বিষয়বস্তুতে চলুন

পূর্ব তিমুর জাতীয় নারী ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পূর্ব তিমুর
দলের লোগো
অ্যাসোসিয়েশনপূর্ব তিমুর ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনএএফসি (এশিয়া)
সাব–কনফেডারেশনএএফএফ (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া)
প্রধান কোচএমরাল বুস্তামাম
অধিনায়কমারিয়া ডি কনসেইকাও
সর্বাধিক ম্যাচলুসেলিয়া ফার্নান্দেজ
মারিয়া ডি কনসেইকাও (৮)
শীর্ষ গোলদাতানীলদা দস রেইস
গোডেলিভিয়া মার্টিন
লুসেলিয়া ফার্নান্দেজ
ডোলোরেস কস্তা
ব্রিগিদা দ্য কস্তা (১)
ফিফা কোডTLS
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৫৯ হ্রাস ৩ (১৫ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ১৫২ (আগস্ট ২০২২)
সর্বনিম্ন১৫৯ (ডিসেম্বর ২০২৩ – মার্চ ২০২৫)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 মিয়ানমার ১৭–০ পূর্ব তিমুর 
(মান্দালয়, মিয়ানমার; ২৭ জুলাই ২০১৬)[]
বৃহত্তম জয়
 পূর্ব তিমুর ৩–১ মঙ্গোলিয়া 
(চিয়াং মাই, থাইল্যান্ড; ৫ জুলাই ২০২৫)
বৃহত্তম পরাজয়
 অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-২০ ২০–০ পূর্ব তিমুর 
(মান্দালয়, মিয়ানমার; ২৯ জুলাই ২০১৬)
এএফএফ চ্যাম্পিয়নশিপ
অংশগ্রহণ৪ (২০১৬-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (২০১৬, ২০১৮, ২০১৯, ২০২২)

পূর্ব তিমুর জাতীয় নারী ফুটবল দল (পর্তুগিজ: Seleção Timorense de Futebol Feminino) আন্তর্জাতিক মহিলা অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলে পূর্ব তিমুরের প্রতিনিধিত্ব হিসেবে অংশগ্রহণ করে এবং পূর্ব তিমুর ফুটবল ফেডারেশন (এফএফটিএল) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

২০০৫-এ, দেশটি ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, পূর্ব তিমুর, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, বার্মা এবং সিঙ্গাপুর সহ ৭টি দলের মধ্যে একটি ছিল, যারা ডিসেম্বরে মারিকিনায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ান গেমসে প্রতিযোগিতা করার জন্য একটি নারী ফুটবল দল মাঠে নামানোর কথা ছিল।[]

২০১২ সালের মার্চ মাসে, দলটি ফিফা কর্তৃক বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান পায়নি।[]

ফিফা ট্রিগ্রাম হল টিএলএস[]

প্রথম অংশগ্রহণ

[সম্পাদনা]

পূর্ব তিমুর প্রথম রেকর্ড করা ম্যাচটি ছিল মিয়ানমারের বিপক্ষে। ২৭ জুলাই ২০১৬-এ, উক্ত খেলাটি মান্দালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং পূর্ব তিমুর ০–১৭ ব্যবধানে হেরেছিল।

২০১৬-এ, পূর্ব তিমুর তাদের প্রথম এএফএফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করে, যা ২৬ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট ২০১৬ সালের মধ্যে মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত হয়। দলটি তাদের সমস্ত ম্যাচে হেরে যায় এবং দলটি প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে।

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয়

[সম্পাদনা]

১৫ আগস্ট ২০১৯ তারিখে, পূর্ব তিমুর তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে ২–১ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে।[][] লুসেলিয়া প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিমুরের হয়ে গোল করে ইতিহাস গড়েন। তিনি ৫৯তম মিনিটে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে গোল করেন যা ২০১৯ এএফএফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে পূর্ব তিমুরকে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়।

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা নারী বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন
বছর ফলাফল অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র* হার গো.প. গো.বি. ম্যাচ জয় ড্র* হার গো.প. গো.বি.
চীন ১৯৯১ ইন্দোনেশিয়া এর অংশ ছিল ইন্দোনেশিয়া এর অংশ ছিল
সুইডেন ১৯৯৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৯অস্তিত্ব ছিল না, জাতিসংঘের অধীনে ছিলঅস্তিত্ব ছিল না, জাতিসংঘের অধীনে ছিল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ফিফার সদস্য ননফিফার সদস্য নন
চীন ২০০৭প্রবেশ করেনিপ্রবেশ করেনি
জার্মানি ২০১১
কানাডা ২০১৫
ফ্রান্স ২০১৯
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ২০২৩
ব্রাজিল ২০২৭যোগ্যতা অর্জন করেনিনির্ধারণ করা হবে
কোস্টা রিকা জ্যামাইকা মেক্সিকো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০৩১নির্ধারণ করা হবে
যুক্তরাজ্য ২০৩৫নির্ধারণ করা হবে
মোট০/১২

গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস

[সম্পাদনা]
গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের রেকর্ড
বছর ফলাফল অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র* হার গো.প. গো.বি.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৬  ইন্দোনেশিয়া এর অংশ ছিল
অস্ট্রেলিয়া ২০০০
গ্রিস ২০০৪প্রবেশ করেনি
চীন ২০০৮
যুক্তরাজ্য ২০১২
ব্রাজিল ২০১৬
জাপান ২০২০
ফ্রান্স ২০২৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২৮যোগ্যতা অর্জন করেনি
মোট০/৮

এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপ

[সম্পাদনা]
এশিয়ান কাপের রেকর্ড
বছর ফলাফল অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র* হার গো.প. গো.বি. গো.পা.
হংকং ১৯৭৫ ইন্দোনেশিয়া এর অংশ ছিল
তাইওয়ান ১৯৭৭
ভারত ১৯৭৯
হংকং ১৯৮১
থাইল্যান্ড ১৯৮৩
হংকং ১৯৮৬
হংকং ১৯৮৯
জাপান ১৯৯১
মালয়েশিয়া ১৯৯৩
মালয়েশিয়া ১৯৯৫
চীন ১৯৯৭
ফিলিপাইন ১৯৯৯অস্তিত্ব ছিল না, জাতিসংঘের অধীনে ছিল
চীনা তাইপেই ২০০১
থাইল্যান্ড ২০০৩প্রবেশ করেনি
অস্ট্রেলিয়া ২০০৬
ভিয়েতনাম ২০০৮
চীন ২০১০
ভিয়েতনাম ২০১৪
জর্ডান ২০১৮
ভারত ২০২২
অস্ট্রেলিয়া ২০২৬যোগ্যতা অর্জন করেনি
মোট০/২০

এশিয়ান গেমস

[সম্পাদনা]
এশিয়ান গেমসের রেকর্ড
বছর ফলাফল অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র* হার গো.প. গো.বি. গো.পা.
চীন ১৯৯০ ইন্দোনেশিয়া এর অংশ ছিল
জাপান ১৯৯৪
থাইল্যান্ড ১৯৯৮
দক্ষিণ কোরিয়া ২০০২প্রবেশ করেনি
কাতার ২০০৬
চীন ২০১০
দক্ষিণ কোরিয়া ২০১৪
ইন্দোনেশিয়া ২০১৮
চীন ২০২২নির্ধারণ করা হবে
জাপান ২০২৬
মোট০/৮

আসিয়ান মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ

[সম্পাদনা]
এএফএফ চ্যাম্পিয়নশিপ
বছর ফলাফল অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র* হার গো.প. গো.বি.
ভিয়েতনাম ২০০৪প্রবেশ করেনি
ভিয়েতনাম ২০০৬
মিয়ানমার ২০০৭
ভিয়েতনাম ২০০৮
লাওস ২০১১
ভিয়েতনাম ২০১২
মিয়ানমার ২০১৩
ভিয়েতনাম ২০১৫
মিয়ানমার ২০১৬গ্রুপ পর্ব৮ম৫০
ইন্দোনেশিয়া ২০১৮১০তম৩৩
থাইল্যান্ড ২০১৯৭ম২২
ফিলিপাইন ২০২২১১তম১৮
ভিয়েতনাম ২০২৫[]৮ম১৯
মোটগ্রুপ পর্ব৪/১২১৫১৪১২৩

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় গেমস

[সম্পাদনা]
এসইএ গেমস নারীদের প্রতিযোগিতা
বছর ফলাফল ম্যাচ জয় ড্র* হার গো.প. গো.বি.
২০০১–২০২৩ প্রবেশ করেনি
মোট

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "ফিফা/কোকা-কোলা মহিলা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং"ফিফা। ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. Game notes in debut vs Myanmar
  3. Tandoc Jr., Edson C. (১৩ এপ্রিল ২০০৫)। "Tourism boost for Marikina"Philippine Daily Inquirer। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১২
  4. "The FIFA Women's World Ranking"। FIFA.com। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯। ৮ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১২
  5. Tom Dunmore (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১)। Historical Dictionary of Soccer। Scarecrow Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১০৮-৭১৮৮-৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১২
  6. "WOMEN: Winning starts for Philippines, Timor Leste"। ১৫ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৯
  7. "Match report: Timor Leste 2–1 Singapore" (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৯
  8. "Singapore women's football team withdraw from Asean Women's Championship"The Straits Times (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ জুন ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]