পুতুল রাষ্ট্র
| সরকারের মৌলিক রূপসমূহ |
|---|
| রাজনীতি বিষয়ক ধারাবাহিকের একটি অংশ |
| সরকারের রূপসমূহের তালিকা |
|
|
পুতুল রাষ্ট্র বা পুতুল সরকার বলতে এমন এক রাষ্ট্র বা সরকারকে বোঝায় যে কাগজে-কলমে বা আইনত একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করলেও বাস্তবে বা কার্যত বহিঃস্থ কোনও শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রভাব বলয়ে থাকার কারণে পুতুল রাষ্ট্র তার স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলে এবং তাকে ঐ রাষ্ট্রের আদেশ-কানুন মেনে চলতে হয়।[১] এক্ষেত্রে পুতুল রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব নামমাত্র এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রটি ঐ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি ও রাজনীতিসহ সর্বক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে।[২][৩]
পুতুল রাষ্ট্রগুলি মিত্র রাষ্ট্র নয়। মিত্র রাষ্ট্রগুলি তাদের স্ব-উদ্যোগে বা স্বেচ্ছায় স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক তাদের কর্মপন্থা নির্বাচন করে। অন্যদিকে পুতুল রাষ্ট্রগুলিকে কোনও বিদেশী শক্তির নেয়া সিদ্ধান্তগুলিকে বাধ্য হয়ে আইনি সমর্থন দিতে হয়।
বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]অন্যান্য স্বাধীন দেশের মতো পুতুল রাষ্ট্রের নিজস্ব নাম, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত, সংবিধান, আইন সংহিতা, নীতিবাক্য ও সরকার থাকতে পারে, কিন্তু বাস্তবে এগুলো ঐ পুতুল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বা নিয়ন্ত্রণকারী রাষ্ট্রের অনুষঙ্গ মাত্র।[৪] আন্তর্জাতিক আইন পুতুল রাষ্ট্র বা পুতুল সরকারকে বৈধ হিসাবে স্বীকৃতি দেয় না।[৫]
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
[সম্পাদনা]
পোল্যান্ড রাজ্য (১৯১৭–১৯১৮) – ১৯১৫ সালে কেন্দ্রীয় শক্তি রুশ সাম্রাজ্যের কংগ্রেস পোল্যান্ডকে দখল করেছিল এবং ১৯১৬ সালে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এক পোল্যান্ড রাজ্য গঠন করেছিল যাতে খুব সহজেই পোলান্ডের উপর শোষণকাজ চালানো যায় এবং সেখানকার বাসিন্দাদের রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সমবেত করা যায়। ১৯১৮ সালে এই রাষ্ট্র স্বাধীন লাভ করেছিল এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দ্বিতীয় পোলীয় প্রজাতন্ত্রের মেরুদণ্ড হয় উঠেছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
[সম্পাদনা]জাপান সাম্রাজ্য
[সম্পাদনা]জাপানের সাম্রাজ্যিক পর্ব চলাকালীন এবং বিশেষ করে প্রশান্ত যুদ্ধের সময় জাপান সরকার একাধিক পুতুল রাষ্ট্র গঠন করেছিল।
আজাদ হিন্দ (১৯৪৩–১৯৪৫), সরকারি নাম "স্বাধীন ভারতের সাময়িক সরকার" – ১৯৪৩ সালের অক্টোবরে সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে সিঙ্গাপুরে এই সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং জাপানি দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রবাসী ভারতীয় ও সামরিক বাহিনী দ্বারা এই সরকার চালিত ছিল। অক্ষশক্তির অধীনস্থ ভারতীয় ভূখণ্ডের উপর আজাদ হিন্দ সরকারের নামমাত্র সার্বভৌমত্ব ছিল এবং ব্রিটিশ ভারতের সম্ভাব্য আক্রমণের মাধ্যমে বাকি ভারতীয় ভূখণ্ড লাভের আশায় ছিল। বর্তমান স্বাধীন ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে আজাদ হিন্দ সরকার কোহিমা, মণিপুরের কিছু অংশ এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ লাভ করেছিল। আজাদ হিন্দ সরকার ১১টি দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রেখেছিল, যার মধ্যে জার্মানি, ইতালি, জাপান, ফিলিপাইন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্য। সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়কও ছিলেন। আজাদ হিন্দ সরকারের নিজস্ব মন্ত্রিসভা ও ব্যাংক ছিল।
ভিয়েতনাম সাম্রাজ্য (১৯৪৫)
চীনে
[সম্পাদনা]
মাঞ্চুকুও (১৯৩২–১৯৪৫) – চীনের শেষ সম্রাট পুয়ির নেতৃত্বে মাঞ্চুরিয়ায় এই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[৬]
নাৎসি জার্মানি ও ফ্যাসিবাদী ইতালি
[সম্পাদনা]সোভিয়েত ইউনিয়ন
[সম্পাদনা]দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে সোভিয়েত ইউনিয়ন পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ দখল করেছিল,[৭] এবং সোভিয়েত অধিকৃত এই এলাকা পূর্ব ব্লক নামে পরিচিত। যুদ্ধের পর সোভিয়েত বাহিনী এই দেশগুলোতে রয়ে গিয়েছিল।[৮] কমিউনিস্ট বা সাম্যবাদী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মিলে জোট সরকার গঠন এবং সোভিয়েতবিরোধী জোট সদস্যদের ভাঙনের মাধ্যমে প্রত্যেক দেশে স্তালিনবাদী সরকার গড়ে উঠেছিল।[৮] স্তালিনবাদী সরকার এই দেশগুলোর পুলিশ, সংবাদমাধ্যম ও বেতারের উপর হস্তক্ষেপ করেছিল।[৮]
পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ
[সম্পাদনা]
চেকোস্লোভাক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (১৯৪৮–১৯৯০)
জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (১৯৪৯–১৯৯০)
গণপ্রজাতন্ত্রী আলবেনিয়া (১৯৪৬–১৯৬১)
গণপ্রজাতন্ত্রী পোল্যান্ড (১৯৪৭–১৯৮৯)
গণপ্রজাতন্ত্রী বুলগেরিয়া (১৯৪৬–১৯৯০)
গণপ্রজাতন্ত্রী রোমানিয়া (১৯৪৭–১৯৬৫)
ফেডারেল গণপ্রজাতন্ত্রী যুগোস্লাভিয়া (১৯৪৫–১৯৪৮)
গণপ্রজাতন্ত্রী হাঙ্গেরি (১৯৪৯–১৯৮৯)
১৯৮৯-এর বিদ্রোহের সময় ও পরবর্তীকালে পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের সমস্ত রাষ্ট্র সোভিয়েত তাঁবেদারি থেকে বেরিয়ে এসেছিল, তবে আলবেনিয়া, যুগোস্লাভিয়া ও রোমানিয়া এই বিদ্রোহের আগেই সোভিয়েত তাঁবেদারি থেকে বেরিয়ে এসেছিল।[৯] যুগোস্লাভিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাথমিক তাঁবেদারের মধ্যে অন্যতম ছিল।[৮][১০] ১৯৪৮-এর তিতো–স্তালিন বিভাজনের ফলে এটি সোভিয়েত তাঁবেদারি থেকে বেরিয়ে এসেছিল এবং কমিনফর্মের কার্যালয়কে বেলগ্রেড থেকে বুখারেস্টে স্থানান্তর করা হয়েছিল। যুগোস্লাভিয়া পরবর্তীকালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল।
এশিয়া
[সম্পাদনা]
আফগানিস্তান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (১৯৭৮–১৯৯১)
গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া (১৯৪৮–১৯৫৬)
গণপ্রজাতন্ত্রী মঙ্গোলিয়া (১৯২৫–১৯৯১)
এছাড়া স্বল্পস্থায়ী পূর্ব তুর্কিস্তান প্রজাতন্ত্র (১৯৪৪–১৯৪৯) গণচীনের অন্তর্গত হওয়ার আগে পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের তাঁবেদার ছিল। ১৯৭৮ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত আফগানিস্তান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সোভিয়েত ইউনিয়নের এক তাঁবেদার রাষ্ট্র ছিল, এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত এটি সোভিয়েত সামরিক বাহিনীর দখলে ছিল।[১১][১২][১৩]
সাম্প্রতিক উদাহরণ
[সম্পাদনা]মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
[সম্পাদনা]
আফগানিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র – তালেবানসহ অনেকেই প্রাক্তন আফগানিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে যুক্তরাষ্ট্রের পুতুল রাষ্ট্র বলে মনে করে।[১৪] ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর আফগানিস্তান ত্যাগের পর সেখানকার সরকার পরবর্তী তালেবান আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারেনি। আফগানিস্তান জয়ের পর তালেবান বর্তমান সরকার গঠন করেছিল, যার নাম আফগানিস্তান ইসলামি আমিরাত।[১৫]
ইরাক প্রজাতন্ত্র (অস্থায়ী সরকার) – ইরাকি অস্থায়ী সরকারের সমালোচকদের মতে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্র দেশের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্যই এটি টিকে ছিল এবং তারা একে যুক্তরাষ্ট্রের পুতুল সরকার বলে মনে করত।[১৬] উইলিয়াম ফাফ এটা দাবি করেছিলেন যে স্থায়ী মার্কিন উপস্থিতির জন্য ইরাক যুক্তরাষ্ট্রের তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।[১৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Compare: Marek, Krystyna (১৯৫৪)। Identity and Continuity of States in Public International Law। Library Droz। পৃ. ১৭৮। আইএসবিএন ৯৭৮২৬০০০৪০৪৪০।
[...] an allegedly independent, but 'actually' dependent, i.e. puppet State [...].
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য) - ↑ Betts, R. R. (জানুয়ারি ১৯৪৫)। "The European Satellite States: Their War Contribution and Present Position"। International Affairs। ২১ (1): ১৫–২৯। জেস্টোর 3018989।
- ↑ McNeely, Connie L. (১৯৯৫)। Constructing the Nation-state: International Organization and Prescriptive Action। Greenwood Publishing Group। পৃ. ৬১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১৩-২৯৩৯৮-৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
The term 'puppet state' is used to describe nominal sovereigns under effective foreign control...
- ↑ Raič, David (২০০২)। Statehood and the Law of Self-Determination। Kluwer Law International। পৃ. ৮১। আইএসবিএন ৯০-৪১১-১৮৯০-X। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
In most cases, puppet States are created by the occupant during occupation of a State, for the purpose of circumventing the former's international responsibility regarding the violation of the rights of the occupied State.
- ↑
Lemkin, Raphaël (২০০৮) [1944]। Axis Rule in Occupied Europe: Laws of Occupation, Analysis of Government, Proposals for Redress। The Lawbook Exchange, Ltd.। পৃ. ১১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৮৪৭৭-৯০১-৮। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৯।
The creation of puppet states or of puppet governments does not give them any special status under international law in the occupied territory. Therefore the puppet governments and puppet states have no greater rights in the occupied territory than the occupant himself. Their actions should be considered as actions of the occupant and hence subject to the limitations of the Hague Regulations.
- ↑ Jowett, Phillip S., Rays of The Rising Sun, Armed Forces of Japan’s Asian Allies 1931–45, Volume I: China & Manchuria, 2004. Helion & Co. Ltd., 26 Willow Rd., Solihull, West Midlands, England, pp. 7–36.
- ↑ Wettig 2008, পৃ. 69
- 1 2 3 4 Rao 2006, পৃ. 280
- ↑ Schmid, Alex Peter (১৯ অক্টোবর ১৯৮৫)। Social Defence and Soviet Military Power: An Inquiry Into the Relevance of an Alternative Defence Concept : Report। Center for the Study of Social Conflict (C.O.M.T.), State University of Leiden। আইএসবিএন ৯৭৮৯০৩৪৬০৭৩৮৬ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Langley 2006, পৃ. 30
- ↑ Azmi, Muhammad R. (বসন্ত ১৯৮৬)। "Soviet Politico-Military Penetration in Afghanistan, 1955 to 1979"। Armed Forces & Society। ১২ (3)। Sage Publishing: ৩৪৩, ৩৪৪। ডিওআই:10.1177/0095327X8601200301। জেস্টোর 45304853 – JSTOR এর মাধ্যমে।
- ↑ Amstutz, J. Bruce (১ জুলাই ১৯৯৪)। Afghanistan: The First Five Years of Soviet Occupation। DIANE Publishing। পৃ. ৫২, ৫৯, ১৯০, ৩৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৭৮৮১১১১১২।
- ↑ Cordovez, S. Harrison, Deigo, Selig; S. Harrison, Selig (১৯৯৫)। Out of Afghanistan: The Inside Story of the Soviet Withdrawal। New York, USA: Oxford University Press। পৃ. ২৯। আইএসবিএন ০-১৯-৫০৬২৯৪-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|প্রকাশক=এর 1 নং অবস্থানে no-break space character রয়েছে (সাহায্য);|শিরোনাম=এর 1 নং অবস্থানে no-break space character রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Dreyfuss, Bob (২৮ এপ্রিল ২০১০)। "Hamid Karzai: Revenge of the Puppet"। Rolling Stone (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ Crocker, Ryan (১৭ নভেম্বর ২০২১)। "Afghanistan 2001–2021: U.S. Policy Lessons Learned"। Carnegie Endowment for International Peace (ইংরেজি ভাষায়)। ২ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ "Iraqis rise up against 16 years of 'made in the USA' corruption"। openDemocracy (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৪।
- ↑ Cooley, John (১৮ জুন ২০০৮)। "How to silence that Iran war drumbeat"। The Christian Science Monitor।
উৎস
[সম্পাদনা]- Langley, Andrew (২০০৬), The Collapse of the Soviet Union: The End of an Empire, Compass Point Books, আইএসবিএন ০-৭৫৬৫-২০০৯-৬
- Merkl, Peter H. (২০০৪), German Unification, Penn State Press, আইএসবিএন ০-২৭১-০২৫৬৬-২
- Olsen, Neil (২০০০), Albania, Oxfam, আইএসবিএন ০-৮৫৫৯৮-৪৩২-৫
- Rajagopal, Balakrishnan (২০০৩), International law from below: development, social movements, and Third World resistance, Cambridge University Press, আইএসবিএন ০-৫২১-০১৬৭১-১
- Rao, B. V. (২০০৬), History of Modern Europe Ad 1789–2002: A.D. 1789–2002, Sterling Publishers Pvt. Ltd, আইএসবিএন ১-৯৩২৭০৫-৫৬-২
- Wettig, Gerhard (২০০৮), Stalin and the Cold War in Europe, Rowman & Littlefield, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৪২৫-৫৫৪২-৬
- Wood, Alan (২০০৫), Stalin and Stalinism, Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-৩০৭৩২-১
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Crawford, James (1979). The Creation of States in International Law. আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯৯-২২৮৪২-৩
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে তাঁবেদার রাষ্ট্র সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।