বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রবাসী মণিপুর সরকার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মণিপুর সরকার
ꯃꯅꯤꯄꯨꯔ ꯃꯅꯤꯡ ꯇꯝꯕ ꯂꯩꯉꯥꯛ
সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
নির্বাহী বিভাগ
মুখ্যমন্ত্রীইয়াম্বেম বীরেন
প্রধান নির্বাহী কেন্দ্রমণিপুর রাজ্য পরিষদ
পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীনারেংবাম সমরজিৎ

প্রবাসী মণিপুর সরকার[] হলো মণিপুর রাজ্য সংবিধান আইন ১৯৪৭ অনুসারে মণিপুরের স্বঘোষিত আইনসঙ্গত সরকার[] ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর সংস্থার দুই নেতা সাংবাদিক সম্মেলনে “মণিপুরের স্বাধীনতার ঘোষণা” করেন এবং মণিপুরের স্বীকৃতির জন্য তারা জাতিসংঘের নিকটে যাবেন বলে ঘোষণা দেন। তারা ২০১২ সালের ১৪ মার্চ তাদের আইনত সরকার গঠনের দাবি জানান।[] মণিপুর রাজ্যের রাজার প্রতিনিধি লেইশেম্বা সানাজাওবা দাবি করেন, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বীকৃতি চাওয়ার পূর্বেই এটি আমাদের স্বাধীন মণিপুর রাজ্য সরকারের [সরকার গঠনের] উপযুক্ত সময় বলে আমরা বিশ্বাস করি।” এছাড়া তারা জাতিসংঘের সদস্যদের কাছে প্রবাসী সরকারের স্বীকৃতির দাবি জানান।[] তারা আরও দাবি করেন যে, “১৯৪৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর মহামান্য রাজার পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মণিপুর ভারতে যুক্ত না হওয়ার ঘোষণা দেয়” এবং ভারত সরকার কর্তৃক ১৯৪৯ সালে সেই আইন লঙ্ঘন করে মণিপুরকে ভারতে অন্তর্ভুক্তকরণের অভিযোগ জানান।[] তারা ইংল্যান্ডের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের নিকট একটি প্রস্তাব পেশ করবেন বলে জানান।[] রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার অভিযোগে মণিপুর সরকার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।[] মণিপুরের উপাধিধারী রাজা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে তার সম্পর্ক নেই বলে ঘোষণা করেন।[]

নেতাদের গ্রেফতার

[সম্পাদনা]

২০২১ সালের ২৯ মার্চ স্বঘোষিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নারেংবাম সমরজিৎকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে দেশে ফেরার সময় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়।[][১০]

রাষ্ট্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা (এনআইএ) সমরজিৎ ও ইয়াম্বেম বীরেনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মণিপুরে অবস্থিত এনআইএর বিশেষ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ১২০বি ও ৪২০ এবং বেআইনি কার্যক্রম (নিরোধ) আইন ১৯৬৭-এর ধারা ১৩ ও ১৭ অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।[১০]

১ এপ্রিল তারিখে এনআইএ বিশেষ আদালত নারেংবাম সমরজিৎকে ১৩ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে পাঠান।[১০]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Indian Manipur separatists announce exiled government in UK"আল জাজিরা (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২০
  2. "Annexation of Manipur as the 19th State of India: The Status of the Territory of Manipur in International Law since 1949"রিসার্চগেট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০২৯ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  3. ক্যান্টন, নাওমি (৩১ অক্টোবর ২০১৯)। "An unusual press conference in London, but not one without precedent"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২০
  4. "Manipur leaders announce separation from India"দ্য নিউজ পাকিস্তান (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ অক্টোবর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২০
  5. "Manipur dissident leaders announce a 'government in exile' in U.K."দ্য হিন্দু (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২০ {{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |অ্যাজেন্সি= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  6. "Manipur dissident leaders announce a 'government in exile' in U.K."দ্য হিন্দু (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২০
  7. "Case of waging war on state filed against dissidents for 'Manipur govt in exile': CM"ডেকান ক্রনিকল (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২০
  8. "Am shocked, says Manipur's ex-maharaja on 'govt-in-exile' move by dissidents"হিন্দুস্তান টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২০
  9. "Separatist leader, who declared Manipur's independence in London brought back to Imphal by NIA"দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ মে ২০২১।
  10. 1 2 3 "NIA court sends separatist leader, who declared Manipur's independence in London, to custody for 13 days"ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। ১ এপ্রিল ২০২১।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]