বিষয়বস্তুতে চলুন

পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের লোগো
অন্যান্য নাম
  • পিটেক
  • PTEC
প্রাক্তন নাম
-পাবনা সরকারি বুনন স্কুল(১৯১৫-১৯৮০)
-পাবনা জেলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট(১৯৮০-২০০৬)
-পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ(২০০৬-বর্তমান)
ধরনসরকারি প্রকৌশল কলেজ
স্থাপিত২০০৬; ২০ বছর আগে (2006)
মূল প্রতিষ্ঠান
বস্ত্র অধিদপ্তর
ইআইআইএন১৩৩৮০৮ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
অধ্যক্ষইঞ্জি: মো: বখতিয়ার হোসেন
শিক্ষার্থী৪৮০
ঠিকানা
শালগাড়িয়া, পাবনা

২৪°০১′১২″ উত্তর ৮৯°১৫′০০″ পূর্ব / ২৪.০২০০৮৯২° উত্তর ৮৯.২৫০০৯৫৬° পূর্ব / 24.0200892; 89.2500956
শিক্ষাঙ্গনশহরতলি
অধিভুক্তিবাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়েবসাইটhttps://ptec.college.gov.bd/
মানচিত্র

পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বাংলাদেশের পাবনা জেলায় অবস্থিত একটি স্নাতক পর্যায়ের সরকারি প্রকৌশল কলেজ[] এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটি বর্তমানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের বস্ত্র অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত একটি উল্লেখযোগ্য টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ ভারতের টেক্সটাইল প্রকৌশলীর চাহিদা মেটাতে ১৯১৫ সালে পাবনা সরকারি বুনন স্কুল নামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলার তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নর প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন। ১৯৮০ সালে ২ বছর মেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স চালু করা হয়। তখন এর নাম হয়, পাবনা জেলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট। সময়ের চাহিদা মেটাতে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে ৩ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়। ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালুর নির্দেশ দেন। তখন এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ছিল এবং নামকরণ করা হয় পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। কলেজটি বর্তমানে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এবং ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান।[][][][]

প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গন

[সম্পাদনা]

এই ক্যাম্পাসে:

  • একটি প্রশাসনিক ভবন: কলেজের প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হয় এখানে।
  • একটি একাডেমিক ভবন: পাঠদান, ক্লাসরুম, লাইব্রেরি ইত্যাদি একাডেমিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • কটন স্পিনিং ভবন
  • ওয়েট প্রোসেসিং ভবন
  • ওয়ার্কশপ ভবন: বিভিন্ন কারিগরি বা হাতে কাজের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত।
  • জুট স্পিনিং ভবন

আবাসনের জন্য:

  • ছাত্রীদের জন্য আবাসিক হল: মেয়েদের জন্য আবাসন সুবিধা।
  • ছাত্রদের জন্য দুটি আবাসিক হল: ছেলেদের জন্য দুটি আলাদা হল।
  • শিক্ষকদের জন্য আবাসিক ভবন (পদ্মা): শিক্ষক/শিক্ষিকাদের জন্য নির্দিষ্ট আবাসন।
  • কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ভবন (যমুনা): কলেজের কর্মচারীদের জন্য আবাসন।

এছাড়াও, মসজিদ: ধর্মীয় উপাসনার জন্য একটি মসজিদ রয়েছে।

এই ধরনের ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক রকম সুবিধা উপলব্ধ, যা তাদের জীবনযাত্রার জন্য সহায়ক।[]

শিক্ষা কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ৪ টি ডিপার্টমেন্টে পাঠদান করানো হয়।

কোর্সের মেয়াদ ও কাঠামো:

[সম্পাদনা]

কোর্সের মেয়াদ: ৪ বছর।প্রতিটি বছর লেভেল হিসেবে গণ্য।প্রতিটি লেভেল ২টি টার্মে বিভক্ত।মোট টার্ম ৮ টি।প্রতি টার্মে নির্দিষ্ট সংখ্যক তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক কোর্স অন্তর্ভুক্ত থাকে।এই কোর্সগুলো টেক্সটাইল শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।[]

কোর্সের ভাষা: ইংরেজি

পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর আসন সংখ্যা
বিভাগের নাম শিক্ষার্থী সংখ্যা
১.ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (Yarn Engineering) ৩০ জন
২.ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Fabric Engineering) ৩০ জন
৩.ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং (Wet Process Engineering) ৩০ জন
৪.অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং (Apparel Engineering) ৩০ জন

অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

পাঠ্য বিষয়ের ক্ষেত্রে বোর্ড এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের মতামত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। এক্ষেত্রে সকলের মেধার যোগ্যতাকেই বিবেচনা করা হয়।কলেজটিতে বর্তমানে এখানে ৫ টি ব্যাচ(১৪তম,১৫তম,১৬তম,১৭তম ও ১৮তম)অধ্যয়নরত রয়েছে এবং ১৩টি ব্যাচ(১ম,২য়,৩য়,৪র্থ,৫ম,৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম,১০ম,১১তম,১২তম,১৩তম) তাদের অধ্যয়ন সম্পন্ন করেছে।কলেজটিতে মোট ব্যাচ সংখ্যা ১৮।

অধ্যয়নরত ব্যাচ(নাম) ও শিক্ষাবর্ষ:
[সম্পাদনা]
  1. ১৪তম ব্যাচ(অর্ণিবাণ১৪)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১৯-২০
  2. ১৫তম ব্যাচ(পরিণদ্ধ১৫)- শিক্ষাবর্ষ: ২০২০-২১
  3. ১৬তম ব্যাচ(সংবর্তক১৬)- শিক্ষাবর্ষ: ২০২১-২২
  4. ১৭তম ব্যাচ(প্রত্যয়ী১৭) -শিক্ষাবর্ষ: ২০২২-২৩
  5. ১৮তম ব্যাচ(অভ্যুদয়১৮)- শিক্ষাবর্ষ: ২০২৩-২৪
অধ্যয়ন সম্পন্নকৃত ব্যাচ(নাম) ও শিক্ষাবর্ষ:
[সম্পাদনা]
  1. ১ম ব্যাচ- শিক্ষাবর্ষ: ২০০৬-০৭
  2. ২য় ব্যাচ- শিক্ষাবর্ষ: ২০০৭-০৮
  3. ৩য় ব্যাচ- শিক্ষাবর্ষ: ২০০৮-০৯
  4. ৪র্থ ব্যাচ- শিক্ষাবর্ষ: ২০০৯-১০
  5. ৫ম ব্যাচ- শিক্ষাবর্ষ: ২০১০-১১
  6. ৬ষ্ঠ ব্যাচ(অন্বয়)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১১-১২
  7. ৭ম ব্যাচ(ধ্রুবক)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১২-১৩
  8. ৮ম ব্যাচ(স্ফুরন)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১৩-১৪
  9. ৯ম ব্যাচ(নিউরন)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১৪-১৫
  10. ১০ম ব্যাচ(স্পন্দন১০)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১৫-১৬
  11. ১১তম ব্যাচ(লু্ব্ধক১১)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-১৭
  12. ১২তম ব্যাচ(স্পর্শক১২)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১৭-১৮
  13. ১৩তম ব্যাচ(উত্তরণ১৩)- শিক্ষাবর্ষ: ২০১৮-১৯

শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন

[সম্পাদনা]

প্রতি পর্ব এবং বর্ষোন্নয়ন পরীক্ষাতে ৪০ শতাংশ নম্বর পেলে ছাত্রছাত্রীরা পরবর্তী পর্বে বা বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারে। সকল পর্বে শ্রেণিকুইজ এবং বোর্ড নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী পর্বে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়।

পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর গ্রেডিং পদ্ধতি
নাম্বার শ্রেণীগ্রেড লেটারসিজিপিএ গ্রেড পয়েন্ট
৮০-১০০A+৪.০০
৭৫-৭৯A৩.৭৫
৭০-৭৪A-৩.৫০
৬৫-৬৯B+৩.২৫
৬০-৬৪B৩.০০
৫৫-৫৯B-২.৭৫
৫০-৫৪C+২.৫০
৪৫-৪৯C২.২৫
৪০-৪৪D২.০০
০০-৩৯F০.০০

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ"ptec.college.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫
  2. "টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ"বস্ত্র অধিদপ্তর (dot.gov.bd) (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫
  3. "Affiliated Colleges of Bangladesh University of Textiles - BUTEX"www.butex.edu.bd (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫
  4. প্রতিবেদক, নিজস্ব (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "৮ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি, আসন ৯৬০, ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে করুন আবেদন"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫
  5. "বিসিএস-এ টেক্সটাইলের স্বতন্ত্র ক্যাডার দাবি"banglanews24.com। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫
  6. "পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ"ptec.college.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  7. "পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ"ptec.college.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]