনীয় মার্ক্সবাদী, বিপ্লবী, চিকিত্সক, লেখক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিবিদ, সামরিক তত্ত্ববিদ এবং কিউবার বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল এর্নেস্তো গেভারা দে লা সের্না (স্পেনীয়: Ernesto Guevara de la Serna)। তবে তিনি সারা বিশ্ব লা চে বা কেবলমাত্র চে নামেই পরিচিত। মৃত্যুর পর তাঁর শৈল্পিক মুখচিত্রটি একটি সর্বজনীন প্রতিসাংস্কৃতিক প্রতীক এবং এক জনপ্রিয় সংস্কৃতির বিশ্বপ্রতীকে পরিণত হয়। বাতিস্তা সরকারকে উত্খাত করার লক্ষ্যে দুই বছর ধরে চলা গেরিলা সংগ্রামের সাফল্যের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।


প্রবেশদ্বার:যুদ্ধ/বিশেষ জীবনী/১০

Cortes.jpg

হের্নান কোর্তেস, ভেলী দে ওয়াক্সাকার প্রথম মার্কেস (স্পেনীয়: Hernán Cortés, Marqués primero de la Valle de Oaxaca) (১৪৮৫ – ২রা ডিসেম্বর, ১৫৪৭) ছিলেন একজন স্পেনীয় দখলদার, যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে একটি অভিযানের নেতৃত্ব দেন যার ফলে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত আজটেক সাম্রাজ্যের পতন ঘটে এবং বর্তমান মেক্সিকোর বিশাল অঞ্চলগুলো স্পেনের ক্যাস্টিল রাজ্যের অধিনে আসে। হের্নান কোর্তেস ১৪৮৫ সালে স্পেনের মেদেয়ীন শহরে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে স্পেনের এক্সত্রেমাদুরা অঞ্চলে অবস্থিত। তাঁর পিতার নাম ছিল মার্টিন কোর্তেস দে মনরোয়, যিনি ক্যাস্টিল রাজ্যের এক পদাতিক সৈন্যবাহিনীর ক্যাপটেন ছিলেন।