প্যারাচৌম্বক পদার্থ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সংগা:

       যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে চোম্বকক্ষেত্র দ্বারা দুর্বলভাবে আকর্ষিত হয় অর্থাৎ চুম্বকক্ষেত্রের উৎসের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে তাদের প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে |

উদাহরণ:

           অ্যালুমিনিয়াম,অক্সিজেন,টাইটেনিয়াম,আইরন অক্সাইড ইত্যাদি |

প্যারাচোম্বকত্ব এর উৎস:

                              সাধারণত প্যারাচৌম্বকত্ত্ব সেই সব পদার্থে দেখা যাই যাদের পরমাণুর সর্ব শেষ কক্ষ কে বিজোড় ইলেক্ট্রন থাকে | ইলেক্ট্রন গুলো আবদ্ধ  কক্ষে আবর্তন করার জন্যে তড়িত উৎপন্ন হয় |এই আবর্তন কারি ইলেক্ট্রনগুলো চৌম্বক দ্বিমেরু এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে যাদের অভিমুখ তাদের নিম্ন অথবা উর্ধগামী স্পিনের অভিমুখের দ্বারা নির্ধারিত হয় |যুগ্ম সংখ্যাক ইলেক্ট্রন থাকলে  নিম্ন এবং  উর্ধগামী স্পিন একে অপরকে প্রশমিত কাদের দেয়,এরফলে সমষ্টি গতভাৱে মোট স্পিন শূন্য   অর্থাৎ মোট দ্বিমেরু ভ্রামক  শূন্য  হয় |কিন্তু বিজোড় ইলেক্ট্রন সম্পন্ন পরমাণুর একটি মোট দ্বিমেরু ভ্রামক থাকে |সাধারণ উস্নতাই কোন প্যারাচৌম্বক পদার্থে সমস্ত পরমাণুর দ্বিমেরু ভ্রামক  গুলো  বিভিন্ন অভিমুখে সজ্জিত থাকে এরফলে পদার্থের কোনো চৌম্বক ধৰ্ম দেখা যাই না | যখন পদার্থ টিকে একটি চৌম্বকক্ষেত্রে রাখা হয় সমস্ত বিজোড় ইলেক্ট্রন গুলোর দ্বিমেরু ভ্রামক গুলি চৌম্বকক্ষেত্রের অভিমুখে ঘোড়ার চেষ্টা করে  কিন্তু সেই উস্নতার  তাপশক্তি(KT ,যেখানে  k =বোল্টজম্যান ধ্রুবক )   দ্বিমেরু ভ্রামক গুলো কে চোম্বকক্ষেত্রের বিপরীত অভিমুখে রাখার চেষ্টা করে |ফলসরূপ দ্বিমেরু ভ্রামক গুলি চোম্বকক্ষেত্র এর সাথে একটি কোনে সজ্জিত থাকে  এরফলে অল্প চৌম্বকত্ত্ব এর সৃষ্টি হয় |

যে সকল পদার্থকে চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে।

উদাহরন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান। ৫ম অধ্যায়: শাহাজাহান তপন। পৃষ্ঠা ২১৫।