বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রবেশদ্বার:উত্তর কোরিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
The North Korea Portal উত্তর কোরিয়া প্রবেশদ্বার
উত্তর কোরিয়ার জাতীয় পতাকা

উত্তর কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র কোরীয় উপদ্বীপের উত্তর অর্ধাংশ নিয়ে গঠিত। এর সরকারি নাম গণতান্ত্রিক গণ প্রজাতন্ত্রী কোরিয়া (কোরীয় ভাষায় 조선민주주의인민공화국 চোসন্‌ মিন্‌জুজুই্যই ইন্‌মিন্‌ কোংহুয়াগুক্‌)। উত্তর কোরিয়ার উত্তরে চীন, উত্তর-পূর্বে রাশিয়া, পূর্বে জাপান সাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ কোরিয়া এবং পশ্চিমে পীত সাগর অবস্থিত। দেশটির আয়তন ১,২০,৫৩৮ বর্গকিলোমিটার। উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে সোভিয়েত সামরিক বাহিনী কোরীয় উপদ্বীপের উপরের অর্ধাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছিল। ১৯৫০-এর দশকের কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে এটি সমাজতান্ত্রিক শাসনের অধীনে রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহরের নাম পিয়ং ইয়াং। উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া মধ্যবর্তী অবস্থিত কোরীয় সেনামুক্ত অঞ্চলপ্রাবর অঞ্চলআম্নোক নদী এবং তুমান নদী উত্তর কোরিয়া এবং গণচীন এর মধ্যবর্তী সীমান্তে অবস্থিত। তুমান নদী একটি অংশ একেবারে উত্তর-পূর্ব অংশে রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

{{{১}}}

[[File:]] কোরীয় যুদ্ধ (২৫ জুন ১৯৫০ – ২৭ জুলাই ১৯৫৩) জাতিসংঘ সমর্থিত কোরিয়া প্রজাতন্ত্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সমর্থিত গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া মধ্যকার ১৯৫০-এর দশকের প্রথম দিকে শুরু হওয়া তিন বছরের অধিক সময় ব্যাপী সংঘটিত হওয়া একটি আঞ্চলিক সামরিক যুদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে সংঘটিত হওয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ নিয়ে বিজয়ী মিত্রশক্তির মধ্যকার একটি চুক্তিকে কেন্দ্র করে কোরীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন এই যুদ্ধের প্রাথমিক কারণ ধরা হয়। ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত জাপান সাম্রাজ্য কোরীয় উপদ্বীপ শাসন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান সাম্রাজ্যের আত্মসমর্পণের পর মার্কিন প্রশাসন উপদ্বীপটিকে ৩৮তম সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে, এর মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী দক্ষিণ অর্ধেক নিজেদের দখলে আনে এবং সোভিয়েত সশস্ত্র বাহিনী উত্তর অর্ধেক অধিকারে আনে।

কোরীয় উপদ্বীপের উত্তরে প্রতিষ্ঠিত হয় সাম্যবাদী সরকার আর অন্যদিকে দক্ষিণে মার্কিনিদের সহয়তায় প্রতিষ্ঠিত ডানপন্থী সরকার। ৩৮তম সমান্তরাল রেখা ক্রমেই দুই কোরীয় রাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক ভাগ সৃষ্টি করে। যদিও যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাস পূর্ব পর্যন্ত আলোচনার জন্য যোগাযোগ চলতে থাকে, ধীরে ধীরে দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। সীমানাপাড়ে বিচ্ছিন্ন লড়াই সংঘটিত হয়। পরিস্থিতি রণাঙ্গনে রূপান্তরিত হয় যখন ১৯৫০ সালের ২৫ জুন উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫০ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বর্জন করে। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো না পাওয়ায় নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকারী রাষ্ট্র কোরিয়ায় একটি সামরিক হস্তক্ষেপ অনুমোদন পাস করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক তিন লাখ একচল্লিশ সৈন্যের ৮৮ শতাংশই মার্কিনিরা প্রদান করে এবং জাতিসংঘের অন্য বিশ সদস্য রাষ্ট্র সহায়তা প্রদান করে। প্রথম দুই মাস গুরুতর হতাহত সহ্য করার পর প্রতিরক্ষাকর্মীদের পুসান প্যারামিটারে অবস্থান নিতে বাধ্য করা হয়। এর-ই মধ্যে উত্তর কোরিয়ার পক্ষে লড়াই করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী চীন যুদ্ধে প্রবেশ। চীনা মধ্যস্ততায় দক্ষিণী স্বজাতীয় বাহিনী ৩৮তম সমান্তরাল রেখার পিছনে পশ্চাদপসরণ করে। যতক্ষণ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন সরসরি যুদ্ধে না নিলেও তারা উত্তর কোরীয় ও চীনা উভয় বাহিনীকে সরঞ্জামিক সহয়তা প্রদান করে। এই যুদ্ধ সমাপ্ত হয় যখন ২৭ জুলাই ১৯৫৩-এ কোরীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে কোরীয় অসামরিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হয় যা দুই কোরীয় রাষ্ট্রের মাঝখানে অবস্থিত একটি আড়াই মাইল (৪ কি.মি.) চওড়া সুরক্ষিত বাফার জোন। এখনো ছোটখাটো সংঘর্ষ চলছে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত নিবন্ধগুলির তালিকা
Category puzzle
Category puzzle
উপবিভাগ দেখতে [►] নির্বাচন করুন

এশিয়ার কমিউনিস্ট দেশ

অন্যান্য দেশ

{{{১}}}

No recent news

হায়ংসান, উত্তর পিয়ংগান-এ হাবিরো হার্মিটেজে বৌদ্ধ ভিক্ষু

{{{১}}}

কোনো সাম্প্রতিক যোগকৃত আইটেম নেই

Kim Il-sung
Kim Il-sung

পূর্বে, পরে

{{{১}}}

উইকিপিডিয়ায় উত্তর কোরিয়া-সম্পর্কিত বিভিন্ন নিবন্ধের ছবি নিচে দেওয়া হল।

লুয়া ত্রুটি মডিউল:Random_slideshow এর 192 নং লাইনে: No images found।

ইতিহাস কোরিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলন | সোভিয়েত বেসামরিক প্রশাসন | উত্তর কোরিয়ার অস্থায়ী গণকমিটি | কোরিয়ার বিভাজন | কোরীয় যুদ্ধ | কোরিয়ান ডিএমজেড দ্বন্দ্ব | উত্তর কোরিয়ার দুর্ভিক্ষ
রাজনীতি সংবিধান | সরকার (প্রেসিডেন্ট · প্রধানমন্ত্রী) | নেতৃত্ব | কিম রাজবংশ | মন্ত্রিসভা | সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি | বিচার বিভাগ | নির্বাচন | রাজনৈতিক দল (কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টি · পিতৃভূমির পুনর্মিলনের জন্য গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) | জুচে | মিলিটারি | জাতীয় প্রতিরক্ষা কমিশন | পারমাণবিক অস্ত্র | মানবাধিকার | বৈদেশিক সম্পর্ক
সংস্কৃতি আরিরং উৎসব | শিক্ষা | ছুটির দিনগুলি | প্রপাগান্ডা | ভাষায় উত্তর-দক্ষিণ পার্থক্য | ধর্ম | উত্তর কোরিয়ায় খেলাধুলা
আর্ট স্থাপত্য | চলচ্চিত্র | সাহিত্য | সঙ্গীত | অপেরা
অর্থনীতি মুদ্রা | কৃষি | অটোমোটিভ শিল্প | শক্তি | মাইনিং | টেলিযোগাযোগ | পর্যটন | পরিবহন (পিয়ংইয়ং মেট্রো)
অন্যান্য জনমিতি

{{{১}}}


উইকিসংবাদে উত্তর কোরিয়া
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস


উইকিউক্তিতে উত্তর কোরিয়া
উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন


উইকিসংকলনে উত্তর কোরিয়া
উন্মুক্ত পাঠাগার


উইকিবইয়ে উত্তর কোরিয়া
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল


উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তর কোরিয়া
উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম


উইকিমিডিয়া কমন্সে উত্তর কোরিয়া
মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার


উইকিঅভিধানে উত্তর কোরিয়া
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ


উইকিউপাত্তে উত্তর কোরিয়া
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার


উইকিভ্রমণে উত্তর কোরিয়া
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা

টীকা

    প্রবেশদ্বার

    সার্ভার ক্যাশ খালি করুন