পানির বৈশিষ্ট্য
| |||
| নামসমূহ | |||
|---|---|---|---|
| পছন্দসই ইউপ্যাক নাম
Water | |||
| পদ্ধতিগত ইউপ্যাক নাম
Oxidane (সাধারণভাবে ব্যবহৃত নয়) | |||
অন্যান্য নাম
| |||
| শনাক্তকারী | |||
ত্রিমাত্রিক মডেল (জেমল) |
|||
| বেইলস্টেইন রেফারেন্স | 3587155 | ||
| সিএইচইবিআই | |||
| সিএইচইএমবিএল | |||
| কেমস্পাইডার | |||
| ড্রাগব্যাংক | |||
| ইসি-নম্বর |
| ||
| মেলিন রেফারেন্স | 117 | ||
| কেইজিজি | |||
পাবকেম CID |
|||
| আরটিইসিএস নম্বর |
| ||
| ইউএনআইআই | |||
| |||
| বৈশিষ্ট্য | |||
| H 2O | |||
| আণবিক ভর | 18.01528(33) g/mol | ||
| বর্ণ | প্রায় বর্ণহীন বা সাদা স্ফটিক কঠিন পদার্থ, প্রায় বর্ণহীন তরল (হালকা নীল আভাস থাকতে পারে), এবং বর্ণহীন গ্যাস | ||
| গন্ধ | গন্ধহীন | ||
| ঘনত্ব |
| ||
| গলনাঙ্ক | ০.০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৩২.০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট; ২৭৩.১৫ kelvin) | ||
| স্ফুটনাঙ্ক | ৯৯.৯৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২১১.৯৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট; ৩৭৩.১৩ kelvin) | ||
| দ্রাব্যতা | হ্যালোঅ্যালকেন, অ্যালিফ্যাটিক ও অ্যারোম্যাটিক হাইড্রোকার্বন এবং ইথারে স্বল্প দ্রবণীয়। কার্বক্সিলেট, অ্যালকোহল, কিটোন ও অ্যামাইনে দ্রাব্যতা বেশি। মিথানল, ইথানল, অ্যাসিটোন, গ্লিসারল প্রভৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিশ্রণীয়। | ||
| বাষ্প চাপ | ২৫ °C-এ 3.1690 kPa | ||
| অম্লতা (pKa) | 13.995 | ||
| Basicity (pKb) | 13.995 | ||
| অনুবন্ধী অম্ল | হাইড্রোনিয়াম (H3O+) | ||
| অনুবন্ধী ক্ষারক | হাইড্রোক্সাইড (OH−) | ||
| Thermal conductivity | 0.6065 W/(m·K) | ||
| প্রতিসরাঙ্ক (nD) | 1.3330 (২০ °C) | ||
| সান্দ্রতা | 0.890 mPa·s | ||
| গঠন | |||
| স্ফটিক গঠন | ষড়ভুজাকৃতি (বরফ) | ||
| Point group | C2v | ||
| আণবিক আকৃতি | বক্র (Bent) | ||
| ডায়াপল মুহূর্ত | 1.8546 ডেবাই | ||
| তাপ রসায়নবিদ্যা | |||
| তাপ ধারকত্ব, C | 75.385 J/(mol·K) | ||
| স্ট্যন্ডার্ড মোলার এন্ট্রোফি এস |
69.95 J/(mol·K) | ||
| গঠনে প্রমান এনথ্যাল্পির পরিবর্তন ΔfH |
−285.83 kJ/mol | ||
গিবসের মুক্ত শক্তি (ΔfG˚) |
−237.24 kJ/mol | ||
| ঝুঁকি প্রবণতা | |||
| প্রধান ঝুঁকিসমূহ | ডুবে যাওয়া, তুষারধসে আঘাত (বরফ আকারে), পানি বিষক্রিয়া | ||
| এনএফপিএ ৭০৪ | |||
| ফ্ল্যাশ পয়েন্ট | অদাহ্য | ||
| সম্পর্কিত যৌগ | |||
অন্যান্য অ্যানায়নসমূহ |
| ||
সম্পর্কিত দ্রাবক |
| ||
সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা ছাড়া, পদার্থসমূহের সকল তথ্য-উপাত্তসমূহ তাদের প্রমাণ অবস্থা (২৫ °সে (৭৭ °ফা), ১০০ kPa) অনুসারে দেওয়া হয়েছে। | |||
| তথ্যছক তথ্যসূত্র | |||
পানি (H2O) একটি মেরুকৃত অজৈব যৌগ। কক্ষ তাপমাত্রায় এটি স্বাদহীন ও গন্ধহীন একটি তরল পদার্থ। স্বভাবগত হালকা নীল আভাস ছাড়া এটি প্রায় সম্পূর্ণ বর্ণহীন। এটি এখন পর্যন্ত সর্বাধিক অধ্যয়ন করা রাসায়নিক যৌগ[১]। পানিকে প্রায়ই “সার্বজনীন দ্রাবক”[২] এবং “জীবনের দ্রাবক”[৩] হিসেবে বর্ণনা করা হয়। পৃথিবীর পৃষ্ঠে এটি সবচেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ পদার্থ[৪] এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠে বিদ্যমান একমাত্র সাধারণ পদার্থ, যা কঠিন, তরল ও গ্যাসীয়—এই তিন অবস্থাতেই পাওয়া যায়।[৫] মহাবিশ্বে পানির অণু প্রাচুর্যের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে; এর আগে রয়েছে আণবিক হাইড্রোজেন ও carbon monoxide।[৪]
পানির অণুগুলি পরস্পরের সঙ্গে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে এবং এরা প্রবলভাবে মেরুকৃত। এই মেরুকরণের ফলে পানি লবণের মধ্যে থাকা আয়নগুলোকে পৃথক করতে পারে এবং অ্যালকোহল ও অ্যাসিডের মতো অন্যান্য মেরুকৃত পদার্থের সঙ্গে বন্ধন গঠন করতে পারে, যার ফলে সেগুলি দ্রবীভূত হয়। হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণেই পানির বহু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে—কঠিন অবস্থায় এর ঘনত্ব তরল অবস্থার তুলনায় কম হওয়া, তুলনামূলকভাবে উচ্চ স্ফুটনাঙ্ক (১০০ °C), এবং এর উচ্চ তাপধারণ ক্ষমতা।
পানি একটি অ্যাম্ফোটেরিক পদার্থ। অর্থাৎ, এটি যে দ্রবণে থাকে তার pH-এর ওপর নির্ভর করে অম্ল বা ক্ষার—উভয় ধর্মই প্রদর্শন করতে পারে। এটি সহজেই H+
এবং OH−
আয়ন উৎপন্ন করে।[ক] এই অ্যাম্ফোটেরিক ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিতভাবে পানি স্ব-আয়নীভবন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। H+
ও OH−
-এর ক্রিয়াশীলতা—অথবা প্রায় সমতুল্যভাবে তাদের ঘনমাত্রার গুণফল—একটি ধ্রুবক মানের হয়। ফলে এদের ঘনমাত্রা পরস্পরের সঙ্গে বিপরীতানুপাতিক।[৬]
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ H+
দ্বারা H
3O+
(H
2O)
n এবং আরও জটিল গঠনের আয়ন বোঝানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Greenwood ও Earnshaw 1997, পৃ. 620।
- ↑ "Water, the Universal Solvent"। U.S. Department of the Interior। usgs.gov (website) (ইংরেজি ভাষায়)। United States of America: USGS। ২২ অক্টোবর ২০১৯। ১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ Reece et al. 2013, পৃ. 48।
- 1 2 Weingärtner et al. 2016, পৃ. 2।
- ↑ Reece et al. 2013, পৃ. 44।
- ↑ "Autoprotolysis constant"। IUPAC Compendium of Chemical Terminology (ইংরেজি ভাষায়)। IUPAC। ২০০৯। ডিওআই:10.1351/goldbook.A00532। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৬৭৮৫৫০-৯-৭। ২৯ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৮।
| রসায়ন বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |


