নেপালের জাতি
অবয়ব
এই নিবন্ধে একাধিক সমস্যা রয়েছে। অনুগ্রহ করে নিবন্ধটির মান উন্নয়ন করুন অথবা আলাপ পাতায় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
|
নেপালের জাতিগত গোষ্ঠীগুলোকে ভাষা, জাতিগত পরিচিতি বা নেপালের বর্ণপ্রথা ব্যবহার করে চিহ্নিত করা হয়। তাদেরকে সাধারণ সংস্কৃতি এবং অন্তর্বিবাহের ভিত্তিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। নেপালে অন্তর্বিবাহ জাতিগোষ্ঠীগুলিকে আলাদা করে তোলে।[১]
নেপালের বিস্তৃত জাতিগত বিভাগ
[সম্পাদনা]| ক্রম | বিস্তৃত জাতিগত শ্রেণী | উপ-শ্রেণী | শতকরা হার | ভাষা পরিবার | মোট জনসংখ্যা শতকরা হার |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ | খস-আর্য (পাহাড়ী গোষ্ঠী) | ছেত্রী | ১৬.৬০% | ইন্দো-আর্য | ৩৯.৩৭% |
| ব্রাহ্মণ | ১২.১৮% | ||||
| দলিত | ৮.১২% | ||||
| ঠকুরি | ১.৬১% | ||||
| সন্ন্যাসী/দশনামী | ০.৮৬% | ||||
| ২ | জনজাতি | পাহাড়ী: গুরুং, শেরপা, তামাং, মগর, ঘলে, কিরাত (রাই, লিম্বু, সুনুয়ার) ইত্যাদি। | ২২.২৮% | চীনা-তিব্বতি | ৩০.৮১% |
| তরাই: থারু, রাজবংশী, ধিমাল, ইত্যাদি। | ৮.৫৩% | ইন্দো-আর্য, অস্ট্রো-এশীয়, চীনা-তিব্বতি ভাষাসমূহ | |||
| ৩ | নেওয়ার | নেওয়ার (মধ্যবিত্ত) | ৩.১% | চীনা-তিব্বতি | ৫.৫% |
| নেওয়ার (নিম্ন) | ০.৪% | ||||
| নেওয়ার (বৌদ্ধ) | ০.৮% | ||||
| নেওয়ার (উচ্চ) | ১.১% | ||||
| ৪ | মধেশী (তরাই বর্ণ গোষ্ঠী)* | মধেশী (মধ্যবিত্ত): তেলি, কুর্মি, বনিয়া, কালওয়ার, হলওয়াই, মল্লাহ, মালি, রাজভর ইত্যাদি। | ৯.৯৭% | ইন্দো-আর্য | ২৯.৪৩% |
| মধেশী (দলিত): চামার, ধনুক, ডোম, মুসাহার, দুষাধ, তাতমা ইত্যাদি। | ৪.৫০% | ||||
| মধেশী (নেপালি মুসলমান) (২০২১* সাল থেকে মধেশী অপসারিত) | ৪.৩৯% | ||||
| মধেশী (নিম্ন): দুষাধ, তাতমা, ধোবি, কাহার, নাটুয়া, খাতিক, কালার, বানতর, ইত্যাদি। | ৩.৮৬% | ||||
| মধেশী (উচ্চ): মৈথিল ব্রাহ্মণ, কুশবাহা, যাদব, রাজপুত, কায়স্থ, ইত্যাদি | ৬.৭১% | ||||
| ৫ | মারোয়াড়ি, বাঙালি, পাঞ্জাবি | − | ০.৩২% | ইন্দো-আর্য | ০.৩২% |
| ৬ | অনির্দিষ্ট ও বিদেশী | − | ১.০৭% | − | ১.০৭% |
| মোট[যোগফল মিলছে না] | ১০০% | ||||
*দ্রষ্টব্য: ২০২১ সালে মধেশী কমিশন মুসলমান এবং থারুদের মধেশীদের তালিকা থেকে অপসারণ করেছে। মধেশী কমিশন কর্তৃক পরিচালিত 'নেপালে মধেশী সম্প্রদায়ের উপাধি গণনা -২০৭৮ বি.এস.' শীর্ষক উপাধি তালিকায়, উপ-গোষ্ঠী-১-এ থারু এবং উপ-গোষ্ঠী-২-এ মুসলমানদের অপসারণ করা হয়েছে।[২][৩][৪][৫]
মোট জনসংখ্যার ১% এর বেশি নেপালের বর্ণ/জাতিগত গোষ্ঠী (২০২১ জনশুমারি)[৬]
- ছেত্রী 16.45 (১৫.৯%)
- ব্রাহ্মণ-পাহাড় 11.29 (১০.৯%)
- মগর 6.9 (৬.৬৯%)
- থারু 6.2 (৬.০১%)
- তামাং 5.62 (৫.৪৫%)
- কামি 5.04 (৪.৮৮%)
- মুসলমান 4.86 (৪.৭১%)
- নেওয়ার 4.6 (৪.৪৬%)
- যাদব 4.2 (৪.০৭%)
- রাই 2.1 (২.০৪%)
- দমাই 0.94 (০.৯১%)
- গুরুং 1.86 (১.৮০%)
- ঠকুরি 1.7 (১.৬৫%)
- সার্কি 1.55 (১.৫০%)
- তেলি 1.48 (১.৪৩%)
- লিম্বু 1.5 (১.৪৫%)
- চামার/হরিজন 1.35 (১.৩১%)
- কুশবাহা 1.22 (১.১৮%)
- অন্যান্য 24.32 (২৩.৬%)
ভাষাগত গোষ্ঠী
[সম্পাদনা]জনসংখ্যা অনুসারে নেপালে জাতি/জাতিগততা
[সম্পাদনা]নতুন সংযোজিত জাতি/জাতিসত্তাগুলো হল রণথারু, ভূমিহার, বাঁকারিয়া, সুরেল, চুম্বা/নুব্রি, ফ্রী, মুগাল/মুগুম, পুন, রাউনিয়ার, বানিয়ান, গন্ধ/গোন্ড, কারমারং, খটিক, বেলদার, চাই/খুলৌত, ডন এবং কেওয়ারাত।[৭]
ধর্ম
[সম্পাদনা]উদ্ধৃতি
[সম্পাদনা]পাদটীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Mishra, Pramod (২৬ আগস্ট ২০২০)। "Endogamy, hierarchy and violence"। The Kathmandu Post (English ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;:2নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;:3নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;:4নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;:5নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (২০২১)। জাতীয় জনসংখ্যা ও আবাসন শুমারি ২০২১, বর্ণ/জাতিগত প্রতিবেদন। নেপাল সরকার (প্রতিবেদন)।
- ↑ "National Population and Housing Census 2021 National Report on Caste/ethnicity, Language & Religion" (পিডিএফ)।