প্রফুল্ল চক্রবর্তী
প্রফুল্ল চক্রবর্তী | |
|---|---|
শহীদ প্রফুল্ল চক্রবর্তী | |
| জন্ম | ১৮৯১ |
| মৃত্যু | ১৯০৮ দিঘিরিয়া পাহাড়ে বোমা বিস্ফোরনে |
প্রফুল্ল চক্রবর্তী (১৮৯১-১৯০৮) একজন বাঙালি ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন ব্যক্তিত্ব। বোমা পরীক্ষাকালে বিস্ফোরনে মারা যান।[১]
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]প্রফুল্ল চক্রবর্তী ছিলেন রংপুর আদালতের পেশকার ঈশানচন্দ্র চক্রবর্তীর পুত্র। পিতা ছিলেন দেশপ্রেমিক মনোভাবাপন্ন। তার একটি কুস্তির আখড়া ছিল, সেখানে প্রফুল্ল চাকী, সুরেশ চক্রবর্তী ও তার পুত্র প্রফুল্ল যোগ দেন।[২] প্রফুল্ল চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের ছাত্র ছিলেন। ছাত্রাবস্থাতে তার সাথে গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠনে যোগাযোগ হয়। ১৯০৫-০৬ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে তিনি যোগ দেন।[৩]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]বিপ্লবী প্রফুল্ল চক্রবর্তীর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক ও মর্মান্তিক। ১৯০৮ সালের শুরুর দিকে বিপ্লবী উল্লাসকর দত্ত ও বারীন্দ্রকুমার ঘোষের নেতৃত্বে একটি দল বোমা পরীক্ষা করার জন্যে অধুনা ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দেওঘর যায়। সংগে ছিলেন বিভূতিভূষণ সরকার, নলিনীকান্ত গুপ্ত ও সর্বকনিষ্ঠ প্রফুল্ল। দিঘিরিয়া পাহাড়ে বোমা ছোড়ার এই পরীক্ষায় প্রফুল্ল মারা যান ও উল্লাসকর দত্ত মারাত্মক ভাবে আহত হন। বিপ্লবীরা গোপনে তার মৃতদেহকে সেখানে ফেলে রেখে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। পুলিশের খাতায় প্রফুল্ল চক্রবর্তী নিরুদ্দেশ ঘোষিত হয়।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ প্রথম খন্ড, সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু (২০০২)। সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান। কলকাতা: সাহিত্য সংসদ। পৃ. ২৯৮। আইএসবিএন ৮১-৮৫৬২৬-৬৫-০।
- ↑ রায়, প্রকাশ। "বিস্মৃত বিপ্লবী"। বিপ্লবীদের জীবনী।
- ↑ ফেরদৌস জামান। "ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকী"। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৭।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ অশোককুমার মুখোপাধ্যায় (২০১১)। অগ্নিপুরুষ। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স। পৃ. ৯৯–১০১। আইএসবিএন ৮১-৭৭৫৬-৪২৫-০।