প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

এখানে বলিউড প্রবেশদ্বারের নির্বাচিত জীবনী বিভাগে স্থান পাওয়া নিবন্ধগুলো উল্লেখ করা হয়েছে:

টেমপ্লেট[সম্পাদনা]

নোট অ-স্ক্রলিং প্যানোরামার জন্য ব্যবহার করুন ডিফল্ট "size=" (size=150px)। ব্যাপক আকারগুলো একটি অনুভূমিক স্ক্রল বার অন্তর্ভুক্ত করবে।

{{প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/টেমপ্লেট
  | image = 
  | size = 
  | caption = 
  | text = 
  | link = 
}}


নির্বাচিত অভিনেতার তালিকা[সম্পাদনা]

অভিনেতা ১–১০[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১

প্রীতি জিনতা

প্রীতি জিনতা (জন্ম ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৫) একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রযোজক এবং উদ্যোক্তা। তিনি হিন্দি, তেলুগু, পাঞ্জাবি এবং ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। অপরাধী মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করার পরে, জিনতা ১৯৯৯ সালে দিল সে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়ের সূচনা করেছিলেন, তারপরে একইবছর সোলজার চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেছেন, এবং পরবর্তীত তিনি কেয়া কেহনা (২০০০) চলচ্চিত্রে সন্তানহীন কিশোর মায়ের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিভিন্ন ধরণের চরিত্রের অভিনয় করেছিলেন; তার চলচ্চিত্রের ভূমিকা এবং পর্দার ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রথাগত নায়িকা ধারণার পরিবর্তনে অবদান রেখেছিল। জিন্টা ২০০৩ সালে নাট্যধর্মী কাল হো না হো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি টানা দুই বছর ভারতের সর্বাধিক ব্যবসাসফল দুটি চলচ্চিত্রে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন: ২০০৩ সালের বিজ্ঞান কল্পকাহিনী কোই... মিল গয়া এবং ২০০৪ সালের প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র বীর-জারা। তার প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের ভূমিকা ছিল কানাডীয় চলচ্চিত্র হ্যাভেন অন আর্থ, যার জন্য ২০০৮ সালে শিকাগো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য সিলভার হুগো পুরস্কার লাভ করেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/২

কারিনা কাপুর

কারিনা কাপুর (জন্ম: (১৯৮০-০৯-২১)২১ সেপ্টেম্বর ১৯৮০) একজন ভারতীয় বলিউড অভিনেত্রী। অভিনয় জীবনে কাপুর নয়টি মনোনয়নের মধ্যে ছয়টি ফিল্মফেয়ার পুরষ্কার পেয়েছেন, এবং এবং চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ধারায় তার অভিনয়ের জন্য খ্যাতিমান হয়েছেন। অভিনয়শিল্পী পরিবারে জন্মগ্রহণ করা, কাপুর খুব অল্প বয়স থেকেই মিডিয়া স্পটলাইটের মুখোমুখি হয়েছিলেন, তবে ২০০০ সালে রিফিউজি চলচ্চিত্রের আগ পর্যন্ত তাকে অভিনয়ে দেখা যায় নি। তার মেলোড্রামা কাভি খুশি কাভি গাম... ২০০১ সালে বিদেশের বাজারে ভারতের সর্বাধিক উপার্জনকারী চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছে, এবং এখনও অবধি এটি তার অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসায়িক সাফল্য। ধারাবাহিক পুনরাবৃত্ত ভূমিকার জন্য নেতিবাচক পর্যালোচনা পাওয়ার পরে, টাইপকাস্ট এড়াতে কাপুর আরো অধিক চাহিদাসম্পন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন এবং ফলস্বরূপ অভিনেত্রী হিসাবে বৃহত্তর বহুমুখিতা প্রদর্শনের জন্য সমালোচকদের দ্বারা স্বীকৃত হয়েছিল। চামেলি (২০০৪) চলচ্চিত্রে একজন যৌনকর্মীর ভূমিকায় অভিনয় তার কর্মজীবনে মোড় ঘুরয়িে দিয়েছিল। চলচ্চিত্রটি (এবং কাপুরের অভিনয়) সমালোচকদের দ্বারা মূলত ইতিবাচক পর্যালোচনা পেছেছিল এবং পাশাপাশি তিনি ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ২০০৭ সালের জব উই মেট চলচ্চিত্রে গীত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার পেয়েছিলেন। কাপুর থ্রি ইডিয়টস (২০০৯) নাটকে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়েছিলেন, যেটি মুক্তিকালে সর্বোচ্চ আয়কারী বলিউডের চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছিল।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/৩

শাহরুখ খান

শাহরুখ খান (হিন্দি: शाहरुख़ ख़ान, ইংরেজি: Shah Rukh Khan; জন্ম: ২ নভেম্বর ১৯৬৫), অনানুষ্ঠানিকভাবে এসআরকে হিসাবে ডাকা হয়, হচ্ছেন একজন বিখ্যাত ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক এবং মানবপ্রেমিক। ১৯৮০-এর শেষের দিকে বেশ কিছু টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দিওয়ানার মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি অসংখ্য বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন যার মাধ্যমে খ্যাতি অর্জন করেন। শাহরুখ খান ১৫বার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। এর মধ্যে আটটিই সেরা অভিনেতার পুরস্কার। তিনি বলিউডের অন্যতম একজন সফল অভিনেতা। হিন্দি চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০২ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/৪

Satyajit Ray.jpg

সত্যজিৎ রায় একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্পের জগতে খ্যাতনামা এক বাঙালি পরিবারে তার জন্ম হয়। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজশান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালিয় নব্য বাস্তবতাবাদী ছবি লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তার কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” পুরস্কারটি।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/৫

তাপসী পান্নু

তাপসী পান্নু (জন্ম: ১ আগস্ট ১৯৮৭) একজন ভারতীয় মডেল এবং অভিনেত্রী, যিনি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং বলিউড চলচ্চিত্রশিল্পে কাজ করেছেন। তাপসী একজন সফটওয়্যার পেশাজীবী হিসেবে কাজ করতেন, এবং অভিনেত্রী হবার পূর্বে মডেলিং কর্মজীবনে জড়িত ছিলেন। তার মডেলিং কর্মজীবনে তিনি কিছুসংখ্যক বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন, এবং ২০০৮ সালে "প্যান্টালুন ফেমিনা মিস ফ্রেশ ফেস" ও "সাফি ফেমিনা মিস বিউটিফুল স্কিন" খেতাব লাভ করেন। মডেলিংয়ে সীমিত ভূমিকা রাখার পর, রাঘবেন্দ্র রাও পরিচালিত ২০১০ সালের ঝুম্মান্ডি নাডাম তেলুগু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটান তাপসী। এরপর তিনি কয়েকটি চলচ্চিত্রে কাজ করেন যেমন, আদুকালাম, ভাস্তাধু না রাজু এবং মি. পারফেক্ট। তার তামিল আদুকালাম চলচ্চিত্র ৫৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে ছয়টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেয়। তিনি এছাড়াও একটি মালয়ালম চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন এবং তিনটি তেলুগু এবং হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করতে চুক্তিবদ্ধ হন। আরম্ভাম (২০১৩) তামিল চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিনি ২০১৪ এডিসন পুরস্কার অনুষ্ঠানে সর্বাধিক অত্যুৎসাহী সঞ্চালক-নারী পুরস্কার জেতেন। ২০১৫ সালে, তিনি সামালোচকীয় এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল বেবি চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। ২০১৬ সালে, তিনি পিংক চলচ্চিত্রে একটি প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন। ২০১৭ সালে, প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন নাম শাবানা চলচ্চিত্রে যা ২০১৫ সালের বেবি চলচ্চিত্রের প্রিকুএল। ২০১৭ সালে তিনি দ্য গাজি অ্যাটাক যুদ্ধ চলচ্চিত্র এবং জুড়ওয়া ২ কমেডি চলচ্চিত্রে কাজ করেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/৬

অনিল কাপুর

অনিল কাপুর হলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক। তাকে অসংখ্য বলিউড সিনেমায় এবং সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সিনেমায় তাকে অভিনয় করতে দেখা যায়। ৪০ বছর ধরে অভিনয় করেন এবং এরপর তিনি ২০০৫ সালে গান্ধী, মাই ফাদার দিয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজনা শুরু করেন। কর্মজীবনে তিনি অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ছয়টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। তিনি প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেন শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে। তিনি যশ চোপড়ার মশাল (১৯৮৪) ছবিতে অভিনয়ের জন্যে তিনি এই পুরস্কার জিতেন। কাপুর প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেন এন. চন্দ্রের তেজাব (১৯৮৮) ছবিতে অভিনয় করে এবং তার দ্বিতীয় সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেন ইন্দ্র কুমারের বেটা (১৯৯২) ছবিতে অভিনয়ের জন্যে। এছাড়া তিনি বিরাসত (১৯৯৭) ছবিতে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন, তাল (১৯৯৯) ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে তার দ্বিতীয় ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন, পুকার (২০০০) ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন, এবং দিল ধড়কনে দো (২০১৫) ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে তার তৃতীয় ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/৭

অক্ষয় কুমার

অক্ষয় কুমার হলেন একজন ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। তার প্রকৃত নাম রাজিব হরি ওম ভাটিয়া। ২৯ বছরের অধিক অভিনয় জীবনে তিনি এক শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং কয়েকটি পুরস্কার অর্জন করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে রুস্তম (২০১৬) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, এবং অজনবী (২০০১) ও গরম মসলা (২০০৫) চলচ্চিত্রের জন্য দুটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। তিনি প্রথম বলিউড অভিনেতা যার চলচ্চিত্রের সংগ্রহ ২০ বিলিয়ন রুপী ছাড়িয়ে যায় ২০১৩ সালে এবং ৩০ বিলিয়ন রুপী ছাড়িয়ে যায় ২০১৬ সালে। এর মাধ্যমে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি মূলত মারপিটধর্মী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। পরবর্তী কালে তিনি নাট্যধর্মী, প্রণয়ধর্মী ও হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তিনি অভিনেত্রী টুইঙ্কল খান্নার স্বামী এবং অভিনেতা রাজেশ খান্নাডিম্পল কপাড়িয়ার জামাতা। ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৮ সালে উইন্ডসর বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করে। ২০০৯ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে। ২০১১ সালে চলচ্চিত্র শিল্পে তার অনন্য অবদানের জন্য তিনি এশিয়ান অ্যাওয়ার্ডস থেকে সম্মাননা লাভ করেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/৮

আলিয়া ভাট

আলিয়া ভাট (জন্ম ১৫ মার্চ ১৯৯৩) একজন ব্রিটিশ-ভারতীয় অভিনেত্রী এবং গায়িকা, যিনি মূলত বলিউড চলচ্চিত্রে কাজ করেন। ২০১৪ সালে তিনি ফোর্বস ইন্ডিয়ার সেলিব্রিটি ১০০ তালিকায় এবং ২০১৭ সালে ফোর্বস এশিয়ার থার্টি আন্ডার থার্টি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ভাট পরিবারে জন্মগ্রহণকারী আলিয়া, চলচ্চিত্র নির্মাতা মহেশ ভাট এবং অভিনেত্রী সোনি রাজদানের কন্যা। ১৯৯৯ সালে সংঘর্ষ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পীর ভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীকালে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী হিসাবে প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্ত্বক স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার (২০১২) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন তিনি; যেটি সে বছরের বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করে। তিনি করণ জোহরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধর্ম প্রোডাকশন্স প্রযোজিত বেশকয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসাবে বলিউড চলচ্চিত্র শিল্পে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যার মধ্যে টু স্টেট্‌স (২০১৪), হাম্পটি শর্মা কি দুলহনিয়া (২০১৪), ডিয়ার জিন্দেগি (২০১৬) এবং বদ্রীনাথ কি দুলহনিয়া (২০১৭) অন্তর্ভূক্ত। ২০১৪ সালে, হাইওয়ে পথচলচ্চিত্রে স্টকহোম সিনড্রোমে আক্রান্ত কিশোরীর চরিত্রে ভাটের অভিনয় চলচ্চিত্র সমালোচকদের ইতিবাচক মন্তব্য লাভ করে। চলচ্চিত্রটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার জিতেছেন এবং একই অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্যও মনোনয়ন পেয়েছেন। ২০১৬ সালে, উড়তা পাঞ্জাব অপরাধ নাট্য চলচ্চিত্রে দারিদ্র্যপীড়িত অভিবাসী চরিত্রে এবং ২০১৮ সালে রাজি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ভাট শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীকালে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের সর্বাধিক উপার্জনকারী মহিলা-নের্তীত্বাধীন চলচ্চিত্রগুলিতে কাজ করেছিলেন। ২০১৯ সালে তার সর্বাধিক উপার্জনকারী সঙ্গীতধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র গালি বয় মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি ৯২তম একাডেমি পুরস্কারে সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে ভারত থেকে নির্বাচিত হয়েছিল। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি, ভাট তার পোশাক এবং হ্যান্ডব্যাগগুলির নিজস্ব ধারার বিবর্তন ঘটিয়েছেন এবং বাস্তুতান্ত্রিক উদ্যোগের অংশ হিসাবে কোএক্সজিস্ট নামক একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি তার অভিনীত ছয়টি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠশিল্পী হিসাবে কাজ করেছেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/৯

অমিতাভ বচ্চন

অমিতাভ বচ্চন হলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় চলচিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাবেক রাজনীতিবিদ। ১৯৭০-এর প্রথম দিকে তিনি বলিউড চলচ্চিত্র জগতে "রাগী যুবক" হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। অমিতাভের পুত্র অভিনেতা অভিষেক বচ্চন, এই জন্য অমিতাভ 'বিগ বি' বা বড় বচ্চন নামেও পরিচিত। বলিউডের শাহেনশাহ ও সহস্রাব্দের সেরা তারকা হিসেবে পরিচিত বচ্চন তাঁর পাঁচ দশকের অধিক সময়ের কর্মজীবনে ১৯০টির অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বচ্চনকে ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার একচ্ছত্র আধিপত্যের জন্য ফরাসি চলচ্চিত্র সমালোচক ও পরিচালক ফ্রঁসোয়া ত্রুফো তাকে "একক-ব্যক্তি চলচ্চিত্র শিল্প" বলে অভিহিত করেন। বচ্চন কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন; তন্মধ্যে রয়েছে ৪টি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ১৫টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ফিল্মফেয়ারে অভিনয়ের জন্য প্রদত্ত পুরস্কারের বিভাগে তিনি সর্বাধিক মনোনয়ন পাওয়ার রেকর্ড করেছেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১০

শ্রিয়া সরন

শ্রিয়া সরন (জন্ম: ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৮২), যিনি শ্রিয়া নামে অধিক পরিচিত, একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এবং মডেল। তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক শিল্পে কাজ করেছেন যেমন, তেলেগু, তামিল, মালায়ালাম এবং হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র এবং পাশাপাশি কয়েকটি ইংরেজি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সরন ২০০১ সালে ইশ্‌তাম তেলুগু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন, এবং তার প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জনকারী চলচ্চিত্র ছিল সন্থোসাম (২০০২)। পরে তিনি হিন্দি ও তামিল চলচ্চিত্র শিল্পে পথ তৈরির জন্য আরো বেশকয়েকটি তেলুগু চলচ্চিত্রে হাজির হন। ২০০৭ সালে, সরন শিভাজি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, যেটি ছিল সে সময়ের সর্বাধিক উপার্জনকারী তামিল চলচ্চিত্র। ২০০৭ সালের আওয়ারাপন বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। ২০০৮ সালে, সরন তার প্রথম ইংরেজি চলচ্চিত্র মার্কিন-ভারতীয় সহ-প্রযোজনা দ্য আদার অ্যান্ড অব দ্য লাইন-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। পরবর্তীতে জনপ্রিয় তামিল কন্দস্বামী' (২০০৯), এবং মালায়ালম পোখিরি রাজা (২০১০) চলচ্চিত্রসমূহে তার ভূমিকা তাকে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। চলচ্চিত্রে অভিনয় ছাড়াও, তিনি সৌন্দর্য এবং স্বাস্থ্য পণ্যকে সমর্থন করে সারা ভারত জুড়ে বেশ কয়েকটি দোকানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছিলেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১১

সালমান খান

সালমান খান (হিন্দি: सलमान ख़ान; (১৯৬৫-১২-২৭)২৭ ডিসেম্বর ১৯৬৫) হচ্ছেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি এপর্যন্ত প্রায় ১০০টির বেশি হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি বলিউডের একজন অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় অভিনেতা। তিনি ১৯৮৮ সালে বিবি হো তো অ্যায়সি চলচ্চিত্রে গৌণ ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। তার অভিনীত প্রথম ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া ১৯৮৯ সালে মুক্তি পায়; এ কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। এরপর নব্বইয়ের দশকে তিনি বলিউডে বেশ কিছু ব্যবসা সফল হিন্দি চলচ্চিত্র উপহার দেন, যেমন প্রণয়মূলক সাজন (১৯৯১), প্রণয়মূলক নাট্যধর্মী হাম আপকে হ্যাঁয় কৌন..! (১৯৯৪), মারপিটধর্মী রোমহর্ষক করণ অর্জুন (১৯৯৫), হাস্যরসাত্মক জুড়ওয়া (১৯৯৭), প্রণয়মূলক প্যায়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া (১৯৯৮), হাস্যরসাত্মক বিবি নাম্বার ওয়ান (১৯৯৯) ও পারিবারিক নাট্যধর্মী হাম সাথ-সাথ হ্যাঁয় (১৯৯৯)।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১২

রানী মুখার্জী

রানী মুখার্জী (জন্ম ২১ মার্চ ১৯৭৮) একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, যিন হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। মুখার্জি-সমর্থ পরিবারে জন্মগ্রহণকারী, মুখার্জী মায়ের সাথে জেদ করে বাবার পরিচালিত বিয়ের ফুল (১৯৯৬) বাংলা চলচ্চিত্রে একটি ক্যামিও চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। পরবর্তীবছর, মুখার্জি রাজা কি আয়েগি বারাত (১৯৯৭)-এর মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে করণ জোহরের প্রণয়ধর্মী কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে মাধ্যমে তার প্রথম বৃহত্তম বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জনকারী চলচ্চিত্র মুক্তি পায়, যেটি তাকে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এনে দেয়। পরবর্তীতে তিনি সমালোচিত-প্রশংসিত নাট্য চলচ্চিত্র সাথিয়ায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার জেতার আগে তিনি বেশকয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন যা তার দক্ষতার প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। পরে তিনি ব্ল্যাক (২০০৫) চলচ্চিত্রে অন্ধ আলঝেইমার রোগির চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সর্বসম্মত প্রশংসা পেয়েছিলেন, যার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। এরপর একাধিক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি, যার বেশিরভাগ ছিল যশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে। এর মধ্যে কোনো চলচ্চিত্রই বক্স অফিসে সাফল্য পায় নি। তবে, ২০১১ সালে, আধা-জীবনীমূলক থ্রিলার নো ওয়ান কিল্ড জেসিকা চলচ্চিত্রে তিনি একজন শীর্ষস্থানীয়, স্বতন্ত্র নারী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রশংসা অর্জন করেছিলেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১৩

অজয় দেবগন

অজয় দেবগন হলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক। তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অভিনেতা, যিনি একশরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। তিনি ২০১৬ সালে ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন৷ চলচ্চিত্র পরিচালক বীরু দেবগনের পুত্র অজয় ১৯৯১ সালে ফুল অউর কাঁটে ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন এবং এই কাজের জন্য শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন৷ প্রথম চলচ্চিত্রের ব্যবসায়িক সফলতার পর তিনি জিগার (১৯৯২), বিজয়পথ (১৯৯৪), দিলওয়ালে (১৯৯৪), সোহাগ (১৯৯৪), হকীকত (১৯৯৫), নাজায়েয (১৯৯৫), এবং ইশ্‌ক (১৯৯৭)-এর মত বহু ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি মহেশ ভাটের সমাদৃত নাট্যধর্মী জখম ছবিতে অভিনয় করে তার প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন৷ তার দ্বিতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার আসে রাজকুমার সন্তোষীর দ্য লেজেন্ড অব ভগৎ সিং (২০০৩) ছবিতে ভগৎ সিং চরিত্রে অভিনয়ের জন্য।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১৪

কাজল

কাজল (জন্ম ৫ আগস্ট ১৯৭৪) একজন ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। কাজল পরিচালক সমু মুখার্জী ও অভিনেত্রী তনুজা দম্পতির কন্যা, এবং অভিনেতা অজয় দেবগনের স্ত্রী। কাজল ভারতের অন্যতম সফল এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী। তিনি তার কর্মজীবনে বারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার মনোনয়নের মধ্যে ছয়টি পুরস্কার জয় লাভ করেছেন। তার মাসী নূতনের সাথে যৌথভাবে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচবার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার বিজয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছেন। ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সম্মানিত পুরস্কার পদ্মশ্রীতে ভূষিত করেন। কাজলের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৯২ সালে তার মায়ের সাথে রোম্যান্টিক বেখুদি চলচ্চিত্রে। তার প্রথম বাণিজ্যিক সফল চলচ্চিত্র হল থ্রিলারধর্মী বাজীগর (১৯৯৩)। নব্বইয়ের দশকে তিনি ভারতের পাঁচটি সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিসমূহ হল - ইয়ে দিল্লাগি (১৯৯৪), ইশ্‌ক (১৯৯৭), প্যার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া (১৯৯৮), প্যার তো হোনা হি থা (১৯৯৮), এবং হাম আপকে দিল মে রেহতে হেঁ (১৯৯৯)। ১৯৯৭ সালে রহস্য চলচ্চিত্র গুপ্ত: দ্য হিডেন ট্রুথ এবং ১৯৯৮ সালে মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার দুশমন তাকে খ্যাতি এনে দেয়। গুপ্ত: দ্য হিডেন ট্রুথ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ খলনায়ক পুরস্কার অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে রোম্যান্টিক দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে ছবিতে রক্ষণশীল ভারতীয় পরিবারের কন্যা, ১৯৯৮ সালে রোম্যান্টিক-নাট্যধর্মী কুচ কুচ হোতা হ্যায় ছবিতে প্রথমে বালকসুলভ চেহারা ও পরে আদর্শ ভারতীয় নারী চরিত্রে, ২০০১ সালে পারিবারিক-নাট্যধর্মী কভি খুশি কভি গম... ছবিতে নিম্ন মধ্যবিত্ত পাঞ্জাবি নারী, ২০০৬ সালে ফনা ছবিতে অন্ধ কাশ্মিরি নারী, এবং ২০১০ সালে মাই নেম ইজ খান ছবিতে বিচ্ছেদ হওয়া একক মা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রেকর্ড সংখ্যক পাঁচবার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ইউ মি অউর হাম (২০০৮), উই আর ফ্যামিলি (২০১০), এবং দিলওয়ালে (২০১৫)। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি কাজল সামাজিক কর্মকান্ডেও জড়িত। তিনি বিধবা নারী এবং শিশুদের নিয়ে কাজের জন্য সুপরিচিত। এই কাজের জন্য তিনি ২০০৮ সালে কর্মবীর পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি জি টিভির রিয়েলিটি শো রক-এন-রোল অনুষ্ঠানের বিচারক এবং দেবগন এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড সফটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১৫

হৃতিক রোশন

হৃতিক রোশন হলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা। তিনি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। হৃতিক সর্বাধিক জনপ্রিয় ভারতীয় সেলিব্রিটিদের মধ্যে অন্যতম। চলচ্চিত্র পরিচালক রাকেশ রোশনের পুত্র হৃতিক বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং এক দক্ষ নৃত্যশিল্পী হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক-প্রাপ্ত অভিনেতাদের অন্যতম। ছ’টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার জয় করেছেন হৃতিক। কাহো না... প্যায়ার হ্যায় (২০০০) ছবিতে তিনি প্রথম বার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৩ সালে বিজ্ঞান কল্পকাহিনিভিত্তিক কোই... মিল গয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করে হৃতিক দু’টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার (শ্রেষ্ঠ অভিনেতাসমালোচকদের বিচারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা) পান। এই ছবিটির দু’টি অনুবর্তী পর্ব নির্মিত হয়: কৃষ (২০০৬) ও কৃষ ৩। এই দু’টি ছবিতেও নাম ভূমিকায় অভিনয় করে প্রভূত সাফল্য অর্জন করেন। ২০০৮ সালে ঐতিহাসিক প্রণয়ধর্মী জোধা আকবর ছবিতে মুঘল সম্রাট আকবরের ভূমিকায় এবং ২০১০ সালে গুজারিশ চলচ্চিত্রে এক কোয়াড্রিপ্লেজিক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি সর্বত্র প্রশংসা অর্জন করেন। এরপরেও তার অভিনীত নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র জিন্দগি না মিলেগি দোবারা (২০১১), প্রতিশোধমূলক চলচ্চিত্র অগ্নিপথ (২০১২) ও মারপিটধর্মী হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র ব্যাং ব্যাং! (২০১৪) সাফল্য অর্জন করে।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১৬

বিদ্যা বালান

বিদ্যা বালান (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৭৮) একজন ভারতীয় মডেল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি বলিউড চলচ্চিত্রে কর্মজীবন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাংলা, তামিল, মালয়ালম এবং হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। অভিনয় জীবনে তিনি এ যাবৎ বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেছেন, যার মধ্যে একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং পাঁচটি স্ক্রিন পুরস্কার অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। ২০১৪ সালে ভারত সরকার কর্তৃক তাকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করা হয়। তরুণ বয়সেই চলচ্চিত্রের সাথে তার সম্পৃক্ততা ঘটে এবং ১৯৯৫ সালে হাম পাঁচ হিন্দি সিটকমের মাধ্যমে প্রথম অভিনয়ে আসেন। তিনি মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন এবং চলচ্চিত্রে কর্মজীবন শুরু করার পূর্বে ভিন্ন-ভিন্ন পেশায় ব্যর্থ হয়েছিলেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন টেলিভিশন বিজ্ঞাপন ও মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার পর ২০০৩ সালে তিনি ভাল থেকো স্বাধীন বাংলা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে প্রণয়ধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র পরিণীতা'য় ললিতা চরিত্রে অভিনয় ছিল তার প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় এবং পরবর্তী বছর ২০০৬ সালে রম্য-নাট্যধর্মী লাগে রাহো মুন্না ভাই চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন যা বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করে। এই সাফল্যের পর তিনি প্রণয়ধর্মী রম্য হেই বেবি (২০০৭) ও কিসমত কানেকশন (২০০৮) চলচ্চিত্রে কাজ করেন, যার ফলে তিনি নেতিবাচক সমালোচনা লাভ করেন। ২০০৯ সালে বিদ্যার কর্মজীবনের সর্বাধিক সাফল্যের সূচনা ঘটে পা নাট্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর ২০১০ সালের ব্ল্যাক কমেডি ইশ্‌কিয়া, ২০১১ সালের অর্ধ-জীবনীমূলক থ্রিলার নো ওয়ান কিলড জেসিকা, জীবনীমূলক চলচ্চিত্র দ্য ডার্টি পিকচার এবং ২০১২ সালের থ্রিলারধর্মী কাহানী চলচ্চিত্রে তিনি সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। এ সকল চরিত্রসমূহ তাকে হিন্দি চলচ্চিত্রের নেতৃত্বস্থানীয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিণত করে। পরে তিনি কাহানির অনুবর্তী পর্ব কাহানি ২: দুর্গা রানী সিং ছবিতে অভিনয় করেন। ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে সফল না হলেও বিদ্যার অভিনয় প্রশংসিত হয়। ২০১৭ সালে তিনি রেডিও জকি চরিত্রে ব্যবসায়িক সফলতা অর্জনকারী রম্য-নাট্য তুমহারি সুলু চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। বিদ্যা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি মানবহিতৈষী কার্যকলাপে জড়িত রয়েছেন এবং নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য সহায়ক হিসেবে অবদান রেখেছেন। প্রাথমিকভাবে তার ভারী শরীর এবং প্রশ্নসাপেক্ষ পোশাক নির্বাচনের কারণে তাকে বিভিন্ন সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তিনি ২০১২ সালে চলচ্চিত্র প্রযোজক সিদ্ধার্থ রায় কাপুরকে বিয়ে করেন। ২০১৭ সালে তিনি ভারতীয় কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য হন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১৭

আমির খান

আমির খান (ইংরেজি: Aamir Khan; হিন্দি: आमिर ख़ान; জন্ম: ১৪ মার্চ ১৯৬৫) হচ্ছেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক, চিত্রনাট্য লেখক এবং টেলিভিশন উপস্থাপক। হিন্দি চলচ্চিত্রে সফল কর্মজীবনের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী অভিনেতা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার এবং মনোনয়ন অর্জন করেছেন। তিনি নিজস্ব উদ্যোগে চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা আমির খান প্রোডাকশনস প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি তার চাচা নাসির হুসেনের ইয়াদোঁ কি বারাত (১৯৭৩) ছবিতে শিশুশিল্পী হিসাবে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক করেন। ১৯৭৩ সালে ইয়াদোঁ কি বারাত চলচ্চিত্র্রে শিশুশিল্পী হিসাবে তার অভিনয় জীবন শুরু হয়। তবে পেশাগতভাবে তার অভিনয় জীবনের সূচনা ১৯৮৪ সালে হোলি চলচ্চিত্র্রের মাধ্যমে। তার প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্র কেয়ামত সে কেয়ামত তক, যার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। ভারত সরকার ২০০৩ সালে তাকে পদ্মশ্রী এবং ২০১০ সালে পদ্মভূষণ পদকে সম্মানিত করেন। ২০১৩ সালের এপ্রিলে, টাইম ম্যাগাজিনের তালিকার তিনি বিশ্বের ১০০ সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১৮

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (জন্ম ১৮ জুলাই ১৯৮২) ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এবং সঙ্গীতশিল্পী। ২০০০ সালে তিনি মিস ওয়ার্ল্ড উপাধি লাভ করেন। তার সফল চলচ্চিত্র জীবনের মাধ্যমে, চোপড়া বলিউডের সর্বাধিক প্রারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীর পাশাপাশি ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছেন। তিনি অসংখ্য পুরষ্কার এবং মনোনয়ন পেয়েছেন। প্রাথমিক জীবনে একসময় চোপড়া প্রকৌশল বিদ্যা বা মনোরোগ বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী ছিলেন। ২০০২ সালে ঠামিজান তমিল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়ে তার অভিষেক ঘটে এবং পরবর্তীতে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে কর্মজীবন শুরু করার প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। পরের বছর, ২০০৩ সালে তিনি দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অব অ্যা স্পাই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, এবং একই বছর বক্স-অফিস হিট আন্দাজ চলচ্চিত্রে উপস্থিত হয়েছেন। ২০০৪ সালে তিনি আইতরাজ চলচ্চিত্র্রের জন্য ব্যাপক সমালোচনা অর্জন করেছিলেন। এই চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৬ সালে কৃষ এবং ডন: দ্যা চেজ বিগিন্স এগেইন-এর মতোর ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চোপড়া হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে নিজেকে শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি ব্যর্থ চলচ্চিত্র্রের পরে, তিনি ফ্যাশন, কামিনে, ৭ খুন মাফ এবং বর্ফী! চলচ্চিত্র্রের জন্য মিশ্র সমাচোলনা লাভ করেছিলেন। ফ্যাশন চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত জীবনী/১৯

দীপিকা পাড়ুকোন

দীপিকা পাড়ুকোন (জন্ম ৫ জানুয়ারি ১৯৮৬) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ও মডেল। সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহণকারী ভারতীয় তারকাদের একজন হিসেবে, তিনি বলিউড চলচ্চিত্রে তার কর্মজীবন প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দুইটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। তিনি হিন্দি, তামিলকন্নড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। পাড়ুকোন, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোনের মেয়ে, কোপেনহেগেনে জন্মগ্রহণ করেন এবং বেঙ্গালুরুতে বেড়ে উঠেন। একজন তরুণী হিসেবে তিনি জাতীয় পর্যায়ে ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশীপে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু ফ্যাশন মডেল হওয়ার জন্য তিনি খেলোয়াড় পেশার ইতি টানেন। তিনি শীঘ্রই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব পান, এবং ঐশ্বরিয়া কন্নড চলচ্চিত্রে নামমাত্র চরিত্রে ২০০৬ সালে প্রথম অভিনয় করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে তার প্রথম বলিউড ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ওম শান্তি ওম মুক্তি পায় যেখানে তিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন এবং ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ নারী অভিষেক পুরস্কার লাভ করেন। পাড়ুকোন প্রণয়ধর্মী লাভ আজ কাল (২০০৯) এবং নাট্যধর্মী লাফাঙ্গে পারিন্দে (২০১০) চলচ্চিত্রে প্রধান ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য প্রশংসা লাভ করেন। তবে তার প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক বচনা অ্যায় হাসিনো (২০০৮) এবং হাস্যরসাত্মক হাউসফুল (২০১০) চলচ্চিত্রে তার অভিনয় নেতিবাচক মন্তব্য লাভ করে। ২০১২ সালের বক্স অফিস হিট ককটেল পাড়ুকোনের কর্মজীবনের সন্ধিক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়, যা তাকে সমালোচকদের কর্তৃক প্রশংসা অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন পুরস্কার সমারোহ অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য মনোনয়ন এনে দেয়। তিনি হাস্যরসাত্মক ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি (২০১৩), চেন্নাই এক্সপ্রেস (২০১৩) এবং হ্যাপি নিউ ইয়ার (২০১৪) চলচ্চিত্রে সাফল্যের সাথে অভিনয় করেন যা সর্বোচ্চ-আয়কারী বলিউড চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান নেয়। তিনি বিয়োগান্ত গোলিয়োঁ কী রাসলীলা রাম-লীলা (২০১৩) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রশংসা লাভ করেন, এবং ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে, তার হাস্যরসাত্মক-নাট্য চলচ্চিত্র পিকু মুক্তি পায়, একই সালের ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত ঐতিহাসিক ছবি বাজীরাও মস্তানীতে তিনি মস্তানি চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন।