প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

টেমপ্লেট:Anthropology প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনা; ক্রস কালচারাল স্টাডিজ, হলোকালচারাল স্টাডিজ অথবা তুলনামুলক গবেষনা নামেও পরিচিত। এই গবেষনা নৃবিজ্ঞান এবং সমান্তরাল (সমাজবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, অর্থনীতি, রাজনীতিবিজ্ঞান) বিজ্ঞানের একটি বিশেষায়িত শাখা। এটি সমাজের মাঠপর্যায়ের উপাত্তকে ব্যবহার করে মানুষের স্বভাবকে পরীক্ষা করে এবং মানুষের স্বভাব ও তার সংস্কৃতি নিয়ে প্রকল্প (hypotheses) দিয়ে থাকে। প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনা তুলনামুলক সংস্কৃতির তৃতীয় অংশ। প্রথম অংশ হলো, বিভিন্ন গবেষণার মধ্যে তুলনা, দ্বিতীয় অংশ হলো, গবেষনাটা যে বিষয়ের উপর তার প্রকরণের মধ্যে তুলনা,[স্পষ্টকরণ প্রয়োজন] এবং তৃতীয়টা হলো গবেষনার নমুনার মধ্যে তুলনা। তুলনামুলক গবেষনায় কিছু ক্ষুদ্র সমাজের সাদৃশ্যপুর্ণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষনা করা হয়, কিন্তু প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনায় কোনো প্রশ্নের উত্তর অন্বেষনের জন্য বড় আকারের নমুনা নিয়ে তাদের মধ্যকার গবেষনা থেকে সেই প্রশ্নের উত্তর অন্বেষন করা হয়। উদাহরণস্বরুপ, প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনা থেকে সমকামিতা জিনগত কিনা তা জানতে হলে, সমকামিতার জন্য দায়ি জিন কোনটা তা অন্বেষন করা হবে না। বরং সমকামিতা প্রসঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের উপর যে সব গবেষনা হয়েছে, তা থেকেই সমকামিতার সাথে জিনের সংযোগ আছে কী নেই, তা অন্বেষন করা হবে।

প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনা বিস্তৃত পরিসরে সমাজবিজ্ঞান, আরো সুনির্দিষ্টভাবে সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞান সংক্রান্ত গবেষনায় ব্যবহৃত হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

আধুনিক যুগে প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনা[সম্পাদনা]

জর্জ মারডক (১৯৪৯) আধুনিক প্রতিসাংস্কৃতিক গবেষনার প্রচলন ঘটান।[১] মারডক ডাটা সেটের একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এবং ডগলাস আর হোয়াইট মিলিতভাবে প্রতিসাংস্কৃতিক নমুনার আদর্শ মানদণ্ড উন্নয়ন করে বিস্তৃতপরিসরে তা ব্যবহার করেন। যা বর্তমানে উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার সম্পন্ন ইলেক্ট্রনিক সাময়িকী ওয়ার্ল্ড কালচার জার্নাল বজায় রাখে।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. Whiting (1986:305)

পরিচিতি (বিব্লিওগ্রাফী)[সম্পাদনা]

  • Ember, Carol R., and Melvin Ember. 1998. Cross-Cultural Research. Handbook of Methods in Cultural Anthropology / Ed. by H. R. Bernard, pp. 647–90. Walnut Creek, CA: AltaMira Press.
  • Ember, Carol R., and Melvin Ember. 2001. Cross-Cultural Research Methods. Lanham, MD: AltaMira Press.
  • Korotayev, Andrey, World Religions and Social Evolution of the Old World Oikumene Civilizations: A Cross-Cultural Perspective. Lewiston, NY: Edwin Mellen Press. আইএসবিএন ০-৭৭৩৪-৬৩১০-০
  • Franco, F.M., and D. Narasimhan. 2009. Plant names and uses as indicators of traditional knowledge. Indian Journal of Traditional Knowledge. [১]
  • Franco, F.M., D. Narasimhan and W. Stanley. 2008. Relationship between four tribal communities and their natural resources in the Koraput region. Ethnobotany Research and Applications, Vol. 6. [২]
  • Levinson, David, and Martin J. Malone. 1980. Toward Explaining Human Culture: A Critical Review of the Findings of Worldwide Cross-Cultural Research. New Haven, CT: HRAF Press.
  • Macfarlane, Alan. 2004. To Contrast and Compare, pp. 94–111, in Methodology and Fieldwork, edited by Vinay Kumar Srivastava. Delhi: Oxford University Press.
  • de Munck V. Cultural Units in Cross-Cultural Research // Ethnology 39/4 (2000): 335–348.
  • Murdock, George P. 1949. Social Structure. New York: Macmillan.
  • Murdock, George P. 1967. Ethnographic Atlas: A Summary. Pittsburgh: The University of Pittsburgh Prsrtjh sdxthgn fdty a45tesjtukcn bess.
  • Murdock, George P. 1970. Kin Term Patterns and their Distribution. Ethnology 9: 165–207.
  • Murdock, George P. 1981. Atlas of World Cultures. Pittsburgh: The University of Pittsburgh Press.
  • Murdock, George P., and Douglas R. White. 1969. Standard Cross-Cultural Sample. Ethnology 8:329-369.
  • Whiting, John W.M. 1986. George Peter Murdock, (1897–1985)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]. American Anthropologist. 88(3): 682-686.

বহিঃস্থ সংযোগ[সম্পাদনা]

সাময়িকী[সম্পাদনা]

সংগঠন[সম্পাদনা]