পশুপতি সীলমোহর
| পশুপতি সীলমোহর | |
|---|---|
পশুপতি সীলমোহর, যেখানে একটি বসা এবং সম্ভবত ত্রিমুখী প্রতিকৃতি দেখা যাচ্ছে, যা প্রাণী দ্বারা বেষ্টিত। | |
| উপাদান | শিলখড়ি |
| উচ্চতা | ৩.৫৬ সে.মি. |
| প্রস্থ | ৩.৫৩ সে.মি. |
| আবিষ্কৃত | ১৯২৮ অথবা ১৯২৯ সিন্ধু, পাকিস্তান |
| নির্মিত | আনু. খ্রিস্টপূর্ব ২২০০ |
| বর্তমান অবস্থান | জাতীয় সংগ্রহালয়, নয়াদিল্লি, ভারত |
পশুপতি সীলমোহর (যা মহাযোগী সীলমোহর[১]বা প্রোটো-শিব সীলমোহর নামেও পরিচিত,[২] ক্ষেত্রবিশেষে "তথাকথিত" বিশেষণটিও "পশুপতি"-র আগে ব্যবহৃত হয়)[৩] হলো সিন্ধু সভ্যতার একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। এটি একটি স্টিয়াটাইট পাথরের তৈরি সীলমোহর যা ১৯২৮-২৯ সালে মহেঞ্জোদাড়োতে (বর্তমানে পাকিস্তান) খননকালে আবিষ্কৃত হয়। সেই সময় এই অঞ্চলটি ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল এবং খননকার্যটি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ কর্তৃক পরিচালিত হয়। সীলমোহরটিতে একটি উপবিষ্ট মূর্তি খোদাই করা আছে, যা সম্ভবত ত্রিমস্তকবিশিষ্ট (তিনটি মাথাযুক্ত)। এই মূর্তিটিকে প্রায়ই ইথিফ্যালিক (উত্থিত লিঙ্গযুক্ত) হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়, যদিও এই ব্যাখ্যাটি অনেক প্রত্নতত্ত্ববিদ দ্বারা সমালোচিত হয়েছে।[৪] তবে, সিন্ধু সভ্যতা বিশেষজ্ঞ জোনাথন মার্ক কেনোয়ার ২০০৩ সালের একটি প্রকাশনায় এই মতামত সমর্থন করেন।[৫] মূর্তিটির মাথায় শিংযুক্ত একটি শিরোভূষণ রয়েছে এবং এটি বিভিন্ন পশু দ্বারা পরিবেষ্টিত। ধারণা করা হয় এই মূর্তিটি কোনো শিংযুক্ত দেবতার প্রতিনিধিত্ব করে।[৬][৭][৮][৯]
সিন্ধু নদের উপত্যকার প্রত্নতাত্ত্বিক খননে প্রাপ্ত হাজার হাজার মোহরের মধ্যে এই মোহরটির নকশা অন্যতম জটিল। অন্যান্য মোহরের বিপরীতে, যেখানে সাধারণত পশুর ছবি প্রধান আকর্ষণ থাকে, এই মোহরটিতে একটি মানবমূর্তি প্রধান এবং বৃহত্তম উপাদান হিসেবে বিদ্যমান।[১০] অনেকেই দাবি করেন যে এটি হিন্দু দেবতা শিবের প্রাচীনতম চিত্রের মধ্যে একটি—'পশুপতি' (অর্থাৎ পশুদের প্রভু) তাঁর একটি উপাধি, অথবা এটি 'প্রোটো-শিব' (শিবের আদি রূপ) এর প্রতিমূর্তি।[৯][১১]
পশুপতি সিলমোহরের উপাদানের সমন্বয় যদিও অনন্য, তবুও অন্যান্য সিন্ধু সিলমোহরেও এর কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। মহেঞ্জোদাড়োতে প্রাপ্ত আরেকটি নিদর্শন (যার নম্বর ডিকে ১২০৫০) বর্তমানে ইসলামাবাদে আছে। এতে দেখা যায়, তিন মুখওয়ালা এক নগ্ন শিংওয়ালা দেবতা একটি সিংহাসনে যোগাসনে বসে আছেন এবং তাঁর হাতে চুড়ি পরা আছে। এই ক্ষেত্রে কোনো প্রাণী দেখানো হয়নি এবং চিত্রটির দাড়ি আছে বলে মনে হলেও এর লিঙ্গ নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে।[১২]
পশুপতি সিলমোহরটি বর্তমানে নয়াদিল্লির জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। এটি স্বাধীনতার পূর্বে মহেঞ্জোদাড়ো থেকে পাওয়া অন্যান্য নিদর্শনের সঙ্গে সেখানে স্থানান্তরিত হয়। এই নিদর্শনগুলি ভবিষ্যতের জাতীয় জাদুঘরের জন্য সংরক্ষিত ছিল, যা অবশেষে ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় সিলমোহরটি ভারত অধিরাজ্যের জন্য বরাদ্দ করা হয়।[১৩]
আবিষ্কার ও বর্ণনা
[সম্পাদনা]
১৯২৮-২৯ সালে মহেঞ্জোদাড়োর ডিকে-জি এলাকার দক্ষিণাংশের ১ নম্বর ব্লকের ৩.৯ মিটার গভীরে এই সীলমোহরটি আবিষ্কৃত হয়।[১৫] মহেঞ্জোদাড়ো খনন কাজের তত্ত্বাবধায়ক আর্নেস্ট জে.এইচ. ম্যাকাওয়ের ১৯৩৭-৩৮ সালের প্রতিবেদনে এই সীলটিকে মধ্যবর্তী ১ সময়কালের (যা বর্তমানে আনুমানিক ২৩৫০-২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ হিসেবে ধরা হয়) বলে উল্লেখ করা হয়। এই প্রতিবেদনে সীলটির ক্রমিক নম্বর ৪২০ হওয়ার সুবাদে, এটি "সীল ৪২০" নামেও পরিচিত।[১৬]
খনন-পরবর্তী ইতিহাস
[সম্পাদনা]
মহেঞ্জোদারো থেকে পাওয়া নিদর্শনগুলো প্রথমে লাহোর জাদুঘরে রাখা হয়। পরে সেগুলো নয়াদিল্লিতে এএসআই (ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ) এর সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন ব্রিটিশ শাসনের নতুন রাজধানী দিল্লিতে একটি নতুন "সেন্ট্রাল ইম্পেরিয়াল মিউজিয়াম" তৈরির পরিকল্পনা চলছিল, যেখানে এই নিদর্শনগুলোর কিছু অংশ প্রদর্শিত হওয়ার কথা ছিল। ভারতের স্বাধীনতা যখন আসন্ন, তখনো ভারত বিভাজনের বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। নতুন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাদের এলাকা থেকে খনন করা হরপ্পা সভ্যতার নিদর্শনগুলো ফেরত চায়, কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাতে রাজি হয়নি। শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তি হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী প্রায় ১২,০০০ নিদর্শন (যার বেশির ভাগই ছিল মাটির পাত্রের ভাঙা অংশ) উভয় দেশের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে এই বিভাজন এতটাই আক্ষরিক ছিল যে, কিছু নেকলেস এবং কোমরবন্ধের পুঁতিগুলোকেও দুটি আলাদা স্তূপে ভাগ করা হয়। সবচেয়ে বিখ্যাত দুটি ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে, পাকিস্তান "প্রিস্ট-কিং" মূর্তিটি চায় এবং সেটি পায়। অন্যদিকে, ভারত অপেক্ষাকৃত ছোট মহেঞ্জোদারোর নৃত্যরতা যুবতী মূর্তি[১৭] এবং পশুপতি সীলটি নিজেদের কাছে রাখে।
- মহেঞ্জোদারো, আসীন মূর্তি ২২২
- মহেঞ্জোদারো, আসীন মূর্তি ২৩৫
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Possehl, Gregory L. (২০০২)। The Indus Civilization: A Contemporary Perspective। Rowman Altamira। পৃ. ১১৪–। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫৯১-০১৭২-২।
- ↑ Ameri, Marta; Costello, Sarah Kielt; Jamison, Gregg (২০১৮)। Seals and Sealing in the Ancient World: Case Studies from the Near East, Egypt, the Aegean, and South Asia। Cambridge University Press। পৃ. ১৫৪–। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১০৮-১৭৩৫১-৩।
- ↑ Geer, Alexandra Anna Enrica van der (২০০৮)। Animals in Stone: Indian Mammals Sculptured Through Time। BRILL। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-১৬৮১৯-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|পাতা সমূহ=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ওয়েন্ডি ডনিগার তাঁর "দ্য হিন্দুস: অ্যান অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি" (The Hindus: An Alternative History) গ্রন্থে উল্লেখ করেন যে, একসময় যে সিন্ধু মোহরটিকে ভগবান শিবের লিঙ্গায়িত রূপের প্রতিমূর্তি হিসেবে মনে করা হতো, সম্ভবত তা আসলে কোনো ব্যক্তি পদ্মাসনে বসারত অবস্থায় রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মধ্যে এভাবে পা মুড়ে বসার প্রবণতা রয়েছে এবং সম্ভবত মোহরটিতে সেই দৃশ্যই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- ↑ Kenoyer, 403
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "Lochtefeld" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Doniger 2011, পৃ. 485–508।
- ↑ Samuel 2017, পৃ. 3–4, 6–8।
- 1 2 Werness 2006, পৃ. 270
- ↑ "stamp-seal"। ব্রিটিশ মিউজিয়াম।
- ↑ Witzel 2008, পৃ. 68–70, 90: "অভ্যন্তরীণ প্রমাণ থেকে জানা যায় যে বৈদিক গ্রন্থসমূহ মৌখিকভাবে উত্তর ভারতে রচিত হয়। প্রথমে এগুলি বৃহত্তর পাঞ্জাবে এবং পরবর্তীতে আরো পূর্ববর্তী অঞ্চল, যার মধ্যে উত্তর বিহার অন্তর্ভুক্ত, আনুমানিক ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০০–৪০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত সময়কালে রচিত হয়। প্রাচীনতম গ্রন্থ ঋগ্বেদ সম্ভবত উত্তর সিরিয়া/ইরাকের মিতানি গ্রন্থগুলোর (১৪৫০–১৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) সমসাময়িক ছিল।" (পৃ. ৭০) "হারাপ্পার কিছু সিলমোহরে পাওয়া তথাকথিত শিবা পশুপতির সঙ্গে বৈদিক সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি (ডি. শ্রীনিবাসন ১৯৮৪); বরং এটি ইউরেশীয় সমাজগুলোর প্রচলিত ধারণা "পশুর অধিপতি"র সঙ্গে সম্পর্কিত, যিনি বহু নবপলীয় শিকারি সমাজে পূজিত ছিলেন।" (পৃ. ৯০)।
- ↑ Kenoyer, 402–403
- ↑ Singh (2015), 111–112
- ↑ Kenoyer, Jonathan Mark। "মহেঞ্জোদাড়ো: পরিচিতি"। ১ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Mackay 1928–29, পৃ. 74–75।
- ↑ Mackay 1937–38, plate XCIV; no. 420।
- ↑ Singh (2015), 111–112 (112 quoted)
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- Doniger, Wendy (২০১১)। "ঈশ্বরের দেহ, অথবা লিঙ্গমের মূর্ত রূপ: হিন্দু দেবতা শিবের যৌন দেহের উপস্থাপন নিয়ে মতবিরোধ"। Social Research। ৭৮ (2, Part 1 (Summer 2011)): ৪৮৫–৫০৮। ডিওআই:10.1353/sor.2011.0067। জেস্টোর 23347187। এস২সিআইডি 170065724।
- Hiltebeitel, Alf (২০১১)। "সিন্ধু উপত্যকার "প্রোটো-শিব", দেবী, মহিষ এবং বাহনের প্রতীক নিয়ে পুনর্বিবেচনা"। Adluri, Vishwa; Bagchee, Joydeep (সম্পাদকগণ)। যখন দেবী ছিলেন নারী: মহাভারত নৃতত্ত্ববিদ্যা - আলফ হিল্টেবাইটেলের প্রবন্ধসমূহ। BRILL। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-১৯৩৮০-২।
- Kenoyer, J.M., প্রবেশিকা: Matthiae, P; Lamberg-Karlovsky, Carl Clifford, প্রথম নগরগুলোর শিল্প: খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দের ভূমধ্যসাগর থেকে সিন্ধু অবধি, পৃ. 403, 2003, মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট (নিউ ইয়র্ক, এন.ওয়াই.), গুগল বই
- কোসাম্বি, দামোদর ধর্মানন্দ, মিথ ও বাস্তবতা: ভারতীয় সংস্কৃতির গঠন নিয়ে গবেষণা, 1962 (2005 পুনর্মুদ্রণ), পপুলার প্রকাশন, ISBN 9788171548705, 8171548709, গুগল বই
- Mackay, Ernest John Henry (১৯২৮)। "মহেঞ্জোদারোতে খনন কার্যক্রম"। ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের বার্ষিক প্রতিবেদন: ৬৭–৭৫।
- Mackay, Earnest John Henry (১৯৩৭–৩৮)। মহেঞ্জোদারোতে পরবর্তী খনন: ১৯২৭ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত ভারতের সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননের সরকারি বিবরণ। দিল্লি: ভারত সরকার।
- McEvilley, Thomas (১৯৮১)। "যোগের প্রত্নতত্ত্ব"। RES: নৃতত্ত্ব ও নান্দনিকতা। ১ (1): ৪৪–৭৭। ডিওআই:10.1086/RESv1n1ms20166655। জেস্টোর 20166655। এস২সিআইডি 192221643।
- Marshall, John (১৯৩১)। মহেঞ্জোদারো ও সিন্ধু সভ্যতা: ১৯২২ থেকে ১৯২৭ সাল পর্যন্ত ভারতের সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননের সরকারি বিবরণ। Asian Educational Services। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৬-১১৭৯-৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য) - Possehl, Gregory L. (২০০২)। সিন্ধু সভ্যতা: একটি সমসাময়িক দৃষ্টিভঙ্গি। Rowman Altamira। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫৯১-১৬৪২-৯।
- Samuel, Geoffrey (২০১৭) [২০০৮]। যোগ ও তন্ত্রের উত্স: ১৩তম শতাব্দী পর্যন্ত ভারতীয় ধর্ম। ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫২১৬৯৫৩৪৩।
- সিংহ, কবিতা, "জাদুঘর জাতীয়", অধ্যায় ৪, Mathur, Saloni এবং সিংহ, কবিতা (সম্পাদক), No Touching, No Spitting, No Praying: The Museum in South Asia, 2015, Routledge, একাডেমিয়া ডট ইডুতে পিডিএফ
- সিংহ, উপিন্দর, প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারতের ইতিহাস: প্রস্তর যুগ থেকে ১২শ শতাব্দী, 2008, Pearson Longman, ISBN 9788131716779
- Srinivasan, Doris (১৯৭৫–৭৬)। "মহেঞ্জোদারোর তথাকথিত প্রোটো-শিব সিল: একটি প্রতীকতাত্ত্বিক মূল্যায়ন"। এশীয় শিল্পের সংরক্ষণাগার। ২৯: ৪৭–৫৮। জেস্টোর 20062578।
- Srinivasan, Doris (১৯৯৭)। অনেক মাথা, হাত, এবং চোখ: ভারতীয় শিল্পে বহুত্বের উৎস, অর্থ এবং রূপ। ব্রিল। আইএসবিএন ৯০০৪১০৭৫৮৪।
- Sullivan, Herbert P. (১৯৬৪)। "সিন্ধু সভ্যতার ধর্মের পুনর্মূল্যায়ন"। ধর্মের ইতিহাস। ৪ (1): ১১৫–১২৫। ডিওআই:10.1086/462498। জেস্টোর 1061875। এস২সিআইডি 162278147।
- Werness, Hope B. (২০০৬)। বিশ্ব শিল্পে প্রাণীর প্রতীকতত্ত্বের কন্টিনিউয়াম বিশ্বকোষ। A&C Black। পৃ. ২৭০। আইএসবিএন ৯৭৮-০৮২৬৪১৯১৩২।
- Witzel, Michael (২০০৮)। "বেদ ও উপনিষদ"। Gavin Flood (সম্পাদক)। হিন্দু ধর্মের ব্ল্যাকওয়েল সহচর। John Wiley & Sons। পৃ. ৬৮–৭০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৭০-৯৯৮৬৮-৭।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- McIntosh, Jane (২০০১)। A Peaceful Realm: The Rise And Fall of the Indus Civilization। Boulder: Westview Press। আইএসবিএন ০-৮১৩৩-৩৫৩২-৯।
- McIntosh, Jane (২০০৮)। "Religion and ideology"। The Ancient Indus Valley: New Perspectives। ABC-CLIO। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৭৬০৭-৯০৭-২।
- Thapar, Romila (২০০৪)। Early India: From the Origins to AD 1300। University of California Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২০-২৪২২৫-৮।
- Witzel, Michael (ফেব্রুয়ারি ২০০০)। "The Languages of Harappa" (পিডিএফ)। Electronic Journal of Vedic Studies।
- Wright, Rita P. (২০১০)। The Ancient Indus: Urbanism, Economy, and Society। Cambridge University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৫৭২১৯-৪।