প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

Cartella rossa.jpg

Crystal Clear action bookmark.png
নির্বাচিত নিবন্ধ
ওয়াজাদা, (ইংরেজি ভাষায়: Wadjda ; আরবি ভাষায়: وجدة) হাইফা আল মনসুর পরিচালিত একটি চলচ্চিত্র। এটি সৌদি আরবের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা কোন নারী চলচ্চিত্র পরিচালক দ্বারা নির্মিত। ছবিটি সৌদি আরবের একজন অল্প বয়স্ক মেয়ের গল্প নিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যে তার দেশের ঐতিহ্যকে চ্যালেঞ্জ করে। এই ছবিটি পরিচালনা করে সৌদি আরবের প্রথম নারী চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন হাইফা আল মনসুর। ছবির প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ওয়াদ মোহাম্মেদ, রিম আবদুল্লাহ এবং আবদুল রহমান আল গোহানি সহ প্রমুখ। ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২ তারিখে মুক্তি পায়।

ব্যবহার[সম্পাদনা]

এই উপপৃষ্ঠাগুলির জন্য বিন্যাস নকশা প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/Layout-এ আছে।

  1. পরবর্তী ব্যবহারযোগ্য উপপৃষ্ঠাতে একটি নতুন নির্বাচিত জীবনী যোগ করুন।
  2. প্রধান পাতাতে এটির {{Random portal component}}-এর জন্য "max="-এ নতুন মোট সংখ্যা আধুনিক করুন।

নির্বাচিত নিবন্ধের তালিকা[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/১

ঢাকা এফডিসি প্রধান গেট।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বলতে অবিভক্ত বঙ্গ (১৯৪৭ পর্যন্ত) থেকে শুরু করে পূর্ব পাকিস্তান এবং ১৯৭১ সালের পর স্বাধীন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে বোঝায়। পৃথিবীর অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও (তদানীন্তন পূর্ব বঙ্গ) ১৮৯০-এর দশকে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছিল। এই সূত্র ধরে এই অঞ্চলে ১৯০০-এর দশকে নির্বাক এবং ১৯৫০-এর দশকে সবাক চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শন শুরু হয়। চলচ্চিত্র মঞ্চের উৎপত্তি ১৯১০-এর দশকে হলেও এখানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে ১৯৫০-এর দশকেই। এখানকার সাংস্কৃতিক পরিবেশের সাথে খাপ খেতে চলচ্চিত্রের প্রায় ৫০ বছরের মত সময় লেগেছে। ১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ৮০টির মত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তি পেতো। আর ২০০৪ সালের হিসাব মতে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে বছরে গড়ে প্রায় ১০০টির মত চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। এ হিসেবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে বেশ বড়ই বলা যায়, যদিও এশিয়ার চলচ্চিত্র শিল্পে তা অনেকটাই উপেক্ষিত।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/২

চিত্র:Harry Potter 1-6.jpg

হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজটি ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং রচিত সাত খন্ডের হ্যারি পটার উপন্যাস সিরিজের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত। সিরিজে বইয়ের সংখ্যা সাতটি হলেও, চলচ্চিত্র সংখ্যা আটটি। কারণ, সর্বশেষ বইটির কাহিনী অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ এবং জটিল হওয়ায় বইটি অবলম্বনে দুই পর্বের চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। হ্যারি পটার সিরিজের চলচ্চিত্রগুলো বিপণন করেছে ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্স এবং প্রযোজনা করেছেন ডেভিড হেয়ম্যান। এছাড়া সবগুলো চলচ্চিত্রে প্রধান তিন চরিত্র হ্যারি পটার, রন উইজলি এবং হারমায়োনি গ্রেঞ্জার এর ভূমিকায় অভিনয় করেছে তিন উদীয়মান তারকা, ড্যানিয়েল র‌্যাডক্লিফ, রুপার্ট গ্রিন্ট এবং এমা ওয়াটসনহ্যারি পটার সিরিজটি বর্তমানে সারাবিশ্বের তরুণদের একটি আইকনে পরিণত হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই সিরিজটি সর্বকালের সবচেয়ে ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র সিরিজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত হ্যারি পটার প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে এবং সর্বোচ্চ আয়কারী ৩০ টি চলচ্চিত্রের তালিকায় হ্যারি পটার সিরিজের প্রত্যেকটি ছবি রয়েছে। সিরিজের সর্বশেষ চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস দুই পর্বে নির্মিত হয়েছে, যার প্রথম পর্বটি ২০১০ সালের ১৯ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছে এবং দ্বিতীয় পর্বটি ২০১১ সালের ১৫ জুলাই মুক্তি পাবে। এর মধ্য দিয়েই সমাপ্তি ঘটবে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী তুমুল জনপ্রিয় হ্যারি পটার সিরিজের।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/৩

The Sheik Poster 1921.jpg

দ্য শেখ ১৯২১ সালে নির্মিত ফেমাস প্লেয়ার-ল্যাস্কি প্রযোজিত ও জর্জ মেলফোর্ড পরিচালিত একটি নির্বাক চলচ্চিত্র। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন রুডলফ ভ্যালেনটিনো, অ্যাগনেস আয়রেসঅ্যাডলফ মেনজো। ছবিটি নির্মিত হয়েছিল এডিথ মড হুল রচিত বিখ্যাত রোম্যান্স উপন্যাস দ্য শেখ অবলম্বনে। “দ্য শেখ” ছবিটি বছরের বিভিন্ন সময়ে মুক্তি পায়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ১৯৩৭ ও ১৯৩৮ সালে সারা বিশ্বে এটি পুনরায় মুক্তি পেয়েছিল। তখন অবশ্য হেজ কোডের জন্য ধর্ষণদৃশ্যটি বাদ দেওয়া হয়। প্যারামাউন্ট ভিডিও এটিকে প্রকাশ করেন ১৯৮৭ সালে। ২০০২ সালের ২৫ জুন ইমেজ এনটারটেইনমেন্ট সন অফ দ্য শেখ ছবিটির সঙ্গে এই ছবির ডিভিডি প্রকাশ করে।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/৪

চিত্র:HP1 Poster.JPG

হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন, (যুক্তরাষ্ট্রভারতে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য সরসারার্স স্টোন নামে) জে. কে. রাউলিং রচিত একই নামের একটি উপন্যাস অবলম্বনে ২০০১ সালে নির্মিত একটি ফ্যান্টাসি-অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র। ক্রিস কলম্বাস পরিচালিত ছবিটি হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজের প্রথম চলচ্চিত্র। ছবিটি প্রযোজনা করেন ডেভিড হেয়ম্যান এবং চিত্রনাট্য লিখেন স্টিভ ক্লোভস। চলচ্চিত্রটিতে হ্যারি পটার নামের একজন অনাথ বালকের কাহিনী বলা হয়েছে যে তার এগারতম জন্মদিনে জানতে পারে যে সে একজন জাদুকর এবং হগওয়ার্টস জাদু বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। চলচ্চিত্রটিতে হ্যারির চরিত্রে অভিনয় করে ড্যানিয়েল র‌্যাডক্লিফ, এবং হ্যারির দুই বন্ধু রন উইজলিহারমায়োনি গ্রেঞ্জার এর চরিত্রে অভিনয় করে রুপার্ট গ্রিন্টএমা ওয়াটসন। অন্যান্য অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন রিচার্ড হ্যারিস, রোবি কলট্রেন, ম্যাগি স্মিথ, অ্যালান রিকম্যান ও ইয়ান হার্ট।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/৫

মুখ ও মুখোশ ছবির বাণিজ্যিক প্রচ্ছদ.jpg

মুখ ও মুখোশ বাংলাদেশের (তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের) প্রথম স্থানীয়ভাবে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটি পরিচালনা করেন আব্দুল জব্বার খান। ইকবাল ফিল্মস্‌ এই ছবিটি অর্থায়ন ও চিত্রায়নে সহায়তা করে। চলচ্চিত্রটি ১৯৫৬ সালের আগস্ট ৩ তারিখে মুক্তি পায়। ছবিটির প্রথম প্রদর্শনী হয় মুকুল প্রেক্ষাগৃহে (বর্তমান আজাদ প্রেক্ষাগৃহ)। এটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ এবং খুলনায় একযোগে মুক্তি পায়। সেই অঞ্চলের প্রথম চলচ্চিত্র হিসাবে দর্শকমহলে এটি নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়। প্রথম দফায় মুক্তির পর চলচ্চিত্রটি ৪৮,০০০ রুপি আয় করে।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/৬

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়াজাদার পোস্টার।

ওয়াজাদা, (ইংরেজি ভাষায়: Wadjda ; আরবি ভাষায়: وجدة) হাইফা আল মনসুর পরিচালিত একটি চলচ্চিত্র। এটি সৌদি আরবের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা কোন নারী চলচ্চিত্র পরিচালক দ্বারা নির্মিত। ছবিটি সৌদি আরবের একজন অল্প বয়স্ক মেয়ের গল্প নিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যে তার দেশের ঐতিহ্যকে চ্যালেঞ্জ করে। এই ছবিটি পরিচালনা করে সৌদি আরবের প্রথম নারী চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন হাইফা আল মনসুর। ছবির প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ওয়াদ মোহাম্মেদ, রিম আবদুল্লাহ এবং আবদুল রহমান আল গোহানি সহ প্রমুখ। ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২ তারিখে মুক্তি পায়।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/৭

ডিভিডি কভার

সীমানা পেরিয়ে (ইংরেজি: Shimana Periye - Across The Fringe) এটি ১৯৭৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবির, ১৯৭০ সালে উপকূলীয় অঞ্চলে এক ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিচালক ছবিটি নির্মাণ করেছেন। ছবিতে মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদজয়শ্রী কবির। এছাড়াও কয়েকটি গুরুপ্তপুর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মায়া হাজারিকা, কাফী খান, গোলাম মোস্তফাতনুজা

চলচ্চিত্রটি ১৯৭৭ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতাসহ মোট তিনটি বিভাগে পুরস্কার লাভ করেছিল।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/৮

চলচ্চিত্রের ভিসিডি কভার

মেঘের কোলে রোদ (ইংরেজি: Megher Koley Rod - Sunshine in the Clouds) এটি ২০০৮ এর একটি বাংলাদেশী বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র। ছবিটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন বাংলাদেশী বিখ্যাত নারী চলচিত্রকার নার্গিস আক্তার। পরিচালক ছবিটি নির্মান করেছেন একটি পরিছন্ন ও ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়ে সঙ্গে ফুটিয়ে তুলেছেন এইচআইভি/এইডস এর উপর সচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণ মূলক বৈশিষ্ট্য। এবং সেই সাথে ধরে রেখেছেন ঢাকাই ছবির ধরণ যেমন- গান, গানের সাথে নৃত্য এবং মারপিট। ছবিটি মুক্তি লাভ করে ১ আগস্ট, ২০০৮। জনসচেতনা মূলক এই ছবিতে অভিনয় করেছেন রিয়াজ, পপি, টনি ডায়েস, দিতি, খুর্শিদুজ্জামান উত্পল, কবরী সারোয়ার, আহমেদ শরিফ সহ আরো অনেকে। টিভি অভিনেতা টনি ডায়েস এই ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ চলচিত্রে অন্তপ্রকাশ করেন। যদিও ছবিতে তিনি মূল ভূমিকায় ছিলেন না।

মেঘের কোলে রোদ ছবিটি দর্শক ও চলচ্চিত্র সমালোচকদের কাছে দারুন ভাবে প্রসংশিত হয় এবং এর সীকৃতি সরূপ ছবিটি পাঁচটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/৯ সূর্য দীঘল বাড়ী ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। বিশিষ্ঠ গ্রন্থকার আবু ইসহাক এর ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত (উপন্যাস) সূর্য দীঘল বাড়ি অবলম্বনে ছবিটি নির্মান করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম সরকারী অনুদান প্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রধান প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ডলি আনোয়ার, জহিরুল হক, রওশন জামিল, আরিফুল হক, কেরামত মাওল এবং এটিএম শামসুজ্জামান

সূর্য দীঘল বাড়ী ছবিটি ১৯৮০ সালের ম্যানহেইম চলচ্চিত্র উৎসব, জার্মানিতে অংশগ্রহণ করে এবং তিনটি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও চলচ্চিত্রটি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করে।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/১০ ছুটির ঘন্টা ১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী শিশুতোষ চলচ্চিত্র। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আজিজুর রহমান। ঈদের ছুটি ঘোষণার দিন স্কুলের বাথরুমে সকলের অজান্তে তালা বন্ধ হয়ে আটকে পড়ে একটি ১২ বছর বয়সের ছাত্র। আর তালা বন্ধ বাথরুমে দীর্ঘ ১১ দিনের ছুটি শেষ হওয়ার প্রতিক্ষার মধ্যে দিয়ে হৃদয় বিদারক নানা ঘটনা ও মুক্তির কল্পনায় ১০ দিন অমানবিক কষ্ট সহ্য করার পর কিভাবে একটি নিষ্পাপ কচি মুখ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে এমনই একটি করূন দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। ছবির মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছে শিশু শিল্পী সুমন ও অনন্যা চরিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাক, শাবানা, সুজাতা, শওকত আকবর, এবং এটিএম শামসুজ্জামান


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/১১

ডিভিডি'র মোড়ক

নট ওয়ান লেস (ইংরেজি: Not One Less, চীনা: 一个都不能少) এটি ১৯৯৯ সালের চীনা পরিচালক জ্যাং য়িমু পরিচালিত একটি দৃশ্যকাব্য চলচ্চিত্র, যেটি শি জিয়াংশেং এর ১৯৯৭-এর গল্প "সান ইন দ্য স্কাই" (চীনা: 天上有个太阳) থেকে অভিযোজিত। এটা প্রযোজনা করেছিল গুয়াংজি ফিল্ম স্টুডিও ও চীনের মধ্যে মুক্তি দেয়া হয় চীন ফিল্ম গ্রুপ কর্পোরেশন-এর ব্যানারে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বিতরণ করে সনি পিকচার্স ক্লাসিককলাম্বিয়া ট্রিস্টার প্রতিষ্ঠান দুটি।

নট ওয়ান লেস চলচ্চিত্রটি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব-এর শীর্ষ পুরস্কার গোল্ডেন লায়ন সহ মোট চারটি বিভাগে পুরস্কার জয় করেছিল। শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার গোল্ডেন রুস্টার একটি পেয়েছেছিল, দেশের মূল অংশে চীন সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার অনুষ্ঠান, এবং চলচ্চিত্রটি হান্ড্রেড ফ্লাওয়ার্স আওয়ার্ড এর বছরের সেরা চলচ্চিত্র ভোট জরিপে শীর্ষ তৃতীয় স্থান লাভ করে।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/১২

ভিসিডি কভার

হাজার বছর ধরে (ইংরেজি: Haazar Bochhor Dhorey - Symphony of Agony) এটি ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার জহির রায়হান এর কালজয়ী উপন্যাস হাজার বছর ধরে অবলম্বনে একই শিরোনাম নির্মিত হয় এটি। সরকারি অনুদানের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন জহির রায়হানের সহধর্মিনী এক সময়ের বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা। ছবিতে প্রধান দুটি চরিত্র মন্তটুনির ভুমিকায় অভিনয় করেছেন রিয়াজ ও নবাগত শশী। এছাড়াও শাহনুর, সুচন্দা, এটিএম শামসুজ্জামান সহ আরো অনেকে অভিনয় করেছেন।

ছবিটি দক্ষ নির্মাণ শৈলী দিয়ে নির্মাণ করে সুচন্দা চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের কাছে দারুন ভাবে আলোচিত হন। এবং জিতে নেন মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কারজাতীয় চলচ্চিত্র পূরস্কার এর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার। ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ মেরিল প্রথম আলো পূরস্কার-এর একটি বিশেষ পুরস্কারসহ মোট চারটি বিভাগে এবং ২০০৮ সালে ঘোষিত জাতীয় চলচ্চিত্র পূরস্কার ২০০৫ এর মোট ছয়টি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে প্রশংসাসূচক শুভেচ্ছাসনদ (২০১১) লাভ করে।


প্রবেশদ্বার:চলচ্চিত্র/নির্বাচিত নিবন্ধ/১৩

চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক পোস্টার

মনের মাঝে তুমি (ইংরেজি: Moner Mahje Tumi) এটি ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। আন্তর্জাতিক মান সম্পূর্ণ এই ছবিটি বক্স অফিসে সুপার ডুপার হিট হয়। সম্পূর্ণ প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত এই ছবিতে দুটি ছেলে মেয়ের কিশোর বেলার বন্ধুত্বকে কেন্দ্র করে উঠে এসেছে নানা জটিলতা, পাওয়া-নাপাওয়া, প্রেম-ভালবাসা, ও হাসি-কান্নার হৃদয়বিদরক জীবন ছবি। বাংলাদেশের প্রবীন পরিচালক মতিউর রহমান পানু পরিচালিত এই ছবিটি বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়।

ছবির দু'টি মূলচরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজপূর্ণিমা এবং দু'টি পার্শচরিত্রে অভিনয় করেছেন যীশু সেনগুপ্ততনু রায়মনের মাঝে তুমি ছবিটি মুক্তির পর- যে সকল দর্শকরা বাংলা ছবির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, তাদেরকে আবার সিনেমা হলে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল। দর্শক, সমালোচক সহ সবাইকে ছবির দক্ষ নির্মাণ শৈলী দিয়ে মুগ্ধ করেন পরিচালক। এবং নতুন করে বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে স্বপ্ন দেখেন নির্মাতারা। এই ছবির সাফল্যের পর রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটিকে নিয়ে বেশ কিছু ভালো ছবি নির্মাত হয়। এগুলো হলো: শহিদুল ইসলাম খোকন এর টাকা: The Ultimate Magic, চাষী নজরুল ইসলাম এর শাস্তি: Punishmentমেঘের পরে মেঘ: Clouds After Cloud এবং এস এ হক অলিক এর হৃদয়ের কথাআকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা উল্লেখ যোগ্য।


প্রস্তাবনা[সম্পাদনা]

আপনি এই টেমপ্লেটের আলোচনা পাতায় চলচ্চিত্র বিষয়ক যে কোন নিবন্ধের প্রস্তাবনা রাখতে পারেন।