বিষয়বস্তুতে চলুন

পৌরবিদ্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

পৌরবিদ্যা বা নগরবিদ্যা বলতে পৌর বসতিপৌর উন্নয়ন বিষয়ক একটি অতিশাস্ত্রিক গবেষণা ক্ষেত্রকে বোঝায় — যা পৌর বা নগর পরিকল্পনা নামক ক্ষেত্রটির তত্ত্বীয় অংশ গঠন করেছে। এই ক্ষেত্রটিতে অধীত বিষয়গুলি পৌর/নগর ভূগোল, পৌর সমাজবিজ্ঞান, পৌর নৃবিজ্ঞান, পৌর ইতিহাস, পৌর নকশাকরণস্থাপত্য থেকে শুরু করে জননীতিরাজনীতি হয়ে সম্প্রদায়ের উন্নয়নের সাথে তাদের আন্তঃসম্পর্ক পর্যন্ত বিস্তৃত।[] পৌরবিদ্যা পৌর/নগর পরিকল্পনা অনুশীলনকারীদের ব্যবহৃত একটি প্রধান গবেষণা ক্ষেত্র।[][] এটি তাদেরকে মানবিক মূল্যবোধ, উন্নয়ন এবং ভৌত পরিবেশের সাথে সেগুলির মিথস্ক্রিয়া অনুধাবন করতে সহায়তা করে।[][]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯শ শতকের পর থেকে সময়ের সাথে সাথে শহর বা পৌর এলাকা নিয়ে গবেষণাতে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে। পৌর এলাকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশ্লেষণের নতুন নতুন কাঠামো প্রয়োগ করা হয়েছে। গেটো সম্প্রদায়ের নৃতাত্ত্বিক গবেষণার উপর ভিত্তি করে শহরগুলি কীভাবে বিকশিত হয়েছিল, তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রথম উচ্চশিক্ষাক্রমগুলি তৈরি করা হয়েছিল।[] ১৯শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পৌরবিদ্যা শিক্ষাক্রমগুলি কেবল পৌর নকশার বর্তমান ও ঐতিহাসিক প্রভাবগুলি পর্যবেক্ষণ করার বাইরে প্রসারিত হয়। কীভাবে এই নকশাগুলি ভবিষ্যতের মানুষের মিথস্ক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, এবং কীভাবে স্থাপত্য, উন্মুক্ত স্থান, মানুষের মিথস্ক্রিয়া ও সম্প্রদায় গঠনকারী বিভিন্ন ধরনের মূলধনের মাধ্যমে পৌর বা নগরের বিকাশকে কীভাবে উন্নত করা যায়, তার অধ্যয়ন শুরু হয়।[]

এই গবেষণার ক্ষেত্রটিতে পৌর ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি শহরগুলি পূর্বে কীভাবে বিকশিত হয়েছিল, তা উন্মোচন করে।[] ভবিষ্যতে শহরগুলি কীভাবে পরিবর্তিত হবে, তা নির্ধারণে ইতিহাস একটি বড় ভূমিকা পালন করে। বৃহত্তর প্রক্রিয়াগুলির অংশ হিসাবে এই অঞ্চলগুলি ক্রমাগত পরিবর্তিত হয় এবং নতুন ইতিহাস তৈরি করে যা গবেষকরা বৃহৎ মাপনীতে ও ব্যক্তিগত স্তরে - উভয় স্তরেই অধ্যয়ন করেন। []

সামগ্রিকভাবে গবেষকরা শহরাঞ্চলের উপর কীভাবে গবেষণা চালাচ্ছেন ও চালিয়ে যাবেন, তার উপর তিনটি ভিন্ন বিষয়[]: প্রভাব ফেলে:

  1. স্থানিক কাঠামো: শহরটি কীভাবে ভৌতভাবে সংগঠিত, তার প্রতিফলন
  2. স্থানিক কাঠামোকে সমর্থন করে এমন প্রক্রিয়াসমূহ: শহরের কাঠামো কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা
  3. আদর্শিক বিশ্লেষণ: উন্নত পৌর পরিকল্পনা পদ্ধতির প্রসারের জন্য তথ্য দ্বারা সমর্থিত মতামত নির্মাণ।

পণ্ডিতেরা যুক্তরাজ্যমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের শহরগুলি কীভাবে বিকশিত হয়েছে, তা নিয়েও গবেষণা করেছেন, তবে কেবল সীমিত পরিমাণে। পৌর ইতিহাস পূর্বে মূলত ইউরোপীয় ও মার্কিন শহরগুলি কীভাবে সময়ের সাথে সাথে বিকশিত হয়েছিল তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল, কিন্তু অ-ইউরোপীয় শহরগুলি কীভাবে বিকশিত হয়েছিল তার উপর তেমন মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেনি।[১০] এই ক্ষেত্রে গবেষিত অন্যান্য ভৌগোলিক অঞ্চলগুলির মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা,[১১] অস্ট্রেলিয়া,[১২] লাতিন আমেরিকাভারত[] উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলিতে এ নিয়ে আরও গবেষণা সম্পাদিত হচ্ছে, যার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অংশে আরও প্রাসঙ্গিক পৌর ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।[১৩][১৪]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে বিদ্যমান নরগোষ্ঠীগত পৃথকাবাসন পৌরবিদ্যা ক্ষেত্রটির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আফ্রিকান-মার্কিনী পৌর বাসিন্দাদের গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি কর্মসূচি, হার্ভার্ড-এমআইটি জয়েন্ট সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজ, ১৯৫৯ সালে আবাসিক পৃথকাবাসন গবেষণা করা ও এর দ্বারা প্রভাবিত সম্প্রদায়গুলিকে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[১৫] আরও সম্প্রতি নরগোষ্ঠী ও পৌর জীবন সম্পর্কিত গবেষণাগুলিতে নৃকুলবিদ্যাগত পদ্ধতির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা শুরু হয়েছে, যাতে ব্যক্তিরা শহর ও তাদের সামগ্রিক নিজ নিজ ব্যবস্থার সাথে কীভাবে জীবনযাপন করত, তা অধ্যয়ন করা যায়।[]

ইসরায়েল জ্যাংউইল ইউরোপের গেটো ও আদি বাসিন্দাদের বংশধর ইহুদি শিশুদের উপর তাদের প্রভাব সম্পর্কে প্রথম বইগুলির মধ্যে একটি লেখেন, যার নাম চিলড্রেন অফ দ্য গেটো [] (১৮৯২)। এছাড়া তিনি ইউরোপীয় গেটো সম্পর্কে আরও দুটি বই লিখেছিলেন। লুই উইর্থ ছিলেন পরবর্তী একজন পণ্ডিত, যিনি সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে গেটো সম্পর্কে লিখেছিলেন।[] লুই উইর্থ ও রবার্টস এজরা পার্কও প্রথম সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী পাড়াগুলি সম্পর্কে লেখা প্রকাশ করেন এবং সেগুলির ভবিষ্যতের নকশা সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করেন।[] রবার্টস এজরা পার্ক শিকাগোতে জর্জ জিমেলের ছাত্র ছিলেন।[] অন্যান্য বিখ্যাত পণ্ডিত যারা পৃথকাবাসন, মার্কিন গেটো ও দরিদ্র এলাকা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিউ বয়স (১৯০৩),[] হেইনস (১৯১৩),[] জনসন (১৯৪৩),[] হোরেস কেটন (১৯৪৪),[১৬] কেনেথ ক্লার্ক (১৯৬৫),[১৬] উইলিয়াম জুলিয়াস উইলসন (১৯৮৭)। [১৬]

গবেষণার ক্ষেত্রসমূহ

[সম্পাদনা]

এই উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রটি মূলত অতিশাস্ত্রিক, কারণ এটিতে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষায়তনিক ক্ষেত্রের তত্ত্ব ব্যবহার করে সেগুলিকে একটি পৌর প্রেক্ষাপটের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে।[১৭] পৌর পরিবেশ বিভিন্ন ধরনের উচ্চশিক্ষায়তনিক ক্ষেত্রের গবেষণার স্থান হতে পারে, যাদের মধ্যে পরিবেশ বিদ্যা, অর্থনীতি, ভূগোল, জনস্বাস্থ্যসমাজবিজ্ঞান উল্লেখ্য।[] তবে এই পৌরবিদেরা যে বিষয়গুলি নিয়ে গবেষণা করেন, সেগুলি হল কীভাবে কিছু নির্দিষ্ট উপাদান শহর কীভাবে পরিচালিত হয় তাতে অবদান রাখে, আবাসন[১৮]পরিবহন [১৯] কীভাবে পরিবর্তিত হবে, ইত্যাদি। অধিকন্তু, পৌরবিদ্যার গবেষকরা শহরের সাথে এর অধিবাসীরা কীভাবে যোগাযোগ স্থাপন করে তা-ও অধ্যয়ন করেন। যেমন নরগোষ্ঠী [২০]সামাজিক লিঙ্গজনিত [২১] পার্থক্য কীভাবে সামাজিক বৈষম্যের জন্ম দেয় বা পৌর এলাকাতে এই ধরনের অসুবিধাগুলিকে তীব্রতর করে, এ বিষয়গুলি তারা গবেষণা করে থাকেন। পৌরবিদ্যা পৌর বা নগর পরিকল্পনার আধা-পেশাদার অনুশীলনকারীদের দ্বারা ব্যবহৃত একটি প্রধান গবেষণা ক্ষেত্র।[][]

সমালোচনা

[সম্পাদনা]

শহরগুলির ভূমিকাগুলি পরিবর্তনের কারণে পৌরবিদেরা তাদের গবেষণার মৌলিক পরিভাষাগুলির সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদানে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।[২২] পৌর এলাকাগুলিকে কীভাবে বর্ণনা করা হয়, সে সম্পর্কে গবেষকদের সতর্ক থাকতে হয়, কারণ তাদের গবেষণাকর্মকে কারসাজি করে একটি নির্দিষ্ট শহরের প্রচার-প্রসারে ইচ্ছুক নগর খ্যাতিবর্ধকদের দ্বারা একটি ইতিবাচক উপাদান হিসাবে ব্যবহার করা হতে পারে।[২৩]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Caves, R. W. (২০০৪)। Encyclopedia of the City। Routledge। পৃ. ৭২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫৮৬২৮৭৫
  2. 1 2 Caves, R. W. (২০০৪)। Encyclopedia of the City। Routledge। পৃ. ৭২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫৮৬২৮৭৫ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":4" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  3. 1 2 Deborah McKoy; Jessie Stewart (২০১৫)। "Engaging Students in Transforming Their Built Environment via Y-PLAN: Lessons from Richmond, California"Children, Youth and Environments২৫ (2): ২২৯। ডিওআই:10.7721/chilyoutenvi.25.2.0229আইএসএসএন 1546-2250এস২সিআইডি 114665427 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":022" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  4. 1 2 Flora, Cornelia Butler; Flora, Jan L. (৪ আগস্ট ২০১৫)। Rural Communities: Legacy + Change (ইংরেজি ভাষায়) (5 সংস্করণ)। Westview Press। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১৩৩৪৯৭১৮ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":02" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  5. 1 2 3 4 5 6 7 8 Ray., Hutchison; Haynes, Bruce D. (২০১২)। The ghetto : contemporary global issues and controversies। Westview Press। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১৩৩৪৫০৩১ওসিএলসি 701015428 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":1" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  6. Birx, H. James (৮ ডিসেম্বর ২০০৫)। Encyclopedia of Anthropology (ইংরেজি ভাষায়)। SAGE। আইএসবিএন ৯৭৮০৭৬১৯৩০২৯৭
  7. 1 2 3 Harris, Richard; Smith, Michael E. (২০১১)। "The History in Urban Studies: A Comment"। Journal of Urban Affairs৩৩ (1): ৯৯–১০৫। ডিওআই:10.1111/j.1467-9906.2010.00547.xএস২সিআইডি 17156871 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "The History in Urban Studies: A Comment" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  8. Hersberg, Theodore (১৯৭৮)। "The New Urban History: Toward an Interdisciplinary History of the City"। Journal of Urban History (1): ৩–৪০। ডিওআই:10.1177/009614427800500101এস২সিআইডি 143993067
  9. 1 2 Paddison, Ronan (২০০১)। "Studying Cities"। Handbook of Urban Studies। SAGE Publications। পৃ. ১৭৭–১৯৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৩৯৭৬৯৫৫ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Handbook of Urban Studies - Studying Cities" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  10. Doyle, Barry M. (২০০৯)। "A decade of urban history: Ashgate's Historical Urban Studies series"Urban History৩৬ (3): ৪৯৮–৫১২। ডিওআই:10.1017/S0963926809990149এস২সিআইডি 126794836। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৭
  11. Parnell, Susan (১৯৯৭)। "South African Cities: Perspectives from the Ivory Tower of Urban Studies"। Urban Studies৩৪ (5–6): ৮৯১–৯০৬। ডিওআই:10.1080/0042098975871এস২সিআইডি 154978833 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |hdl-access= এর জন্য |hdl= প্রয়োজন (সাহায্য)
  12. Huxley, Margo; Loughlin, J. Brian (১৯৮৫)। "The New Urban Studies Literature: A Review with Special Reference to Australia"Progress in Planning২৪: ১৬৩–২৪৫। ডিওআই:10.1016/0305-9006(85)90004-2
  13. Allam, Zaheer (২০২০)। Theology and Urban Sustainability। SpringerBriefs in Geography (ইংরেজি ভাষায়)। Springer International Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-০৩০-২৯৬৭২-৮
  14. Allam, Zaheer; Newman, Peter (ডিসেম্বর ২০১৮)। "Redefining the Smart City: Culture, Metabolism and Governance"Smart Cities (ইংরেজি ভাষায়)। (1): ৪–২৫। ডিওআই:10.3390/smartcities1010002
  15. Geary, Daniel (২০১৫)। "Chapter 4: The Death of White Sociology"। The Moynihan Report and its Legacy। University of Pennsylvania Press। পৃ. ১১০–১৩৮। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১২২৪৭৩১২
  16. 1 2 3 Mitchell, Duneier (১৯ এপ্রিল ২০১৬)। Ghetto : the invention of a place, the history of an ideaআইএসবিএন ৯৭৮০৩৭৪১৬১৮০৪ওসিএলসি 925426390
  17. Ramadier, Thierry (২০০৪)। "Transdisciplinarity and its challenges: the case of urban studies"। Journal of Urban Affairs৩৩ (1): ৯৯–১০৫। ডিওআই:10.1016/j.futures.2003.10.009
  18. Forrest, Ray; Williams, Peter (২০০১)। "Housing in the Twentieth Century"। Handbook of Urban Studies। SAGE Publications। পৃ. ৮৮–১০১। আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৩৯৭৬৯৫৫
  19. Hart, Tom (২০০১)। "Transport and the City"। Handbook of Urban Studies। SAGE Publications। পৃ. ১০২–১২৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৩৯৭৬৯৫৫
  20. Darden, Joe T. (২০০১)। "Race Relations in the City"। Handbook of Urban Studies। SAGE Publications। পৃ. ১৭৭–১৯৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৩৯৭৬৯৫৫
  21. McDowell, Linda M. (২০০১)। "Women, Men, Cities"। Handbook of Urban Studies। SAGE Publications। পৃ. ২০৬–২১৯। আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৩৯৭৬৯৫৫
  22. Frey, William H.; Zimmer, Zachary (২০০১)। "Defining the City"। Handbook of Urban Studies। SAGE Publications। আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৩৯৭৬৯৫৫
  23. Brenner, Neil (২০০৩)। "Stereotypes, Archetypes, and Prototypes: Three Uses of Superlatives in Contemporary Urban Studies"। City & Community (3): ২০৫–২১৬। ডিওআই:10.1111/1540-6040.00051এস২সিআইডি 145634362

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]