পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠা
২০১৩ সালে পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠা
২০১৩ সালে পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠা
প্রাথমিক তথ্য
জন্ম (1960-09-06) ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬০ (বয়স ৬২)
মুম্বই, ভারত
ধরননেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী
পেশাসঙ্গীতশিল্পী
কার্যকাল১৯৭১–বর্তমান

পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠা (জন্ম: ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬০) একজন ভারতীয় নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী। তিনি সুষমা শ্রেষ্ঠা নামেও পরিচিত। শিশুশিল্পী হিসাবে গাইতে শুরু করলেও পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে তিনি বলিউডের একজন শীর্ষস্থানীয় নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী (প্লেব্যাক গায়িকা) হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তিনি মোহাম্মদ রফি এবং সুমন কল্যাণপুরের পাশাপাশি কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক শঙ্কর জয়কিশানের অধীনে রমেশ সিপ্পির আন্দাজ (১৯৭১) চলচ্চিত্রে শিশুগায়িকা হিসাবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। শৈশবকালে তিনি নওশাদ, মদন মোহন, সি. রামচন্দ্র, সলিল চৌধুরী, অনিল বিশ্বাস, শচীন দেববর্মণ, কল্যাণজী-আনন্দজী এবং লক্ষ্মীকান্ত-প্যায়ারেলাল সহ স্বর্ণযুগের প্রখ্যাত সুরকারদের সাথে কাজ করেছিলেন। পূর্নিমা আ গলে লাগ জা (১৯৭৩) থেকে "তেরা মুঝসে হ্যায় পেহলে" এবং হাম কিসিসে কাম নাহি (১৯৭৭) থেকে "কেয়া হুয়া তেরা বাদা" জাতীয় জনপ্রিয় গানে রাহুল দেব বর্মণের সাথে সফল সহযোগিতা গড়ে তুলেছিলেন। উভয় সহযোগিতার জন্য মাত্র ১১ বছর বয়সে সবচেয়ে কম বয়সী প্রার্থী হিসেবে তিনি শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।[১][২]

হিন্দি ছাড়াও পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠা বাংলা, মারাঠি, ভোজপুরি, তামিল, তেলুগু, পাঞ্জাবি, ওড়িয়া, অসমীয়া এবং নেপালি চলচ্চিত্র সহ অনেক ভাষায় গান করেছেন। চলচ্চিত্র ছাড়াও তিনি বাল গীত (শিশুদের গান), ভাবগীতি, গজল, চাটনি এবং ভারতীয় পপের মতো বিভিন্ন ঘরানায় অসংখ্য অ-চলচ্চিত্রী গান গেয়েছেন।[৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Nominations – 1973– The 51st Filmfare Awards"The Times of India। ১০ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১০ 
  2. "The Nominations – 1977– The 51st Filmfare Awards"The Times of India। ৯ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১০ 
  3. "SINDOOR (1980)"Screen। ২১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ 
  4. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২১