পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(পীযুষ বন্দোপাধ্যায় থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
পেশাঅভিনেতা, নাট্যকার, পরিচালক, আবৃত্তিকার
কার্যকাল১৯৮০-বর্তমান
উল্লেখযোগ্য কর্ম
সকাল সন্ধ্যা
আগামী
একাত্তরের যীশু

পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন বাংলাদেশী অভিনেতা। পাশাপাশি তিনি একজন নাট্যকার, আবৃত্তিকার ও সংগঠক।[১] ১৯৮০-র দশকের শুরুতে সকাল সন্ধ্যা নামক টিভি সিরিয়ালে 'শাহেদ' চরিত্রে অভিনয় করে তিনি জনপ্রিয়তা পান। তিনি বিটিভির মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কর্মজীবন

তার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের শুরু মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আগামী দিয়ে। এরপর তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একাত্তরের যীশু চলচ্চিত্রে পাদ্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেন। এছাড়া ২০১১ সালের আরও দুটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র আমার বন্ধু রাশেদগেরিলায় অভিনয় করেন। মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে আমার বন্ধু রাশেদ নির্মাণ করেছেন মোরশেদুল ইসলাম এবং গেরিলা নির্মাণ করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ[২]

২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি বিটিভির মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপত্র পান।[৩] ২০১২ সালের ১৯ এপ্রিল তিনি বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন।[৪] ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড তুলে দিয়ে গ্রেডিং সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা করেন।[৫]

চলচ্চিত্র তালিকা

বছর চলচ্চিত্রের শিরোনাম চরিত্র পরিচালক টীকা
১৯৮৪ আগামী মোরশেদুল ইসলাম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
১৯৯৩ সে শামীম আখতার ও তারেক মাসুদ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
একাত্তরের যীশু পাদ্রী নাসির উদ্দীন ইউসুফ
১৯৯৫ মহামিলন জাহিদ মল্লিক দিলীপ সোম
২০০০ উত্তরের খেপ শাহজাহান চৌধুরী
কিত্তনখোলা ইদু কন্ট্রাক্টর আবু সাইয়ীদ
২০০১ মেঘলা আকাশ বাকের শাকিব নারগিস আক্তার
২০০৩ আধিয়ার জমিদার কলিমুল্লাহ সাইদুল আনাম টুটুল
২০০৮ আমার আছে জল নিষাদ ও দিলশাদের বাবা হুমায়ূন আহমেদ
২০১১ আমার বন্ধু রাশেদ ইবুর বাবা মোরশেদুল ইসলাম
গেরিলা আনোয়ার হুসাইন নাসির উদ্দীন ইউসুফ
২০১৩ মৃত্তিকা মায়া সাইদুর রহমান গাজী রাকায়েত
২০১৪ আমি শুধু চেয়েছি তোমায় অনন্য মামুনঅশোক পতি
বুনো হাঁস অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী

দুর্নীতির মামলা

বিএফডিসির দ্বায়িত্বে থাকাকালে মালামাল ক্রয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সংস্থার সাবেক এমডি ও পীযুষ বন্দোপাধ্যায়সহ চার জনের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও থানায় বাদী হয়ে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন[৬]। মামলার এজাহারে বলা হয়, বিদেশ থেকে চলচ্চিত্র সাসগ্রী কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি দাম উল্লেখ করে সরকারের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এতে তারা নিজেরা লাভবান হয়েছেন ও অন্যকে লাভবান হতে সহায়তা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র

  1. "প্রমার অনুষ্ঠানে পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় । চট্টগ্রামের মানুষের আবৃত্তি চর্চা সত্যি প্রশংসনীয়"দৈনিক আজাদী। ১৮ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "সেলুলয়েডের ফিতায় মুক্তিযুদ্ধ"জাগো নিউজ। ২৫ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  3. "বিটিভি'র মহাপরিচালক হচ্ছেন পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ৫ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  4. "এফডিসির এমডি পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়"যায়যায়দিন। ১৯ এপ্রিল ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  5. "সেন্সর বোর্ড বলে কিছু থাকছে না আর : পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। জানুয়ারি ১২, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  6. "দুর্নীতির অভিযোগে পীযুষ বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৯  অজানা প্যারামিটার |1= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)

আরও দেখুন

বহিঃসংযোগ