বিষয়বস্তুতে চলুন

পুনরুদ্ধারবাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Map of Kingdom of Italy (1919)
ইরেডেন্টিজম শব্দটির উৎপত্তি ইতালীয় বাক্যাংশ ইতালিয়া ইরেডেন্টা থেকে, যার অর্থ "অমুক্ত ইতালি"।[] ১৯১৯ সালের ইতালির এই মানচিত্রে সবুজ, লাল এবং বেগুনি রঙে চিহ্নিত অংশগুলো ইতালীয় পুনরুদ্ধারবাদীরা নিজেদের বলে দাবি করত।

পুনরুদ্ধারবাদ (ইংরেজি: Irredentism) বলতে বোঝায় একটি রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য কোনো রাষ্ট্রের ভূখণ্ড নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা। এই আকাঙ্ক্ষার পেছনে প্রায়ই জাতিগত কারণ কাজ করে; বিশেষ করে যখন ওই নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠীর সাথে মূল রাষ্ট্রের জনগোষ্ঠীর জাতিগত মিল থাকে বা তারা একই জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হয়।[] এছাড়া ঐতিহাসিক কারণও এর পেছনে দায়ী হতে পারে, অর্থাৎ, সেই ভূখণ্ডটি একসময় মূল রাষ্ট্রটির অংশ ছিল।[][][] বাস্তব ক্ষেত্রে এই ধারণাটি প্রয়োগ করতে গিয়ে নানা জটিলতা দেখা দেয়, যার ফলে এর সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নিয়ে তাত্ত্বিকদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিতর্কের বিষয়গুলো হলো: জাতিগত ও ঐতিহাসিক উভয় কারণই উপস্থিত থাকা জরুরি কি না, অথবা এর যেকোনো একটি থাকলেই হবে কি না। এছাড়া, কোনো রাষ্ট্র নয় এমন কোনো পক্ষ পুনরুদ্ধারবাদে লিপ্ত হতে পারে কি না, তা নিয়েও মতভেদ রয়েছে। বিতর্কের আরেকটি বিষয় হলো, কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে সম্পূর্ণরূপে গ্রাস বা একীভূত করার প্রচেষ্টাও এর আওতাভুক্ত হবে কি না। পুনরুদ্ধারবাদের বিভিন্ন ধরন রয়েছে। প্রথাগত পুনরুদ্ধারবাদের ক্ষেত্রে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সীমানা বা ভূখণ্ড নিয়ে বিরোধ তৈরির আগে থেকেই মূল রাষ্ট্রটির অস্তিত্ব থাকে। আবার এমন ধরনও দেখা যায় যেখানে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা একই জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে একত্রিত করার মাধ্যমে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠিত হয়।

পুনরুদ্ধারবাদ সম্পর্কিত একটি কেন্দ্রীয় গবেষণার বিষয় হলো: এটি কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, বা এর উৎপত্তির কারণ কী। অনেক বিশ্লেষকের মতে, জাতিগত মিল বা সমসত্ত্বতা পুনরুদ্ধারবাদের সম্ভাবনা বাড়ায়। এছাড়া, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে বসবাসরত স্বজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর বৈষম্যমূলক আচরণও এর পেছনে একটি বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এর সাথে সম্পর্কিত আরেকটি মতবাদ হলো, যখন কোনো দেশের জাতীয় পরিচয় মূলত জাতিসত্তা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তখন সেখানে পুনরুদ্ধারবাদের ঝোঁক বা প্রবণতা বেশি দেখা যায়। ভিন্ন একটি দৃষ্টিকোণ থেকে, পুনরুদ্ধারবাদকে ক্ষমতা ও সম্পদ বৃদ্ধির একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হয়। এই যুক্তিতে বলা হয়, প্রতিবেশী ভূখণ্ডটি যদি তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধশালী হয়, তাহলে পুনরুদ্ধারবাদী দাবি উত্থাপনের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

ব্যাখ্যা

[সম্পাদনা]

পুনরুদ্ধারবাদের ব্যাখ্যাগুলোর মাধ্যমে এর কারণ নির্ণয়, এটি কীভাবে প্রকাশ পায় এবং এর শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয়।[] এ বিষয়ে নানা ধরনের অনুকল্প বা মতবাদ প্রস্তাব করা হলেও, সশস্ত্র সংঘাত উসকে দেওয়ার দীর্ঘ ইতিহাস এবং বিশ্বজুড়ে এর ব্যাপকতা থাকা সত্ত্বেও, পুনরুদ্ধারবাদের ব্যাখ্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ঐকমত্য খুব কম।[][] প্রস্তাবিত তত্ত্বগুলোর মধ্যে কিছু হয়তো সমন্বয় করা সম্ভব, কিন্তু অনেকগুলোই আবার পরস্পরবিরোধী। আর বিদ্যমান প্রমাণও প্রায়শই সেগুলোর মধ্যে কোনটি বেশি গ্রহণযোগ্য তা নির্ধারণ করার জন্য যথেষ্ট নয়।[] পুনরুদ্ধারবাদের কারণগুলো বের করা এখন গবেষণার একটি সক্রিয় ক্ষেত্র। অনেক দেশেরই তাদের রাষ্ট্রসীমার বাইরে নিজস্ব জাতিসত্তার মানুষ বা স্বজাতি বসবাস করে। কিন্তু স্বজাতির মানুষকে একীভূত করার লক্ষ্যে বিদেশি ভূখণ্ড দখল করতে সহিংস সংঘাতে জড়ানোর ইচ্ছা খুব কম দেশেরই আছে। পুনরুদ্ধারবাদের কারণ নিয়ে করা গবেষণা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে যে, কেন কিছু দেশ পুনরুদ্ধারবাদের পথে হাঁটে এবং কেন অন্যরা তা করে না।[১০][১১] এ প্রসঙ্গে যেসব বিষয় নিয়ে সচরাচর আলোচনা করা হয় তার মধ্যে রয়েছে: জাতিসত্তা, জাতীয়তাবাদ, অর্থনৈতিক স্বার্থ, ক্ষমতা বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা এবং রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার ধরন।[১২][][]

জাতিসত্তা ও জাতীয়তাবাদ

[সম্পাদনা]
১৯৩০-এর দশকের হাঙ্গেরীয় পুনরুদ্ধারবাদ হাঙ্গেরির নাৎসি জার্মানির সাথে মিত্রতা করার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছিল।[১৩][১৪]

পুনরুদ্ধারবাদের একটি প্রচলিত ব্যাখ্যা জাতিগত যুক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।[১২][][১৫] পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা গেছে, যেসব রাষ্ট্রে মূলত একই জাতিসত্তার মানুষের বাস, তারাই মূলত পুনরুদ্ধারবাদী দাবিগুলো উত্থাপন করে। এর পেছনের যুক্তিটি হলো, যদি কোনো রাষ্ট্র একাধিক জাতিগোষ্ঠী নিয়ে গঠিত হয়, তবে বাইরে থেকে কোনো ভূখণ্ড সংযুক্ত করলে রাষ্ট্রের ভেতরে ওই নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর ক্ষমতা ও প্রভাব বেড়ে যাবে। এই কারণে অন্য জাতিগোষ্ঠীগুলো স্বভাবতই এই দাবির বিরোধিতা করে। কিন্তু একজাতিভিত্তিক রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো অভ্যন্তরীণ বাধার সৃষ্টি হয় না। যে ভূখণ্ড বা জনপদটিকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়, তার ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রযোজ্য। যদি সেই ভূখণ্ডটি বহুজাতিভিত্তিক হয়, তবে তারা জাতিগত কারণে অন্য রাষ্ট্রের সাথে একীভূত হতে খুব একটা আগ্রহী হয় না; কারণ এতে কেবল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীই লাভবান হবে।[][১৫] এই বিষয়গুলো বিবেচনা করলেই বোঝা যায় কেন আফ্রিকায় পুনরুদ্ধারবাদ খুব একটা দেখা যায় না। কারণ আফ্রিকার অধিকাংশ রাষ্ট্রই বহুজাতিভিত্তিক রাষ্ট্র।[] পুনরুদ্ধারবাদে জাতিগত প্রেরণার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলো হচ্ছে: প্রধান জাতিগোষ্ঠীটি অন্যদের তুলনায় এবং সামগ্রিক সংখ্যার বিচারে কতটা বড়। এছাড়া ওই নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীটি কি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে নাকি একটি নির্দিষ্ট এলাকায় কেন্দ্রীভূত এবং তারা রাজনৈতিকভাবে বঞ্চনার শিকার কি না এটিও গুরুত্বপূর্ণ।[১১]

জাতীয়তাবাদকে কেন্দ্র করে যে ব্যাখ্যাগুলো দেওয়া হয়, সেগুলো জাতিসত্তা ভিত্তিক ব্যাখ্যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।[][১৬] জাতীয়তাবাদকে এমন একটি দাবি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়, যেখানে বলা হয়—রাষ্ট্রের সীমানা ও জাতির সীমানা এক হওয়া উচিত।[১৭][১৮] গঠনবাদী মতবাদ অনুসারে, একটি দেশের প্রবল জাতীয় পরিচয়ই পুনরুদ্ধারবাদের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, জাতিসত্তা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা পরিচয় সহজেই জাতীয় সীমানা সম্প্রসারণের আকাঙ্ক্ষাকে উসকে দিতে পারে। জাতিগত ও সাংস্কৃতিকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ ভূখণ্ডগুলোকে একীভূত করার লক্ষ্যটি এই পরিচয়গুলোর মাধ্যমেই বৈধতা পেতে পারে। অন্যদিকে, 'নাগরিক জাতীয় পরিচয়' (Civic national identity)—যা মূলত রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেয়—তা পূর্ব থেকে বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় সীমানার প্রতিই বেশি শ্রদ্ধাশীল থাকে।[]

কাঠামোগত ব্যাখ্যাগুলো কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখে; তারা মূলত জাতীয়তাবাদ এবং আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করে। তারা বিবেচনা করে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণের মধ্যকার টানাপোড়েনের ব্যাপারটি।[] রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব হলো আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক একটি নীতি, যা অনুযায়ী প্রতিটি রাষ্ট্র তার নিজ ভূখণ্ডের ওপর পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। এর অর্থ হলো, কোনো রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।[১৯] অন্যদিকে, জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণ বলতে বোঝায় কোনো জনগোষ্ঠীর নিজের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করার অধিকার।[২০] কাঠামোগত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের ওপর জোর দিলে তা পুনরুদ্ধারবাদী দাবিগুলোকে বৈধতা দিতে পারে; পক্ষান্তরে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের নীতি বিদ্যমান সার্বভৌম সীমানার বর্তমান অবস্থাকে রক্ষা করে। এই মতবাদকে সমর্থন করে এমন একটি পর্যবেক্ষণও হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অস্থিতিশীলতা বা বিশৃঙ্খলার সময়গুলোতে পুনরুদ্ধারবাদী সংঘাতের প্রবণতা বেড়ে যায়।[]

Map of the Nagorno-Karabakh conflict
নাগর্নো-কারাবাখ সংঘাত হচ্ছে এমন একটি উদাহরণ যা দেখায় কীভাবে মানবিক উদ্বেগকে পুনরুদ্ধারবাদী বা স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন করার যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

যে ভূখন্ডটিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করা হচ্ছে, সেই ভূখন্ডে বসবাসকারী প্রধান জাতিগোষ্ঠীর ওপর হওয়া বৈষম্যকেও পুনরুদ্ধারবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[২১] পুনরুদ্ধারবাদী রাষ্ট্রগুলো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের আগ্রাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য প্রায়সময়ই এই আগ্রাসনকে মানবিক হস্তক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করে এবং দাবি করে এই আগ্রাসনের উদ্দেশ্য হচ্ছে বৈষম্যের শিকার হওয়া তাদের স্বজাতীয় গোষ্ঠীকে রক্ষা করা। উদাহরণস্বরূপ, নাগর্নো-কারাবাখ সংঘাতে আর্মেনিয়া, ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধে সার্বিয়া এবং রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের সময় এই যুক্তিটিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।[] তবে ডেভিড এস. সিরোকি এবং ক্রিস্টোফার ডব্লিউ. হেলের মতো কিছু রাজনৈতিক তাত্ত্বিক মনে করেন, জাতিগত সমসত্ত্বতা এবং বৈষম্যের ওপর ভিত্তি করে যে যুক্তিগুলো দেওয়া হয়, তার পক্ষে শক্ত বাস্তবভিত্তিক প্রমাণ খুব বেশি নেই। তাঁদের মতে, এগুলো মূলত বস্তুগত লাভের উদ্দেশ্যকেই আড়াল করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।[][১৫][২২]

আরেকটি প্রাসঙ্গিক বিষয় হলো, যে ভূখণ্ডটিকে সংযুক্ত বা দখল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সেখানকার জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি। কোনো বিদেশি ভূখণ্ড দখল করার ব্যাপারে পুনরুদ্ধারবাদী রাষ্ট্রেটির আকাঙ্ক্ষা এবং যে ভূখন্ডটিকে দখল করা হবে সেই ভূখণ্ডের মানুষের আকাঙ্ক্ষা সব সময় এক হয় না; অর্থাৎ দুই পক্ষের আকাঙ্ক্ষা সবসময় মিলে যায় না।[২৩] কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠী সংযুক্ত হতে চায় না। যেমন, ক্রিমিয়া দখলের সময় রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে অনিচ্ছুক ছিল ক্রিমিয়ান তাতাররা।[২৩][২৪] আবার এর উল্টো ঘটনাও ঘটে, যেখানে সংখ্যালঘু গোষ্ঠীটি মূল রাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হতে চায়, কিন্তু মূল রাষ্ট্রটি তাতে আগ্রহ দেখায় না।[২৩]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. এখানে “মূল রাষ্ট্র” বলতে সেই রাষ্ট্রকে বোঝানো হয়েছে, যে অন্য রাষ্ট্রের ভূখণ্ডকে নিজের রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা পোষণ করে।[]

উদ্ধৃতি

[সম্পাদনা]
  1. Tamaro 1933
  2. White ও Millett 2019, পৃ. 419–426।
  3. White ও Millett 2019, পৃ. 419।
  4. 1 2 Griffiths, O'Callaghan এবং Roach 2008, পৃ. 175–177
  5. Kornprobst 2008, পৃ. 8–10।
  6. Ambrosio 2022
  7. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 Ambrosio 2011, পৃ. 1346–1348, irredentism।
  8. 1 2 3 Siroky ও Hale 2017, পৃ. 8–9।
  9. Siroky ও Hale 2017, পৃ. 2।
  10. Siroky ও Hale 2017, পৃ. 1।
  11. 1 2 Saideman ও Ayres 2000, পৃ. 1126–1144
  12. 1 2 White ও Millett 2019, পৃ. 420।
  13. Hames 2004, পৃ. 36
  14. Hanebrink 2018, পৃ. 140
  15. 1 2 3 Siroky ও Hale 2017, পৃ. 2–3।
  16. Clarke ও Foweraker 2003, পৃ. 375–376
  17. Hechter 2000, পৃ. 7
  18. Gellner 2008, পৃ. 1
  19. UN 1945
  20. LII staff 2022
  21. Siroky ও Hale 2017, পৃ. 3।
  22. Orabator 1981, পৃ. 166–181
  23. 1 2 3 Siroky ও Hale 2017, পৃ. 1–2।
  24. Walker 2022

  • White, W. George; Millett, Bruce (২০১৯)। Kobayashi, Audrey (সম্পাদক)। International Encyclopedia of Human Geography (ইংরেজি ভাষায়)। Elsevier। পৃ. ৪১৯–৪২৬। আইএসবিএন ৯৭৮০০৮১০২২৯৬২
  • Ambrosio, Thomas (২০২২)। "irredentism"www.britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২২
  • Ambrosio, Thomas (২০১১)। "irredentism"। Badie, Bertrand; Berg-Schlosser, Dirk; Morlino, Leonardo (সম্পাদকগণ)। International Encyclopedia of Political Science (ইংরেজি ভাষায়)। Sage Publications। পৃ. ১৩৪৬–১৩৪৮। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৫২২৬৬৪৯৭
  • Siroky, David S.; Hale, Christopher W. (জানুয়ারি ২০১৭)। "Inside Irredentism: A Global Empirical Analysis: Inside Irredentism"। American Journal of Political Science৬১ (1): ১১৭–১২৮। ডিওআই:10.1111/ajps.12271
  • LII staff (২০২২)। "Self determination (international law)"LII / Legal Information Institute (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২২