অর্থনীতি বলতে উৎপাদন, বণ্টন, বাণিজ্য এবং পণ্য ও পরিষেবার ভোগের ক্ষেত্রকে বোঝায় । সাধারণভাবে এটি একপ্রকার সামাজিক ক্ষেত্র হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যা সম্পদের উৎপাদন, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত রীতি, বক্তৃতা ও বস্তুগত অভিব্যক্তির উপর জোর দেয়। কোনো প্রদত্ত অর্থনীতি প্রক্রিয়াগুলির একটি সংকলন, যেখানে সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, শিক্ষা, প্রযুক্তিগত বিবর্তন, ইতিহাস, সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক কাঠামো, আইন ব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক সম্পদ এর মূল উপাদান। এই উপাদানগুলি প্রসঙ্গ, বিষয়বস্তু দেয় এবং কোনো অর্থনীতির কার্যকলাপের শর্ত ও পরামিতিগুলি নির্ধারণ করে। অন্যভাবে বলতে গেলে, অর্থনীতি হল আন্তঃসম্পর্কিত মানুষের চর্চা এবং লেনদেনের একটি সামাজিক ক্ষেত্র যা নিজে স্বতন্ত্র নয়।
বিমা-গাণনিক হল একটি ব্যাবসা সংক্রান্ত পেশাজীবী যারা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে কাজ করে। অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমান কমাতে এবং তা নিয়ন্ত্রন করার লক্ষে বিমা-গাণনিকগন গানিতীক ভাবে হিসাব নিকাশ করে একটি দূর্ঘটনা কিংবা অর্থনৈতীক ক্ষতির সম্ভাব্যতা নিরূপন করেন। গণিত এবং জটিল অর্থনৈতিক হিসাবনিকাশের সাহায্যে বিমা-গাণনিকগন প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করেন।
মনমোহন সিং একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও আমলা। তিনি ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ভারতের ত্রয়োদশ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট লাভ করার পর মনমোহন ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের কাজ করেছিলেন। পরে ললিত নারায়ণ মিশ্র তাঁকে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োগ করেছিলেন। ১৯৭০ ও ৮০-এর দশকে মনমোহন ভারত সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন, যেমন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (১৯৭২–১৯৭৬), রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর (১৯৮২–১৯৮৫) এবং পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান (১৯৮৫–১৯৮৭)। ১৯৯১ সালে এক চরম অর্থনৈতিক সংকটের সময় প্রধানমন্ত্রী পি. ভি. নরসিংহ রাও অরাজনৈতিক মনমোহনকে অর্থমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করেছিলেন। কয়েক বছর ধরে ভারতে অর্থনৈতিক উদারীকরণের জন্য তিনি বিভিন্ন সাংগঠনিক সংস্কার করেছিলেন, যার ফলে অর্থনৈতিক সংকট ব্যহত করতে সাফল্য এনেছিল, আর এর জন্য মনমোহন বিশ্ব দরবারে এক মুখ্য সংস্কারপন্থী অর্থনীতিবিদ হিসাবে পরিচিত হয়েছিলেন।
ব্র্যাক বাংলাদেশী সাহায্য সংস্থা। যা বর্তমানে বাংলাদেশ রুরাল এ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি নামে পরিচিত। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বাংলাদেশ ছাড়াও বর্তমানে আফগানিস্তান, শ্রীলংকা সহ বেশ কয়েকটি দেশে সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে জড়িত আছে। প্রতিষ্ঠানটির ৮০% কর্মকাণ্ডই চলে নিজেদের অর্থায়নে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ব্র্যাকের একটি অঙ্গসংগঠন।