নেপালের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা
এই নিবন্ধটি অন্য একটি ভাষা থেকে আনাড়িভাবে অনুবাদ করা হয়েছে। এটি কোনও কম্পিউটার কর্তৃক অথবা দ্বিভাষিক দক্ষতাহীন কোনো অনুবাদক কর্তৃক অনূদিত হয়ে থাকতে পারে। |
নেপালের প্রধানমন্ত্রী (নেপালি: नेपालको प्रधानमन्त्री) পদ আধুনিক রূপে নেপালের ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে অন্যঅন্য নামে পরিচিত ছিল। শাহ বংশের প্রাথমিক শাসনের সময়, মূলকাজিরা (মুখ্য কজি) বা চৌতারিয়ারা ৪টি চৌতারিয়া, ৪টি কজি এবং বিভিন্ন কর্মকর্তাদের একটি পরিষদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। এই কর্মকর্তা উচ্চ জাত এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিবার যেমন; পাণ্ডে, বস্ন্যাত এবং থাপা পরিবারের সদস্যদের থেকে নির্বাচিত হত। গোরখার অভিজাত শ্রেণি প্রধানত ক্ষত্রিয় পরিবার থেকে আসত এবং নাগরিক প্রশাসনের কার্যক্রমে তাদের একটি শক্তিশালী উপস্থিতি ছিল। রঙ্গনাথ পৌড্যাল ছাড়া নেপালের ১৭৬৮ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে সব প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ক্ষত্রি কিন্তু যিনি ছিলেন খস ব্রাহ্মণ। ১৯৫১ সালে রাণা বংশ থেকে নেপাল যখন গণতন্ত্রে প্রবেশ করে, তখন থেকে নির্বাচিত ২৩ জন পুরুষের মধ্যে ১৫ জন খস ব্রাহ্মণ, ৩ জন ঠকুরী, ২ জন নওয়ার শ্রেষ্ঠ, ২ জন ক্ষত্রি এবং ১ জন সন্যাসী/দসনামী। নির্বাহী শক্তির বরাদ্দ কজিদের এবং চৌতারিয়াদের মধ্যে পরিবর্তিত হচ্ছিল।
মূলকাজী দামোদর পাঁডে রাজা রণবহাদুর শাহের অনুপস্থিতিতে প্রথমে ১৮০০ সাল থেকে অনানুষ্ঠানিক প্রধান প্রশাসক এবং ১৮০৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন ভারদারি সভার মূলকাজী হিসাবে একলাটি শাষণ চালিয়ে আসেন। মূলকাজী পাঁডের ১৮০৪ সালের মার্চে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে রণবহাদুর শাহ শাষণশক্তি লালমোহর দিয়ে মুখতিয়ার হন। রানবহাদুর শাহের হত্যা পর ভবিষ্যতে ভীমসেন থাপাকে মুখতিয়ার পদের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছিল। ইংরেজি পরম্পরায় ১৯০০ সালে প্রথমবারের মতো প্রাইম মিনিস্টর পদমর্যাদার সাথে মাথভারসিং থাপাকে প্রদান করা হয়েছিল।
নেপালের রাজা কর্তৃক কর্তৃত্বের অধীনে ১৯৫১ সালের বিপ্লবের পরে, সর্বসাধারণ নাগরিকরা পক্ষ থেকে মাত্ৰীকা প্রসাদ কোইরালা প্রধানমন্ত্রী পদে অবস্থান নিয়েছিলেন৷ প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৫৯ সালে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বেশ্বরপ্রসাদ কোইরালা নেপালের প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হন। তবে, ১৯৬০ সালের অভ্যুত্থানে রাজা মহেন্দ্র দ্বারা তিনি অপসারিত এবং কারাবন্দী হন, যিনি একটি গোষ্ঠীশাসনতন্ত্র কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা, পঞ্চায়েত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, এবং নেপালে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত গণতান্ত্রিক সরকার ছিল না। ১৯৯০ সালের জন আন্দোলনের পরে, নেপাল রাজ্য একটি সাংবিধানিক রাজত্বে পরিণত হয়। তবে, এটি ২০০৫ সালে রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিঘ্নিত হয়। ২০০৬ সালের লোকতন্ত্র আন্দোলনের পরে, ২০০৮ সালের ২৮ মে ১ম সংবিধান সভার মাধ্যমে রাজত্ব বিলুপ্ত হয় এবং দেশটি একটি ফেডারেল সংসদীয় প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়। বর্তমান সংবিধান ২০১৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গৃহীত হয় এবং ২০২৫ সালের নেপাল প্রতিবাদগুলোর পর নেপালের অন্তবর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সুশীলা কার্কি[১][২]
নেপাল রাজ্যের সরকারপ্রধান (১৭৬৮–২০০৮)
[সম্পাদনা]১৮শ শতাব্দীর আগে
[সম্পাদনা]| ক্রম সংখ্যা | চিত্র | নাম (জন্ম–মৃত্যু) |
কার্যালয়ের মেয়াদ | উপাধি | রাজা (শাসন) | |
|---|---|---|---|---|---|---|
| পদ গ্রহণ | পদ ত্যাগ | |||||
| ১ | বংশরাজ পাঁডে (১৭৩৯–১৭৮৫) |
আনু. ১৭৭৬ | আনু. ১৭৭৯ | দেওয়ান[note ১] | প্রতাপ সিং শাহ (১৭৫১–১৭৭৭) | |
| ২ | স্বরূপ সিং কার্কি (১৭৫১–১৭৮৫) |
আনু. ১৭৭৬ | আনু. ১৭৭৭ | দেওয়ান[note ২] | ||
| ৩ | সর্বজীত রানা মগর (১৭৫০–১৭৭৮) |
আনু. ১৭৭৭ | আনু. ১৭৭৮ | কাজী/মূলকাজী[note ৩] | রণবাহাদুর শাহ (১৭৭৫–১৮৯৬) | |
| (1) | বংশরাজ পাঁডে (১৭৩৯–১৭৮৫) |
আনু. ১৭৮২ | আনু. ১৭৮৫ | দেওয়ান/মন্ত্রী–নায়ক[note ৪] | ||
| ৪ | অভিমান সিং বস্ন্যাত (১৭৪৪–১৮০০) |
আনু. ১৭৮৫ | আনু. ১৭৯৪ | মূলকাজী[note ৫] | ||
| — | বাহাদুর শাহ (১৭৫৭–১৭৯৭) |
আনু. ১৭৮৫ | আনু. ১৭৯৪ | মূল–চৌতারিয়া[note ৬] | ||
| ৫ | কীর্তিমান সিং বস্ন্যাত (১৭৬০–১৮০১) |
আনু. ১৭৯৪ | আনু. ১৮০১ | মূলকাজী[note ৭] | ||
| গীর্বাণযুদ্ধ বিক্রম শাহ (১৭৯৯–১৮১৬) | ||||||
| ৬ | বখতাবর সিং বস্ন্যাত (১৭৫৯–১৭৪০) |
আনু. ১৮০১ | আনু. ১৮০৩ | মূলকাজী[note ৮] | ||
শাহের সম্প্রসারণ যুগে মূলকাজী এবং মুখতিয়ারদের তালিকা (খ্রিস্টাব্দ ১৮০৩–১৮৪৬)
[সম্পাদনা]| ক্রম সংখ্যা | চিত্র | নাম (জন্ম–মূত্যু) |
কার্যালয়ের মেয়াদ | রাজা (শাসন) | |
|---|---|---|---|---|---|
| পদ গ্রহণ | পদ ত্যগ | ||||
| ১ | দামোদর পাঁডে (১৭৫২–১৮০৪) |
ফেব্রুয়ারি ১৮০৩ | মার্চ ১৮০৪ | গীর্বাণযুদ্ধ বিক্রম শাহ (১৭৯৯–১৮১৬) | |
| — | রণবাহাদুর শাহ (১৭৭৫–১৮০৬) |
১৮০৪ [note ৯] | ২৫ এপ্রিল ১৮০৬ | ||
| ২ | ভীমসেন থাপা (১৭৭৫–১৮৩৯) |
১৮০৬ | জুলাই ১৮৩৭ | ||
| রাজেন্দ্র বিক্রম শাহ (১৮১৬–১৮৪৭) | |||||
| 3 | রণজঙ্গ পাঁডে (১৭৮৯–১৮৪৩) প্রখম বার |
১৮৩৭ | ১৮৩৭ | ||
| ৪ | রঙ্গনাথ পৌড্যাল (১৭৭৩–১৮৪৬) প্রখম বার |
অক্টোবর ১৮৩৭ | অগস্ট ১৮৩৮ | ||
| ৫ | চৌতারিয়া পুষ্কর শাহ (১৭৮৪–১৮৪৬) |
অক্টোবর ১৮৩৮ | ১৮৩৯ | ||
| (৩) | রণজঙ্গ পাঁডে (১৭৮৯–১৮৪৩) দ্বীতিয় বার |
এপ্রিল ১৮৩৯ | ১৮৪০ | ||
| (4) | রঙ্গনাথ পৌড্যাল (১৭৭৩–১৮৪৬) দ্বীতিয় বার |
১৮৪০ | ১৮৪০ | ||
| ৬ | ফত্তেজঙ্গ শাহ (১৮০৫–১৮৪৬) প্রথম বার |
নভেম্বর ১৮৪০ | জানুয়ারি ১৮৪৩ | ||
| ৭ | মাথবরসিংহ থাপা (১৭৯৮–১৮৪৫) |
নভেম্বর ১৮৪৩ | ১৭ মে ১৮৪৫ | ||
| (৬) | ফত্তেজঙ্গ শাহ (১৭০৫–১৮৪৬) দ্বীতিয় বার |
সেপ্টেম্বর ১৮৪৫ | ১৪ সেপ্টেম্বর ১৮৪৬ (হত্যাকাণ্ড) | ||
রাণাকালীন প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা (খ্রিস্টাব্দ ১৮৪৬–১৯৫১)
[সম্পাদনা]| ক্রম সংখ্যা | চিত্র | নাম (জন্ম–মূত্যু) |
কার্যালয়ের মেয়াদ | রাজা (শাসন) | ||
|---|---|---|---|---|---|---|
| পদ গ্রহণ | পদ ত্যগ | দিন | ||||
| ৪ | জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮১৬–১৮৭৭) প্রখম বার |
১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৪৬ | ০১ অগস্ট ১৮৫৬ | ৯ বছর, ৩২১ দিন | সুরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ (১৮৪৭–১৮৮১) | |
| ৯ | বমবাহাদুর কুঁবর (১৮১৮–১৮৫৭) |
১ অগস্ট ১৮৫৬ | ২৫ মে ১৮৫৬ | ২৯৭ দিন | ||
| — | কৃষ্ণ বাহাদুর কুঁবর রাণা (১৮২৩–১৮৬৩) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী |
২৫ মে ১৮৫৭ | ২৮ জুন ১৮৫৭ | ৩৪ দিন | ||
| (৮) | জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮১৬–১৮৭৭) দ্বীতিয় বার |
২৮ জুন ১৮৫৭ | ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭ | ১৯ বছর, ২৪২ দিন | ||
| ১০ | রণোদ্দীপ সিং কুঁবর (১৮২৫–১৮৮৫) |
২৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭ | ২২ নভেম্বর ১৮৮৫ (হত্যা) |
৮ বছর, ২৭০ দিন | ||
| পৃথিবী বীর বিক্রম শাহ (১৮৮১–১৯১১) | ||||||
| ১১ | বীর শমশের জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮৫২–১৯০১) |
২২ নভেম্বর ১৮৮৫ | ৫ মার্চ ১৯০১ | ১৫ বছর, ১০৩ দিন | ||
| ১২ | দেব শমশের জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮৬২–১৯১৪) |
৫ মার্চ ১৯০১ | ২৭ জুন ১৯০১ | ১১৪ দিন | ||
| ১৩ | চন্দ্র শমশের জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮৬৩–১৯২৯) |
২৭ জুন ১৯০১ | ২৬ নভেম্বর ১৯২৯ | ২৮ বছর, ১৫২ দিন | ||
| ত্রিভুবন বীর বিক্রম শাহ (১৯১১–১৯৫৫) | ||||||
| ১৪ | ভীম শমশের জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮৬৫–১৯৩২) |
২৬ নভেম্বর ১৯২৯ | ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ | ২ বছর, ২৮০ দিন | ||
| ১৫ | যুদ্ধ শমশের জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮৭৫–১৯৫২) |
১ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ | ২৯ নভেম্বর ১৯৪৫ | ১৩ বছর, ৮৯ দিন | ||
| ১৬ | পদ্ম শমশের জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮৮২–১৯৬১) |
২৯ নভেম্বর ১৯৪৫ | ৩০ এপ্রিল ১৯৪৮ | ২ বছর, ১৫৩ দিন | ||
| ১৭ | মোহন শমশের জঙ্গবাহাদুর রাণা (১৮৮৫–১৯৬৭) |
৩০ এপ্রিল ১৯৪৮ | ১২ নভেম্বর ১৯৫১ | ৩ বছর, ১৯৬ দিন | ||
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ বি.সং ১৮৩৩ সাউনের ২২ (২ অগস্ট ১৭৭৬) তারিখের নথিতে স্বরূপ সিং কার্কি এবং বংশরাজ পাঁডে উভয়েই দেবান উপাধি (প্রধানমন্ত্রীর সমান) বহন করেছিলেন তা স্পষ্ট হয়। [৩]
- ↑ বি.সং ১৮৩৩ সাউনের ২২ (২ অগস্ট ১৭৭৬) তারিখের নথিতে স্বরূপ সিং কার্কি এবং বংশরাজ পাঁডে উভয়েই দেবান উপাধি (প্রধানমন্ত্রীর সমান) বহন করেছিলেন তা স্পষ্ট হয়। [৩]
- ↑ ইতিহাসবিদ ডিল্লীরামণ রেগ্মি দাবি করেছেন যে সার্বজিত রানা মাগর মূলকাজি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। ইতিহাসবিদ ঋষিকেশ শাহ বলেছেন যে সার্বজিতকে কেবল কাজি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল এবং ১৭৭৮ সালে অল্প সময়ের জন্য নেপাল সরকারের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।[৪]
- ↑ ডেনিয়েল রাইট রণবাহাদুর শাহের শাসনকালে তাকে মন্ত্রী-নায়ক (প্রধানমন্ত্রী) হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।[৫]
- ↑ অভিমান সিং বস্ন্যাতকে মূলকাজী হিসেবে কীর্তিমান সিং বস্ন্যাত দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। [৬] খ্রিস্টাব্দ ১৭৯৪ সালে রাজা রণবহাদুর শাহের পরিপক্কতার বিষয়ে সরকারকে বরখাস্ত করার পর অভিমান সিং বাস্ন্যাতকে মুলকাজীরূপে কীর্তিমান সিং বাস্ন্যাত প্রতিস্থাপন করেছিলেন। [৭]
- ↑ খ্রিস্টাব্দ ১৭৮৫ সালের জুলাই মাসে রানী রাজেন্দ্র লক্ষ্মীর মৃত্যুর পরে বাহাদুর শাহ ভারদারের (কর্মকার্তা) আহ্বানে পুনরাবৃত্তি ও প্রশাসন গ্রহণ করেছিলেন। ইতিহাসবিদ বাবুরাম আচার্যর অনুসারে, বাহাদুর শাহের শাসনকালকে "প্রধানমন্ত্রীত্ব" বা "প্রধানমন্ত্রী" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নেপালের রাজকুমার বাহাদুর শাহ মূল চৌতারিয়া হিসেবে ১৭৯৪ পর্যন্ত কাজ করেছেন। মূল চৌতারিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কার্য পরিচালনা করতেন। [৮]
- ↑ খ্রিস্টাব্দ ১৭৯৪ সালে মুলকাজির পদ কীর্তিমান সিংহকে প্রদান করা হলেও দামোদর পাঁডে সবচেয়ে প্রভাবশালী কাজী ছিলেন[৭] এবং দামোদর ১৭৯৯ সালে স্ব-সন্ন্যাসী রাজা রানবহাদুর শাহের রাজকীয় অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা হতে না দেওয়ার জন্য সামরিক বল ও দ্বিতীয় সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। [৯][১০]
- ↑ নিহত কির্তিমান সিং-এর ভাই বখতাবর সিং বস্ন্যাতকে পরে মূলকাজির পদ প্রদান করা হয়েছিল।[১১]
- ↑ মুখতিয়ারের পদটি ১৮০৪ খ্রিস্টাব্দে প্রখ্যাত রাজা রণবাহাদুর শাহ দ্বারা গঠিত ও শাসিত হয়।[১২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "शीतलनिवासमा जुट्यो सहमति : सुशीला कार्कीको आजै शपथ, प्रतिनिधिसभा विघटन हुने"। অনলাইন খবর (নেপালি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "नवनियुक्त प्रधानमन्त्री कार्कीले लिइन् शपथ"। অনলাইন খবর (নেপালি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- 1 2 D.R. Regmi 1975, পৃ. 272।
- ↑ Shaha 2001, পৃ. 21।
- ↑ Wright 1877, পৃ. 260।
- ↑ Karmacharya 2005, পৃ. 56।
- 1 2 Pradhan 2012, পৃ. 12।
- ↑ Regmi 1971, পৃ. 12।
- ↑ Pradhan 2012, পৃ. 13।
- ↑ Acharya 2012, পৃ. 28–32।
- ↑ Acharya 2012, পৃ. 35।
- ↑ Pradhan 2012, পৃ. 25।