নাবাতীয় আরামীয়
| নাবাতীয় আরামীয় | |
|---|---|
| অঞ্চল | আরব পেত্রিয়া |
| বিলুপ্ত | প্রাথমিক ইসলামি যুগে (আনু. ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ) এর লিখিত রূপ আরবি ভাষার সাথে একীভূত হয়ে যায়।
|
পূর্বসূরী | |
| নাবাতীয় লিপি | |
| ভাষা কোডসমূহ | |
| আইএসও ৬৩৯-৩ | অজানা (নেই) |
ভাষাবিদ তালিকা | qhy |
| গ্লোটোলগ | naba1259[২] |
নাবাতীয় আরামীয় হলো আরামীয় ভাষার একটি বিলুপ্ত রূপ, যা ট্রান্সজর্ডান, উত্তর-পশ্চিম আরব উপদ্বীপ, নেগেভ এবং সিনাই উপদ্বীপের নাবাতীয় আরবদের শিলালিপিতে ব্যবহৃত হতো। আরামীয় ভাষার অন্যান্য রূপের তুলনায় এটি আরবি বা অন্যান্য প্রাচীন উত্তর আরবীয় ভাষা থেকে প্রচুর পরিমাণে কৃতঋণ শব্দ এবং ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্যের গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।[৩]
খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে নাবাতীয় সাম্রাজ্যের সময়ের বেশ কিছু দীর্ঘ উৎসর্গমূলক ও সমাধি শিলালিপি এবং কয়েকটি আইনি নথিতে এই ভাষার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ১০৬ খ্রিস্টাব্দে রোমান সাম্রাজ্য কর্তৃক এই সাম্রাজ্য দখলের পরও কয়েক শতাব্দী ধরে নাবাতীয় আরামীয় ভাষার ব্যবহার প্রচলিত ছিল। সময়ের সাথে সাথে, স্বতন্ত্র নাবাতীয় লিপি ক্রমশ আরবি ভাষায় পাঠ লেখার জন্য ব্যবহৃত হতে থাকে। এর ফলে, এর সর্বশেষ পর্যায় থেকে আরবি লিপির আদি রূপের উৎপত্তি ঘটে, যা নাবাতীয়-আরবি নামে পরিচিত।
নাবাতীয় আরামীয় ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব কেবল আংশিকভাবে পুনর্গঠন করা সম্ভব, যা মূলত এর ব্যঞ্জনবর্ণভিত্তিক লিপি এবং আরামীয় ভাষার অন্যান্য রূপের সাথে তুলনার ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। একইভাবে, এর রূপমূলতত্ত্ব এবং বাক্যতত্ত্বও অসম্পূর্ণভাবে সংরক্ষিত, তবে এগুলো এই সময়ের অন্যান্য আরামীয় রূপের সাথে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। নাবাতীয় শব্দভাণ্ডারও মূলত আরামীয় উৎস থেকে আগত, তবে এতে আরবি, গ্রিক এবং অন্যান্য ভাষা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কৃতঋণ শব্দ রয়েছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]উৎপত্তি ও ভাষাগত শ্রেণিবিভাগ
[সম্পাদনা]অ্যাকিমেনিড সাম্রাজ্যের পতনের সাথে সাথে (৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), আরামীয় ভাষা নিকট প্রাচ্যের লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বা প্রধান সংযোগকারী ভাষা হিসেবে তার গুরুত্ব হারায়। এর পাশাপাশি তখন কোয়েন গ্রিক ভাষার আবির্ভাব ঘটে। পূর্বেকার ঐক্যবদ্ধ লিখিত সংস্কৃতি বিভিন্ন স্থানীয় ধারা বা স্কুলে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং পুরনো আঞ্চলিক উপভাষাগুলোও লিখিত ভাষা হিসেবে গুরুত্ব পেতে শুরু করে।[৪]
নাবাতীয় আরামীয় ছিল এমনই একটি স্থানীয় রূপ। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে পাওয়া নাবাতীয় শিলালিপির ভাষা অ্যাকিমেনিড সাম্রাজ্যের সাম্রাজ্যিক আরামীয়ের কাছাকাছি,[৫] তবে এতে স্থানীয় বিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।[৬] সাম্রাজ্যিক আরামীয়ের তুলনায় এর অল্প কিছু নতুনত্বের মধ্যে কর্মকারক নির্দেশক yt এর ব্যবহার একটি পশ্চিমা আরামীয় বৈশিষ্ট্য,[৭] যদিও এর পুরনো রূপ ʔyt ইতোমধ্যেই প্রাচীন আরামীয় ভাষায় দেখা যায়।[৮] যেহেতু নাবাতীয় আরামীয় ভাষা পূর্ব আরামীয় ভাষার কোনো সাধারণ বিবর্তনে অংশগ্রহণ করেনি, তাই একে সাধারণত পশ্চিমা আরামীয় হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।[৯]
নিদর্শন
[সম্পাদনা]
নাবাতীয় লেখার নিদর্শন পেত্রা, বোসরা এবং হেগ্রা (মাদাইন সালিহ) শহরের সমাধি ও উৎসর্গমূলক শিলালিপিতে পাওয়া যায়। দক্ষিণ সিনাই উপদ্বীপ এবং নাবাতীয় রাজাদের শাসনাধীন অন্যান্য অঞ্চলেও অনেক ছোট ছোট শিলালিপি পাওয়া গেছে। নাহাল হেভারে প্যাপাইরাসে লেখা বেশ কিছু নাবাতীয় পাঠ্য পাওয়া গেছে।[১১]
সবচেয়ে পুরনো নাবাতীয় শিলালিপিটি নেগেভের এলুসাতে পাওয়া গেছে। শিলালিপিটিতে "নাবাতীয়দের রাজা আরেতাসের" উল্লেখ আছে, যাকে জোসেফ নাভে প্রথম আরেতাস হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি ছিলেন একজন আরব শাসক যার কাছে ইহুদি প্রধান পুরোহিত জেসন ১৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পেত্রায় আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়।[১২] এই শিলালিপিটিতে নাবাতীয় ভাষার কিছু বৈশিষ্ট্যের অভাব রয়েছে এবং এটি সাম্রাজ্যিক আরামীয় ও ইহুদি লিপির অনুরূপ।[১২] তাই কিছু পণ্ডিত মনে করেন যে, জর্ডানের পেত্রায় পাওয়া একটি শিলালিপিই সবচেয়ে পুরনো নাবাতীয় শিলালিপি, যা খ্রিস্টপূর্ব ৯৬ বা ৯৫ অব্দের শেষ হেলেনীয় যুগের।[১৩]
এখন পর্যন্ত ৪,০০০-এরও বেশি নাবাতীয় আরামীয় শিলালিপি নিশ্চিত করা হয়েছে।[১৩] এর বেশিরভাগই পাথরের গায়ে খোদাই করা, যেমন পেত্রার আসলা ট্রিক্লিনিয়াম শিলালিপি (৯৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), ওয়াদি তুমিলাত থেকে প্রাপ্ত দেবী আল-কুতবার উদ্দেশ্যে উৎসর্গকৃত শিলালিপি (৭৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) এবং পেত্রার প্রথম রাব্বেলের শিলালিপি (৬৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।[১৪] পেঁচানো বা কার্সিভ নাবাতীয় লিপিতে লেখা সবচেয়ে প্রাচীন শিলালিপিটি ইসরায়েলের বেয়রশেবা শহরের কাছে হোরভাত রাকিকে আবিষ্কৃত হয়েছে। এই শিলালিপিটি কেবল এর প্রাচীনত্বের জন্যই নয়, বরং এটি একটি বড় পাথরের ওপর কালি দিয়ে লেখা হওয়ার কারণেও অনন্য।[১২] একইভাবে প্যাপাইরাসে কালি দিয়ে লেখা কার্সিভ পাঠ্য বাবাথা আর্কাইভে পাওয়া গেছে।[১৫] কিছু খননকার্যে ধাতব বস্তুর ওপর শিলালিপি পাওয়া গেছে, যার বেশিরভাগই ধাতব মুদ্রার ওপর। দক্ষিণ জর্ডানের ওয়াদি মুসায় খননকার্যের ফলে নাবাতীয় শিলালিপি সংবলিত ডজনখানেক ব্রোঞ্জের টুকরো পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি ব্রোঞ্জের তেলের প্রদীপ রয়েছে যা একজন পুরোহিত এবং তার পুত্রের পক্ষ থেকে প্রথম ওবোডাসের প্রতি উৎসর্গ করার প্রমাণ দেয়।[১৪] এটি নাবাতীয় রাজা দ্বিতীয় রাব্বেল সোটারের রাজত্বকালের (৭০-১০৬ খ্রিস্টাব্দ)।
অবলুপ্তি
[সম্পাদনা]
নাবাতীয় আরামীয় ভাষার একদম শুরুর দিককার নিদর্শন থেকেই এতে আরবি বা প্রাচীন উত্তর আরবীয় কৃতঋণ শব্দ এবং ব্যাকরণের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়, যা এই ভাষাগুলোর সাথে গভীর যোগাযোগের প্রতিফলন।[৩] খ্রিস্টীয় প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দীর আইন আভদাত থেকে প্রাপ্ত একটি নাবাতীয় শিলালিপিতে এমনকি তিন লাইনের আরবি কবিতাও রয়েছে, যার অর্থ নিয়ে বিতর্ক আছে।[১৬] তৃতীয় শতাব্দী থেকে নাবাতীয় লিপি ক্রমবর্ধমানভাবে আরবি ভাষা লেখার জন্য ব্যবহৃত হতে থাকে। এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণের মধ্যে রয়েছে আরামীয়-আরবি মিশ্রিত সমাধি শিলালিপি এবং সম্পূর্ণ আরবিতে লেখা নামারা শিলালিপি।
জঁ কান্তিনো এর মতে, এটি নাবাতীয় আরামীয় ভাষার ব্যাপক ব্যবহারের সমাপ্তির সূচনা করে এবং এর স্থান আরবি দখল করে নেয়। এই প্রক্রিয়ার সময়, "নাবাতীয় ভাষা ধীরে ধীরে তার আরামীয় উপাদানগুলো হারিয়ে ফেলতে থাকে এবং ধারাবাহিকভাবে সেগুলোকে আরবি কৃতঋণ শব্দ দ্বারা প্রতিস্থাপন করে"।[১৭] এই তত্ত্বটি বহুল স্বীকৃত হলেও বিতর্কিত। মাইকেল প্যাট্রিক ও'কনর কান্তিনো কর্তৃক চিহ্নিত কথিত আরবি কৃতঋণ শব্দগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বলেছেন যে, কৃতঋণ শব্দগুলো মূলত প্রযুক্তিগত শব্দাবলীতেই সীমাবদ্ধ।[১৮] অতি সম্প্রতি, অ্যারন বাটস যুক্তি দিয়েছেন যে, সৌদি আরবের উত্তরে হেগ্রার সমাধি শিলালিপিগুলোতে আরামীয় ভাষার ব্যবহার মূলত কোনো উত্তর আরবীয় ভাষার মাতৃভাষীদের অসম্পূর্ণ ভাষা শিক্ষার প্রতিফলন।[৩]
নাবাতীয় লিপিতে আরবি লেখার এই উত্থানের সময়ও কয়েক শতাব্দী ধরে নাবাতীয় আরামীয় ভাষা লেখা হতো। এই সময়ের দীর্ঘ পাঠ্যগুলো মূলত উত্তর আরবীয় মরূদ্যান শহরগুলোর কয়েকটি সমাধি শিলালিপি। এগুলোতে হিব্রু থেকে উদ্ভূত নামের আধিক্য থাকায় ধারণা করা হয় যে, এগুলো স্থানীয় ইহুদি সম্প্রদায়ের সদস্যদের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল।[১৯] আবিষ্কৃত সর্বশেষ নাবাতীয় শিলালিপিটি ৩৫৬ খ্রিস্টাব্দের। এটি হেগ্রায় পাওয়া গেছে।[১৩][২০][২১] ২০০৪ সালে উত্তর-পশ্চিম সৌদি আরবের জাবাল উম্ম জাদায়িদে ৪৫৫/৬ খ্রিস্টাব্দের আরও পরের একটি গ্রাফিতি আবিষ্কৃত হয় যা নাবাতীয়-আরবি হরফে লেখা ছিল, তবে এর আরামীয় বিষয়বস্তু কেবল কিছু নির্দিষ্ট প্রথাগত বাক্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল; বাকি অংশটুকু ছিল সম্পূর্ণ আরবি।[২২]
পাঠোদ্ধার, নথিকরণ ও বর্ণনা
[সম্পাদনা]
সিনাই মরুভূমিতে হাজার হাজার নাবাতীয় গ্রাফিতির অস্তিত্ব, যেগুলোকে মূলত "সিনাইটিক" বলা হতো, তা দীর্ঘকাল ধরে পরিচিত ছিল।[২৩] পালমাইরিন, ফিনিশীয় এবং সাম্রাজ্যিক আরামীয়ের সম্পর্কিত লিপিগুলোর জঁ-জাক বার্থেলেমির আগের পাঠোদ্ধারের ওপর ভিত্তি করে, এডুয়ার্ড ফ্রেডরিখ ফার্ডিনান্ড বিয়ার ১৮৪০ সালে নাবাতীয় লিপির পাঠোদ্ধার প্রকাশ করেন।[২৪]
উনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় পণ্ডিতদের মাধ্যমে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের পাঠ্য আবিষ্কৃত ও প্রকাশিত হতে থাকে। এই সময়ে কান্তিনোর নাবাতীয় আরামীয় ব্যাকরণ এবং নমুনা পাঠ্যসহ শব্দভাণ্ডারও প্রকাশিত হয়।[২৫][২৬] ১৯৬০-এর দশকে নাহাল হেভারের 'কেভ অফ লেটারসে' আবিষ্কৃত প্যাপাইরাসে লেখা আইনি নথিগুলো এই সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।[১৫] অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার মধ্যে রয়েছে জে. হিলি কর্তৃক ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত মাদাইন সালেহের সমাধি শিলালিপি এবং ২০২১ সালে জি. পেত্রান্তোনি কর্তৃক প্রকাশিত নাবাতীয় আরামীয়-গ্রিক দ্বিভাষিক পাঠ্যের সংকলন।[২৭][২৮] বর্তমানেও নতুন নতুন শিলালিপি আবিষ্কৃত ও প্রকাশিত হচ্ছে।
লিপি
[সম্পাদনা]
নাবাতীয় লিপির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রবাহী বা পেঁচানো শৈলী। কালিতে লেখা হাতেগোনা কিছু লিপিতে এই বৈশিষ্ট্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, যেখানে লিপির আরও উন্নত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। নাবাতীয় বর্ণমালা মূলত ইম্পেরিয়াল আরামীয় বর্ণমালা থেকে বিবর্তিত হয়েছে। এটি আরবি বর্ণমালার পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করেছে, যা ৫ম শতাব্দীতে নাবাতীয় লিপির প্রবাহী রূপভেদ থেকে বিকশিত হয়েছিল।[৩০]
আরবি লিপির উৎস নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ ছিল। একটি মতবাদ অনুসারে (যা বর্তমানে প্রান্তিক হিসেবে বিবেচিত), আরবি লিপির উদ্ভব হয়েছে সিরিয়াক লিপি থেকে, যার আদি উৎসও ছিল ইম্পেরিয়াল আরামীয়। থিওডর নোলডেকের নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় মতবাদটি আরবি লিপির উৎস হিসেবে নাবাতীয় লিপিকে চিহ্নিত করে।[৩১] পরবর্তীতে জন হিলি সিরিয়াক এবং আরবি বর্ণমালা নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে এই তত্ত্বটি নিশ্চিত করেন।[৩২]
ধ্বনিবিজ্ঞান
[সম্পাদনা]ক্যান্টিনোর মতে, নাবাতীয় আরামীয় ভাষায় নিচের ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো বিদ্যমান ছিল:[৩৩]
আরামীয় ভাষার অন্যান্য সমসাময়িক উপভাষায় [f], [θ], [x], [v], [ð], এবং [ɣ] হলো যথাক্রমে /p/, /t/, /k/, /b/, /d/, এবং /g/ এর স্বরবর্ণ-পরবর্তী সহধ্বনি। তবে ক্যান্টিনোর মতে, নাবাতীয় ভাষার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য কি না তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।[৩৪] অঘোষ শিসধ্বনি /s/ এবং /ʃ/ মাঝে মাঝে লেখার সময় গুলিয়ে ফেলা হতো। /s/ ধ্বনিটি মাঝে মাঝে /ɬ/ এর সাথে অদলবদল হতো, যা /ʃ/ এর মতো একই চিহ্ন দিয়ে লেখা হতো (এই রীতিটি প্রাচীন আরামীয় আমল থেকেই চলে আসছে)। ক্যান্টিনো উল্লেখ করেছেন যে এই ধ্বনিটির ধ্বনিগত মান অনিশ্চিত এবং এটি তালব্যজাত হতে পারে বলে তিনি মত দেন;[৩৫] তবে পরবর্তীকালের গবেষণায় একে পার্শ্বিক উষ্মধ্বনি হিসেবে যুক্তি দেওয়া হয়েছে।[৩৬] অলিজিহ্ব্য উষ্মধ্বনি /χ/ এবং /ʁ/ সংরক্ষিত ছিল নাকি পরবর্তীকালের আরামীয় ভাষার মতো গলনালীয় /ħ/ এবং /ʕ/ এর সাথে মিশে গিয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় না।[৩৭]
যেহেতু নাবাতীয় লিপি হ্রস্ব স্বরবর্ণ নির্দেশ করে না, তাই স্বরধ্বনির একমাত্র তথ্য পাওয়া যায় ভিনদেশি লিপ্যন্তরে সংরক্ষিত নামগুলো থেকে। তবে এগুলো সাধারণত আরবি উৎসজাত এবং নাবাতীয় আরামীয় স্বরধ্বনি সম্পর্কে বিশেষ কিছু ধারণা দেয় না।[৩৮] আদি-আরামীয় দীর্ঘ *ā মাঝে মাঝে mater lectionis (পঠন সহায়ক বর্ণ) w দিয়ে লেখা হতো, যেমন— *ʔināš > ʔnwš 'মানুষ', *θamānā > tmwnʔ 'আট (পুং.)'। এটি সম্ভবত উচ্চারণে গোলাকৃতি ō-তে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।[৩৯]
রূপমূলতত্ত্ব
[সম্পাদনা]সর্বনাম
[সম্পাদনা]
নাবাতীয় ভাষায় প্রাপ্ত নামপুরুষের স্বাধীন পুরুষবাচক সর্বনামগুলো হলো একবচন পুংলিঙ্গ hw (কদাচিৎ hwʔ), একবচন স্ত্রীলিঙ্গ hy, এবং বহুবচন পুংলিঙ্গ hm।[৪০] এগুলো নির্দেশক সর্বনাম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। মৃত সাগর অঞ্চলে পাওয়া আইনি নথিগুলোতে উত্তম পুরুষ একবচন ʔnh এবং মধ্যম পুরুষ একবচন পুংলিঙ্গ ʔnt এর উপস্থিতিও পাওয়া যায়।[৪১]
উত্তম পুরুষ বহুবচনের প্রত্যয়যুক্ত সর্বনাম হলো -nʔ। আরামীয় ভাষার অন্যান্য অনেক উপভাষায় শুধু -(a)n থাকলেও, নাবাতীয় ভাষায় অন্তিম স্বরধ্বনি *-ā সংরক্ষিত ছিল, যা বস্তুগত পাঠ ʔ দ্বারা নির্দেশিত।[৪২] নামপুরুষ একবচন পুংলিঙ্গ প্রত্যয়টি সাধারণত -h। দীর্ঘ স্বরবর্ণ এবং দ্বি-স্বরধ্বনির পরে -hy ব্যবহৃত হতো, যেমন— ʔbwhy 'তার বাবা', ywmwhy 'তার দিনগুলো'। পরবর্তীকালের গ্রাফিতিতে এই নিয়মটি আর ঠিক থাকেনি এবং -hw ও -w এর মতো অন্যান্য প্রত্যয়ও দেখা যায়।[৪৩] নামপুরুষ একবচন স্ত্রীলিঙ্গ প্রত্যয় সব সময় -h এবং নামপুরুষ বহুবচন (পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ক্ষেত্রে) হলো -hm।[৪৪]
hw, hy এবং hm ছাড়াও সবচেয়ে সাধারণ নির্দেশক সর্বনামগুলো হলো একবচন পুংলিঙ্গ dnh (কদাচিৎ znh), একবচন স্ত্রীলিঙ্গ dʔ, এবং বহুবচন ʔlh। অন্যান্য বিরল বহুবচন রূপগুলো হলো ʔlk এবং ʔnw। পরবর্তী সময়ে একবচনে লিঙ্গভেদ লোপ পায় এবং পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই দুই ধরনের রূপই ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।[৪৫] প্রাচীনতম শিলালিপিগুলোতে সম্বন্ধসূচক অব্যয় হিসেবে zy এবং অন্যত্র dy ব্যবহৃত হতো; এর কোনো রূপান্তর হয় না। এই অব্যয়টি সম্বন্ধসূচক খণ্ডবাক্য গঠন করে, যেমন— dʔ msgdʔ dy ʕbd ʕbydw 'এটি সেই পবিত্র পাথর যা ʕBYDW তৈরি করেছে'। এটি ষষ্ঠী বিভক্তির (genitive) কাজও করতে পারে, যেমন— dnʔ ṣlmʔ dy ʕbdt ʔlhʔ 'এটি দেবতা ওবোডাসের মূর্তি '।[৪৬] সবশেষে, প্রাপ্ত প্রশ্নবোধক এবং অনির্দিষ্ট সর্বনামগুলো হলো mn 'কে' এবং mh 'কী'।[৪৭]
ক্রিয়া
[সম্পাদনা]অন্যান্য সেমিটিক ভাষার মতো নাবাতীয় আরামীয় ভাষাতেও বিভিন্ন (মৌলিক ও সাধিত) ধাতুরূপ দেখা যায়। আরামীয় ভাষার অন্যান্য রূপভেদের সাথে তুলনা করে বলা যায় যে, সক্রিয় ক্রিয়াগুলো সম্ভবত জি-স্টেম (মৌলিক), ডি-স্টেম (D-stems; নিযন্ত বা জোরালো রূপ, যা ভিন্ন স্বরধ্বনি এবং দ্বিতীয় মূলবর্ণের দ্বিত্ব দ্বারা চিহ্নিত) অথবা সি-স্টেম ( প্রযোজক রূপ, যা ভিন্ন স্বরধ্বনি ও একটি উপসর্গ দ্বারা চিহ্নিত) হিসেবে ব্যবহৃত হতো। নাবাতীয় বর্ণমালার সীমাবদ্ধতার কারণে জি এবং ডি-স্টেমের মধ্যে লেখায় কোনো পার্থক্য করা যায় না: যেমন— ʕbd 'তিনি করলেন' (জি-স্টেম), 'তিনি কাছে এলেন' (ডি-স্টেম)। সি-স্টেমের বিভক্তিযুক্ত রূপান্তরে h- উপসর্গ ব্যবহৃত হতো, যেমন— hqym 'তিনি স্থাপন করলেন', অথবা ʔ- যেমন— ʔqymw 'তারা স্থাপন করল'; তবে লেখায় এর রূপান্তরকে জি বা ডি-স্টেম থেকে আলাদা করা যায় না।[৪৮]
জি এবং ডি-স্টেম থেকে মধ্য-কর্মবাচ্য রূপ তৈরি করা হয়। এগুলো একটি -t- উপসর্গ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়; ক্যান্টিনোর উল্লিখিত উদাহরণগুলো সবই উপসর্গযুক্ত রূপান্তর , যেমন— ytptḥ 'এটি খোলা হবে' (tG-স্টেম), ytʔlp 'তিনি নিজের জন্য রচনা করবেন' (tD-স্টেম)। আরামীয় ভাষার অন্যান্য রূপভেদের তুলনায় এখানে শিসধ্বনিযুক্ত মূলবর্ণের ক্রিয়ায় -t- উপসর্গ হিসেবে বসে অথবা কোনো ধ্বনিগত পরিবর্তন ছাড়াই শব্দের মাঝে বসে: যেমন— ytzbn এবং yztbn 'এটি বিক্রি করা হবে'; এই ধরনের রূপ সমসাময়িক মৃত সাগর অঞ্চলের পাঠ্যগুলোতেও পাওয়া যায়।[৪৯] পরবর্তীকালের রূপ mqtry (পূর্ববর্তী mtqrʔ এর বদলে) 'আহূত' শব্দটিতে আরবি ভাষার মতো শিসধ্বনিহীন মূলবর্ণের পরে -t- এর মধ্য-প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহার দেখা যায়, যদিও এই রূপটি পুরোপুরি আরবি থেকে ধার করা হয়নি।[৫০] একটি বিশুদ্ধ কর্মবাচ্য রূপ দ্বিতীয় ও তৃতীয় মূলবর্ণের মাঝে বস্তুগত পাঠ -y- দ্বারা নির্দেশিত হতো, যেমন— dkyr 'স্মরণীয়/স্মরিত'। এটি কখনো বিশেষণের মতো ব্যবহৃত হতো, যেমন— dkyryn 'স্মরণীয় (বহুবচন)', আবার কখনো বিভক্তিযুক্ত ক্রিয়া হিসেবেও ব্যবহৃত হতো, যেমন— ʕbydt 'এটি (স্ত্রী.) করা হয়েছিল'।[৫১]
ক্রিয়ার দুই ধরনের সসমাপিকা রূপান্তর দেখা যায়: 'বিভক্তিযুক্ত রূপান্তর' , যেখানে কর্তা অনুযায়ী শুধু শব্দের শেষে বিভক্তি যুক্ত হয়; এবং 'উপসর্গযুক্ত রূপান্তর' , যেখানে শব্দের শুরুতে ও শেষে উভয় দিকেই পরিবর্তন হয়। প্রাপ্ত বিভক্তিযুক্ত রূপগুলোর মধ্যে রয়েছে -t (নামপুরুষ একবচন স্ত্রীলিঙ্গ এবং মধ্যম পুরুষ একবচন পুংলিঙ্গ) এবং -w (নামপুরুষ বহুবচন); নামপুরুষ একবচন পুংলিঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। উদাহরণ: ʕbd 'তিনি করলেন', ʕbdt 'তিনি (স্ত্রী.) করলেন', ʕbdw 'তারা করল', এবং qrʔt 'তুমি (পুং.) ডাকলে'।[৫২] নামপুরুষ উপসর্গযুক্ত রূপান্তরের চিহ্নগুলো হলো y- (একবচন পুংলিঙ্গ), t- (একবচন স্ত্রীলিঙ্গ), এবং y-...-wn (বহুবচন), যেমন— yʕbd 'সে করবে', tʕbd 'সে (স্ত্রী.) করবে', এবং yktbwn 'তারা লিখবে'।[৫৩] এই সসমাপিকা রূপান্তর ছাড়াও নাবাতীয় আরামীয় ভাষায় অসমাপিকা ক্রিয়া গঠিত হতো। জি-স্টেমের অসমাপিকা রূপের শুরুতে m- যুক্ত হতো, যেমন— mktb 'লিখতে'। জি-স্টেমের সক্রিয় কৃদন্ত পদের কোনো বিশেষ চিহ্ন নেই এবং এর রূপ হয় rḥm 'প্রেমময়'। উপরে যেমন বলা হয়েছে, জি-স্টেমের কর্মবাচ্য কৃদন্ত পদ dkyr 'স্মরণীয়ের' মতো গঠিত হতো। পরবর্তীকালের গ্রাফিতিতে mdk(w)r রূপটিও দেখা যায়, যা আরবি থেকে অনুপ্রাণিত। অন্যান্য সাধিত ধাতুরূপের কৃদন্ত পদগুলো (সক্রিয় ও কর্মবাচ্য উভয়ই) শুরুতে m- যুক্ত করে গঠিত হতো, তবে এর উদাহরণ খুব কম।[৫৪]
বিশেষ্য ও অব্যয়
[সম্পাদনা]
বিশেষ্যে দুটি লিঙ্গ (পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ), দুটি বচন (একবচন ও বহুবচন) এবং তিনটি অবস্থা (নিরপেক্ষ, সম্বন্ধীয় ও নির্ধারক) বিদ্যমান। স্ত্রীলিঙ্গ বিশেষ্যগুলো স্ত্রীবাচক প্রত্যয় (-h, -w, -y) দ্বারা চিহ্নিত হতে পারে অথবা চিহ্নহীনও হতে পারে। পুংলিঙ্গ সব সময় চিহ্নহীন।
বচন ও অবস্থার সমন্বয়ে বিভিন্ন বিভক্তি তৈরি হয়।[৫৭] সম্বন্ধীয় অবস্থায় যা পরবর্তী বিশেষ্য বা প্রত্যয়যুক্ত সর্বনামের মালিকানা প্রকাশ করে—স্ত্রীলিঙ্গ প্রত্যয় -h এর বদলে -t বসে। স্ত্রীলিঙ্গ প্রত্যয় -w এবং -y এর পরেও -t যুক্ত হয়। অন্য কথায়, একবচনে সম্বন্ধীয় অবস্থা এবং নিরপেক্ষ অবস্থা অভিন্ন। বহুবচনের ক্ষেত্রে এক সেট বিভক্তি হলো নিরপেক্ষ -yn (কদাচিৎ -n), সম্বন্ধীয় -y (যা -hy প্রত্যয়ের আগে -w- তে পরিণত হয়), যা পুংলিঙ্গ এবং কিছু স্ত্রীলিঙ্গ বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য স্ত্রীলিঙ্গ বিশেষ্যের ক্ষেত্রে বহুবচনের সম্বন্ধীয় রূপটি একবচনের সম্বন্ধীয় রূপের মতোই লেখা হয় (যদিও বহুবচনে সম্ভবত একটি দীর্ঘ ā উচ্চারিত হতো, যা লেখায় প্রকাশ করা হতো না); আরামীয় ভাষার অন্যান্য রূপভেদের ওপর ভিত্তি করে এই বিশেষ্যগুলোর জন্য প্রত্যাশিত নিরপেক্ষ বহুবচন বিভক্তি হলো -n, তবে এর কোনো লিখিত প্রমাণ পাওয়া যায় না। সবশেষে, নির্দিষ্টতা প্রকাশের জন্য সম্বন্ধীয় রূপের শেষে -ʔ যুক্ত করে নির্ধারক অবস্থা গঠিত হয়। পূর্ণাঙ্গ রূপগুলো নিচে দেওয়া হলো (উদাহরণ হিসেবে mlk 'রাজা' এবং mlkh 'রানি' ব্যবহার করা হয়েছে; সব রূপের লিখিত প্রমাণ নেই):
| লিঙ্গ/বচন | নিরপেক্ষ | সম্বন্ধীয় | নির্ধারক |
|---|---|---|---|
| পুংলিঙ্গ একবচন | mlk | mlk | mlkʔ |
| পুংলিঙ্গ বহুবচন | mlkyn | mlky | mlkyʔ |
| স্ত্রীলিঙ্গ একবচন | mlkh | mlkt | mlktʔ |
| স্ত্রীলিঙ্গ বহুবচন | *mlkn | mlkt | mlktʔ |
নাবাতীয় ভাষায় বহুল ব্যবহৃত অব্যয়গুলোর মধ্যে রয়েছে b- 'মধ্যে/দিয়ে', l- 'প্রতি/জন্য/এর', k- 'অনুসারে', mn 'থেকে', এবং ʕl 'ওপরে/বিষয়ে'। এগুলোর সাথে সর্বনামীয় প্রত্যয় যুক্ত হতে পারে, যেমন— bh 'এতে', lhm 'তাদের জন্য'। ʕl অব্যয়টি প্রত্যয়ের আগে বহুবচন হিসেবে রূপান্তরিত হয়, যেমন— ʕlwhy 'তার ওপর', ʕlyhm 'তাদের ওপর'।[৫৮]
গঠনরীতি
[সম্পাদনা]সমাপিকা ক্রিয়ার দুটি রূপের মধ্যে, পরপদীয় বিভক্তি অতীত কাল প্রকাশ করতে পারে। যেমন: dnh kprʔ dy ʕbd ... (অর্থাৎ— এটি সেই সমাধি যা ... তৈরি করেছিল)। আবার এটি ইচ্ছাসূচক অর্থও প্রকাশ করতে পারে, যেমন: wlʕnw dwšrʔ wmnwtw wqyšh ... (অর্থাৎ— এবং দুশারা, মানাত ও কায়শাহ যেন অভিশাপ দেন ...)। অন্যদিকে পূর্বপদীয় বিভক্তি ভবিষ্যৎ কাল প্রকাশ করে, যেমন: wmn ybʕʔ ... (অর্থাৎ— এবং যে কেউ চাইবে ...)। এটি ভাববাচক হিসেবে সংযোজক মোড হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন: ... dy tʕbd bh ... (অর্থাৎ— যেন সে এটি দিয়ে তৈরি করে ...)। এছাড়া এটি শর্তবাচক হতে পারে, যেমন: hn yhwʔ ... bḥgrʔ (অর্থাৎ— যদি ... হেগরাতে হয়), অথবা পরপদীয় বিভক্তির মতো ইচ্ছাসূচকও হতে পারে, যেমন: wylʕn dwšrʔ wmnwtw ... (অর্থাৎ— এবং দুশারা ও মানাত যেন অভিশাপ দেন ...)। ক্রিয়ার সর্বনামীয় সরাসরি কর্ম সাধারণত ক্রিয়ার সাথে যুক্ত কোনো সর্বনামের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় না; বরং এটি পরবর্তী কর্মকারক নির্দেশক yt এর সাথে যুক্ত থাকে।[৫৯]
যদি একটি বাক্যে ক্রিয়া থাকে, তবে এর স্বাভাবিক পদক্রম হলো ক্রিয়া—কর্তা—কর্ম। যেমন: lʕnw (V) dwšrʔ wmnwtw wqyšh (S) kl mn dy ... (O) (অর্থাৎ— দুশারা, মানাত ও কায়শাহ যেন সেই ব্যক্তিকে অভিশাপ দেন যে ...)। যদি বাক্যে কোনো ক্রিয়া না থাকে, তবে সেটি যোজক ক্রিয়াহীন বাক্য হয়। তখন বাক্যটি দুটি বিশেষ্য পদ নিয়ে গঠিত হয় যা কর্তা ও বিধেয় গঠন করে, যেমন: dnh (S) kprʔ ... (P) (অর্থাৎ— এটি হলো সেই সমাধি ...)। বাক্যগুলো 'w-' (এবং, কিন্তু) অব্যয় দ্বারা যুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ অধীন খণ্ডবাক্য 'dy' অব্যয়টি দিয়ে শুরু হয়। শর্তবাচক খণ্ডবাক্য শুরু হয় 'hn' (যদি) দিয়ে।
শব্দভাণ্ডার
[সম্পাদনা]
নাবাতীয় ভাষার মৌলিক শব্দভাণ্ডারের অধিকাংশই প্রাচীন আরামীয় ভাষা থেকে এসেছে।[৬০] এই উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত শব্দগুলোর উদাহরণের মধ্যে রয়েছে: ʔb 'পিতা', ʔm 'মাতা', br 'পুত্র', brt 'কন্যা', dkr 'পুরুষ', এবং nqbh 'নারী'। তবে কৃতঋণ শব্দও বেশ প্রচলিত।[৬১] আরবি এবং প্রাচীন উত্তর আরবীয় কৃতঋণ শব্দগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।[৩][৬২] ʔṣdq (উত্তরাধিকারী) এবং kpr (সমাধি) এর মতো শব্দগুলো সম্ভবত দাদানীয় ভাষা থেকে ধার করা হয়েছে। আরবি থেকে ধার করা হয়েছে বলে মনে করা শব্দগুলোর মধ্যে রয়েছে: ḥlyqh (প্রথা; আরবি ḫalīqah), lʕn (অভিশাপ দেওয়া; আরবি laʕana), এবং ʕyr (ব্যতীত/অন্য; আরবি ġayr)। হেলেনীয় রাজ্য এবং রোমের সাথে নাবাতীয় রাজ্যের যোগাযোগের ফলে কিছু গ্রিক শব্দও এই ভাষায় প্রবেশ করেছে, যেমন: ʔsrtg 'সেনাপতি' (গ্রিক stratēgós)। এর মধ্যে কিছু শব্দ মূলত লাতিন থেকে এসেছে, যেমন: qysr 'সিজার'। আরামীয় ভাষার পূর্ববর্তী পর্যায় থেকে নাবাতীয় ভাষায় অল্প কিছু আক্কাদীয় কৃতঋণ শব্দ এসেছে: যেমন ʔpkl (এক ধরণের পুরোহিত; আক্কাদীয় , যা মূলত সুমেরীয় থেকে এসেছে) এবং šyzb (রক্ষা করা; আক্কাদীয় šūzubu)।[৬৩]
নমুনা পাঠ
[সম্পাদনা]
| ১ | dʔ mqbrtʔ wtrty npštʔ dy | 'এটি সেই সমাধি এবং দুটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া স্মৃতিস্তম্ভ যা |
| ২ | ʕlʔ mnh dy ʕbd ʕbdʕbdt ʔsrtgʔ | এর উপরে অবস্থিত, যা সেনাপতি আবদোবোদাৎ তৈরি করেছিলেন |
| ৩ | lʔytybl ʔsrtgʔ ʔbwhy wlʔytybl | তার পিতা সেনাপতি ইতাবেলের জন্য এবং সেই ইতাবেলের জন্য |
| ৫ | ʔsrtgʔ dnh bbyt šlṭwnhm dy šlṭw | সেই সেনাপতির শাসনকেন্দ্রে, যা তারা শাসন করেছিলেন |
| ৬ | zmnyn tryn šnyn tltyn wšt ʕl šny ḥrtt | দুই দফায় ছত্রিশ বছর যাবত, নাবাতীয় রাজা হারেতাতের রাজত্বকালে, |
| ৭ | mlk nbṭw rḥm ʕmh wʕbydtʔ dy | যিনি স্বজাতির হিতৈষী ছিলেন। এবং উপরের কাজগুলো |
| ৮ | ʕlʔ ʕbydt bšnt ʔrbʕyn wšt lh | তাঁর রাজত্বের ছেচল্লিশতম বছরে সম্পন্ন হয়েছিল।' |
| ১ | dnh ...š...brtʔ dy ... | 'এটি ... যা ... |
| ২ | ʕdy... br ḥny br šmwʔl ryš | হানির পুত্র আদইউনের পুত্র শামুয়েল, যিনি প্রধান নাগরিক |
| ৩ | ḥgrʔ ʕl mwyh ʔtth brt | হেগরার, তার স্ত্রী মাউইয়্যাহর স্মরণে, যিনি কন্যা |
| ৪ | ʕmrw br ʕdywn br šmwʔl | আমরুর পুত্র আদইউনের পুত্র শামুয়েলের |
| ৫ | ryš tymʔ dy mytt byrḥ | তাইমার প্রধান নাগরিক, যিনি মারা গিয়েছিলেন |
| ৬ | ʔb šnt mʔtyn wḥmšyn | আব মাসে, দুইশত পঞ্চাশ এবং |
| ৭ | wʔḥdy brt šnyn tltyn | একতম বছরে [৩৫৬ খ্রি.], যখন তার বয়স হয়েছিল ত্রিশ এবং |
| ৮ | wtmny | আট (৩৮) বছর।' |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ "The Nabataean script: a bridge between the Aramaic and Arabic alphabets."। Paths of Jordan। ২৩ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ হ্যামারস্ট্রোম, হারাল্ড; ফোরকেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যাথ, মার্টিন, সম্পাদকগণ (২০১৭)। "নাবাতীয় আরামীয়"। গ্লোটোলগ ৩.০ (ইংরেজি ভাষায়)। জেনা, জার্মানি: মানব ইতিহাস বিজ্ঞানের জন্য ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট।
- 1 2 3 4 Butts (2018)।
- ↑ Gzella (2015), পৃ. 213।
- ↑ Healey 2021, পৃ. 362।
- ↑ Morgenstern (1999)।
- ↑ Gzella (2015), পৃ. 241।
- ↑ Wilson-Wright (2016), পৃ. 8।
- ↑ Rubin (2008), পৃ. 71।
- ↑ Lidzbarski (1898)।
- ↑ "The Dead Sea Scrolls - Languages and Scripts"। The Leon Levy Dead Sea Scrolls Digital Library। Israel Antiquities Authority। ৩ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০২২।
- 1 2 3 Graf (2003), পৃ. 437।
- 1 2 al-Salameen ও Shdaifat (2014)।
- 1 2 3 Yadin এবং অন্যান্য (2002)।
- ↑ al-Hamad (2018)।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. x।
- ↑ O'Connor (1986)।
- ↑ Hoyland (2011)।
- ↑ Stiehl (1970)।
- 1 2 Al-Najem ও Macdonald (2009)।
- ↑ Nehmé (2018), পৃ. 142।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 23।
- ↑ Beer (1840)।
- ↑ Cantineau (1930)।
- ↑ Cantineau (1932)।
- ↑ Healey (1993)।
- ↑ Petrantoni (2021)।
- Cooke (1903)।
- ↑ Nehmé (2017)।
- ↑ Nöldeke, Euting এবং von Gutschmidt (1885)।
- ↑ Healey (1990)।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 37-46।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 39।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 42-44।
- ↑ বিশেষ করে Steiner (১৯৭৭)।
- ↑ Kaufman (১৯৭৪, pp. 142-143) কিছু ঋণশব্দের মাধ্যমে এই ধ্বনিটি কীভাবে আক্কাদীয় থেকে নাবাতীয় হয়ে যিহূদীয় আরামীয় এবং আরবিতে এসেছে তার ওপর ভিত্তি করে /χ/ সংরক্ষিত থাকার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 46।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 47-48।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 51-53।
- ↑ Morgenstern (1999), পৃ. 138*।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 53-54।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 54-55।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 55-56।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 58-59।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 61-63।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 63-64।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 67-70।
- ↑ Morgenstern (1999), পৃ. 139*।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 70-74।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 74-75।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 76-77।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 77-78।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 78-81।
- ↑ Barkay (2015), পৃ. 20।
- ↑ Meshorer (1975), পৃ. 43।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 90-94।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. 100-103।
- ↑ Cantineau (1930), পৃ. ১০৭-১১২।
- ↑ Cantineau (1932), পৃ. ১৬৩।
- ↑ Cantineau (1932), পৃ. ১৭১-১৭৩।
- ↑ Yardeni (2014)।
- ↑ Cantineau (1932), পৃ. ১৭৩।
- ↑ Cantineau (1932), পৃ. ৪৫।
- ↑ Al-Najem ও Macdonald (2009), পৃ. ২১-২১৩।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- Al-Najem, Mohammed; Macdonald, M.C.A. (২০০৯)। "A New Nabataean Inscription from Taymā'."। Arabian Archaeology and Epigraphy। ২০ (2): ২০৮–২১৭। ডিওআই:10.1111/j.1600-0471.2009.00316.x।
- Barkay, Rachel (২০১৫)। "Nabataean Queens as Reflected on Coins" (পিডিএফ)। Israel Numismatic Journal। ১৯: ১৩–৩২। ২৭ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০২৩।
- Beer, E. F. F. (১৮৪০)। Studia Asiatica III: Inscriptiones veteres litteris et lingua hucusque incognitis ad Montem Sinai in magno numero servatae.। Leipzig: Barth। ওসিএলসি 36300886।
- Butts, Aaron M. (২০১৮)। "North Arabian Features in the Nabataean Aramaic Inscriptions from Madāʼin Ṣāliḥ: A Contact-Linguistic Analysis" (পিডিএফ)। Brooke, George J.; Curtis, Adrian H. W.; al-Hamad, Muntasir; Smith, G. Rex (সম্পাদকগণ)। Near Eastern and Arabian Essays: Studies in Honour of John F. Healey। Journal of Semitic Studies Supplement 41। Oxford: Oxford University Press। পৃ. ৩৯–৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৮৮৩১০৬৮। ওসিএলসি 1061805149। ৬ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)।
- Cantineau, J. (১৯৩০)। Le Nabatéen। খণ্ড ১। Paris: Librairie Ernest Leroux। ওসিএলসি 758276088।
- Cantineau, J. (১৯৩২)। Le Nabatéen। খণ্ড ২। Paris: Librairie Ernest Leroux। ওসিএলসি 1277364862।
- Cooke, G. A. (১৯০৩)। A Text-book of North-Semitic Inscriptions। Oxford: Clarendon। ওসিএলসি 457996563।
- Daniels, Peter T. (২০২০)। "The Decipherment of Ancient Near Eastern Languages"। Hasselbach-Andee, Rebecca (সম্পাদক)। A Companion to Ancient Near Eastern Languages। Wiley: Wiley। পৃ. ৩–২৫। ডিওআই:10.1002/9781119193814.ch1। আইএসবিএন ৯৭৮১১১৯১৯৩২৯৬। ওসিএলসি 1119113369। এস২সিআইডি 216164367।
- Graf, David F. (২০০৩)। "Nabateans"। Richard, Suzanne Louise (সম্পাদক)। Near Eastern Archaeology: A Reader। Winona Lake, IN: Eisenbrauns। পৃ. ৪৩৪–৪৩৯। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৭৫০৬০৮৩৫। ওসিএলসি 52377536।
- Gzella, Holger (২০১৫)। A Cultural History of Aramaic. From the Beginnings to the Advent of Islam। Leiden: Brill। আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪২৮৫০৯৫। ওসিএলসি 890912561।
- al-Hamad, Muntasir (২০১৮)। "Revisiting the Arabic Verses of the ʽAin ʽAvdat Inscription"। Brooke, George J.; Curtis, Adrian H. W.; al-Hamad, Muntasir; Smith, G. Rex (সম্পাদকগণ)। Near Eastern and Arabian Essays: Studies in Honour of John F. Healey। Journal of Semitic Studies Supplement 41। Oxford: Oxford University Press। পৃ. ১৫৯–১৬৮। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৮৮৩১০৬৮। ওসিএলসি 1061805149।
- Healey, John F. (১৯৮৯)। "Were the Nabataeans Arabs?"। ARAM। ১ (1): ৩৮–৪৪।
- Healey, John F. (১৯৯০)। Reading the past: The Early Alphabet। London: British Museum Publications। আইএসবিএন ৯৭৮০৫২০০৭৩০৯৮। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- Healey, John F. (১৯৯৩)। The Nabataean Tomb Inscriptions of Mada'in Salih.। Oxford: Oxford University Press। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৯২২১৬২২। ওসিএলসি 246838368।
- Healey, John F. (২০২১)। "Were the Nabataeans Arabs?"। ARAM। ৩৩ (1&2): ৩৬১–৩৬৬। Reprint of Healey (১৯৮৯).
- Hoyland, Robert G. (২০১১)। "The Jews of the Hijaz in the Qurʾān"। Reynolds, Gabriel S. (সম্পাদক)। New Perspectives on the Qur'ān. The Qur'ān in Its Historical Context 2। Routledge Studies in the Qur’ān। Oxford: Routledge। পৃ. ৯১–১১৬। আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫৬১৫৪৮৮। ওসিএলসি 1349550650।
- Kaufman, Stephen A. (১৯৭৪)। The Akkadian Influences on Aramaic। Assyriological Studies 19। Chicago: University of Chicago Press। আইএসবিএন ৯৭৮০২২৬৬২২৮১১। ওসিএলসি 1495566।
- Lidzbarski, Mark (১৮৯৮)। Handbuch der nordsemitischen Epigraphik। Weimar: Emil Felber। ওসিএলসি 912964363।
- Meshorer, Ya'akov (১৯৭৫)। "Nabataean Coins"। Qedem। ৩: ১–১১২।
- Morgenstern, Matthew (১৯৯৯)। "The History of the Aramaic Dialects in the Light of Discoveries from the Judaean Desert: The Case of Nabataean"। Eretz-Israel। ২৯: ১৩৪*–১৪২*।
- Naveh, Joseph (২০০৩)। "Nabatean Language, Script and Inscriptions" (পিডিএফ)। Rosenthal-Heginbottom, Renate (সম্পাদক)। The Nabateans in the Negev। Haifa: Reuben and Edith Hecht Museum, University of Haifa। পৃ. ১৫*–১৬*। আইএসবিএন ৯৭৮৯৬৫৭০৩৪১২৫। ওসিএলসি 59276262। ২১ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)।
- Nehmé, Laïla (২০১৭)। "Aramaic or Arabic? The Nabataeo-Arabic Script and the Language of the Inscriptions Written in this Script"। Al-Jallad, Ahmad (সম্পাদক)। Arabic in Context. Celebrating 400 years of Arabic at Leiden University। Leiden: Brill। পৃ. ৭৫–৯৮। আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪৩৪৩০৩০। ওসিএলসি 967854618।
- Nehmé, Laïla (২০১৮)। "The Nabataean and Nabataeo-Arabic Inscriptions"। Nehmé, Laïla (সম্পাদক)। The Darb al-Bakrah. A Caravan Route in North-West Arabia Discovered by Ali I. al-Ghabban. Catalogue of the Inscriptions। Riyadh: Saudi Commission for Tourism and National Heritage। পৃ. ২৫–২২৪। ওসিএলসি 1237187650। ১ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- Nöldeke, Theodor; Euting, Julius; von Gutschmidt, A. (১৮৮৫)। Nabatäische Inschriften aus Arabien। Berlin: Reimer। ওসিএলসি 3188090।
- O'Connor, M. (১৯৮৬)। "The Arabic Loanwords in Nabatean Aramaic"। Journal of Near Eastern Studies। ৪৫ (3): ২১৩–২২৯। ডিওআই:10.1086/373188। এস২সিআইডি 161392170।
- Petrantoni, Giuseppe (২০২১)। Corpus of Nabataean Aramaic-Greek Inscriptions (পিডিএফ)। Edizioni Ca' Foscari। আইএসবিএন ৯৭৮৮৮৬৯৬৯৫০৮৭। ওসিএলসি 1251498280। ২৩ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)।
- Rubin, Aaron D. (২০০৮)। "The Subgrouping of the Semitic Languages"। Language and Linguistics Compass। ২ (1): ৬১–৮৪। ডিওআই:10.1111/j.1749-818X.2007.00044.x।
- al-Salameen, Zeyad; Shdaifat, Younis (২০১৪)। "A New Nabataean Inscribed Bronze Lamp"। Arabian Archaeology and Epigraphy। ২৫ (1): ৪৩–৪৯। ডিওআই:10.1111/aae.12035।
- Steiner, Richard C. (১৯৭৭)। The Case for Fricative-laterals in Proto-Semitic। American Oriental Society। ওসিএলসি 3440167।
- Stiehl, Ruth (১৯৭০)। "A New Nabatean Inscription"। Stiehl, Ruth; Stier, Hans Erich (সম্পাদকগণ)। Beiträge zur Alten Geschichte und deren Nachleben. Festschrift für Franz Altheim zum 6. 10. 1968। Berlin: De Gruyter। পৃ. ৮৭–৯০। ওসিএলসি 889239864।
- Wilson-Wright, Aren M. (২০১৬)। "A Reevaluation of the Semitic Direct Object Markers" (পিডিএফ)। Hebrew Studies। ৫৭: ৭–১৫। ডিওআই:10.1353/hbr.2016.0000। এস২সিআইডি 171182335।
- Yadin, Yigael; Greenfield, Jonas C.; Yardeni, Ada; Levine, Baruch A. (২০০২)। The Documents from the Bar Kokhba period in the Cave of Letters. Hebrew, Aramaic, and Nabatean-Aramaic Papyri। Jerusalem: Israel Exploration Society। ওসিএলসি 152703668।
- Yardeni, Ada (২০১৪)। "A List of the Arabic Words Appearing in Nabataean and Aramaic Legal Documents from the Judaean Desert"। Scripta Classica Israelica। ৩৩: ৩০১–৩২৪। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- al-Hamad, Muntasir (২০০৫)। Nabataean Syntax, with Special Reference to Other Aramaic Dialects and Arabic (অভিসন্দর্ভ)। University of Manchester।
- Healey, John F. (২০২০)। "Linguistic Variation in the Nabataean Aramaic of the Nabataean Period"। Jordan Journal for History and Archaeology। ১৪ (4): ২০১–২১৪।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- al-Khraysheh, Fawwaz (১৯৮৬)। Die Personennamen in den nabatäischen Inschriften des Corpus Inscriptionum Semiticarum (অভিসন্দর্ভ)। Philipps-Universität Marburg।
- Levinson, Jay (১৯৭৪)। The Nabatean Aramaic Inscriptions (অভিসন্দর্ভ)। New York University।