পলাশীপাড়া মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি বিদ্যাপীঠ

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৭′৩৬″ উত্তর ৮৮°২৬′৫২″ পূর্ব / ২৩.৭৯৩৪° উত্তর ৮৮.৪৪৭৭° পূর্ব / 23.7934; 88.4477
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পলাশীপাড়া মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি বিদ্যাপীঠ
Palashipara M.G.S. Vidyapith
পলাশীপাড়া এম জি এস বিদ্যাপীঠ.jpg
অবস্থান

স্থানাঙ্ক২৩°৪৭′৩৬″ উত্তর ৮৮°২৬′৫২″ পূর্ব / ২৩.৭৯৩৪° উত্তর ৮৮.৪৪৭৭° পূর্ব / 23.7934; 88.4477
তথ্য
ধরনরাজ্য সরকার পোষিত
নীতিবাক্যছাত্রনং অধ্যয়ং তপঃ
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৪৮
বিদ্যালয় জেলানদিয়া
প্রধান শিক্ষকসাধন বিশ্বাস
অনুষদকলা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য
ক্যাম্পাসের ধরনবর্তমানে অনাবাসিক

পলাশীপাড়া মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি বিদ্যাপীঠ (ইংরেজি: Palashipara Mahatma Gandhi Smriti Vidyapith) পশ্চিমবঙ্গেনদিয়া জেলার সুপরিচিত ও প্রাচীন বিদ্যালয়গুলির অন্যতম।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই বিদ্যালয়টি স্বাধীনতার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে তৎকালীন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মানুষদের চেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় নদিয়ার পলাশীপাড়াতে। তদানীন্তন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস বিধায়ক (M.L.A), প্রবীণ রাজনীতিবিদ প্রয়াত রঘুনন্দন বিশ্বাসের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ঘটে।[১] মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় একাধিকবার জেলাভিত্তিক ফলাফলে এই বিদ্যালয় প্রথম সারিতে থেকেছে। মাধ্যমিক বিভাগটি শুধুমাত্র বালক দের জন্যে নির্ধারিত হলেও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ কো-এডুকেশন শিক্ষা চালু আছে বহুদিন যাবৎ। উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার বিষয়গুলি পড়ানো হয়। বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষাগার তিনটি প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ। স্বাধীনোত্তর নদিয়ায় উচ্চ বিদ্যালয়ের সংখ্যা খুব বেশি না থাকায় দূর দূরান্ত থেকে ছাত্র ছাত্রীরা এখানে পড়তে আসতেন। তাদের কথা মাথায় রেখে এখানে দ্বিতল ছাত্রাবাস গড়ে তোলা হয়েছিল, বর্তমানে যদিও তা বন্ধ এবং সেই স্থানে প্রাথমিক (প্রভাতী) বিদ্যালয় গড়ে উঠেছে একই নামে।

বিবরণ[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণটি আকারে বিশাল যার একটি অংশে প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য সহ শিক্ষকদের আবাসন আছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক তিনটি আলাদা ভবন আছে পঠনপাঠনের জন্যে। এছাড়া লাইব্রেরি ও কম্পিউটার এর সুবিধা আছে বিদ্যালয় কক্ষে। 'পলাশীপাড়া মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়' নামে অপর একটি পৃথক বিদ্যালয় আছে যা বালিকাদের জন্যে স্থাপিত।[২][৩]

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

এই বিদ্যালয়ের তরফে আন্তঃ জেলা বিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অবদান রাখা হয়েছে, বিশেষত ফুটবলের মান অত্যন্ত উন্নত। এই বিদ্যালয় ফুটবল দলে খেলে যাওয়া বহু তরুন, কলকাতার সুপার ডিভিশন ক্লাবে, রাজ্যস্তরে তো বটেই, জাতীয় ক্ষেত্রেও অবদান রেখেছেন। বিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্রীড়া ময়দান বর্তমান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Constituency-wise Data. Election Commission. Retrieved" (PDF)। Election Commission Of India, New Delhi। ২ আগস্ট ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  2. "Palashipara M.G.S Vidyapith School"। ICBSE। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  3. "PALASHIPARA M.G.S VIDYAPITH"All india facts। সংগ্রহের তারিখ 07.02.17  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]