পি ভারতীরাজা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পি ভারতীরাজা
பாரதிராஜா
Director Bharathiraja at Salim Movie Audio Launch.jpg
জন্ম
চিন্নাস্বামী পেরিয়ামায়াতেবর ভারতীরাজা

(1942-08-23) ২৩ আগস্ট ১৯৪২ (বয়স ৭৭)[১]
তেনি অল্লিনাগারাম, মাদুরা জেলা (মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সী), তামিলনাড়ু (এখন তেনি জেলা)
পেশাচলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্য পরিচালক
কর্মজীবন১৯৭৭-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীচন্দ্রলীলা
সন্তানমনোজ, জননী
পিতা-মাতা
  • পেরিয়ামায়াতেবর
  • মীনাক্ষীইয়াম্মাল
[২]
পুরস্কারপদ্মশ্রী (২০০৪)

পেরিয়ামায়াতেবর ভারতীরাজা (জন্মঃ ২৩ আগস্ট ১৯৪২) হচ্ছেন ভারতের তামিল চলচ্চিত্র জগতের একজন খ্যাতিমান পরিচালক। তিনি তামিল চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেছিলেন ১৯৭৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ১৬ ভায়াথিনিলে-এর মাধ্যমে। তিনি গ্রামীণ জীবন সুন্দর ভাবে চলচ্চিত্রে ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিতি পেয়ে গিয়েছিলেন "১৬ ভায়াথিনিলে"-এর জন্য। তিনি ২০১৭ সাল পর্যন্ত ছয়টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ, দুটি তামিলনাড়ু রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং একটি নন্দী পুরস্কার পেয়েছেন। মূলত তামিল ভাষার চলচ্চিত্র পরিচালনা করলেও ভারতীরাজা তেলুগু এবং হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রও গুটিকয়েক পরিচালনা করেছেন। চলচ্চিত্র জগতে ভালো অবদানের জন্য ভারতীরাজা ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন ২০০৪ সালে।

চলচ্চিত্র কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ভারতীরাজা প্রথমে একজন কন্নড় চলচ্চিত্র পরিচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন, ঐ পরিচালকের নাম ছিলো পুট্টানা কানাগাল (এই পরিচালক আবার ১৯৭৪ সালের হিন্দি চলচ্চিত্র "য্যাহরিলা ইনসান" পরিচালনার জন্য স্মরণীয়)।[৩] এরপর ভারতীরাজা পি. পুল্লাইয়াহ (তেলুগু চলচ্চিত্র পরিচালক), এম কৃষ্ণ নায়ার (মালয়ালম চলচ্চিত্র পরিচালক)[৪], অবিনাশি মণি (তামিল চলচ্চিত্র পরিচালক) এবং এ জগন্নাথ (তামিল- তেলুগু-হিন্দি চলচ্চিত্র পরিচালক) দের মত খ্যাতিমান পরিচালকদের সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ভারতীরাজার প্রথম একক পরিচালনার চলচ্চিত্র "১৬ ভায়াথিনিলে" (১৯৭৭) ছিলো গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত, তামিল চলচ্চিত্র জগতে গ্রামীণ পটভূমির চলচ্চিত্র এই প্রথম না হলেও ভারতীরাজা ব্যতিক্রমে স্বাদে চলচ্চিত্র বানিয়েছিলেন কমল হাসন, শ্রীদেবী এবং রজনীকান্তকে, চলচ্চিত্রটি ছিলো তামিল সংলাপের দুরূহতা এবং কাহিনীর মননশীলতার জন্য বিখ্যাত। প্রথমে চলচ্চিত্রটি সাদাকালো রঙে তৈরি হতে গিয়েছিলো, ভারত সরকারের খরচ দেবার কথা থাকলেও পরে চলচ্চিত্রটি ব্যক্তিগত খরচে নির্মিত হয় এবং মুক্তি পাবার পর ব্যবসায়িক সাফল্য পায়।[৫] ভারতীরাজা এরপর "কিড়াকে পোগুম রেল" নির্মাণ করেন রতি অগ্নিহোত্রী এবং কে. ভাগ্যরাজকে নিয়ে কিন্তু চলচ্চিত্র-সমালোচকদের তোপের মুখে পড়ে তিনি শহুরে চলচ্চিত্র "ছিগাপ্পু রোজাক্কাল" (১৯৭৮) নির্মাণ করেন, যদিও এই চলচ্চিত্রটি পুরোপুরি শহুরে জীবন নিয়ে নয় কিন্তু তাও গ্রামীণ জীবন কেন্দ্রিক নয়।[৬]

ভারতীরাজা "নীড়ালগাল" (১৯৮০) এবং "টিক টিক টিক" (১৯৮১) বানান, কিন্তু আবার তার মন গ্রামীণ পটভূমির দিকে চলে যায়, তাই তিনি সবকিছু উপেক্ষা করে আবার গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র "আলাইগাল ওইভাতিল্লাই" (১৯৮১) বানান, নবাগত রাধা এবং কার্তিককে দিয়ে বানানো প্রণয়ধর্মী এই চলচ্চিত্রটি তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলো। এছাড়া "মন বাসনাই" (১৯৮৩), "মুদাল মারিয়াদাই" (১৯৮৫) চলচ্চিত্রও ছিলো গ্রামের কাহিনীর, 'মুদাল মারিয়াদাই'তে মহানায়ক শিবাজি গণেশনকে নিয়েছিলেন ভারতীরাজা, এছাড়া এই চলচ্চিত্রটিতে রাধাও ছিলেন।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. https://www.youtube.com/watch?v=m_j5Da03QpE
  2. "இயக்குனர் இமயம் பாரதிராஜா! - Lakshman Sruthi - 100% Manual Orchestra -"lakshmansruthi.com 
  3. "Puttanna Kanagal"FilmiBeat 
  4. ইউটিউবে ভিডিও
  5. "Man behind the 1970s wave"Frontline 
  6. "50 Tamil Movies to watch before you Die - 18 : Sigappu Rojakkal (1978) - Sylvianism"Sylvianism। ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২০ 
  7. http://www.bbthots.com/reviews/rewind/mmariyaadhai.html

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]