পূর্ব–পশ্চিম ধর্মবিচ্ছেদ
পূর্ব–পশ্চিম ধর্মবিচ্ছেদ (মহা ধর্মবিচ্ছেদ বা ধর্মবিচ্ছেদ নামেও পরিচিত) হল ১০৫৪ সাল থেকে ক্যাথলিক মণ্ডলী এবং পূর্বদেশীয় সনাতনপন্থী মণ্ডলী মধ্যকাল মহাধর্মবিচ্ছেদ।[১] বিচ্ছেদ শেষে অনুমিত হয় যে, প্রাচ্যের ঈসায়ীগণ মোট খ্রিস্টানদের খুব কম সংখ্যাগরিষ্ঠ আর অধিকাংশই পশ্চিমা।[২] বিচ্ছেদটি ছিল ধর্মতাত্ত্বিক এবং রাজনৈতিক দূরত্বের চূড়ান্ত পরিণতি।
ইহা ছিল পূর্ববর্তী গ্রীক পূর্ব এবং ল্যাটিন পশ্চিমের মধ্যকার গীর্জা-সংক্রান্ত মতপার্থক্য এবং ধর্মতাত্ত্বিক বিবাদের একটি করুণ ফলাফল।[১][৩] এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলঃ পবিত্র আত্মার যাত্রা (ফিলিওক), খামিরযুক্ত বা খামিরবিহীন রুটি ইউক্যারিস্টে ব্যবহার করা উচিত কিনা, সর্বজনীন এখতিয়ারের জন্য রোমের বিশপের দাবি এবং পেন্টার্চির সাথে সম্পর্কিত কনস্টান্টিনোপলের সি-এর স্থান। ধর্মতাত্ত্বিক উত্তরাধিকার। বা খামিরবিহীন রুটি ব্যবহার করা উচিত, [ক] সর্বজনীন আইনত এখতিয়ারের জন্য পোপের দাবি, এবং পেন্টার্কির সাথে সম্পর্কিত কনস্টান্টিনোপলের সি-এর স্থান। [৭]
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ A late 11th-century pamphlet, Against the Franks,[৪] falsely attributed to Photios I of Constantinople, lists this as second point, right after the Filioque.[৫][৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Cross ও Livingstone 2005।
- ↑ Johnstone, Patrick (২০১৪)। The Future of the Global Church: History, Trends and Possibilities। InterVarsity Press। পৃ. ১০০, ১১৫।
- ↑ D'Agostino 2008।
- ↑ Palatianos n.d.।
- ↑ Hergenröther 1869, পৃ. 62–71।
- ↑ Beck 1982, পৃ. 245–247।
- ↑ Lembke 2010।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |