পূণেরী পাগড়ী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পূণেরী পাগড়ী
ভৌগোলিক স্বীকৃতি
বর্ণনাপূণেরী পাগড়ী হল একপ্রকারের পাগড়ী যা পূণে নগরীর গৌরব এবং সন্মানের প্ৰতীক হিসাবে গণ্য করা হয়।
ভাগহস্তশিল্প
অঞ্চলপূণে, মহারাষ্ট্র
দেশভারত
প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটhttp://ipindia.nic.in/girindia/
পূণেরী পাগড়ী পড়ে থাকা অবস্থায় মহাদেব গোবিন্দ রাণাদে

পূণেরী পাগড়ী (ইংরেজি:Puneri Pagadi), মহারাষ্ট্ৰের পূণে নগরীর গৌরব এবং সন্মানের প্ৰতীক হিসাবে গণ্য করা এক প্ৰকারের পাগড়ী।[১] দুই শতাব্দি আগে এর প্ৰচলন শুরু হয়েছিল।[২] এই পাগড়ী সন্মানের প্ৰতীক হলেও আজকাল কলেজের ঐতিহ্যবাহী দিনসমূহে ব্যবহার করতে দেখা যায়।[৩] এই পাগড়ী স্বকীয় পরিচয় বহন করে বলে স্থানীয়লোকেরা এর " ভৌগোলিক পরিচয়" এর মৰ্যাদা দাবী করে।[৩] ৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সালে তাদের বহুদিনের দাবী পূরণ হয় এবং এই পাগড়ী এক বৌদ্ধিক সম্পদরূপে পরিগণিত হয়।[১][৩][৪][৫][৬]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পূণের পাগড়ী নির্মাতা, ১৮৯০

১৯ শতকের একজন সমাজ-সংস্কারক মহাদেব গোবিন্দ রাণাদে পোন নগরীতে-প্ৰথম এই পাগড়ীর প্ৰচলন করেন। পরবর্তীতে অনেক বিখ্যাত নেতা যেমন- লোকমান্য তিলক, জে.এস. করণদিকার, ডি.ডি. সাথে, তাতিয়াসাহেব কেলকার এবং দাত্তু বামন পটদারের মত নেতারা এই পাগড়ী পড়তেন।[২] ১৯৭৩ সালে মারাঠি ভাষার নাটক "ঘাসীরাম কটওয়াল’’ এর মাধ্যমে এটি অধিক জনপ্ৰিয় হয়ে পরে।[৩]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

এই পাগড়ী সাধারণত কিছু বিশেষ অনুষ্ঠান যেমন বিয়ে-শাদী এবং বিদ্যালয়-মহাবিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী দিবসে ব্যবহার করা হয়। যুবকরা "গন্ধাল" কলা প্ৰদৰ্শনে এই পাগড়ী পড়ে। তাছাড়া ঐতিহাসিক ছায়াছবি এবং থিয়েটারে একে ব্যবহার করা হয়।[৩]

বৌদ্ধিক সম্পত্তির অধিকার প্ৰদান[সম্পাদনা]

১০ জন "শ্ৰী পূণেরী পাগড়ী সংঘ"এর পূণেরী পাগড়ীর "ভৌগলিক পরিচয়ের মৰ্যাদা দেওয়ার জন্য ভৌগোলিক স্বীকৃতি রেজিষ্ট্ৰারের জন্য আবেদন জানায়।[৩] এবং সাথে বৌদ্ধিক সম্পদের নীতির উৎকৰ্ষতার জন্যেও আবেদন জানায়।[২] পূণেরী পাগড়ীকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা, এর স্বকীয়তা রক্ষা করা এবং পূণেরী সংস্কৃতি ঠিকিয়ে রাখা এর মূল উদ্দেশ্য। ৪ সেপ্টেম্বর,২০০৯ সালে একে ভৌগোলিক পরিচায়কের মৰ্যাদা দেয়ার সাথে সাথে এটি পূণের সাংস্কৃতিক এবং সরকারী পরিচয় বহন করে।[১][৩][৪][৫][৬] ফলে পূণেরী পাগড়ী বৌদ্ধিক সম্পদের অধিকার লাভ করে এবং পূণের বাহিরে পূণেরী পাগড়ীর উৎপাদন তথা বিক্ৰী নিষিদ্ধ করা হল।[৪]

তথ্য সূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Indian association seeks IPR for 'Puneri Pagadi'"। Business Standard। ৭ এপ্রিল ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১২ 
  2. "Turban legend: Puneri Pagadi may soon get intellectual property tag"। Mid-day। ৬ এপ্রিল ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১২ 
  3. Shruti Nambiar (২ আগস্ট ২০১১)। "The Pagadi Unravelled"। The Indian Express। পৃষ্ঠা 1–2। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১২ 
  4. "Puneri Pagadi gets GI tag; latest to join protected goods club"। Zee News। ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১২ 
  5. "Puneri Pagdi obtains geographical indication status"। OneIndia News। ৩ জানুয়ারি ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১২ 
  6. Chandran Iyer (২২ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "Puneri Pagadi gets pride of place"। Mid Day। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১২