বিষয়বস্তুতে চলুন

পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দ্বিতীয় পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন

← ১৯৪৭ ২১ জুন ১৯৫৫ (1955-06-21) ১৯৬২ →
← প্রথম পাকিস্তান গণপরিষদ সদস্যদের তালিকা
দ্বিতীয় পাকিস্তান গণপরিষদ সদস্যদের তালিকা →

পাকিস্তান গণপরিষদের ৭২ আসন
সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ৩৭টি আসন
তালিকাবদ্ধ ভোটার৪০৪
  প্রথম দল দ্বিতীয় দল তৃতীয় দল
 
Pakistani Prime Minister Bogra with Eisenhower (cropped).png
A k fazlul hoque.jpg
H S Suhrawardy PM.jpg
নেতা মোহাম্মদ আলী বগুড়া এ কে ফজলুল হক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
দল লীগ যুক্তফ্রন্ট আঃ লীঃ
নেতা হন ১৯৫৩ ১৯৫৪ ১৯৫০
পূর্ববর্তী আসন ৫৯ নতুন নতুন
আসনপ্রাপ্তি ২৫ ১৬ ১২
আসন পরিবর্তন হ্রাস ৩৪ বৃদ্ধি ১৬ বৃদ্ধি ১২

পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রী

মোহাম্মদ আলী বগুড়া
লীগ

নতুন প্রধানমন্ত্রী

চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
লীগ–যুক্তফ্রন্ট

২১ জুন ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানের সবগুলো প্রদেশের আইনসভার সদস্যদের ভোটে পাকিস্তানের দ্বিতীয় গণপরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন পরবর্তী নির্বাচিত গণপরিষদ ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল যা অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মির্জার সামরিক শাসন জারি হওয়ার পর বিলুপ্ত করা হয়।[১][২][৩]

২৪ অক্টোবর ১৯৫৪ সালে গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মুহাম্মদ প্রথম গণপরিষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করায় ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান অধিরাজ্যে গণপরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যা দেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। এই নির্বাচন পরোক্ষভাবে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের দ্বারা সম্পন্ন হয়েছিল। পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক রাজনৈতিক দল এতে অংশ নেয়।

দেশটির প্রতিষ্ঠাতা দল হিসেবে পাকিস্তান মুসলিম লীগ পশ্চিমের প্রদেশগুলোতে উল্লেখযোগ্য আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তবে পূর্বাঞ্চলে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ এবং যুক্তফ্রন্টের মতো পূর্ববঙ্গ ভিত্তিক দলগুলো আসন জেতায় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়। নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায় পাকিস্তান মুসলিম লীগ ও যুক্তফ্রন্ট কোয়ালিশন সরকার গঠন করে। এর ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত দ্বিতীয় গণপরিষদ ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন করে যা দেশকে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করে।

পটভূমি

[সম্পাদনা]
১৯৫৪ সালের আইনসভা নির্বাচনের পর পূর্ববঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় যুক্তফ্রন্ট প্রদেশটিতে তৃতীয় হক মন্ত্রিসভা গঠন করে।

১৯৪৭ সালে গণপরিষদ নির্বাচনে ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোর আইনসভার মুসলিম সদস্যদের ভোটে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়। তবে পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর ১৯৫১ সালে পশ্চিম পাঞ্জাবে ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে, ১৯৫৩ সালে সিন্ধুতে এবং ১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গে আইনসভা নির্বাচনের ফলে প্রাদেশিক সদস্যদের তালিকায় পরিবর্তন আসে।[৪] তিনটি প্রদেশে পাকিস্তান মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পূর্ববঙ্গ ব্যতিক্রম ছিল, যেখানে চারদলীয় জোট যুক্তফ্রন্ট[ক] অধিকাংশ আসন অর্জন করেছিল।[৬] ফলশ্রুতিতে পশ্চিম পাঞ্জাব ও সীমান্ত প্রদেশের আইনসভা নতুন নির্বাচিত প্রাদেশিক সদস্য দ্বারা গণপরিষদ সদস্যদের প্রতিস্থাপনের দাবি করে এবং পূর্ববঙ্গ আইনসভা গণপরিষদ বিলুপ্ত করে নতুন গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সদস্যদের প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব করে।[৪]

৮ এপ্রিল ১৯৫৪ সালে গণপরিষদে খান আবদুল গাফফার খান গণপরিষদ বিলুপ্ত করে পূর্ববঙ্গ আইনসভার নতুন সদস্যদের পরবর্তী গণপরিষদে নেওয়ার দাবি জানালে পাকিস্তান মুসলিম লীগের সদস্যরা বিরোধিতা করে। অন্যদিকে দলটির নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বগুড়া নিজের পদ বাঁচাতে গণপরিষদে পূর্ববঙ্গের নতুন প্রাদেশিক সদস্যদের থেকে গণপরিষদ সদস্য নির্বাচিত করার বিরুদ্ধে ছিলেন।[৪] একই সময়ে উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার দরুন জাতীয় রাজনীতিতে পূর্ববঙ্গের আধিপত্য বিস্তারের ক্ষমতা থাকায় রাজনীতিবিদদের মাঝে এক ইউনিট ব্যবস্থা নিয়ে বিবাদ চলছিল। বাঙালি–পাঞ্জাবি বিতর্ক সংবিধান তৈরির প্রক্রিয়াকে স্থিমিত করে দিচ্ছিলো।[৭]

২৪ অক্টোবর ১৯৫৪ সালে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছায় যখন গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মুহাম্মদ গণপরিষদ বিলুপ্ত করে, মূলত তখন গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে এনে তার যেকোনো সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদের উপর নির্ভরশীল করে এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে একটি আইন গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার ফলে তিনি গণপরিষদ বিলুপ্ত করেন। গৃহীত আইনটিতে গভর্নর জেনারেল কর্তৃক গণপরিষদ বিলুপ্ত করার ক্ষমতা রহিত করা হয়েছিল।[৪] গভর্নর জেনারেল গণপরিষদের জন্য নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের নির্দেশ দেন।[৮] গণপরিষদ বিলুপ্তির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতে গণপরিষদের সভাপতি মৌলভি তমিজউদ্দিন খান একটি মামলা করেন।[৪]

হঠাৎ গণপরিষদ বিলুপ্ত করায় স্বল্প সময়ের মধ্যে কীভাবে গণপরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে অস্পষ্টতা দেখা দেয়। অন্যদিকে পাকিস্তানের সংবিধান তখনো কার্যকর না হওয়ায় এবং ভারতীয় স্বাধীনতা আইনে গণপরিষদ নির্বাচন সম্পর্কিত কোন ধারা না থাকায় সরকারকে আইনি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং প্রত্যক্ষ নির্বাচন অসম্ভব হয়ে পড়ে।[খ] তাই গভর্নর জেনারেল একটি পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সম্মেলন আহ্বানের ঘোষণা করে।[৪] ১০ মে ১৯৫৫ সালে[১০] সর্বোচ্চ আদালত আইন কার্যকরের ক্ষেত্রে গভর্নর জেনারেলের সিদ্ধান্ত প্রয়োজনীয় ঘোষণা করে মৌলভি তমিজউদ্দিন খানের মামলা খারিজ করে দেয়।[৪] আদালত রায় দেয় যে গণপরিষদ ভেঙ্গে দেওয়ার ক্ষমতা গভর্নর জেনারেলের আছে, তবে সংবিধান সম্মেলন নামে কোনো সংস্থা তৈরির সুযোগ নেই।[১০] আদালত সরকারকে পরবর্তী গণপরিষদের জন্য নির্বাচন আয়োজন করার নির্দেশ দেয়।[১১] ২২ মে ১৯৫৫ সালে গভর্নর জেনারেল ১৯৪৯ সালের গণপরিষদ আইন বৈধকরণ এবং গণপরিষদের আসন বৃদ্ধি ও পুনর্বিন্যাস করেন।[১২] ২৮ মে ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় গণপরিষদ নির্বাচনের তারিখ ২১ জুন ১৯৫৫ সাল ঘোষিত হয়।[১৩]

মনোনয়ন

[সম্পাদনা]

পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে পাকিস্তান মুসলিম লীগের অনুমোদিত ৩০ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে পশ্চিম পাঞ্জাবে ফিরোজ খান নুনের নেতৃত্বে একটি বিদ্রোহী অংশ একই দলীয় নামে নির্বাচনে অংশ নেয়। অন্যদিকে উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে দলের বিরুদ্ধে খান আবদুল কাইয়ুম খান বিদ্রোহী প্রার্থী হন, পাশাপাশি আমিনুল হাসানাতের[গ] নেতৃত্বে প্রদেশটিতে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেয়।[১৪] যদিও পরবর্তীতে দলটির প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে।[১৫] পশ্চিম পাঞ্জাব থেকে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সদস্য মিয়া আবদুল বারী স্বতন্ত্র রাজনীতিবিদ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।[১৬] বেলুচিস্তানে পাকিস্তান মুসলিম লীগের খান আবদুল জব্বার খানের বিপরীতে শাহী জির্গার (উপজাতি প্রধানদের মহাসভা) বিরোধীদলীয় নেতা সরদার মোহাম্মদ আনোয়ার জান খেতরান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন।[১৭]

পূর্ববঙ্গে গণপরিষদের জন্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে এ কে ফজলুল হককে প্রধান করে যুক্তফ্রন্টের সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। ঐক্যজোটটি প্রাদেশিক আইনসভা বহির্ভূত ব্যক্তিদের প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।[১৮] এছাড়া পাকিস্তান মুসলিম লীগ প্রদেশটিতে নির্বাচনী প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ১২ জুন সংসদীয় কমিটির বৈঠক আহ্বান করে।[১৯] অন্যদিকে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের তালিকা নিয়ে প্রাদেশিক নেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও কেন্দ্রীয় নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাঝে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়।[২০] যুক্তফ্রন্ট থেকে মোট ২৬ জন ও নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ থেকে মোট ১৮ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পূর্ববঙ্গ থেকে শুধু পাকিস্তান মুসলিম লীগের মোহাম্মদ আলী বগুড়া প্রার্থী হয়েছিলেন।[২১]

ফলাফল

[সম্পাদনা]
নির্বাচনে আসন সংখ্যা অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর অংশ
  1. লীগ (৩৪.৭২%)
  2. যুক্তফ্রন্ট (২২.২২%)
  3. আঃ লীঃ (১৬.৬৬%)
  4. কংগ্রেস (৫.৫৫%)
  5. লীগ (নুন) (৪.১৬%)
  6. তফসিলী (৪.১৬%)
  7. ইউপিপি (২.৭৭%)
  8. স্বতন্ত্র (৯.৭২%)

২১ জুন ১৯৫৫ সালে পশ্চিম পাঞ্জাব থেকে পাকিস্তান মুসলিম লীগের ১২, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নুন)-এর ২ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১ প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।[২২] পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে ১০৪ জন প্রাদেশিক আইনসভা সদস্যদের দুই দফায় প্রদত্ত অগ্রাধিকার ভোটের ভিত্তিতে ঘোষিত ২৬ জনের মধ্যে ২১ জন পাকিস্তান মুসলিম লীগের সদস্য ছিলেন। নির্বাচিতদের মধ্যে কেন্দ্রীয় রাজধানী অঞ্চল থেকে ১, সিন্ধু থেকে ৫, পশ্চিম পাঞ্জাব থেকে ১৫, সীমান্ত থেকে ৪ এবং বেলুচিস্তান থেকে ১ জনকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। পাকিস্তান মুসলিম লীগ কেন্দ্রীয় রাজধানী অঞ্চল, সিন্ধু, বেলুচিস্তান ও সীমান্তের সবগুলো মুসলিম আসন জিতে নেয়।[২৩] প্রাথমিক ফলাফলে পশ্চিম পাঞ্জাবের আরও ৬ জন নির্বাচিত সদস্যের নাম অনুপস্থিত ছিল এবং ২২ জুনে সেই নামগুলো প্রকাশ করা হয়। ৬ জনের মধ্যে ৩ জন পাকিস্তান মুসলিম লীগের ছিল।[২৪][২৫]

একই দিনে পূর্ববঙ্গ থেকে ৩০০ প্রাদেশিক আইনসভা সদস্যের ভোটে যুক্তফ্রন্টের ১৬, নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের ১২, পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেসের ৪, পূর্ববঙ্গ তফসিলী জাতি ফেডারেশনের ৩, সম্মিলিত প্রগতিবাদী দলের ২, স্বতন্ত্র ২ এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগের ১ প্রার্থীর নাম ঘোষিত হয়।[২৬] নির্বাচনে পাকিস্তান মুসলিম লীগের ২৫, যুক্তফ্রন্টের ১৬, নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের ১২, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নুন)-এর ৩, পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেসের ৪, সম্মিলিত প্রগতিবাদী দলের ২, পূর্ববঙ্গ তফসিলী জাতি ফেডারেশনের ৩ এবং ৭ স্বতন্ত্র রাজনীতিবিদ সহ মোট ৭৬ সদস্য নির্বাচিত হয়।[২৫] নির্বাচনে শুধু কেন্দ্রীয় রাজধানী অঞ্চলের সদস্য করাচি মিউনিসিপ্যাল কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হয়েছিল এবং বাকি সদস্যরা প্রাদেশিক সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হয়।[২৭][২৮]

দলভোট%আসন
পাকিস্তান মুসলিম লীগ২৫
যুক্তফ্রন্ট১৬
নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ১২
পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস৪
পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নুন)৩
পূর্ববঙ্গ তফসিলী জাতি ফেডারেশন৩
সম্মিলিত প্রগতিবাদী দল২
স্বতন্ত্র৭
মোট৭২
নিবন্ধিত ভোটার/ভোটদান৪০৪–
উৎস: দৈনিক আজাদ[২৫]

নির্বাচিত সদস্য

[সম্পাদনা]
অঞ্চল বিজয়ী দল
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ আবদুর রশীদ খান লীগ
মিয়া জাফর শাহ লীগ
জালাল বাবা লীগ
এম আর কায়ানী লীগ
কেন্দ্রীয় রাজধানী অঞ্চল ইউসুফ হারুণ লীগ
পশ্চিম পাঞ্জাব চৌধুরী মোহাম্মদ আলী লীগ
ইস্কান্দার মির্জা লীগ
সৈয়দ আবিদ হোসেন শাহ লীগ
সরদার আমীর আজম খান লীগ
মোশতাক আহমেদ গুরমানি লীগ
মাখদ মহিউদ্দিন লীগ
চৌধুরী মোহাম্মদ হোসেন সাত্তা লীগ
সুফী আবদুল হামিদ লীগ
সৈয়দ আলমদার হোসেন জিলানী লীগ
আবদুল হামিদ খান দস্তি লীগ
চৌধুরী আজিজ উদ্দিন লীগ
মিয়া মুমতাজ দৌলতানা লীগ
ইফতেখার হুসাইন খান মামদুত লীগ
মালিক আমির মোহাম্মদ খান লীগ
চৌধুরী আবদুল গণি গুমান লীগ
ফিরোজ খান নুন লীগ (নুন)
মোজাফফর আলী খান কিজিলবাশ লীগ (নুন)
বালাখ শের মজারী লীগ (নুন)
সিসিল এডওয়ার্ড গিবন স্বতন্ত্র
মিয়া ইফতেখার উদ্দিন স্বতন্ত্র
মিয়া আবদুল বারী স্বতন্ত্র
পূর্ববঙ্গ মোহাম্মদ আলী বগুড়া লীগ
এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট
আতহার আলী যুক্তফ্রন্ট
হামিদুল হক চৌধুরী যুক্তফ্রন্ট
ইউসুফ আলী চৌধুরী যুক্তফ্রন্ট
আব্দুল লতিফ বিশ্বাস যুক্তফ্রন্ট
মাহফুজুল হক যুক্তফ্রন্ট
নুরুল হক চৌধুরী যুক্তফ্রন্ট
মাহমুদ আলী যুক্তফ্রন্ট
আবদুস সাত্তার যুক্তফ্রন্ট
আব্দুল ওহাব খান যুক্তফ্রন্ট
আব্দুল করিম যুক্তফ্রন্ট
আব্দুল আলীম যুক্তফ্রন্ট
সৈয়দ মিসবাহউদ্দিন হুসেন যুক্তফ্রন্ট
লুৎফর রহমান খান যুক্তফ্রন্ট
আদেল উদ্দিন আহমেদ যুক্তফ্রন্ট
ফরিদ আহমদ যুক্তফ্রন্ট
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আঃ লীঃ
আতাউর রহমান খান আঃ লীঃ
আবুল মনসুর আহমেদ আঃ লীঃ
শেখ মুজিবুর রহমান আঃ লীঃ
শেখ জহিরউদ্দিন আঃ লীঃ
নুরুর রহমান আঃ লীঃ
এ এইচ দিলদার আহমদ আঃ লীঃ
মোসলেম আলী মোল্লা আঃ লীঃ
আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ আঃ লীঃ
আবদুর রহমান খান আঃ লীঃ
মোজাফফর আহমদ আঃ লীঃ
মোহাম্মদ আবদুল খালেক আঃ লীঃ
বসন্ত কুমার দাস কংগ্রেস
ভূপেন্দ্র কুমার দত্ত কংগ্রেস
কান্তেশ্বর বর্মন কংগ্রেস
পিটার পল গোমেজ কংগ্রেস
শৈলেন্দ্র কুমার সেন ইউপিপি
কামিনী কুমার দত্ত ইউপিপি
রস রাজ মন্ডল তফসিলী
গৌরচন্দ্র বালা তফসিলী
অক্ষয় কুমার দাস তফসিলী
ফজলুর রহমান স্বতন্ত্র
সরদার ফজলুল করিম স্বতন্ত্র
বেলুচিস্তান খান আবদুল জব্বার খান স্বতন্ত্র[ঘ]
সিন্ধু এম এ খুরো লীগ
আলী মোহাম্মদ রাশদী লীগ
গোলাম আলী খান তালপুর লীগ
মওলা বখশ সোমরু লীগ
শিরোমাল কৃপাল দাস স্বতন্ত্র

প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক

[সম্পাদনা]
পাঞ্জাবি রাজনীতিবিদ ফিরোজ খান নুনের মতে এই নির্বাচনের ভোটদান ছিল "গেস্টাপো পদ্ধতির"।

যুক্তফ্রন্ট নেতা এ কে ফজলুল হক সংবিধান সম্মেলনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রাদেশিক আইনসভা সদস্যদের ভোটে নতুন গণপরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছিলেন।[২৯] এ কে ফজলুল হককে সংবিধান সম্মেলনের জন্য রাজি করানোর উদ্দেশ্যে ঢাকায় করাচী মিশন পাঠানো হলেও তা ব্যর্থ হয়। নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের নেতা ও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আশঙ্কা প্রকাশ করে তখন বলেছিলেন যে যুক্তফ্রন্টের কারণে সংবিধান সম্মেলন গঠন ব্যর্থ হলে ফলস্বরূপ পাকিস্তানে সেনাশাসন বা সশস্ত্র বিপ্লব ঘটবে।[৩০] তার বক্তব্যের পর যুক্তফ্রন্ট হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান খান, শেখ মুজিবুর রহমান এবং আবুল মনসুর আহমেদকে যুক্তফ্রন্ট থেকে বহিষ্কার করে।[৩১]

অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের নেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং উর্দু ও বাংলায় রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সংবিধান লেখার শর্তে সংবিধান সম্মেলন মেনে নেন।[৩২] পরবর্তীতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর আশ্বাসে দলটি সংবিধান সম্মেলন গঠনে শর্তহীন সম্মতি জানায়।[৩৩] ১৭ মে ১৯৫৫ সালে যুক্তফ্রন্টের এ কে ফজলুল হক নির্বাচনের জন্য প্রদেশব্যাপী প্রচারণা কার্যক্রমের ঘোষণা দেয়।[৩৪] রাজনীতিবিদ ফিরোজ খান নুন গণপরিষদের নির্বাচনের পদ্ধতিকে "গেস্টাপো পদ্ধতি" আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন সর্বোচ্চ আদালত ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষা নিশ্চিতের জন্য নির্দেশ দিলেও এই নির্বাচনে ব্যালটের গোপনীয়তা নেই এবং কে কাকে ভোট দিচ্ছেন তা জানা যাবে।[৩৫] হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দাবি করেছিলেন যে পশ্চিম পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এবং বাহাওয়ালপুর রাজ্যে আইনসভা নির্বাচনের ফলাফলে কারচুপি হয়েছে, যার ফলে গণপরিষদে পশ্চিমাঞ্চলের পাকিস্তান মুসলিম লীগ সদস্যগণ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেনা।[৩৬]

উত্তরপ্রভাব

[সম্পাদনা]
১৯৫৬-এর পাকিস্তানের সংবিধান

নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়।[৩৭] নির্বাচন পরবর্তীকালে পাকিস্তান মুসলিম লীগের নেতা মোহাম্মদ আলী বগুড়া যুক্তফ্রন্টের সাথে কোয়ালিশন সরকার গঠনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন।[৩৮] কিন্তু যুক্তফ্রন্টের প্রদত্ত শর্তগুলো পাকিস্তান মুসলিম লীগ মানতে আপত্তি করায় কোয়ালিশন প্রচেষ্টা ব্যর্থতার দিকে যেতে থাকে। অন্যদিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে প্রধানমন্ত্রী করার শর্তে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ কোয়ালিশন সরকার গঠনে প্রাথমিকভাবে সম্মতি জ্ঞাপন করে।[৩৯] জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পূর্ববঙ্গের রাজনৈতিক নেতাদের গ্রহণ করা এবং প্রদেশটিতে গভর্নরের শাসন প্রত্যাহারের শর্তে পাকিস্তান মুসলিম লীগকে সমর্থন করার জন্য পশ্চিম পাঞ্জাবের পার্বত্য নগরী মারীতে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ ও যুক্তফ্রন্ট সমঝোতায় আসে।[ঙ][৩৭] একই মাসের ৭ তারিখে শহরটিতে গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয়।[৪০] পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, পূর্ববঙ্গ তফসিলী জাতি ফেডারেশন ও সম্মিলিত প্রগতিবাদী দল সমর্থন প্রদান করার ফলে গণপরিষদে যুক্তফ্রন্টে মোট সমর্থন ২৫ জনে এসে দাঁড়ায়।[৪১]

৭ আগস্ট ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান গণপরিষদে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীকে পাকিস্তান মুসলিম লীগের নতুন সংসদীয় নেতা নির্বাচিত করার পর মোহাম্মদ আলী বগুড়া প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।[৪২] তখন ত্রিদলীয় কোয়ালিশন গঠনের একটি প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল এবং তাতে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কোন দৃশ্যমান আপত্তি ছিল না।[৪৩][চ] কিন্তু পরে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ায় ১১ আগস্ট ১৯৫৫ সালে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে কেন্দ্রে মুসলিম লীগ ও যুক্তফ্রন্টের কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠিত হয় যা ছিল দেশটির ইতিহাসের সর্বপ্রথম কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা।[৪৫] গণপরিষদে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বিরোধীদলীয় নেতা হন।[৩৬] ৫ মার্চ ১৯৫৬ সালে একটি পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন যিনি এর আগে দেশটির গভর্নর জেনারেল ছিলেন।[৪৬] ২৩ মার্চ ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয় এবং ব্রিটিশদের এই অধিরাজ্য একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। একই দিনে ইস্কান্দার মির্জা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।[৪৭] তারপর কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করা থেকে বিরত থাকে এবং প্রশাসনের সাহায্যে গণতন্ত্রের মুখোশ পরে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান শাসন করে। এরপর ইস্কান্দার মির্জার নির্দেশে সামরিক শাসন জারি হয় এবং সরকার ও সংসদ বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।[১][২]

মন্ত্রিসভার তালিকা

[সম্পাদনা]
নতুন কোয়ালিশন সরকারের প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী মোহাম্মদ আলী।

১১ আগস্ট ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রারম্ভিক গঠন নিম্নে দেওয়া হল:[৪৮]

কার্যভারমন্ত্রীদায়িত্ব  গ্রহণদায়িত্ব  ত্যাগদল
পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ, অর্থ, দেশরক্ষা ও অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ লীগ
যোগাযোগ ও সীমান্ত এলাকা বিষয়ক মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫১৪ অক্টোবর ১৯৫৫ লীগ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫৯ মার্চ ১৯৫৬ যুক্তফ্রন্ট
শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ স্বতন্ত্র
শিক্ষা ও কাশ্মীর বিষয়ক মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫১৪ অক্টোবর ১৯৫৫ লীগ
স্বাস্থ্য ও আইন মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ সম্মিলিত প্রগতিবাদী দল
শ্রম, পূর্ত ও সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ যুক্তফ্রন্ট
প্রচার ও বেতার মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫২৯ আগস্ট ১৯৫৬ লীগ
খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়১১ আগস্ট ১৯৫৫১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ যুক্তফ্রন্ট
অর্থ অধিদপ্তর১১ আগস্ট ১৯৫৫১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ যুক্তফ্রন্ট
শরনার্থী, পুনর্বাসন ও সংসদ বিষয়ক অধিদপ্তর১১ আগস্ট ১৯৫৫১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ লীগ

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ এটি পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, গণতন্ত্রী দল, কৃষক শ্রমিক পার্টি ও নেজামে ইসলাম পার্টি নিয়ে গঠিত ছিল। পরবর্তীতে গণতন্ত্রী দল ও পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ জোট থেকে সরে যায়।[৫]
  2. ↑ এছাড়া আইনে গণপরিষদের সময়কাল ও বিলুপ্ত করার উপায় উল্লেখ করা ছিল না।[৯]
  3. ↑ মানকী শরীফের পীর নামে পরিচিত।
  4. ↑ তিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগের সদস্য হলেও নির্বাচনে স্বতন্ত্র হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
  5. ↑ এর নাম ছিল মারী চুক্তি।[৩৭]
  6. ↑ যদিও তখন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলটির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান কোয়ালিশনের জন্য তিনটি শর্ত ঘোষণা করেছিলেন: সোহরাওয়ার্দীকে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে, পূর্ববঙ্গের আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন ও যৌথ নির্বাচকমণ্ডলী এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা।[৪৪]

উদ্ধৃতি

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 আওয়ান, সাজিদ এম (২০১৪)। "Elections, Political Parties and Political Development in the Punjab: 1947-1988"। পাকিস্তান জার্নাল অফ সোশ্যাল সায়েন্স (ইংরেজি ভাষায়)। ৩৪ (২)। বাহাউদ্দিন জাকারিয়া বিশ্ববিদ্যালয়: ৪৫৩।
  2. 1 2 Salahuddin Ahmed (২০০৪)। Bangladesh: past and present। APH Publishing। পৃ. ১৫১–১৫৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৬৪৮-৪৬৯-৫।
  3. ↑ সোহেল ২০১২, পৃ. ৮২।
  4. 1 2 3 4 5 6 7 কোকাব, রিজওয়ান উল্লাহ; শাহ, আলী শান; আজিজ, তারিক (২০২০)। "Second Constituent Assembly of Pakistan: Politics for Dissolution of Former Assembly and Electoral Regulations for New Assembly"। স্যার সৈয়দ জার্নাল অফ এডুকেশন অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (ইংরেজি ভাষায়)। ৩ (৩): ৪৯–৫৭। ডিওআই:10.36902/sjesr-vol3-iss3-2020(49-57)। আইএসএসএন 2706-6525।
  5. ↑ মামুন, মুনতাসীর; রহমান, মোঃ মাহবুবর (২০১৫) [২০১৩]। "ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠা"। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস। সুবর্ণা। পৃ. ১২১–১৪১। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯০৬৯৪৪৭।
  6. ↑ আখতার, এম জাভেইদ (২০১২)। "Elections of Pakistan and Response of Social Scientists: A Historiographical Survey of Theoretical Perceptions"। পাকিস্তান জার্নাল অফ সোশ্যাল সায়েন্স (ইংরেজি ভাষায়)। ৩২ (২)। বাহাউদ্দিন জাকারিয়া বিশ্ববিদ্যালয়: ২৮৬।
  7. ↑ "Crisis in Pakistan"। দ্য রাউন্ড টেবল (ইংরেজি ভাষায়)। ৪৫ (১৭৭): ৪৪–৫০। ১৯৫৪। ডিওআই:10.1080/00358535408451912।
  8. ↑ "HT THIS DAY: October 25, 1954 — Political crisis in Pakistan; governor-general proclaims state of emergency"। হিন্দুস্তান টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ অক্টোবর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
  9. ↑ চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম (১৯৭২)। Extra-constitutional Action in Pakistan (পিডিএফ) (অভিসন্দর্ভ) (ইংরেজি ভাষায়)। লন্ডন: প্রাচ্য ও আফ্রিকাবিদ্যা শিক্ষালয়। পৃ. ৫৭। ৪ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০২৫।
  10. 1 2 "CHRONOLOGY April 1, 1955 — June 30, 1955"। পাকিস্তান হরাইজোন (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ (২)। পাকিস্তান আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ইনস্টিটিউট: ৩৯৩–৩৯৭। ১৯৫৫।
  11. ↑ চৌধুরী, জে আই (১৯৮৯)। "The Role of Judiciary In The Constitutional Development of Pakistan (1947–1971)"। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পত্রিকা অংশ-ঙ (ইংরেজি ভাষায়)। ১ (১)। ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ৮।
  12. ↑ "G-G Validates Consembly Act of 1949"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ মে ১৯৫৫। পৃ. ১।
  13. ↑ "C.A. Elections To Be Held On June 21"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ মে ১৯৫৫। পৃ. ১।
  14. ↑ "গণপরিষদে লীগ প্রার্থী পঃ পাকিস্তানে স্বতন্ত্র লীগ পন্থীদের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা"। দৈনিক আজাদ। ১৯ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  15. ↑ "গণ-মজলিসের নির্বাচনে সীমান্তে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের নাম প্রত্যাহার"। যুগান্তর পত্রিকা। ২১ জুন ১৯৫৫। পৃ. ৭।
  16. ↑ সোহেল ২০১২, পৃ. ১০৯।
  17. ↑ "পাঞ্জাব, বেলুচিস্তান ও সীমান্ত হইতে ৫২ জনের মনোনয়নপত্র দাখেল"। দৈনিক আজাদ। ১৭ জুন ১৯৫৫। পৃ. ৬।
  18. ↑ "যুক্তফ্রন্ট পার্টির গণপরিষদের নির্ব্বাচনে যোগদানের সিদ্ধান্ত"। দৈনিক আজাদ। ১৫ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  19. ↑ "গণপরিষদের নির্ব্বাচনে পূর্ব্ব পাকিস্তান লীগের যোগদানের সিদ্ধান্ত"। দৈনিক আজাদ। ১০ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  20. ↑ "AWAMI LEADERS FALL OUT OVER C.A. NOMINATION"। ফ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  21. ↑ "MLAs Go To Polls For CA Elections Today"। ফ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  22. ↑ "Rebels Trounced In Punjab Elections"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  23. ↑ "পশ্চিম পাকিস্তান হইতে ২৬ জন সদস্য নির্ব্বাচিত"। দৈনিক আজাদ। ২২ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১, ৬।
  24. ↑ "CA Results From Punjab: Iftikharuddin Returned"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  25. 1 2 3 "গণপরিষদে বিভিন্ন দলের শক্তি নির্বাচিত সদস্যদের নামের তালিকা"। দৈনিক আজাদ। ২৪ জুন ১৯৫৫। পৃ. ৬।
  26. ↑ "পূর্ব্ববঙ্গ হইতে গণপরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা"। দৈনিক আজাদ। ২৩ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  27. ↑ পালমার, নরম্যান ডি (১৯৭৫)। Elections and Political Development: The South Asian Experience, Pakistan and North India (ইংরেজি ভাষায়)। করাচি: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস। পৃ. ১৭৯।
  28. ↑ মালিক, রাহাত জুবায়ের (২০১৭)। "Parliament not-Parliaments: Legislature of Pakistan in the Hatching (1947-69)"। গ্লোবাল সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ (ইংরেজি ভাষায়)। ২ (১)। ইসলামাবাদ: জাতীয় ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গবেষণা ইনস্টিটিউট: ৫৫। আইএসএসএন 2616-793X।
  29. ↑ "U.F. Party Disapproves Convention"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ এপ্রিল ১৯৫৫। পৃ. ১।
  30. ↑ "Rejection of Convention Will Mean Martial Law"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ এপ্রিল ১৯৫৫। পৃ. ১।
  31. ↑ "U.F. PARTY DISSOCIATES WITH SUHRAWARDY"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ এপ্রিল ১৯৫৫। পৃ. ১।
  32. ↑ "Bhasani Says, Convention May Be Accepted Conditionally"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ এপ্রিল ১৯৫৫। পৃ. ১।
  33. ↑ "Awami League Concedes To Convention"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ এপ্রিল ১৯৫৫। পৃ. ১।
  34. ↑ "A. K. Fazlul Huq Launches Countrywide Campaign"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ মে ১৯৫৫। পৃ. ১।
  35. ↑ "নয়া গণপরিষদের নির্ব্বাচন পদ্ধতি মালিক ফিরোজ খান নূন কর্তৃক সমালোচনা"। দৈনিক আজাদ। ৫ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  36. 1 2 কালাহান, জন পি (১১ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫)। "Pakistan Election Scandal Aired; Frauds Laid to Moslem League; Opposition Leader Charges Assembly Was Packed by Intimidation and Threats to Cut Off Drinking Water"। নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)।
  37. 1 2 3 উদ্দিন, মোঃ নাছির; কায়জার, শাহ্‌ শ্যামুয়েল; খুদা, কুদরাত-ই (২০১৬)। "বাংলাদেশ : স্বায়ত্তশাসন থেকে স্বাধীনতা" (পিডিএফ)। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ হিউম্যানিটিস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স স্টাডিস। ২ (৬)। করিমগঞ্জ: স্কলার পাবলিকেশন্স: ১৩। আইএসএসএন 2349-6959। ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২৫।
  38. ↑ "কেন্দ্রে লীগ-যুক্তফ্রন্ট কোয়ালিশন গঠন করা হইবে"। দৈনিক আজাদ। ২৫ জুন ১৯৫৫। পৃ. ১।
  39. ↑ "কেন্দ্রে লীগ ও আওয়ামী লীগ কোয়ালিশন সম্ভাবনা"। দৈনিক আজাদ। ৮ জুলাই ১৯৫৫। পৃ. ১।
  40. ↑ "C.A. SESSION OPENS AT MURREE"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জুলাই ১৯৫৫। পৃ. ১।
  41. ↑ "পূর্ববঙ্গের ৯জন অ-মুসলমান সদস্য গণপরিষদের যুক্ত ফ্রন্ট দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত"। যুগান্তর পত্রিকা। ৮ জুলাই ১৯৫৫। পৃ. ১।
  42. ↑ "CHOWDHURY MD. ALI ELECTED M.L. PARLIAMENTARY CHIEF"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ আগস্ট ১৯৫৫। পৃ. ১।
  43. ↑ "Possibility Of 3-Party Coalition Explored"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ আগস্ট ১৯৫৫। পৃ. ১।
  44. ↑ সংবাদপত্রে বঙ্গবন্ধু। খণ্ড ১। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট। ২০১৮ [২০১৪]। পৃ. ৬১। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৭৩২০০৪৫।
  45. ↑ "Eleven-Man Central Cabinet Sworn In"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ আগস্ট ১৯৫৫। পৃ. ১।
  46. ↑ "Iskander Mirza Elected First President Of Pakistan Republic"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মার্চ ১৯৫৬। পৃ. ১।
  47. ↑ "পাকিস্থান ঐশ্লামিক সাধারণতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত"। যুগান্তর পত্রিকা। ২৪ মার্চ ১৯৫৬। পৃ. ১।
  48. ↑ "CENTRAL GOVERNMENT (4)" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। পাকিস্তানের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]