পাওয়ারউল্‌ফ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পাওয়ারউল্‌ফ
Powerwolf, Attila Dorn at Wacken Open Air 2013 04.jpg
অ্যান্ডিলা ডর্ন ২০১৩ সালে ওয়াকেন ওপেন এয়ারে
প্রাথমিক তথ্য
উদ্ভবজার্মানি
ধরনপাওয়ার মেটাল, হেভি মেটালl
কার্যকাল২০০৩- বর্তমান
লেবেলমেটাল ব্লেড রেকর্ডস
নাপাল্ম রেকর্ডস
ওয়েবসাইটwww.powerwolf.net
সদস্যবৃন্দঅ্যান্ডিলা ডর্ন
ম্যাথিউ গ্রেউলফ
চার্লস গ্রেউলফ
রোয়েল ভ্যান
হেল্ডেন ফাল্ক মারিয়া
প্রাক্তন সদস্যবৃন্দস্তেফান ফুনেব্রে
টম ডিয়েনার

পাওয়ারউল্‌ফ ২০০৩ সালে চার্লস গ্রেউলফ ও ম্যাথিউ গ্রেউলফ ভ্রাতৃদ্বয় দ্বারা প্রতিষ্ঠিত জার্মান পাওয়ার মেটাল ব্যান্ড। পাওয়ারউলফ প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত তারা কনসার্ট ও মিউজিক ভিডিওতে নিজেদের ভয়ানক রূপ নেয়ার জন্য প্রসাধনী ব্যবহার করে এবং তাদের গানের কথায় নেকড়ে মানবভ্যাম্পায়ারদের অন্ধকারাচ্ছন্ন কল্পকাহিনি তুলে ধরে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দুই ভাই অনেক বছর ধরে একসঙ্গে গিটার বাজানোর পর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গানের দল গঠন করার আর এভাবেই পাওয়ারউল্‌ফের জন্ম। তারা তাদের সঙ্গে ড্রামার হিসেবে যুক্ত করেন ফ্রেঞ্চ নাগরিক স্টেফেইন ফ্যুনেব্রে ও কি-বোর্ডিস্ট হিসেবে আরেক জার্মান ফাল্ক মারিয়া ম্লেগেলকে। তখন তারা তাদের পছন্দমতো কাউকে গানের ভোকাল হিসেবে পাচ্ছিলেন না। এর কিছুদিন পর দুই ভাই যখন ছুটি কাটাতে রোমানিয়া যান সেখানে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয় অ্যান্ডিলা ডর্নের।[১] ডর্ন একজন সংগীতশিল্পী, যিনি কিনা মিউজিক একাডেমি অব বুখারেস্ট থেকে ক্ল্যাসিক্যাল অপেরার ওপর শিক্ষা গ্রহণ করেছেন,[২] ব্যান্ড দলের হোমটাউনে গেলেন এবং পাওয়ারউল্‌ফের ফ্রন্টম্যান হিসেবে যোগ দিলেন। ডর্নের রোমানিয়ান নেকড়েমানবের কল্পকাহিনির ওপর ভালবাসা ছিল বিধায় তারা তাদের প্রথম অ্যালবাম করলেন যার নাম রিটার্ন টু ব্লাডরেড। ২০০৭ সালে তাদের দ্বিতীয় অ্যালবাম করলেন যার নাম লুপুস ডেই যার প্রধান চরিত্র এক নেকড়েমানব, যে কিনা রক্তপিপাসা ত্যাগ করে আলোর পথ খোঁজে।[৩][৪]

ব্যান্ড টি ২০১২ সালে ব্রাজিলে জনপ্রিয়তা লাভ করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে।[৫]

পাওয়ারউল্‌ফের প্রকাশিত অ্যালবাম প্রিচারস অব দ্য নাইট মুক্তি পায় ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই।

সদস্যরা[সম্পাদনা]

  • অ্যান্ডিলা ডর্ন—ভোকালস
  • ফাল্ক মারিয়া—কি-বোর্ডস
  • রোয়েল ভ্যান হেল্ডেন—ড্রামস
  • ম্যাথিউ গ্রেউলফ—গিটারস
  • চার্লস গ্রেউলফ—বেজ, গিটারস

অ্যালবাম[সম্পাদনা]

  • রিটার্ন টু ব্লাডরেড (২০০৫)
  • লুপুস ডেই (২০০৭)
  • বাইবেল অব দ্য বিস্ট (২০০৯)
  • ব্লাড অব দ্য সেইন্টস (২০১১)
  • উলফনাইটে ২০১২-ট্যুর ইপি (২০১২)
  • এলাইভ ইন দ্য নাইট-লাইভ অ্যালবাম (২০১২)
  • প্রিচারস অব দ্য নাইট (২০১৩)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Metal Blade Records - Europe"। Metalblade.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৮-০৭ 
  2. "UNMB"। Unmb.ro। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৮-০৭ 
  3. "Powerwolf Biography"। Bioandlyrics.com। ২০১১-১০-০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৮-০৭ 
  4. "Metal Blade Records"। Metalblade.co.uk। ২০১৪-০২-০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৮-০৭ 
  5. "Welkom bij Facebook - Meld je aan, registreer je of ontdek meer"। Facebook.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৮-০৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]