পাকিস্তান রেঞ্জার্স
| পাকিস্তান রেঞ্জার্স پاکستان رینجرز Pākistān rēnjarz | |
|---|---|
| সংক্ষেপ | PR |
| নীতিবাক্য | Ever Ready[১] |
| সংস্থা পরিদর্শন | |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৪২ (সিন্ধু রাইফেলস হিসেবে) |
| কর্মচারী | ৪০,৭৩০[২] |
| বার্ষিক বাজেট | ₨২৫.৯৫ বিলিয়ন (২০২০)[৩] |
| অঞ্চল কাঠামো | |
| যুক্তরাষ্ট্রীয় সংস্থা | পাকিস্তান |
| পরিচালনার অঞ্চল | , |
| পরিচালনা পর্ষদ | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় |
| গঠন উপকরণ |
|
| সাধারণ প্রকৃতি | |
| পরিচালনামূলক কাঠামো | |
| প্রধান কার্যালয় | |
| সংস্থার কার্যনির্বাহকগণ |
|
| মাতৃ-সংস্থা | সিভিল আর্মড ফোর্স |
| ওয়েবসাইট | |
| pakistanrangerssindh pakistanrangers | |
পাকিস্তান রেঞ্জার্স (উর্দু: پاکستان رینجرز) হল পাকিস্তানের একটি যৌথ আধাসামরিক ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী বাহিনী। এর দুটি কর্প হল পাঞ্জাব রেঞ্জার্স এবং সিন্ধু রেঞ্জার্স। ইসলামাবাদে একটি তৃতীয় কর্পস সদর দফতর আছে, তবে এটি মূলত অন্য কর্পস থেকে রাজধানীতে দায়িত্ব পালনের জন্য আনা ইউনিটগুলোকে নিয়ে গঠিত। এই দুটি কর্পস-ই "সিভিল আর্মড ফোর্সেস"-এর অংশ। প্রশাসনিকভাবে এরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অধীনে থাকলেও, এদের কমান্ড কাঠামো আলাদা এবং এরা আলাদা ধরনের ইউনিফর্ম পরে। তবে সাধারণত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসাররাই এখানে নিয়োগ পান। এদের প্রধান কাজ হলো প্রায় ২,২০০ কিলোমিটার (১,৪০০ মাইল) দীর্ঘ ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা ও নিরাপদ রাখা। তারা প্রায়ই নিয়মিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে বড় ধরনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা অভিযানে অংশ নেয় এবং অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রাদেশিক পুলিশকে সহযোগিতা করে। পাঞ্জাব রেঞ্জার্স ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স-এর সঙ্গে মিলে লাহোরের পূর্ব দিকে ওয়াঘা-আটারি সীমান্তে একটি জাঁকজমকপূর্ণ পতাকা নামানোর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্ত, যা দুই দেশই স্বীকার করে, সেটি বিতর্কিত ও কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) থেকে আলাদা। লাইন অব কন্ট্রোলের কাছেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশ ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত, যেটি দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ এলাকা। এখানেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সীমান্ত কার্যত শেষ হয়ে যায়। এই কারণে, লাইন অব কন্ট্রোল-এর নিরাপত্তা পাঞ্জাব রেঞ্জার্স নয়, নিয়মিত পাকিস্তান সেনাবাহিনী পরিচালনা করে।
আধাসামরিক "সিভিল আর্মড ফোর্সেস"-এর অংশ হিসেবে, রেঞ্জার্সদের যুদ্ধকালীন সময়ে বা যখন পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে বেসামরিক প্রশাসনকে সেনাবাহিনীর সাহায্য দেওয়া হয়, তখন সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। এর একটি উদাহরণ হলো, সিন্ধু রেঞ্জার্সকে করাচিতে মোতায়েন করা হয়েছিল অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনের জন্য। যদিও এই ধরনের মোতায়েন আনুষ্ঠানিকভাবে অস্থায়ী, কারণ প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষমতা তাদের অস্থায়ীভাবে দিতে হয়, তবু এই ক্ষমতা বারবার নবায়ন হওয়ায় এসব মোতায়েন কার্যত স্থায়ী রূপ নিয়েছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]
পাকিস্তান রেঞ্জার্সের উৎপত্তি ১৯৪২ সালে, যখন ব্রিটিশ সরকার সিন্ধুতে "সিন্ধু পুলিশ রাইফেলস (এসপিআর)" নামে একটি বিশেষ বাহিনী গঠন করে। এই বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মির অফিসাররা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সিন্ধু অঞ্চলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের দমনের জন্য এই বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল। এর সদর দপ্তর ছিল হায়দ্রাবাদ ক্যান্টনমেন্টের মিয়ানী লাইন্স পাক্কা ব্যারাকে।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর, এই বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে "সিন্ধু পুলিশ রেঞ্জার্স" রাখা হয়। ভারতের সাথে পূর্ব সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয় বিভিন্ন অস্থায়ী বাহিনীকে, যেমন পাঞ্জাব বর্ডার পুলিশ ফোর্স, বাহাওয়ালপুর স্টেট পুলিশ, খায়েরপুর স্টেট পুলিশ এবং সিন্ধু পুলিশ রেঞ্জার্সকে।
রেঞ্জার্সের কাঠামো এবং সরঞ্জাম নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনের উপযোগী না হওয়ায়, ৭ অক্টোবর ১৯৫৮ সালে এদের পুনর্গঠন করে "ওয়েস্ট পাকিস্তান রেঞ্জার্স" নাম দেওয়া হয়।[৪] ১৯৭২ সালে, পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা (বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ) এবং পাকিস্তান সরকারের আইনি কাঠামো অর্ডার ১৯৭০ এর পর, এই বাহিনীর নাম আবার পরিবর্তন করে "পাকিস্তান রেঞ্জার্স" রাখা হয় এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে লাহোরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
১৯৭৪ সালে, এই সংস্থাকে সিভিল আর্মড ফোর্সের অংশ করা হয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়, যা এখনও বহাল আছে।
১৯৮৯ সালের শেষের দিকে, সিন্ধু প্রদেশে দাঙ্গা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, ডাকাত–বিরোধী অভিযানের জন্য "মেহরান ফোর্স" নামে একটি নতুন বাহিনী গঠন করা হয়। এই আধা-সামরিক বাহিনীতে সিন্ধু রেঞ্জার্স, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তিনটি ব্যাটালিয়ন (নর্দার্ন স্কাউটস সহ) অন্তর্ভুক্ত ছিল। মেহরান ফোর্স সরাসরি পাকিস্তান রেঞ্জার্সের মহাপরিচালক (ডিজি) এর অধীনে করাচির জিন্নাহ কোর্টসে সদর দপ্তর নিয়ে কাজ করত।
এই ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে, ফেডারেল সরকার পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সিন্ধু প্রদেশে তাদের জন্য আলাদা সদর দপ্তর স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১ জুলাই ১৯৯৫ সালে, পাকিস্তান রেঞ্জার্সকে দুটি আলাদা বাহিনীতে বিভক্ত করা হয়: পাকিস্তান রেঞ্জার্স – পাঞ্জাব (পাঞ্জাব রেঞ্জার্স) এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্স – সিন্ধু (সিন্ধু রেঞ্জার্স)। ফলস্বরূপ, সিন্ধু প্রদেশে কর্মরত মেহরান ফোর্স এবং অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনীগুলিকে সিন্ধু রেঞ্জার্সের সাথে একীভূত করা হয়।[৫]
যুদ্ধকালীন দায়িত্ব
[সম্পাদনা]
পশ্চিম পাকিস্তান রেঞ্জার্স পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে একসাথে লড়াই করেছে বেশ কয়েকটি যুদ্ধে, বিশেষ করে ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালের ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধে।[৬] ১৯৭১ সালের যুদ্ধ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর, এই বাহিনীকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাকিস্তান রেঞ্জার্স হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিভিল আর্মড ফোর্সেস (সিএএফ)-এর অংশ করা হয়। তখন থেকেই, পাকিস্তান রেঞ্জার্সের মূল দায়িত্ব হলো শান্তি ও যুদ্ধকালীন সময়ে প্রতিবেশী ভারতের সাথে সীমান্ত পাহারা দেওয়া।
১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পুনর্গঠনের সময় থেকে, রেঞ্জার্স সেনাবাহিনীর স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ (এসএসজি)-এর সাথে সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে এবং অতীতের বিভিন্ন অভিযানেও সহায়তা করেছে। তাদের প্রথম অংশগ্রহণ ছিল ১৯৭৩ সালে, যখন তারা এসএসজি-এর কমান্ডে ইরাকি দূতাবাসে অভিযানে স্থানীয় পুলিশের সাথে কাজ করে। ১৯৯২ সালে, করাচিতে শান্তি বজায় রাখতে সিন্ধু রেঞ্জার্স ব্যাপকভাবে মোতায়েন করা হয়। সিন্ধু পুলিশ ও রেঞ্জার্স সেনাবাহিনীর নির্দেশে এমকিউএম-এর বিরুদ্ধে অপারেশন ক্লিন আপ চালায়। সেনাবাহিনীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধেও তারা যুদ্ধ করে। ২০০৭ সালে, রেঞ্জার্স, সেনা ও এসএসজি কমান্ডোরা ইসলামাবাদের লাল মসজিদে তালিবান বাহিনীর বিরুদ্ধে অপারেশন সাইলেন্স-এ অংশ নেয়। এই সংঘাত শুরু হয় যখন তালিবান যোদ্ধারা পাঞ্জাব রেঞ্জার্সের পাহারায় থাকা পরিবেশ মন্ত্রণালয় ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর তারা একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা করে চীনা নার্সদের অপহরণ করে এবং লাল মসজিদে নিজেদের আটকে রাখে।[৭] ২০০৯ সালে, রেঞ্জার্স এসএসজি-এর সাথে লাহোরে মানাওয়ান পুলিশ একাডেমিতে তালিবানের ১২ সন্ত্রাসীর হামলার বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নেয়। এই অভিযানে ৮ সন্ত্রাসী নিহত ও ৪ জন আটক হয়।[৮] একই বছর, তালিবানরা বুনের, লোয়ার দির, সোয়াত ও শাংলা দখল করলে ইসলামাবাদের সীমানা সুরক্ষায় পাঞ্জাব রেঞ্জার্স মোতায়েন করা হয়। পরে তারা আর্মির অপারেশন ব্ল্যাক থান্ডারস্টর্ম-এ অংশ নেয়।[৯]
দায়িত্ব
[সম্পাদনা]
পাকিস্তান রেঞ্জারদের মূল কাজ ভারতের সাথে সীমান্ত পাহারা দেওয়া। এর পাশাপাশি, তারা দেশের ভেতরে নিরাপত্তা বজায় রাখে এবং পাকিস্তানের একটি প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবেও কাজ করে। তবে সাধারণ পুলিশের মতো তাদের গ্রেফতারের ক্ষমতা নেই—কেবলমাত্র দেশ চরম সংকটে সাময়িকভাবে তাদের এই অধিকার দিলে তা প্রযোজ্য হয়। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে তাদের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে অপরাধ ঠেকানো, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং শক্তিশালী বাহিনী ব্যবহার করে সংগঠিত অপরাধ দমন করা। কোনো অভিযানের সময় রেঞ্জাররা যেসব সন্দেহভাজনকে আটক করে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে তাদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করে দেওয়া হয়। একই কারণে সরকার সাময়িকভাবে ফ্রন্টিয়ার কোর-এর মতো অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীকেও এমন ক্ষমতা দেয়।
রেঞ্জাররা ইসলামাবাদসহ সকল বড় শহরে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্বেও থাকে। অতীতে তারা উচ্চপ্রোফাইল সন্ত্রাসীদের কারাগারে পাহারা দিত, তবে পরে এই দায়িত্ব থেকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।[১০]
ইসলামাবাদ, করাচি ও লাহোরে বড় ধরনের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রেঞ্জারদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ ও অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা বেড়ে যাওয়ায় সিন্ধু ও পাঞ্জাব প্রদেশে শৃঙ্খলা রক্ষায় এই বাহিনী এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Sandhu, Ijaz (৬ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "Valiant Punjab Rangers in 65 War"। The Nation (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০২৪।
- ↑ Waseem, Zoha (২০২২)। "5: The other brother. A contested policing partnership."। Insecure Guardians: Enforcement, Encounters and Everyday Policing in Postcolonial Karachi। Oxford University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৭৬৮৮৭৩-১। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Federal Budget 2020–2021: Details of demands for grants and appropriations" (পিডিএফ)। National Assembly of Pakistan। পৃ. ২৫৩১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২২।
- 1 2 "Pakistan Rangers Ordinance, 1959"। 1959-এর Ordinance নং. XIV। ১৫ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০২০।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|website=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Pejek, Igor। Ljubic, Jovana (সম্পাদক)। "Pakistan Rangers" (পিডিএফ)। Strelok Analysis। ২৭ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Pakistan Army Rangers (Punjab)"। Pakistan Army। Inter Services Public Relations। ২০০৯। ২৪ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "102 killed in Lal Masjid operation, Sherpao"। Geo TV। ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "How Pakistan academy attack started"। BBC News। ৩০ মার্চ ২০০৯।
- ↑ Roggio, Bill (২৪ এপ্রিল ২০০৯)। "Rangers deployed to secure Islamabad outskirts"। The Long War Journal। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১১।
- ↑ Asghar, Mohammad (১৭ ডিসেম্বর ২০১৫)। "Punjab withdraws Rangers from guard duties"। Dawn।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| External video | |
|---|---|
- Official Web Portal of Pakistan Rangers (Sindh) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে
- Pakistan Rangers (Punjab)[অধিগ্রহণকৃত!] "Under Construction"
- Pakistan Rangers (Punjab)