বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রথানুবর্তিতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

প্রথানুবর্তিতা, প্রথানুগতা, প্রথানুসরণ বা প্রথানুগত্য বলতে মানুষের নিজের মনোভাব, বিশ্বাস এবং আচরণকে সামাজিক গোষ্ঠীর দ্বারা নির্ধারিত মানরাজনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা বা তার সাথে সমমনা হওয়াকে বোঝানো হয়।[] সমাজনির্ধারিত মান হল কোনও দলের ব্যক্তিদের ভাগাভাগি করে নেয়া প্রথাগত, অপ্রত্যক্ষ ও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও নির্দেশিকা যেগুলি দলের অন্য ব্যক্তিদের সাথে তাদের আন্তঃক্রিয়া কীভাবে ঘটবে, সে ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করে। মানুষ প্রায়শই ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা অনুসরণ করার পরিবর্তে সমাজের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চলতে পছন্দ করে - কারণ নতুন পথ তৈরি করার চেয়ে অন্যরা ইতিমধ্যেই যে পথ তৈরি করেছে, তা অনুসরণ করা প্রায়শই বেশি সহজ। সুতরাং, প্রথানুবর্তিতা কখনও কখনও গোষ্ঠীগত যোগাযোগের একটি ফলাফল।[] প্রথানুবর্তিতার এই প্রবণতা ছোট গোষ্ঠীতে ঘটতে পারে এবং/অথবা সামগ্রিকভাবে সমাজব্যাপীও ঘটতে পারে। সূক্ষ্ম অবচেতন প্রভাব (পূর্বানুকূল মানসিক অবস্থা ), অথবা সরাসরি এবং প্রকাশ্য সামাজিক চাপের ফলে হতে এ ব্যাপারটি ঘটতে পারে। প্রথানুবর্তিতা অন্যদের উপস্থিতিতে ঘটতে পারে, অথবা যখন কোনও ব্যক্তি একা থাকে, তখনও ঘটতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মানুষ খাওয়ার সময় বা টেলিভিশন দেখার সময় কিছু সমাজনির্ধারিত মান অনুসরণ করে; এমনকি একা থাকলেও এরূপ করে থাকে।[]

মনোবিজ্ঞানে বাধ্যতা বিষয়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী গবেষকদের একজন সামাজিক মনোবিজ্ঞানী সলোমন অ্যাশ তিনি সরলরেখার বিচারের উপর তার পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথানুবর্তিতার শক্তি প্রদর্শন করেছিলেন। অ্যাশের প্রথানুবর্তিতা পরীক্ষাটিতে মানুষের উপর প্রথানুবর্তিতার প্রভাবের পরিমাণ বের হয়ে আসে। পরীক্ষাগারের একটি পরীক্ষায় অ্যাশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সোয়ার্থমোর কলেজের ৫০ জন পুরুষ ছাত্রকে একটি তথাকথিত 'দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা'-তে অংশগ্রহণ করতে বলেছিলেন। অ্যাশ একজন সাদাসিধা অংশগ্রহণকারীকে তার সাতজন সাগরেদ অভিনেতার সাথে একই ঘরে সরলরেখা বিচারেরকাজে বসিয়েছিলেন। সরলরেখা বিচারের কাজটি করার সময়, প্রতিটি সাগরেদ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, তারা কী প্রতিক্রিয়া দেবে। পরীক্ষাধীন দলের আসল সদস্যরা শেষ অবস্থানে বসেছিলেন, অন্যরা ছিল পূর্ব-পরিকল্পিত পরীক্ষক ছিলেন যারা একসাথে স্পষ্টতই ভুল উত্তর দিয়েছিলেন; অ্যাশ প্রথানুবর্তিতার প্রভাব বিশ্লেষণ করার জন্য শেষ ব্যক্তির উত্তর নথিবদ্ধ করেছিলেন। আশ্চর্যজনকভাবে, এই পরিস্থিতিতে থাকা অংশগ্রহণকারীদের প্রায় এক তৃতীয়াংশ (৩২%) গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় স্পষ্টতই ভুল সংখ্যাগরিষ্ঠের পক্ষে ছিলেন। ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় প্রায় ৭৫% অংশগ্রহণকারী অন্তত একবার প্রথানুবর্তী হয়ে সিদ্ধান্ত দেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যাশ দেখান যে, মানুষ একই রকম ভুল উত্তরদাতাদের একটি দলের সাথে সঙ্গতি রাখার জন্য জন্য স্পষ্টতই ভুল একটি উত্তর তৈরি করতে পারে। এই ব্যাপারটিকে মানগত প্রভাব বলা হয়। সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর পরীক্ষার পাত্র ব্যক্তিরা স্বীকার করে যে তারা আসলে অন্যদের দেওয়া উত্তরের সাথে একমত ছিল না। তবে, তাদের বেশিরভাগই বিশ্বাস করেছিল যে দল তাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান, তাই তারা বিদ্রোহী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে না চেয়ে স্পষ্টতই ভুল ধারণার পুনরাবৃত্তির কাজটি বেছে নিয়েছিল। এ সংক্রান্ত আরেকটি প্রভাব রয়েছে যা কখনও কখনও আরও সূক্ষ্ম হতে পারে, যাকে তথ্যগত প্রভাব বলা হয়, যখন মানুষ নতুন বা অস্পষ্ট পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে তথ্যের জন্য অন্যদের দিকে ঝুঁকে পড়ে। বেশিরভাগ সময় মানুষ কেবল সামাজিক গোষ্ঠীর নিয়মই মেনে চলছিল, যা তারা সচেতনভাবে বা অচেতনভাবে, বিশেষ করে বহুরূপা গিরগিটি প্রভাব নামক একটি প্রক্রিয়ার কারণে অবগত ছিল না। এই প্রভাবটি তখন ঘটে যখন মানুষ অনিচ্ছাকৃতভাবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যদের অঙ্গভঙ্গি, ভঙ্গিমা এবং বাচনশৈলী অনুকরণ করে, যাতে মসৃণভাবে সম্পর্ক ও সামাজিক মিথস্ক্রিয়া তৈরি হয় (চার্ট্রান্ড এবং বার্গ, ১৯৯৯[])। এ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মানুষের উপলব্ধি ও আচরণের উপর প্রথানুবর্তিতার একটি শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে। এমনকি একজন ব্যক্তি তার নিজের মৌলিক বিশ্বাস ব্যবস্থার বিরুদ্ধে থেকেও এটির অভিনয় করতে পারে।[]

অন্যদের প্রতিক্রিয়ার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ রেখে নিজের আচরণ পরিবর্তন করার ব্যাপারটি সচেতনভাবে করা হতে পারে বা না-ও হতে পারে।[] মানুষের মধ্যে অচেতনভাবে অন্যদের আচরণ যেমন অঙ্গভঙ্গি, ভাষা, কথা বলার গতি এবং যাদের সাথে তারা যোগাযোগ করে তাদের অন্যান্য ক্রিয়াকলাপ অনুকরণ করার একটি অন্তর্নিহিত প্রবণতা থাকে।[] প্রথানুবর্তিতার আরও দুটি প্রধান কারণ রয়েছে: তথ্যগত প্রভাব এবং সামাজিক মানগত প্রভাব[] মানুষ যখন বিশ্বাস করে যে তার সামাজিক দল বা গোষ্ঠী তার চেয়ে আরও ভালভাবে অবগত, তখন সে তথ্যগত প্রভাবের অধীনে প্রথানুবর্তিতা প্রদর্শন করে। আবার যখন সে সমাজের দ্বারা প্রত্যাখ্যানের ভয় পায়, তখন তারা সামাজিক মানগত প্রভাবের অধীনে প্রথানুবর্তী হয়। যখন প্রচারিত সামাজিক মান সঠিক হতে পারে, তখন তথ্যগত প্রভাব সামাজিক মানগত প্রভাবের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, অন্যথায় সামাজিক মানগত প্রভাব প্রাধান্য পায়।[]

মানুষ প্রায়শই একটি গোষ্ঠীর মধ্যে নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষা থেকে প্রথানুবর্তী হয়, যা সামাজিক মানগত প্রভাব নামেও পরিচিত [] — এক্ষেত্রে সাধারণত একই বয়স, সংস্কৃতি, ধর্ম বা শিক্ষাগত অবস্থার একটি গোষ্ঠীর অভ্যন্তরে এমন ঘটে। এটিকে প্রায়শই গোষ্ঠীচিন্তা বলা হয়। গোষ্ঠীচিন্তা হল আত্ম-প্রতারণা, জোরপূর্বক সম্মতি উৎপাদন এবং গোষ্ঠীর মূল্যবোধ ও নীতিমালার প্রথানুবর্তিতার একটি বিন্যাস, যা অন্যান্য কর্মপদ্ধতির বাস্তবসম্মত মূল্যায়নকে উপেক্ষা করে। প্রথানুবর্তী হতে অনিচ্ছা সামাজিক প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি বহন করে। সংবাদ মাধ্যমগুলিতে প্রায়শই কৈশোর এবং যুব সংস্কৃতির সাথে প্রথানুবর্তিতাকে জড়িত করা হয়, তবে এটি সব বয়সের মানুষকেই জোরালোভাবে প্রভাবিত করে।[১০]

সমকক্ষদের চাপ নেতিবাচকভাবে প্রকাশ পেতে পারে, তবে প্রথানুবর্তিতা ভালো বা খারাপ উভয় হিসাবেই বিবেচিত হতে পারে। সড়কের প্রথাগতভাবে অনুমোদিত পার্শ্বে গাড়ি চালানোকে এক ধরনের উপকারী প্রথানুবর্তিতা হিসেবে দেখা যেতে পারে। উপযুক্ত পরিবেশগত প্রভাবের সাথে, শৈশবের শুরুতে প্রথানুবর্তিতা মানুষকে শিখতে এবং এভাবে নিজ সমাজের মধ্যে "সঠিকভাবে" যোগাযোগ স্থাপন ও আত্ম-বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় উপযুক্ত আচরণ গ্রহণ করতে সাহায্য করে। [১১] প্রথানুবর্তিতা সমাজনির্ধারিত মান গঠন করা ও সেটি বজায় রাখাকে প্রভাবিত করে এবং অলিখিত সব নিয়ম লংঘন করে, এমন আচরণ নিজ থেকে নির্মূল করার মাধ্যমে সমাজকে সুষ্ঠুভাবে এবং প্রত্যাশিতভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।[১২] পরিবর্তনশীল পরিবেশে প্রথানুবর্তিতার কারণে গোষ্ঠীর কর্মক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা গেছে, কিন্তু স্থিতিশীল পরিবেশে এটি কর্মক্ষমতার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি।[১৩]

হার্বার্ট কেলম্যানের মতে, প্রথানুবর্তিতার তিনটি ধরন রয়েছে: ১) নিয়মানুবর্তিতা (অর্থাৎ প্রকাশ্য প্রথানুবর্তিতা, যা অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা বা অননুমোদনের ভয় দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়); ২) একাত্মতা (যা নিয়মানুবর্তিতার চেয়ে গভীর ধরনের প্রথানুবর্তিতা); এবং ৩) অন্তঃস্থকরণ (অর্থাৎ প্রকাশ্যে এবং একান্ত ব্যক্তিগতভাবে উভয়ভাবেই প্রথানুবর্তী হওয়া)।[১৪]

প্রথানুবর্তিতার মাত্রাকে প্রভাবিত করে এমন প্রধান কিছু কারণের মধ্যে রয়েছে সংস্কৃতি, লিঙ্গ, বয়স, গোষ্ঠীর আকার, পরিস্থিতিগত কারণ এবং বিভিন্ন উদ্দীপনা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু প্রভাব, যা হল তথ্যগত প্রভাবের একটি বিশেষ রূপ, প্রথানুবর্তিতার চাপকে প্রতিহত করে বরং সংখ্যালঘুদের বিশ্বাস বা আচরণ গ্রহণের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠদেরকে প্রভাবিত করতে পারে।[১৫]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Cialdini, Robert B.; Goldstein, Noah J. (ফেব্রুয়ারি ২০০৪)। "Social Influence: Compliance and Conformity": ৫৯১–৬২১। ডিওআই:10.1146/annurev.psych.55.090902.142015পিএমআইডি 14744228 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  2. Infante (২০১০)। Contemporary Communication Theory। Kendall Hunt Publishing Company। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫৭৫-৫৯৮৯-১
  3. Robinson, Eric; Thomas, Jason (মার্চ ২০১৪)। "What Everyone Else Is Eating: A Systematic Review and Meta-Analysis of the Effect of Informational Eating Norms on Eating Behavior": ৪১৪–৪২৯। ডিওআই:10.1016/j.jand.2013.11.009পিএমআইডি 24388484 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  4. Chartrand, Tanya L. (১৯৯৯)। "The chameleon effect: The perception–behavior link and social interaction.": ৮৯৩–৯১০। ডিওআই:10.1037/0022-3514.76.6.893পিএমআইডি 10402679 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  5. Larsen, Knud S. (১৯৯০)। "The Asch Conformity Experiment: Replication and Transhistorical Comparison": ১৬৩–১৬৮। প্রোকুয়েস্ট 1292260764 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |আইডি= এর 1 নং অবস্থানে templatestyles stripmarker রয়েছে (সাহায্য); উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  6. Coultas, Julie C.; Van Leeuwen, Edwin J. C. (২০১৫)। "Conformity: Definitions, Types, and Evolutionary Grounding"। Evolutionary Perspectives on Social Psychology। Evolutionary Psychology। পৃ. ১৮৯–২০২। ডিওআই:10.1007/978-3-319-12697-5_15আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৩১৯-১২৬৯৬-৮
  7. 1 2 Burger, Jerry M. (২০১৯)। "Conformity and Obedience"Introduction to Psychology
  8. Campbell, Jennifer D.; Fairey, Patricia J. (সেপ্টেম্বর ১৯৮৯)। "Informational and normative routes to conformity: The effect of faction size as a function of norm extremity and attention to the stimulus": ৪৫৭–৪৬৮। ডিওআই:10.1037/0022-3514.57.3.457 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  9. Biswas-Diener, Robert; Diener, Ed (২০১৫)। Discover Psychology 2.0: A Brief Introductory Text। University of Utah। পৃ. ৮৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৭৪-০১৩৮২-৭
  10. McLeod, Saul (২০১৬)। "What is Conformity?"Simply Psychology
  11. L. G. (মার্চ ১৯৩১)। "Conformity": ৩১২। ডিওআই:10.1080/01619563109535026জেস্টোর 1488401 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  12. Kamijo, Yoshio; Kira, Yosuke (ডিসেম্বর ২০২০)। "Even Bad Social Norms Promote Positive Interactions": ৮৬৯৪। ডিওআই:10.1038/s41598-020-65516-wপিএমসি 7251124পিএমআইডি 32457329 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  13. Abofol, Taher; Erev, Ido (৫ আগস্ট ২০২৩)। "Conformity and Group Performance" (ইংরেজি ভাষায়): ৩৮১–৩৯৯। ডিওআই:10.1007/s12110-023-09454-2আইএসএসএন 1936-4776পিএমসি 10543786পিএমআইডি 37541988 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  14. Kelman, Herbert C. (মার্চ ১৯৫৮)। "Compliance, identification, and internalization three processes of attitude change": ৫১–৬০। ডিওআই:10.1177/002200275800200106 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  15. Kassin, Saul M.; Fein, Steven (২০১১)। Social Psychology। Wadsworth। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৪০০-৩১৭২-৩Kassin, Saul M.; Fein, Steven; Markus, Hazel Rose (2011). Social Psychology. Wadsworth. ISBN 978-0-8400-3172-3.[পৃষ্ঠা নম্বর প্রয়োজন][page needed]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Media and human factors