পার্থ চট্টোপাধ্যায়
পার্থ চট্টোপাধ্যায় | |
|---|---|
| উচ্চশিক্ষা ও স্কুলশিক্ষা বিভাগের মন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার | |
| কাজের মেয়াদ ২০ মে, ২০১৪ – ২৮ জুলাই ২০২২ | |
| রাষ্ট্রপতি | কেশরীনাথ ত্রিপাঠী |
| পূর্বসূরী | ব্রাত্য বসু |
| শিল্প ও বাণিজ্য, তথ্য ও প্রযুক্তি, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা, শিল্প পুনর্গঠন ও পরিষদীয় বিভাগের মন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ২০ মে, ২০১১ - ডিসেম্বর ২০, ২০১২ | |
| পূর্বসূরী | নিরুপম সেন |
| বিধায়ক | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ২০০১ - ৪ মে ২০২৬ | |
| পূর্বসূরী | নির্মল মুখোপাধ্যায় (সিপিআই(এম)) |
| উত্তরসূরী | ইন্দ্রনীল খাঁ |
| নির্বাচনী এলাকা | বেহালা পশ্চিম |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ৬ অক্টোবর ১৯৫২ |
| রাজনৈতিক দল | সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস |
| দাম্পত্য সঙ্গী | বাবলি চট্টোপাধ্যায় |
| সন্তান | সোহিনী চট্টোপাধ্যায় |
পার্থ চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এবং শিল্প ও বাণিজ্য, তথ্য ও প্রযুক্তি, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা, শিল্প পুনর্গঠন ও পরিষদীয় বিভাগের মন্ত্রী। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দলের রাজনীতিবিদ। ২০১১ সালের ২০ মে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট মন্ত্রী রূপে শপথ গ্রহণ করেন।[১] এসএসসি দুর্নীতির কারণে ইডি তার বাড়িতে অভিযান করে ২০ কোটি অবৈধ টাকা উদ্ধার করে এবং ২৩ জুলাই তাকে জেরা করে গ্রেপ্তার করা হয়।[২][৩][৪][৫]
২০০৬ থেকে ২০১১ পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ছিলেন।[৬] ২০১১ সালে তিনি বিধানসভার শাসক তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় দলের উপনেতা নির্বাচিত হন।[৭]
২০০১ সালে তিনি বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৬ সালে পুনরায় ওই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে তিনি বেহালা পশ্চিম থেকেই ৫৯,০২১ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে একটানা তৃতীয়বারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হন।[৮][৯]
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। তিনি অ্যান্ড্রু ইউল সংস্থার এক প্রাক্তন এইচআর প্রফেশনাল।[৬][৭]
২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করে সরকার গঠন করার পর তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা ও স্কুলশিক্ষা বিভাগের মন্ত্রী হন।
বিতর্ক
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]২৩ জুলাই ২০২২-এ, পার্থ চ্যাটার্জিকে তার সহকারী অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সাথে কথিত স্টেট স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) নিয়োগ কেলেঙ্কারির মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছিল। বুকে ব্যথার অভিযোগের পর তাকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে, তাকে এইমস ভুবনেশ্বরে স্থানান্তরিত করা হয় যেখানে ডাক্তাররা বলেছিলেন যে তিনি দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন তবে অবিলম্বে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই। তিনি বর্তমানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হেফাজতে রয়েছেন। ২৮ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তার এবং অর্পিতা মুখার্জির সম্পত্তি থেকে ₹৪৯৮ মিলিয়ন (US$5.96 মিলিয়ন) নগদ, ₹৭০ কোটি (US$8.3 মিলিয়ন), ₹৫. ৬ কোটি (US$670K) মূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা এবং কোডেড ডায়েরি উদ্ধার করেছে।
২৮ জুলাই ২০২২-এ, তাকে বাণিজ্য ও শিল্প, তথ্য প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে অপসারণ করা হয় এবং তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বরখাস্ত করা হয়। ৫ আগস্ট ২০২২-এ, তাকে এবং তার সহযোগী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। তিনি ১১ নভেম্বর, ২০২৫-এ জামিন পান।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]পাদটীকা
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- ↑ "The Ministry"। The Telegraph, 21 May 2011। ২৬ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|6=(সাহায্য) - ↑ deblina.dey। "গ্রেপ্তার পার্থ চট্টোপাধ্যায়-কে সঙ্গে নিয়ে ছুটে চলেছে ইডির কনভয়, জোকা আইএসআই-তে হতে পারে মেডিক্যাল পরীক্ষা"। Asianet News Network Pvt Ltd। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২২।
- ↑ "২৭ ঘণ্টা জেরার পর গ্রেপ্তার পার্থ চট্টোপাধ্যায়"। উত্তরবঙ্গ সংবাদ। ২৩ জুলাই ২০২২। ২৪ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২২।
- ↑ "Partha Chatterjee: পার্থ গ্রেপ্তার"। aajkaal.in। ২৪ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২২।
- ↑ সংবাদদাতা। "টানা ২৭ ঘণ্টা জেরা শেষে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী পার্থ গ্রেপ্তার"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - 1 2 "Team Mamata"। The Telegraph 9 April 2011। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১১।
- 1 2 "Mamata issues model code Dos and don'ts for Trinamul ranks"। The Telegraph 16 May 2011। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১১।
- ↑ "113 - Behala West Assembly Constituency"। Partywise Comparison Since 1977। Election Commission of India। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১১।
- ↑ "Behala Paschim"। Assembly Elections May 2011 Results। Election Commission of India। ১৬ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১১।
- জীবিত ব্যক্তি
- বাঙালি রাজনীতিবিদ
- ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় রাজনীতিবিদ
- ১৯৫৬-এ জন্ম
- পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ
- আশুতোষ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী
- পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০০১-২০০৬
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০০৬-২০১১
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০১১-২০১৬
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০১৬-২০২১
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০২১-২০২৬
- কলকাতার রাজনীতিবিদ
- পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ
- রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী