পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ

পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ, যা পটি ট্রেনিং বা টয়লেট লার্নিং নামেও পরিচিত, হলো কাউকে, বিশেষ করে কোনো টডলার (ছোট শিশু) বা শিশুকে, প্রস্রাব এবং মলত্যাগের জন্য শৌচাগার ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রক্রিয়া। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই প্রশিক্ষণের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি যথেষ্ট পরিবর্তিত হয়েছে। সংস্কৃতি এবং জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যভেদেও এর পার্থক্য দেখা যায়। পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণের সমসাময়িক অনেক পদ্ধতি মূলত আচরণবাদ এবং জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান ভিত্তিক পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করে।
প্রশিক্ষণের কৌশলগুলোর সুনির্দিষ্ট সুপারিশের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভিন্নতা রয়েছে। যদিও বেশ কিছু পদ্ধতি সাধারণত কার্যকর বলে বিবেচিত হয়, তবে সেগুলোর তুলনামূলক কার্যকারিতা নিয়ে সুনির্দিষ্ট গবেষণার অভাব রয়েছে। কোনো একক পদ্ধতি সকল শিক্ষার্থীর জন্য কিংবা একই শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সর্বজনীনভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। তাই প্রশিক্ষকদের উচিত তাদের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সবচেয়ে কার্যকর কৌশলটি বেছে নেওয়া। কিছু সংস্কৃতিতে জন্মের পরপরই এই প্রশিক্ষণ শুরু হতে পারে। তবে উন্নত বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে এটি ১৮ মাস থেকে দুই বছর বয়সের মধ্যে শুরু হয়। চার বছর বয়সের মধ্যে অধিকাংশ শিশু সম্পূর্ণভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়, যদিও অনেক শিশুর ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে অসাবধানতাবশত বিছানা বা পোশাক ভিজিয়ে ফেলার ঘটনা ঘটতে পারে।
নির্দিষ্ট কিছু আচরণগত বা চিকিৎসাগত সমস্যা এই প্রশিক্ষণকে প্রভাবিত করতে পারে এবং সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও প্রচেষ্টা বাড়িয়ে দিতে পারে। কিছু পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পেশাদার হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটি বিরল। এমনকি যেসব শিশু প্রশিক্ষণের সময় সমস্যার সম্মুখীন হয়, তাদের বেশিরভাগকেও শেষ পর্যন্ত সফলভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হয়।
এই প্রশিক্ষণের সাথে জড়িত কিছু ঝুঁকিও থাকতে পারে, যেমন পিছলে যাওয়া বা টয়লেট সিট থেকে পড়ে যাওয়া। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ শিশু নিগ্রহের একটি কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে। এই প্রশিক্ষণে ব্যবহারের জন্য কিছু প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যার মধ্যে কিছু বিশেষায়িত এবং কিছু সাধারণ ব্যবহারের জন্য।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]
প্রাক-আধুনিক সমাজে পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়। প্রাচীন রোমে শিশুদের প্রাচীনতম শৌচাগার ব্যবহারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়। তবে তারা প্রশিক্ষণের জন্য কোন কৌশল ব্যবহার করত সে সম্পর্কে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।[১]:৪ পরবর্তীতে, ইউরোপীয় মধ্যযুগে একটি সূত্রের মতে, "বিছানায় প্রস্রাব করার প্রতিকার হিসেবে... গুঁড়ো করা শজারু বা ছাগলের খুর সেবন এবং বিছানায় মোরগের শুকনো ঝুঁটি ছিটিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হতো।"[২]
সাম্প্রতিক সময়ে পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সাংস্কৃতিক বিশ্বাস ও অনুশীলনে ভিন্নতা দেখা গেছে। উদাহরণস্বরূপ, ১৮শ শতাব্দীর শেষের দিকে শিশুদের জননাঙ্গ ঢেকে রাখার জন্য পাতা বা লিনেন কাপড়ের (বা কিছুই না) পরিবর্তে হাতে ধোয়া যায় এমন কাপড়ের ডায়াপার ব্যবহারের চল শুরু হয়। এরপর মেকানিক্যাল ওয়াশিং মেশিনের উদ্ভাবন এবং ২০শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে একবার ব্যবহারযোগ্য বা ডিসপোজেবল ডায়াপারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এই প্রতিটি আবিষ্কারই শিশুদের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সময় ও সম্পদের ওপর চাপ কমিয়েছে এবং প্রশিক্ষণের সময়সীমা সম্পর্কে প্রত্যাশাকে বদলে দিয়েছে।[১]:৩[৩]:২১৬ এই প্রবণতা বিশ্বের সব অংশে সমানভাবে প্রকাশ পায়নি। দরিদ্র দেশগুলোতে বসবাসকারীরা সাধারণত যত দ্রুত সম্ভব প্রশিক্ষণ শুরু করে, কারণ ডিসপোজেবল ডায়াপারের মতো সুবিধাগুলোর খরচ বহন করা তাদের জন্য একটি বড় বোঝা।[৪] উন্নত দেশগুলোর দরিদ্র পরিবারগুলোও তাদের সচ্ছল প্রতিবেশীদের তুলনায় আগে প্রশিক্ষণ শুরু করার প্রবণতা দেখায়।[৫]:৪৩
২০শ শতাব্দীর পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণের ধারণার বেশিরভাগই মনঃসমীক্ষণ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। এতে মানুষের অবচেতন মনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হতো এবং প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতার কারণে পরবর্তী জীবনে সম্ভাব্য মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করা হতো। উদাহরণস্বরূপ, নৃবিজ্ঞানী জেফরি গোরার ১৯৪০-এর দশকে তৎকালীন জাপানি সমাজের চরিত্রের অনেক বৈশিষ্ট্যের কারণ হিসেবে তাদের প্রশিক্ষণের পদ্ধতিকে দায়ী করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন যে, "আগে এবং কঠোরভাবে দেওয়া পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ হলো প্রাপ্তবয়স্ক জাপানি চরিত্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক প্রভাব।"[৬][৭]:৫০–১[৮]:২০১[ক] ১৯৭০-এর দশকের কিছু জার্মান তাত্ত্বিক আবার নাৎসিবাদ এবং হলোকাস্টকে দমনমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি হওয়া কর্তৃত্ববাদী এবং দুঃখবাদী ব্যক্তিত্বের সাথে যুক্ত করেছিলেন।[১০]
২১শ শতাব্দীতে এই ধারণাগুলো অনেকাংশেই বর্জিত হয়েছে। এখন আচরণবাদের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এতে পুরস্কার এবং উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু আচরণের পুনরাবৃত্তি বাড়ানো এবং জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানের মাধ্যমে বোধগম্যতা, জ্ঞানীয় ক্ষমতা এবং ব্যক্তিগত মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।[৬][৭] মনোবিজ্ঞানী ও শিশু বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড গেসেল এবং শিশু বিশেষজ্ঞ বেঞ্জামিন স্পকের মতো লেখকরা প্রশিক্ষণের বিষয়টিকে জীববিজ্ঞান এবং শিশুর প্রস্তুতির সাথে যুক্ত করে একটি নতুন রূপ দিয়েছেন।[২]
পদ্ধতিসমূহ
[সম্পাদনা]পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণের পদ্ধতিগুলো "নিষ্ক্রিয় শিশু প্রস্তুতি" বা "প্যাসিভ চাইল্ড রেডিনেস" (প্রকৃতি-ভিত্তিক পদ্ধতি) এবং আরও "কাঠামোগত আচরণ-ভিত্তিক পদ্ধতি" (লালন-পালন বা নার্চার-ভিত্তিক পদ্ধতি)-র মধ্যে পরিবর্তিত হয়েছে। প্রথমটিতে শিশুর ব্যক্তিগত প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং দ্বিতীয়টিতে অভিভাবকদের যত দ্রুত সম্ভব একটি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা শুরু করার ওপর জোর দেওয়া হয়।[১]:৪[৩]:২১৬ জনপ্রিয় পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রাজেলটন শিশু-কেন্দ্রিক পদ্ধতি, বেঞ্জামিন স্পকের 'দ্য কমন সেন্স বুক অব বেবি অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার' বইয়ে বর্ণিত পদ্ধতি, আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স কর্তৃক সুপারিশকৃত পদ্ধতি এবং নাথান আজরিন ও রিচার্ড এম. ফক্স কর্তৃক উদ্ভাবিত "এক দিনে টয়লেট প্রশিক্ষণ" পদ্ধতি। আমেরিকান একাডেমি অব ফ্যামিলি ফিজিশিয়ানস-এর মতে, ব্রাজেলটন এবং আজরিন/ফক্স—উভয় পদ্ধতিই স্বাভাবিকভাবে বিকাশমান শিশুদের জন্য কার্যকর। তবে এ বিষয়ে প্রমাণের অভাব রয়েছে এবং কোনো গবেষণায় এই দুটি পদ্ধতির কার্যকারিতার সরাসরি তুলনা করা হয়নি।[১১] আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্সের সুপারিশগুলো মূলত ব্রাজেলটনের অনুসারী। তবে অন্তত একটি গবেষণা ইঙ্গিত দিয়েছে যে আজরিন/ফক্স পদ্ধতিটি স্পকের প্রস্তাবিত পদ্ধতির চেয়ে বেশি কার্যকর ছিল।[১১]

সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি কোনটি সে সম্পর্কে অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক মতভেদ থাকতে পারে। সফল হওয়ার জন্য শিশুর প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে একাধিক বা ভিন্ন ভিন্ন কৌশলের প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে শিক্ষামূলক উপকরণ (যেমন শিশুদের বই) ব্যবহার করা, শিশুকে শৌচাগার ব্যবহারের প্রয়োজন সম্পর্কে নিয়মিত জিজ্ঞাসা করা, অভিভাবক কর্তৃক প্রদর্শন বা কোনো ধরণের পুরস্কারের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কিছু শিশু সংক্ষিপ্ত কিন্তু নিবিড় প্রশিক্ষণে বেশি ইতিবাচক সাড়া দিতে পারে, আবার অন্যেরা দীর্ঘ সময় ধরে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে বেশি সফল হতে পারে।[১২]:১২–৩ কৌশল যাই হোক না কেন, আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স সুপারিশ করে যে অভিভাবকরা নেতিবাচক বিচার বা সমালোচনা এড়িয়ে যতটা সম্ভব সম্পৃক্ততা এবং উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে কৌশলটি প্রয়োগ করবেন।[১২]:১৮–৯
কানাডিয়ান পেডিয়াট্রিক সোসাইটি প্রশিক্ষণের কৌশলের জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রদান করে। এর মধ্যে রয়েছে:
শিশুর সহজ ব্যবহারের জন্য টয়লেট সিট অ্যাডাপ্টার, ফুট স্টুল বা পটি চেয়ার ব্যবহার করা
শিশু যখন তার মলত্যাগের প্রয়োজনের কথা জানাবে, এমনকি তা ঘটে যাওয়ার পর জানালেও, তাকে উৎসাহিত করা এবং প্রশংসা করা
শিশুর আচরণগত সংকেতগুলোর প্রতি মনোযোগী হওয়া যা তার মলত্যাগের প্রয়োজন নির্দেশ করতে পারে[১৩]
শাস্তি বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে উৎসাহ এবং প্রশংসা করাকে প্রাধান্য দেওয়া
সকল পরিচর্যাকারীদের দৃষ্টিভঙ্গিতে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা
শিশু বারবার সফল হলে সুতি আন্ডারওয়্যার বা ট্রেনিং প্যান্টে স্থানান্তরের কথা বিবেচনা করা[১৪]
সময়কাল
[সম্পাদনা]মনোবিজ্ঞানী জনি এল. ম্যাটসন যেমনটি লক্ষ্য করেছেন, শৌচাগার ব্যবহার করা একটি জটিল প্রক্রিয়া। এর মধ্যে শরীরের বিভিন্ন কাজ শনাক্ত করা এবং নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা, সঠিক পরিচ্ছন্নতা পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা, পোশাক পরা এবং খোলার প্রয়োজনীয় চপলতা এবং শৌচাগার ব্যবহারের প্রয়োজনের কথা অন্যকে জানানোর যোগাযোগ দক্ষতা অর্জন করা অন্তর্ভুক্ত।[১]:২–৩ সাধারণত এক বছর বয়সের দিকে একটি শিশু তার মলত্যাগের প্রয়োজন বুঝতে শুরু করে। প্রস্রাব বা মলত্যাগের ঠিক আগে তার আচরণের পরিবর্তন দেখে এটি বোঝা যেতে পারে। যদিও তারা প্রয়োজনটি বুঝতে পারে, তবে ১৮ মাসের কম বয়সী শিশুরা সম্ভবত মলত্যাগের সাথে জড়িত পেশিগুলো সচেতনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং তাই এই প্রশিক্ষণ শুরু করতে পারে না। অভিভাবকরা সুযোগ বুঝে তাদের শৌচাগারে বসালে তারা মলত্যাগ করতে পারে, তবে এটি সচেতন প্রক্রিয়ার পরিবর্তে একটি অনিচ্ছাকৃত প্রক্রিয়া হিসেবে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।[১২]:২৫ এটি অনেক মাস বা বছর ধরে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হবে। সাধারণত প্রথমে রাতে মলত্যাগের নিয়ন্ত্রণ আসে, তারপর দিনের বেলা নিয়ন্ত্রণ আসে এবং শেষে সাধারণত রাতে মূত্রাশয় নিয়ন্ত্রণ আসে।[১২]:২৬
প্রশিক্ষণের অনুশীলন সংস্কৃতিভেদে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মেরি অ্যান্সওয়ার্থের মতো গবেষকরা চীনা, ভারতীয় এবং আফ্রিকীয় সংস্কৃতিতে এমন পরিবারগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন যারা শিশুর জন্মের কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসের মধ্যেই প্রশিক্ষণ শুরু করেন।[১]:১–২[৩]:২১৬ ভিয়েতনামে জন্মের পরপরই প্রশিক্ষণ শুরু হয় এবং ২ বছর বয়সের মধ্যে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়।[১৫] এটি বেশ কিছু বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে, যার মধ্যে মলমূত্র সম্পর্কিত সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ, পরিচর্যাকারীদের ভূমিকা এবং মায়েদের কাজ করার প্রত্যাশা এবং সন্তান জন্মের পর তারা কত দ্রুত কাজে ফিরবেন তা অন্তর্ভুক্ত।[১৬]
১৯৩২ সালে মার্কিন সরকার সুপারিশ করেছিল যে অভিভাবকরা শিশুর জন্মের প্রায় পরপরই প্রশিক্ষণ শুরু করবেন এবং আশা করা হতো যে শিশুর বয়স ছয় থেকে আট মাস হওয়ার মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে।[খ] তবে সময়ের সাথে সাথে এটি পরিবর্তিত হয়। ২০শ শতাব্দীর শুরুতে অভিভাবকরা ১২-১৮ মাস বয়সে প্রশিক্ষণ শুরু করতেন এবং শতাব্দীর শেষার্ধে এটি গড়ে ১৮ মাসের বেশি সময়ে পৌঁছায়।[১৭] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে প্রশিক্ষণ সাধারণত ২১ থেকে ৩৬ মাসের মধ্যে শুরু হয় এবং মাত্র ৪০ থেকে ৬০% শিশু ৩৬ মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়।[১১]
আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স এবং কানাডিয়ান পেডিয়াট্রিক সোসাইটি—উভয়ই সুপারিশ করে যে, শিশু যদি আগ্রহী হয় তবে অভিভাবকরা প্রায় ১৮ মাস বয়স থেকে প্রশিক্ষণ শুরু করতে পারেন। এমন কিছু প্রমাণ রয়েছে যা নির্দেশ করে যে যেসব শিশুদের দুই বছর বয়সের পরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তাদের নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা যেমন ইউরোলজিক্যাল সমস্যা বা দিনের বেলা বিছানা ভেজানোর ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে।[১৮] খুব আগে প্রশিক্ষণ শুরু করার ফলে কোনো মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।[১৯]:৮৩ যুক্তরাজ্যের পরিবারগুলোর ওপর করা এক গবেষণায় গবেষকরা দেখেছেন যে, ২.১% শিশু ছয় মাসের আগে প্রশিক্ষণ শুরু করেছে, ১৩.৮% করেছে ৬ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে, ৫০.৪% করেছে ১৫ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে এবং ৩৩.৭% শিশু ২৪ মাস বয়সেও প্রশিক্ষণ শুরু করেনি।[১৯]:৮৩
অধিকাংশ শিশু দুই থেকে চার বছর বয়সের মধ্যে মূত্রাশয় এবং মলত্যাগের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জন করে।[১]:৩[২০][২১]:১৬২ চার বছর বয়সীরা জাগ্রত অবস্থায় সাধারণত শুকনো থাকতে পারে, তবে পাঁচ বছর বয়সী প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে একজনের মাঝেমধ্যে রাতে বিছানা ভেজানোর ঘটনা ঘটতে পারে।[২২] মেয়েরা তাদের সমবয়সী ছেলেদের তুলনায় কিছুটা কম বয়সে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার প্রবণতা দেখায় এবং প্রশিক্ষণ শুরু ও শেষ হওয়ার মধ্যবর্তী সময় সাধারণত তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে হয়।[১৪]
অসাবধানতা
[সম্পাদনা]অসাবধানতা, অর্থাৎ সাময়িক প্রস্রাব বা মল নিয়ন্ত্রণহীনতা, সাধারণত পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণের একটি স্বাভাবিক অংশ।[১৩] এটি সাধারণত কোনো গুরুতর চিকিৎসাগত সমস্যার লক্ষণ নয়। তবে যদি অসাবধানতার পাশাপাশি অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়—যেমন প্রস্রাব বা মলত্যাগের সময় ব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য, অথবা প্রস্রাবে রক্ত বা মলে রক্ত যাওয়া—তবে শিশুকে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা করানো উচিত।[২৩] নকচারনাল এনিউরেসিস, যা বিছানা ভেজানো নামেও পরিচিত, এর প্রকোপ সাত বছর বয়সীদের মধ্যে ৯.৭% এবং দশ বছর বয়সীদের মধ্যে ৫.৫% হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি কমে প্রায় ০.৫% এ পৌঁছায়।[২৪]:৪৭
জটিলতাসমূহ
[সম্পাদনা]
নির্দিষ্ট কিছু বিকাশগত, আচরণগত বা চিকিৎসাগত সমস্যা রয়েছে এমন শিশুদের অভিভাবকদের জন্য পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ বেশ কঠিন হতে পারে। অটিজম, ফিটাল অ্যালকোহল স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার, অপজিশনাল ডিফায়েন্ট ডিজঅর্ডার, অথবা অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিজঅর্ডার আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার অনুপ্রেরণার অভাব থাকতে পারে। তারা সংশ্লিষ্ট সামাজিক উৎসাহে যথাযথ সাড়া দিতে সমস্যায় পড়তে পারে, অথবা তাদের মধ্যে সংবেদনশীলতা থাকতে পারে যা শৌচাগার ব্যবহারকে তাদের কাছে অপ্রীতিকর করে তোলে।[২১]
শিশুদের মূত্রজনন তন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা থাকতে পারে। সফল প্রশিক্ষণের জন্য সেক্ষেত্রে চিকিৎসাগত মূল্যায়ন এবং অস্ত্রোপচার বা ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশুদের মূত্রাশয় এবং মল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক ধরণের অনন্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়। অন্যদিকে, দৃষ্টি বা শ্রবণশক্তিজনিত সমস্যা রয়েছে এমন শিশুদের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রশিক্ষণের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া থেরাপি বা বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজনও হতে পারে।[২০]
মলত্যাগের শৌচাগার ব্যবহারে অস্বীকৃতি তখন ঘটে যখন কোনো শিশু প্রস্রাবের জন্য প্রশিক্ষিত হলেও অন্তত এক মাস বা তার বেশি সময় মলত্যাগের জন্য শৌচাগার ব্যবহার করতে অস্বীকার করে। এটি প্রায় ২২% শিশুর ক্ষেত্রে ঘটতে পারে এবং এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলত্যাগের সময় ব্যথা হতে পারে। সাধারণত কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই এর সমাধান হয়ে যায়।[১১] শিশুরা মল আটকে রাখা বা মলত্যাগ এড়ানোর চেষ্টাও করতে পারে। এর ফলেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। কিছু শিশু লজ্জায় বা ভয়ে মল লুকিয়ে ফেলে, যা সাধারণত শৌচাগার ব্যবহারে অস্বীকৃতি এবং মল আটকে রাখার প্রবণতার সাথে সম্পর্কিত।[১১]
যদিও কিছু জটিলতা সফল নিয়ন্ত্রণ অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাড়িয়ে দিতে পারে, তবুও বেশিরভাগ শিশুকে প্রশিক্ষিত করা সম্ভব।[১]:৩[২০][২১]:১৬২ প্রশিক্ষণে ব্যর্থতার জন্য শরীরবৃত্তীয় কারণ খুব কমই দেখা যায়, ঠিক যেমন চিকিৎসার প্রয়োজনও খুব কম ক্ষেত্রেই হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, যেসব শিশু প্রশিক্ষণে হিমশিম খায় তারা মূলত এখনও মানসিকভাবে প্রস্তুত নয়।[১১][১৪]
২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যের স্কুলগুলোতে করা একটি সমীক্ষায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীরা জানিয়েছেন যে তারা শারীরিকভাবে সুস্থ কিন্তু পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণহীন স্কুলগামী শিশুদের সংখ্যা বাড়তে দেখছেন। ১৫% উত্তরদাতা জানিয়েছেন যে তারা গত এক বছরে ৫-৭ বছর বয়সী সুস্থ শিশুদের ডায়াপার পরে স্কুলে আসতে দেখেছেন। ৫% উত্তরদাতা ৭-১১ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও একই কথা জানিয়েছেন।[২৫] Kent Community Health NHS Foundation Trust-এর একজন স্বাস্থ্যকর্মী জানিয়েছেন যে তিনি ১৫ বছর বয়সী শারীরিকভাবে সুস্থ কিশোরদেরও জানেন যাদের এই প্রশিক্ষণের সমস্যা রয়েছে। বিশ্লেষকরা এর কারণ হিসেবে অভিভাবকদের সন্তানদের মৌলিক দক্ষতা শেখানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় না থাকাকে দায়ী করেছেন।[২৬]
ঝুঁকিসমূহ
[সম্পাদনা]মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০০২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগগুলোর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সবচেয়ে সাধারণ আঘাত ছিল টয়লেট সিট পড়ে যাওয়ার কারণে হওয়া আঘাত। এটি মূলত দুই থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি ঘটে। দ্বিতীয় সাধারণ আঘাত ছিল মেঝেতে পিছলে যাওয়ার কারণে। এ ধরণের সকল আঘাতের ৯৯% বাড়ির ভেতরেই ঘটেছিল।[১]:১৭৬
নিগ্রহপ্রবণ পরিবারগুলোতে, পায়খানা-প্রস্রাব প্রশিক্ষণ শিশু নির্যাতনের একটি কারণ হতে পারে। বিশেষ করে সেইসব ক্ষেত্রে যেখানে একজন অভিভাবক বা পরিচর্যাকারী মনে করেন যে শিশুটি যথেষ্ট বড় হয়েছে এবং তার ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা উচিত ছিল, কিন্তু তবুও শিশুটি মাঝেমধ্যে বিছানা বা পোশাক ভিজিয়ে ফেলছে।[২৭]:৩১১[২৮]:৫০ পরিচর্যাকারী শিশুর এই ধরণের ভুলকে ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতা হিসেবে ভুল ব্যাখ্যা করতে পারেন।[২৯]
প্রযুক্তি ও সরঞ্জামসমূহ
[সম্পাদনা]১৯৩৮ সালের প্রথম দিকেই প্রশিক্ষণের জন্য প্রথম যে প্রযুক্তিটি উদ্ভাবিত হয়েছিল তা "বেল অ্যান্ড প্যাড" নামে পরিচিত ছিল। এতে একটি সেন্সর থাকত যা রাতে শিশু বিছানা ভেজালে তা শনাক্ত করত এবং একটি অ্যালার্ম বাজাত যা মূলত ক্লাসিক্যাল কন্ডিশনিংয়ের মাধ্যমে কাজ করত। একইভাবে অন্তর্বাসে আর্দ্রতা শনাক্তকারী অ্যালার্ম সিস্টেম নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে, বিশেষ করে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে। সাম্প্রতিককালে এটি পটি তৈরিতেও প্রয়োগ করা হয়েছে, যেখানে শিশু পটি ব্যবহার করলে উৎসাহমূলক শব্দ বা উল্লাসধ্বনি শোনা যায়।[১]:১৭০–২
প্রশিক্ষণ সহজতর করতে পরিচর্যাকারীরা বিভিন্ন ধরণের অন্তর্বাস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এর মধ্যে প্রচলিত ডায়াপারের পরিবর্তে ট্রেনিং প্যান্ট অথবা প্রাপ্তবয়স্কদের মতো সাধারণ সুতি অন্তর্বাস ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। এগুলো সাধারণত প্রশিক্ষণের পরবর্তী ধাপে ব্যবহার করা হয়, শুরুতে নয়।[১]:১৭৫[৩০] সুতি অন্তর্বাস ব্যবহারের পরও যেসব শিশুর ক্ষেত্রে বারবার অসাবধানতা ঘটে, তাদের পুনরায় ডায়াপার ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।[১৪]
সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত কৌশলগুলোতে শিশুদের জন্য বিশেষায়িত পটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় এবং কেউ কেউ পুরস্কার হিসেবে খাবার বা পানীয় ব্যবহারেরও পরামর্শ দেন।[১১]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- বেবি-লেড পটি ট্রেনিং, প্রশিক্ষণের একটি পদ্ধতি
- এলিমিনেশন কমিউনিকেশন, অভিভাবক ও শিশুর যোগাযোগের একটি পদ্ধতি
- এনিউরেসিস, প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণে বারবার অক্ষমতা
- হাউসব্রেকিং, গৃহপালিত প্রাণীকে প্রশিক্ষণের প্রক্রিয়া
- ইনফ্যান্ট পটি ট্রেনিং মেথড, লরি বাউকের লেখা একটি বই ও পদ্ধতি
- ওপেন-ক্রোচ প্যান্ট, চীনের শিশুদের জন্য প্রচলিত পোশাক যা না খুলেই মলমূত্র ত্যাগের সুবিধা দেয়
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ নৃবিজ্ঞানী রুথ বেনেডিক্টও একই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানি পরিবারগুলোর প্রশিক্ষণের অভ্যাস এবং তাদের চরিত্র সম্পর্কে এই বর্ণনার ক্ষেত্রে বড় ধরণের অসংগতি দেখা যায়। কারণ তাদের এই সিদ্ধান্তগুলো মূলত মাঠ পর্যায়ের গবেষণা বা ফিল্ড স্টাডি ছাড়াই নেওয়া হয়েছিল।[৯]:১৮৬
- ↑ 'দ্য কেয়ার অ্যান্ড ফিডিং অব ইনফ্যান্টস' প্রকাশনার মূল পাঠ্য অনুসারে, "যদি পারেন, আপনার শিশুর এক মাস বয়স থেকেই প্রতিদিন সকালে চেম্বারে মলত্যাগের প্রশিক্ষণ শুরু করুন। … চেম্বারটি আপনার কোলের ওপর রাখুন … এবং শিশুকে এর ওপর ধরে রাখুন। … মলদ্বারে প্রায় দুই ইঞ্চি সাবানের কাঠি প্রবেশ করান, এটি ৩ থেকে ৫ মিনিটের জন্য সেখানে রাখুন… এই উদ্দীপনার ফলে সাধারণত মলত্যাগ হবে। আপনি যদি এটি নিয়মিতভাবে করেন, তবে সম্ভবত প্রতিদিন একটি মলত্যাগ ঘটবে।"[৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Johnny L. Matson (৪ অক্টোবর ২০১৭)। Clinical Guide to Toilet Training Children। Springer Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৩১৯-৬২৭২৫-০।
- 1 2 Nick Haslam (৭ জুন ২০১২)। Psychology in the Bathroom। Palgrave Macmillan UK। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৩০-৩৬৭৫৫-৫।
- 1 2 3 Valsiner, Jaan; van Dijk, Jan (২ ফেব্রুয়ারি ২০০০)। Culture and Human Development। SAGE Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৬১৯-৫৬৮৪-৬।
- ↑ Howard, Jacqueline (৮ নভেম্বর ২০১৭)। "বিশ্বজুড়ে যেভাবে পটি ট্রেনিং করানো হয়"। CNN। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Marcdante, Karen; Kliegman, Robert M. (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। Nelson Essentials of Pediatrics। Elsevier Health Sciences। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩২৩-২২৬৯৮-১।
- 1 2 3 Day, Nicholas (১৬ এপ্রিল ২০১৩)। "আমার শিশুকে মলত্যাগ করানোর জন্য কী করতে হবে? কত বয়সে?"। Slate। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৯।
- 1 2 Kathleen Stassen Berger (১২ মে ২০১৪)। Loose-leaf Version for Developing Person Through the Life Span: Paperbound। Worth Publishers। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৯-০২৯৪৯-৪।
- ↑ Rudolf V. A. Janssens (১৯৯৫)। "What Future for Japan?": U.S. Wartime Planning for the Postwar Era, 1942-1945। Rodopi। আইএসবিএন ৯০-৫১৮৩-৮৮৫-৯।
- ↑ Eysenck, Hans Jürgen (১৯৯১)। Decline and Fall of the Freudian Empire। Transaction Publishers। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১২৮-২১৩৭-৭।
- ↑ Herzog, Dagmar (২২ জানুয়ারি ২০০৭)। Sex after Fascism: Memory and Morality in Twentieth-Century Germany। Princeton University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০০৮-৪৩৩২-৯।
- 1 2 3 4 5 6 7 Choby, Beth A.; George, Shefaa (১ নভেম্বর ২০১৮)। "টয়লেট প্রশিক্ষণ"। American Family Physician। ৭৯ (8): ১০৫৯–১০৬৪। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৯।
- 1 2 3 4 DiMaggio, Dina। "পটি ট্রেনিং যেভাবে শুরু করবেন"। The New York Times। ৫ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৯।
- 1 2 "দ্য কমপ্লিট টয়লেট লার্নিং গাইড | দ্য সোয়েল ওয়ে"। SOEL (অস্ট্রেলীয় ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ এপ্রিল ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- 1 2 3 4 Clifford, T.; Gorodzinsky, FP (সেপ্টেম্বর ২০০০)। "টয়লেট লার্নিং: শিশু-কেন্দ্রিক পদ্ধতিতে আগাম নির্দেশিকা"। Paediatrics & Child Health। ৫ (6): ৩৩৩–৪৪। ডিওআই:10.1093/pch/5.6.333। পিএমসি 2819951। পিএমআইডি 20177551।
- ↑ Duong, T. H.; Jansson, U. B.; Hellström, A. L. (২০১৩)। "ভিয়েতনামী মায়েদের জন্মের পর থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের পটি ট্রেনিং পদ্ধতির অভিজ্ঞতা"। Journal of Pediatric Urology। ৯ (6 Pt A): ৮০৮–৮১৪। ডিওআই:10.1016/j.jpurol.2012.10.023। পিএমআইডি 23182948।
- ↑ Gottlieb, Alma (২০ নভেম্বর ২০১৭)। "পটি ট্রেনিং নিয়ে আপনার দুশ্চিন্তা দূর করবে বিশ্বের এই বিভিন্ন শিক্ষাগুলো"। PBS NewsHour। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Rogers, June (২২ অক্টোবর ২০০২)। "টয়লেট প্রশিক্ষণ: অতীত থেকে শেখার মতো কিছু?"। Nursing Times। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Kiddoo, D. A. (৮ আগস্ট ২০১১)। "শিশুদের টয়লেট প্রশিক্ষণ: কখন শুরু করবেন এবং কীভাবে করবেন"। Canadian Medical Association Journal। ১৮৪ (5): ৫১১–২। ডিওআই:10.1503/cmaj.110830। পিএমসি 3307553। পিএমআইডি 21825046।
- 1 2 Stockman, James A. III (১ জানুয়ারি ২০১১)। চাইল্ড হেলথ ইয়ার বুক ২০১১। Elsevier Health Sciences। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩২৩-০৮৭৪৬-৯।
- 1 2 3 Cocchiola, Michael A. Jr.; Redpath, Caroline C. (২০১৭)। "বিশেষ জনগোষ্ঠী: প্রতিবন্ধী শিশুদের টয়লেট প্রশিক্ষণ"। শিশুদের টয়লেট প্রশিক্ষণের ক্লিনিকাল গাইড। Autism and Child Psychopathology Series। Springer Publishing। পৃ. ২২৭–২৫০। ডিওআই:10.1007/978-3-319-62725-0_13। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৩১৯-৬২৭২৪-৩। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৯।
- 1 2 3 Wolraich, Mark; American Academy of Pediatrics (২০১৬)। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্সের টয়লেট প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা। Bantam Books। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪২৫-২৮৫৮০-০।
- ↑ "যেভাবে পটি ট্রেনিং করাবেন – আপনার গর্ভাবস্থা এবং শিশু গাইড"। National Health Service। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৯।
- ↑ "পটি ট্রেনিংয়ের সমস্যাসমূহ"। হোয়াট টু এক্সপেক্ট। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Franco, Israel; Austin, Paul; Bauer, Stuart (২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। পেডিয়াট্রিক ইনকন্টিনেন্স: মূল্যায়ন এবং ক্লিনিকাল ব্যবস্থাপনা। Wiley। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১১৮-৮১৪৭৫-৮।
- ↑ "স্কাই নিউজ ডায়াপার পরা শিক্ষার্থীদের বিষয়ে এনএফইআর টিচার ভয়েস প্যানেলকে প্রশ্ন করেছে" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। National Foundation for Educational Research। ২৮ এপ্রিল ২০১৪। ২৩ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Hirsch, Afua (২৭ এপ্রিল ২০১৪)। "পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুরা ক্লাসে ডায়াপার পরছে"। Sky News। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ Cozza, Stephen J. (৩০ মার্চ ২০১৪)। ডিজাস্টার অ্যান্ড ট্রমা, উত্তর আমেরিকার শিশু ও কিশোর মনোরোগ ক্লিনিকের একটি সংখ্যা, ই-বুক। Elsevier Health Sciences। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩২৩-২৮৯৯২-৪।
- ↑ Clark, Robin E.; Freeman Clark, Judith; Adamec, Christine A. (২০০৭)। শিশু নিগ্রহের বিশ্বকোষ। Infobase Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৬০-৭৫০৬-৫।
- ↑ "টয়লেট প্রশিক্ষণ"। American Academy of Pediatrics। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Gorski, Peter A.. (৬ জুন ১৯৯৯)। "টয়লেট প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা: পিতামাতা—প্রশিক্ষণে পিতামাতার ভূমিকা" (পিডিএফ)। Pediatrics। ১০৩ (6 Pt 2): ১৩৬২–১৩৬৩। ডিওআই:10.1542/peds.103.S3.1362। পিএমআইডি 10353955। এস২সিআইডি 29183646। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৯।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Schum, T. R.; Kolb, T. M.; McAuliffe, T. L.; Simms, M. D.; Underhill, R. L.; Lewis, M. (২০০২)। "টয়লেট প্রশিক্ষণ দক্ষতার ক্রমিক অর্জন: সাধারণ শিশুদের লিঙ্গ এবং বয়সের পার্থক্যের ওপর একটি বর্ণনামূলক অধ্যয়ন"। Pediatrics। ১০৯ (3): e৪৮। ডিওআই:10.1542/peds.109.3.e48। পিএমআইডি 11875176।
- Blum NJ, Taubman B, Nemeth N (২০০৩)। "প্রশিক্ষণ শুরুর বয়স এবং প্রশিক্ষণের স্থায়িত্বের মধ্যে সম্পর্ক: একটি সম্ভাব্য অধ্যয়ন"। Pediatrics। ১১১ (4 Pt 1): ৮১০–৪। ডিওআই:10.1542/peds.111.4.810। পিএমআইডি 12671117।
- Devries, MW; Devries, MR (১৯৭৭)। "প্রশিক্ষণ প্রস্তুতির সাংস্কৃতিক আপেক্ষিকতা: পূর্ব আফ্রিকার একটি দৃষ্টিভঙ্গি"। Pediatrics। ৬০ (2): ১৭০–৭। ডিওআই:10.1542/peds.60.2.170। পিএমআইডি 887331। এস২সিআইডি 36154293।
- Cavanagh, Sheila L. (২০১৭)। "টয়লেট প্রশিক্ষণ: বাথরুমের লিঙ্গ এবং যৌন শারীরিক রাজনীতি"। ইন্টেরিয়র কুইয়ারিং। Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮-১-০০-৩০৮৬৪৭-৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
"টয়লেট প্রশিক্ষণ"। জনস হপকিন্স স্কুল অফ মেডিসিন। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৯।