বিষয়বস্তুতে চলুন

পায়ের দাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পায়ের দাদ
প্রতিশব্দএকজিমা মার্জিনেটাম, ক্রোচ চুলকানি, ক্রোচ রট, ধোবি চুলকানি, জিম চুলকানি, জক ইচ, জক রট, স্ক্রট রট[][]:৩০৩
একজন পুরুষের কুঁচকিতে দাদ
বিশেষত্বচর্মরোগবিদ্যা
লক্ষণচুলকানি, কুঁচকিতে ফুসকুড়ি
ঝুঁকির কারণ
  • অত্যধিক ঘামা
  • ডায়াবেটিস
  • স্থূলতা
রোগনির্ণয়ের পদ্ধতিত্বকের স্ক্র্যাপিংয়ের মাইক্রোস্কোপি এবং সংস্কৃতি
পার্থক্যমূলক রোগনির্ণয়
প্রতিরোধ
  • পা বা নখের যেকোনো ছত্রাক সংক্রমণের চিকিৎসা করুন।
  • কুঁচকি শুকনো রাখুন
  • আঁটসাঁট পোশাক পরিহার করুন
  • মোটা হলে ওজন কমান
ঔষধটপিকাল এন্টিফাঙ্গাল ওষুধগুলি

পায়ের দাদ (ল্যাটিন: টিনিয়া ক্রুরিস) বা জক ইচ হলো একধরনের ছত্রাক সংক্রমণ যা ঊরুর ভেতরের ত্বক, কুঁচকি এবং নিতম্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই কারণে শরীরের এইসব উষ্ণ, আর্দ্র জায়গায় লালচে হয়ে যেতে পারে, ফাটতে পারে, কখনও রিঙের মতন দাগ হয়। এটা সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে ও গরম আবহাওয়ায় হয়। স্বাভাবিকের থেকে বেশি ওজনের লোকদের এটা আরও বেশি হয়। []

এই রোগের ভাইরাস বিভিন্নভাবে এক শরীর থেকে অন্য শরীরের ছড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যবহৃত পোশাক, পানি, বিছানা ইত্যাদি এর বাহক হিসেবে কাজ করে ।

লক্ষণ

[সম্পাদনা]

১. উরুর সংযোগস্থল ও নিতম্বে তীব্র চুলকানি ভাব অনুভূত হওয়া

২. লাল বা খয়েরি রঙয়ের র‍্যাশ ও পানি ভর্তি ফুসকুড়ি দেখা দেয়া

৩. চুলকানোর পর এই পানি ভর্তি ফুসকুড়িগুলো ফেটে যাওয়া

৪. আক্রান্ত স্থানে পানি লাগলে জ্বালাপোড়া করা

৫. আক্রান্ত স্থান কালো এবং শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

৬. রাতের বেলা বেশি চুলকায়।

৭. বিছানায় গেলেই প্রচুর চুলকায় এবং জ্বালাপোড়া করতে থাকে।

৮. কাপড় পরিবর্তনের সময় চুলকায় , আরাম অনুভব হয় এবং জ্বালাপোড়া করে সাথে রস বের হয়।

১. আক্রান্ত স্থানে সাবান ব্যবহার করা যাবে না।

২. অন্তর্বাস প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে এবং অন্তর্বাস খোলার পর সাধারন পানি দ্বারা জায়গাটা পরিষ্কার করতে হবে।

৩. নিমপাতার পানি দিয়ে গোসল করতে পারলে ভাল।

৪. যতটুকু সম্বভব শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে ।

অন্যান্য নামের মধ্যে রয়েছে জক রট,[] ধোবি চুলকানি,[] ক্রচ ইচ,[] স্ক্রট রট,[] জিম ইচ, দাদ এবং একজিমা মার্জিনাটাম।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Rapini, R. P.; Bolognia, J. L.; Jorizzo, J. L. (২০০৭)। Dermatology। St. Louis: Mosby। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১৬০-২৯৯৯-১
  2. James, W. D.; Berger, T. G.; এবং অন্যান্য (২০০৬)। Andrews' Diseases of the Skin: Clinical Dermatology। Saunders Elsevier। আইএসবিএন ০-৭২১৬-২৯২১-০
  3. News, Somoy। "Somoy Tv News"Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |শেষাংশ= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
  4. Paul Bedson (২০০৫)। The Complete Family Guide to Natural Healing। Penton Overseas, Inc। পৃ. ৭১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৭৪১২১-৫৯৭-৭
  5. Eric Partridge (২০০৬)। The New Partridge Dictionary of Slang and Unconventional English: A-I। Taylor & Francis। পৃ. ৫৮০। আইএসবিএন ০-৪১৫-২৫৯৩৭-১
  6. Thomas C. Rosenthal; Mark E. Williams (২০০৬)। Office Care Geriatrics। Lippincott Williams & Wilkins। পৃ. ৫০১। আইএসবিএন ০-৭৮১৭-৬১৯৬-৪
  7. Christian Jessen (২০১০)। Can I Just Ask?। Hay House, Inc। পৃ. ৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৮৫০-২৪৬-৮
  8. Reutter, Jason C. (২০১৯)। "56. Dermatophytosis"Diagnostic Pathology: Gynecological E-Book। Esther Oliva। Elsevier। পৃ. ৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩২৩-৫৪৮১৫-১