নিয়ন্ত্রিত ওষুধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

প্রশাসনিক বা আইনগতভাবে সব ওষুধকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হল নিয়ন্ত্রিত ওষুধ বা কন্ট্রোলড ওষুধ, এগুলো কিনতে হলে রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লাগে; আর অপরটি হল ওভার দ্য কাউন্টার ওষুধ। এগুলো কিনতে রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লাগে না। যেমন, জ্বর ও ব্যথা-বেদনা কমাতে প্রদাহবিরোধী- প্যারাসিটামল, এসপিরিন; সাধারণ সর্দি কাশির ওষুধ ক্লোরফেনার‍্যামিন ইত্যাদি কিনতে রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লাগে না। এগুলো ওভার দ্য কাউন্টার ওষুধ। সাধারণত, ওষুধের দোকানে গিয়ে কাউন্টারে দাঁড়িয়ে প্রেসক্রিপশন দেখানো ছাড়াই এসব ওষুধ কেনা যায় যায় বলে এদের নামকরণ হয়েছে ওভার দ্য কাউন্টার ওষুধ। সাধারণত যে সব ওষুধের অপব্যবহার হয়, সে গুলোকে নিয়ন্ত্রিত ওষুধ বা কন্ট্রোলড ওষুধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এগুলো কিনতে হলে রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লাগে।

১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধ নীতির মাধ্যমে ফেনসিডিল ও এলকোহলযুক্ত হোমিওপ্যাটেন্ট ওষুধসহ নেশার উপকরণরূপে ব্যবহৃত হতে পারে বা ওষুধের অপব্যবহার হতে পারে এমন কতিপয় হেলথ টনিক, ট্যাবলেট, সিরাপ ইত্যাদির উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধ করা হয়। ১৯৮৪ সালে আফিম এবং মদের বিকল্প সুরা নিষিদ্ধ করা হয়। ১৯৮৭ সালে দেশে গাঁজার চাষ বন্ধ এবং ১৯৮৯ সালে সকল গাঁজার দোকান তুলে দেয়া হয। [১][২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=119974.
  2. জাতীয় ওষুধ নীতি ২০০৫, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ.