বিষয়বস্তুতে চলুন

পঙ্কজ প্যাটেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পঙ্কজ রমনভাই প্যাটেল
জন্ম (1953-03-16) ১৬ মার্চ ১৯৫৩ (বয়স ৭২)[]
ভাদ্রন, গুজরাট, ভারত
শিক্ষাএম.ফার্ম.
বিএ (বিজ্ঞান ও আইন)
মাতৃশিক্ষায়তনশেঠ চিমনলাল নগিনদাস বিদ্যালয়
এলএম কলেজ অব ফার্মেসি (এম ফার্ম)
মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় (এলএলবি)
পেশাব্যবসায়ী
পরিচিতির কারণসভাপতি, এফআইসিসিআই
চেয়ারম্যান, জাইডাস
দাম্পত্য সঙ্গীপ্রীতি প্যাটেল
সন্তান

পঙ্কজ রামানভাই পটেল (জন্ম ১৬ মার্চ ১৯৫৩) একজন ভারতীয় শতকোটিপতি ব্যবসায়ী এবং জাইডাস লাইফসায়েন্সেসের চেয়ারম্যান, যা ভারতীয় ঔষধনির্মাণ কোম্পানির মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম। ২০২৪ সালে অক্টোবরে পটেল ফোর্বসে ভারতীয় ১০০ শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ২৪তম স্থান লাভ করেন। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১০.২ বিলিয়ন ডলার।[] ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে, শিল্প ও বানিজ্য ক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য তাকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়।[]

প্রারম্ভিক জীবন

[সম্পাদনা]

পঙ্কজ পটেল একজন গুজরাতি[] তিনি রাষ্ট্রীয় ছাত্র পরিষদের নেতা ছিলেন এবং নবমিরামান আন্দোলনের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন।[] ৮ বছর বয়স থেকে, তিনি তার পিতার সাথে কারখানায় যেতেন এবং ট্যাবলেট মেশিনে কাজ করা কর্মচারীদের কাজ দেখতেন।[] পটেল এল.এম. কলেজ অব ফার্মেসি, গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব ফার্মেসি এবং মাস্টার অব ফার্মেসির ডিগ্রি অর্জন করেছেন, পাশাপাশি মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সায়েন্স এবং ল অ্যান্ড আর্টসের ব্যাচেলর ডিগ্রি লাভ করেছেন।[]

জাইডাস যাত্রা

[সম্পাদনা]

পঙ্কজ পটেল ১৯৭৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তার পিতার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি ক্যাডিলা হেলথকেয়ারে যোগ দেন, যা ১৯৫২ সালে ভিটামিন তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[] ১৯৯৫ সালে, ক্যাডিলা ল্যাবরেটরিজ এবং ক্যাডিলা হেলথকেয়ার জাইডাস গ্রুপের অধীনে বিভক্ত হয়। 'জাইডাস' শব্দটি গ্রিক দেবতা জিউস থেকে এসেছে, যেখানে 'ডি' যোগ করে এটি জাইডাস নামে পরিচিত হয়। ১৯৯৫ সালে দুই প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদের পর তিনি জাইডাস লাইফসায়েন্সেস এবং ক্যাডিলা হেলথকেয়ারের দায়িত্ব নেন।[] তিনি ক্যাডিলা হেলথকেয়ারের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুটি বড় সমস্যার মুখোমুখি হন। তার কোম্পানির মোট সম্পদ ছিল মাত্র দুইশো কোটি টাকা, কিন্তু ব্যয় ছিল চারশো কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের ভারসাম্য রাখা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।[]

তারা ছিল প্রথম ভারতীয় কোম্পানি যারা উচ্চ-কোলেস্টেরল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য একটি ওষুধ তৈরি করেছিল। ২০১৩ সালে তারা "লিপাগ্লিন" নামক একটি ওষুধ অনুমোদন লাভ করে, যা রক্তের সুগার এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিশ্বের প্রথম ডায়াবেটিক ডিসলিপিডেমিয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ।[] এছাড়াও, তারা অ্যাটেন (অ্যাটেনোলোল) নামে একটি ট্যাবলেট তৈরি করে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

জাইডাস ওয়েলনেস দ্বারা তৈরি "সুগার-ফ্রি" ব্র্যান্ড একটি ব্যাপক পরিচিত সুগার বিকল্প হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে[] এবং "এভরিথ ফেস ওয়াশ" কোম্পানিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পটেল সক্রিয়ভাবে সোয়াইন ফ্লুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, ভারতীয় ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল থেকে অনুমোদন নিয়ে "ভ্যাক্সিফ্লু-এস" নামে প্রথম ভারতীয় এইচ১এন১ ভ্যাকসিন এবং বিশ্বের কিছু ভ্যাকসিনের মধ্যে একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের ভ্যাকসিন কার্যক্রম ভারতের ঔষধনির্মাণ শিল্পে সম্ভবত সবচেয়ে বড়, যা বারোটি ভ্যাকসিনকে অন্তর্ভুক্ত করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

তার নেতৃত্বে, কোম্পানিটি ভারতীয় ঔষধনির্মাণ শিল্পে পঞ্চম বৃহত্তম ড্রাগমেকারে পরিণত হয় এবং ৭০টি দেশে তাদের কার্যক্রম রয়েছে।[১০] পোষ্য স্বাস্থ্যখাতে এটি ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম। ১৯৯৫ সালে ২৫০ কোটি রুপি টার্নওভার থেকে ২০০০ সালে ১০০০ কোটি রুপি[১১] এবং ২০১৩ সালের মধ্যে ৬৩০০ কোটি রুপি রাজস্ব অর্জন করেছে।[১২] জাইডাস তার উৎপাদন এবং গবেষণা সুবিধাগুলি ভারতজুড়ে পাঁচটি রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত এবং এটি বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ (ফ্রান্সস্পেন), লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২৫টি অন্যান্য উদীয়মান বাজারে উপস্থিত। নতুন ধরনের প্রোটিন থেরাপিউটিকস তৈরি এবং বিপণনের জন্য তারা জার্মান বায়োটেক কোম্পানি পিয়েরিস ফার্মাসিউটিক্যালসের সাথে একটি জোট গঠন করেছে।[১৩] জাইডাস ছিল প্রথম কোম্পানি যা শায়ার পিএলসির ১.১ বিলিয়ন ডলারের আলসার ড্রাগ, লিয়ালদা, এর জেনেরিক সংস্করণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রির জন্য আবেদন করেছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) তাদের ছয় মাসের এক্সক্লুসিভিটি দিয়েছিল।[১৪]

তিনি জাইডাস হাসপাতালের চেয়ারম্যানও, যা গুজরাটের একটি বড় হাসপাতাল চেইন।[১৫]

কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালীন, পটেল হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং রেমডেসিভিরের একটি ভ্যারিয়েন্ট তৈরির জন্য উৎপাদন বৃদ্ধি করেছিলেন এবং কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করতে "জাইকোভ-ডি" নামক একটি ভ্যাকসিন তৈরি করার প্রক্রিয়াতেও ছিল।[১৬]

নেতৃত্বের অবস্থান

[সম্পাদনা]

২০১৬-২০১৭ সালে, তিনি আফআইসিসিআই এর সভাপতি হন। এটি ভারতের পুরনোতম, বৃহত্তম, বে-সরকারি, অলাভজনক এবং শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন।[১০][১৭] তিনি ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট, আহমেদাবাদের বোর্ড সদস্য হিসেবে ৮ বছর দায়িত্ব পালন করার পর, বোর্ড অব গভর্নর্সের চেয়ারম্যান হন।[১৮]

তিনি ভারতীয় ভারতীয় বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থান, কলকাতা; ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ্যা প্রতিষ্ঠান ভুবনেশ্বর; ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট, উদয়পুর এবং কামলা নেহরু ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, সুলতানপুরের বোর্ড অব গভর্নর্সের চেয়ারম্যান। তিনি আহমেদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বোর্ডের সদস্য, আহমেদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ সায়েন্স স্কুলের চেয়ারম্যান এবং নার্সী মঞ্জি ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজের ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের সদস্য।[১৫] ২০১১ সাল থেকে, তিনি গুজরাট ক্যান্সার সোসাইটির নির্বাহী চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি এবং ট্রাস্টি। এছাড়া, তিনি গুজরাট ক্যান্সার ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান, যা ভারতের অন্যতম বৃহত্তম ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র। এই প্রতিষ্ঠান দরিদ্র ও অবহেলিত ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা দেয়।[১৯][২০]

তিনি বেশ কয়েকটি অ-লাভজনক এবং দানশীল প্রতিষ্ঠানের বোর্ডে কাজ করেন। তিনি আহমেদাবাদে দ্য ডেফ অ্যান্ড মিউট স্কুলের চেয়ারম্যানও। তিনি জাইডাস ফাউন্ডেশনের বোর্ডের ডিরেক্টর এবং চেয়ারম্যান, যা জাইডাস হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ, দাহোদ স্থাপন করেছে। মিঃ পটেলকে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার সেন্ট্রাল বোর্ডে চার বছরের জন্য পার্ট-টাইম নন-অফিশিয়াল ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।[১৮][২০][২১] তিনি আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের সদস্য, যেমন ইনভেস্ট ইন্ডিয়া, মিশন স্টিয়ারিং গ্রুপ, যা জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী এবং স্টিয়ারিং প্রতিষ্ঠান, এবং ড্রাগ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় দ্বারা গঠিত।[১৫][২২]

তিনি ভারতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যালায়েন্স, ভারতীয় ড্রাগ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন, বেসিক কেমিক্যালস, ফার্মাসিউটিক্যালস অ্যান্ড কসমেটিক্স এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল এবং গুজরাট চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মতো অনেক মর্যাদাপূর্ণ সংগঠনের সদস্য।[১০]

সম্মান ও পুরস্কার

[সম্পাদনা]

পটেলকে ২০০৩ সালে ভারতীয় শিল্প এবং অর্থনীতিবিদ ফাউন্ডেশনের দ্বারা "বেস্ট ফার্মা ম্যান অফ দ্য ইয়ার" নামে ভূষিত করা হয়, যেটি তার নেতৃত্বে কেডিলা কোম্পানির উন্নতির জন্য ছিল।[১২][২৩] সেই সময়ে, পটেল পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে জাইডাস কেডিলা ২০০৫ সালের মধ্যে ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ঔষধনির্মাণ কোম্পানি হয়ে উঠবে।[২৪]

তিনি ১০০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন যা পিয়ার রিভিউড জার্নালে ছাপানো হয়েছে এবং ৬৪টিরও বেশি পেটেন্টে সহ-আবিষ্কারক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, লখনউ থেকে ডি.এসসি. (অনারিস কৌশা) ডিগ্রি লাভ করেছেন।[২৫] বিশ্ব ফার্মাসিউটিক্যাল ফ্রন্টিয়ার্স তাকে তাদের "ফার্স্ট ফার্মা ৪০" তালিকায় স্থান দিয়েছে, যা বিশ্বের স্বাস্থ্যসেবা খাতে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকা।[১০][২৬]

ভারতের স্বাস্থ্যসেবায় অবদানের জন্য পটেল অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে আচার্য পি. সি. রায় মেমোরিয়াল গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড এবং ইমিনেন্ট ফার্মাসিস্ট অ্যাওয়ার্ড। এছাড়া, সিএনবিসি আয়োজিত ইন্ডিয়া বিজনেস লিডারস অ্যাওয়ার্ডে তিনি "ইন্ডিয়া ইনোভেটর অ্যাওয়ার্ড" লাভ করেন। তার উদ্যোগী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য, আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং তাকে লাইফ সায়েন্স ক্যাটেগরিতে "এন্টারপ্রেনিউর অফ দ্য ইয়ার" পুরস্কারে সম্মানিত করে।[] ২০২৫ সালে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প ক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য তাকে "পদ্মভূষণ" পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।[]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

তিনি ড. বি. ডি. পটেলের কন্যা প্রীতি পটেলকে বিয়ে করেছেন । তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। তাদের ছেলে ড. শরভিল পটেল কেডিলা হেলথকেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক[২৭] এবং মেহা পটেলকে বিয়ে করেছেন। তাদের মেয়ে শিবানি দুষ্যন্ত ডি. পটেলের পুত্র প্রণব ডি. পটেলকে বিয়ে করেছেন।[২৮]

তিনি ভ্রমণ পছন্দ করেন এবং প্রতি ছুটিতে বিশেষ করে নদী বা পাহাড়ের কাছে বেড়াতে যান। তিনি মঞ্চ নাটকেও আগ্রহী।।[১১] ২০১২ সালে আগস্টে পটেল এবং সিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান দিনেশ পটেল একসাথে একটি চ্যালেঞ্জার-৬০৪ জেট ক্রয় করেন।[২৯]

পটেল একজন প্রখ্যাত ভারতীয় দাতা। তিনি বিশ্বাস করেন যে দান শুধুমাত্র অর্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সময়, ধারণা, স্বেচ্ছাসেবী কাজ ইত্যাদি অ-আর্থিক দিকগুলোর মাধ্যমেও করা যায়। পঙ্কজ দান সম্পর্কে বেশি কিছু বলতে পছন্দ করেন না, তাই তার বেশিরভাগ দান গোপন থাকে।[১০]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Bloomberg Billionaire Index profile: Pankaj Patel"Bloomberg। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২০
  2. "India's 100 Richest"India’s 100 Richest। ৯ অক্টোবর ২০২৪।
  3. 1 2 3 Govt. of India (২৬ জানুয়ারি ২০২৫)। "Padma Awards 2025 announced"Press Information Bureau, Govt. of India.{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  4. 1 2 3 "Top 10 Gujarati billionaires"India TV News। ১ আগস্ট ২০১৫।
  5. "Pankaj R. Patel M. Pharm"। Businessweek। ২৮ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৩
  6. "Pankaj Patel"Forbes (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২১
  7. "Meet Pankaj Patel, India's pharma magnate with Rs 42,600 crore net worth, owns Rs 52,400 crore business empire"DNA India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  8. 1 2 "Pankaj Patel – The face behind Zydus Cadila (Indian Entrepreneur)"Suger Mint (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ জুন ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  9. "Bloomberg Billionaires Index"Bloomberg.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ নভেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  10. 1 2 3 4 5 in 2018, Dr Anil Diggiwal; Owned, Is Currently a Privately; publishes, bootstrapped organization This Jaipur based company; Undiscovered, Focuses on; Stories, Small Startup (১৩ ডিসেম্বর ২০২১)। "Learning from Legendary Pankaj Patel – Chairman of India's 5th Largest Pharmaceutical Company"thedigitalyug.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  11. 1 2 "Pankaj Patel: Latest Pankaj Patel News, Designation, Education, Net worth, Assets"The Economic Times (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  12. 1 2 Team, AsiaOne (১৮ জুন ২০১৮)। "Pankaj R. Patel"Asia One। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৮
  13. "Pankaj Patel - Forbes India Magazine"Forbes India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  14. "Billionaire Father, Son Turn 10-Storey Mumbai Office Into World Beater"NDTV.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  15. 1 2 3 Team, Zydus (১৩ নভেম্বর ২০২৩)। "Chairman Profile" (পিডিএফ)Zydus Life। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  16. "Pankaj Patel, 67, Chairman, Zydus Cadila"Open The Magazine (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ জুলাই ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  17. "FICCI announces Pankaj Patel as new president"The Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ নভেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  18. 1 2 "Shri Pankaj R. Patel | IIMA"www.iima.ac.in। ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  19. "Pankaj Patel takes over as FICCI president | Latest News & Updates at Daily News & Analysis"dna (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১৭
  20. 1 2 Livemint (১৪ জুন ২০২২)। "Zydus Life's Chairman Pankaj R Patel appointed on RBI Central Board"mint (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  21. "Zydus Life's Pankaj Patel appointed part-time Non-official Director in Central Board, RBI"The Economic Times। ১৪ জুন ২০২২। আইএসএসএন 0013-0389। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  22. "Zydus Life's Pankaj Patel appointed part-time Non-official Director in Central Board, RBI"The Economic Times। ১৪ জুন ২০২২। আইএসএসএন 0013-0389। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  23. "Business / Briefly : Award for Zydus Cadila chief"The Hindu। ১ ডিসেম্বর ২০০৪। ১০ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯
  24. Mathew, Vinod (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। "The Hindu Business Line : 'We aim at third position with Rs 1,400-cr turnover by 2005' – Mr Pankaj R. Patel, Chairman, Zydus Cadila"। www.thehindubusinessline.com। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯
  25. "Brics Business Council" (পিডিএফ)
  26. "Vision, Knowledge, Leadership"IIMU (english ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  27. "Investor Zone - Investor Facts & Information Regarding Zydus Cadila"www.zyduslife.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  28. "Pankaj Ramanbhai Patel Biography- About family, children, education, wife, age, and more"business.mapsofindia.com। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১৭
  29. "Zydus Group boss Pankaj Patel 2nd A'bad businessman to buy a jet"। DNA India। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৩