প্রতাপ সিং শাহ
| প্রতাপ সিং শাহ प्रतापसिंह शाह देव | |
|---|---|
| নেপালের রাজা | |
| রাজত্ব | ১১ জানুয়ারি ১৭৭৫ – ১৭ নভেম্বর ১৭৭৭ |
| রাজ্যাভিষেক | ১২ জানুয়ারি ১৭৭৫[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] |
| পূর্বসূরি | পৃথ্বীনারায়ণ শাহ |
| উত্তরসূরি | রণবাহাদুর শাহ |
| জন্ম | ১৬ এপ্রিল ১৭৫১ গোর্খা, গোর্খা রাজ্য |
| মৃত্যু | ১৭ নভেম্বর ১৭৭৭ (বয়স ২৬) (যক্ষ্মা) কাঠমান্ডু, নেপাল রাজ্য |
| দাম্পত্য সঙ্গী | রাজেন্দ্র রাজ্য লক্ষ্মী দেবী |
| বংশধর | নাগেন্দ্র শাহ (স্বল্প বয়সে মৃত্যু) রণবাহাদুর শাহ বিদুর বাহাদুর শাহ শের বাহাদুর শাহ |
| পিতা | পৃথ্বীনারায়ণ শাহ |
| মাতা | নরেন্দ্র রাজ্য লক্ষ্মী দেবী |
| ধর্ম | হিন্দুধর্ম |
নেপালের রাজা প্রতাপ সিং শাহ (নেপালি: श्री ५ महाराजाधिराज प्रतापसिंह शाह देव), (১৬ এপ্রিল ১৭৫১ – ১৭ নভেম্বর ১৭৭৭),[১] ছিলেন নেপালের রাজা। তিনি নেপাল রাজ্য একীকরণ শুরু করা রাজা পৃথ্বীনারায়ণ শাহের জ্যেষ্ঠ পুত্র ছিলেন।
১৭৭৫ সালে ২৪ বছর বয়সে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন। প্রতাপ সিং শাহ ১৭৭৭ সাল পর্যন্ত মাত্র ২ বছর ১০ মাস শাসন করেছিলেন এবং ২৬ বছর বয়সে বসন্ত রোগে (স্মলপক্স) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন (তথ্যছকে যক্ষ্মার কথা উল্লেখ থাকলেও বর্ণনায় বসন্তের কথা রয়েছে)। তার মৃত্যুর পর তার দুই বছর বয়সী পুত্র রণবাহাদুর শাহ নেপালের রাজা হন। তিনি তার পিতার নেতৃত্বে পরিচালিত নেপাল একীকরণ অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেননি। এই কারণে, তাঁকে প্রায়শই "যোগ্য পিতার অযোগ্য সন্তান" হিসেবে স্মরণ করা হয়। তবে তার রাজত্বকালের পরেও নেপালের সীমানা প্রসারিত হতে থাকে, কারণ তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী রাজেন্দ্র লক্ষ্মী এবং তার ভাই রাজকুমার বাহাদুর শাহ তার শিশু পুত্র রণবাহাদুর শাহের প্রতিনিধি (রেজেন্ট) হিসেবে একীকরণ অভিযান অব্যাহত রেখেছিলেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Royal Court of Nepal"। ১০ নভেম্বর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০০৬।