নাইজেরিয়ায় ইসলাম
নাইজেরিয়ার দুটি বৃহত্তম ধর্মের মধ্যে ইসলাম একটি। ইসলাম নাইজেরিয়ার সর্ববৃহৎ ধর্ম এবং আফ্রিকার মধ্যে নাইজেরিয়ায় সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা বসবাস করে। ২০১৮ সালের দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকের একটি অনুমান অনুসারে, নাইজেরিয়ার জনসংখ্যার প্রায় ৫৩.৫% ইসলাম ধর্মের অনুসারী। [১] মূলত দেশের উত্তরাঞ্চলে মুসলিম জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি এবং খ্রিস্টান অধ্যুষিত দক্ষিণাঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য মুসলিম সংখ্যালঘু রয়েছে। [২] মুসলিম অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ শরিয়া আইনের অধীনে পরিচালিত হয় এবং দেশের বাকি অংশ ধর্মনিরপেক্ষ সাংবিধানিক আইন দ্বারা শাসিত হয়। [৩] নাইজেরিয়ার জনসংখ্যায় মুসলিমরা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার কারণ হল মুসলিম সমাজের উচ্চ প্রজনন হার।
নাইজেরিয়ায় ইসলাম আগমনের ব্যাপারে জানা যায় যে, একাদশ শতাব্দীতে উত্তর আফ্রিকা ও সেনেগালীয় অববাহিকা থেকে আসা মুসলমান বণিকরা বর্তমান নাইজেরিয়ায় ইসলাম ধর্মের প্রবর্তন করেছিলন এবং এটিই ছিল নাইজেরিয়ায় আবির্ভূত প্রথম একেশ্বরবাদী ইব্রাহিমীয় ধর্ম। উত্তর নাইজেরিয়া ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন ইসলামী রাষ্ট্র ও সাম্রাজ্যের শাসনাধীন ছিল; যেমন: কানেম-বোর্নু সাম্রাজ্য, মালি সাম্রাজ্য, সোংহাই সাম্রাজ্য এবং হাউসা রাজ্য । ফুলানি ইসলামী পণ্ডিত উসমান দান ফোদিও কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সোকোটো খিলাফত ফুলা জিহাদের সময় ১৯ শতক জুড়ে উত্তর নাইজেরিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করেছিল, যতক্ষণ না ১৯০৩ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে এটি দখল করে নিজের সাথে সংযুক্ত করে। ১৫ শতকে পর্তুগিজ ধর্মপ্রচারকরা নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে প্রথম খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তন করে এবং ১৯শ শতকের শেষের দিকে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের সহায়তায় এটি ইসলামের পাশাপাশি নাইজেরিয়ায় একটি প্রভাবশালী ধর্মে পরিণত হয়।
নাইজেরিয়ার মুসলমানরা মূলত মালিকি মাজহাবের সুন্নি। তবে উল্লেখযোগ্য শিয়া সংখ্যালঘু রয়েছে; মূলত কাদুনা, কানো, কাটসিনা, ওসুন, কোয়ারা, ইয়োবে এবং সোকোটো রাজ্যে (নাইজেরিয়ায় শিয়া দেখুন) শিয়ারা বসবাস করে। ধর্মীয় বৈচিত্র্যের উপর ২০০৮ সালের পিউ রিসার্চ ফোরামের একটি জরিপে নাইজেরিয়ার ৫% মুসলিমকে শিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। [৪] এছাড়া দেশে আহমদীয়া আন্দোলনেরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]উত্তর নাইজেরিয়ায় ইসলাম
[সম্পাদনা]
নাইজেরিয়ায় ইসলাম একাদশ শতাব্দীতে মূলত দুইটি ভৌগোলিক পথে প্রবেশ করেছিল: উত্তর আফ্রিকা ও সেনেগালের অববাহিকা। দেশটিতে ইসলামের উৎপত্তি পশ্চিম আফ্রিকায় ইসলামের বিস্তৃত বিকাশের সাথে সম্পর্কিত। ইসলাম নাইজেরিয়ায় বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রবেশ করে। [৫]
মধ্যযুগীয় ইসলামী ইতিহাসবিদ ও ভূগোলবিদরা যেমন আল-বাকরি, ইয়াকুত হামাবি ও আল-মাকরিজি মধ্য প্রথম সুদানে ইসলামের নথিভুক্ত বিবরণ প্রদান করেন এবং পরবর্তীতে ইবন বতুতা ও ইবন খালদুনের লেখায় পশ্চিম আফ্রিকায় ইসলামের বিকাশ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায়। [৫]
উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায়; বিশেষ করে কানেম সাম্রাজ্যে ১১শ শতাব্দীতে কানেম ও উত্তর আফ্রিকীয় অঞ্চলের (ফেজ্জান, মিশর ও সিরনাইকা) মধ্যে বাণিজ্যের ফলে ইসলাম বিস্তার লাভ করে। উত্তর দিক থেকে আসা মুসলিম ব্যবসায়ীরা কেবল বাণিজ্যপথে বসতি স্থাপন করতেন এবং তারা স্বাগতিক সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে ইসলামের প্রচার করতেন। ১১শ শতকে প্রথম শাসক হিসেবে ইসলাম গ্রহণ কানেমের রাজা উমে জিলমি, যিনি একজন মুসলিম পণ্ডিতের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ওই পণ্ডিতের বংশধররা কানেমের প্রধান ইমামের পদটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন। [৫]
ইদ্রিস আলোমার শাসনামলের (১৫৭১-১৬০৩) সময়ে আহমেদ ফারতুয়া নামক একজন ইমামের লেখায় বোর্নুতে একটি সক্রিয় ইসলামী সম্প্রদায়ের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, বোর্নু সাম্রাজ্যের অধিকাংশ প্রধান ব্যক্তি তখন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। যদিও অনেক মানুষ তখনও ঐতিহ্যবাহী ধর্মের অনুসারী ছিলেন। ইদ্রিস আলোমা ইসলামি আদালত প্রবর্তন করেন; মসজিদ নির্মাণ করেন এবং কানুরি সম্প্রদায়ের জন্য মক্কায় একটি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করেন। [৬][৭]
হাউসাল্যান্ডে, বিশেষ করে কানো অঞ্চলে ইসলাম ১৪ শতকে পশ্চিম আফ্রিকার মান্দে মুসলিম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে প্রবেশ করে। এছাড়া মালি সাম্রাজ্যের মুসলিম ব্যবসায়ীরাও ইসলাম প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং মুহাম্মদ রুমফা (১৪৬৩-১৪৯৯) হাউসাল্যান্ডের প্রথম শাসক ছিলেন, যিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। ১৬শ শতকের মধ্যে উত্তর নাইজেরিয়ার প্রধান শহরগুলিতে ইসলাম বিস্তার লাভ করে এবং এরপরে গ্রামাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। তবে কিছু সূত্র দাবি করে যে, ইসলাম নাইজেরিয়ায় আরো আগে প্রবেশ করে। নাইজেরিয়া-বংশোদ্ভূত মুসলিম পণ্ডিত শেখ ড. আবু আব্দুল্লাহ আব্দুল-ফাত্তাহ আদেলাবু বলেন যে, ইসলাম ১ম হিজরি শতকেই নিম্ন-সাহারা আফ্রিকীয় অঞ্চলে পৌঁছেছিল। তাঁর মতে, উমাইয়া রাজবংশের শাসক মুয়াবিয়া ও ইয়াজিদের শাসনামলে মুসলিম বিজেতা উকবা ইবনে নাফির নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়, যা উত্তর আফ্রিকায় ইসলামের বিস্তারের সূচনা করে এবং বর্তমান আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া ও মরক্কো পর্যন্ত ইসলামের প্রচার ঘটায়। [৮]
ফুলানি যুদ্ধ
[সম্পাদনা]১৯শ শতকের শুরুর দিকে প্রখ্যাত ইসলামি পণ্ডিত উসমান দান ফোদিও উত্তর নাইজেরিয়ার হাউসা রাজ্যগুলোর বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করেন, যা "ফুলানি যুদ্ধ" নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে তিনি বিজয়ী হন এবং সোকোটো নগরীকে রাজধানী করে "ফুলানি সাম্রাজ্য" প্রতিষ্ঠা করেন।[৯]
সোকোটো খিলাফত
[সম্পাদনা]
১৮০৩ সালের দিকে উসমান দান ফোদিও সোকোটো খিলাফত" প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর অনুসারীরা তাঁকে "বিশ্বাসীদের নেতা" বা "আমিরুল-মুমিনিন" নির্বাচিত করেন। [১০]সোকোটো খিলাফত আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ সাম্রাজ্যে পরিণত হয়, যা আজকের বুরকিনা ফাসো থেকে শুরু করে ক্যামেরুন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। উত্তর নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ নাইজারের অধিকাংশ অঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। খিলাফত তার শাসনামলে ৩০টিরও বেশি আমিরাত বা ছোট রাজ্যের উপর কর্তৃত্ব করত। সোকোটো খিলাফত প্রায় পুরো ১৯ শতক ধরে শক্তিশালীভাবে টিকে ছিল। ১৯০৩ সালের ২৯ জুলাই "দ্বিতীয় বর্মির যুদ্ধের" পর ব্রিটিশ ও জার্মান বাহিনীর হাতে তাদের পতন ঘটে এবং খিলাফতের অবসান ঘটে।[১১]
দক্ষিণ-পশ্চিম নাইজেরিয়ায় ইসলাম
[সম্পাদনা]ইসলাম দক্ষিণ-পশ্চিম নাইজেরিয়ার ইয়োরুবাভাষী অঞ্চলে প্রবেশ করে মালি সাম্রাজ্যের সময়কালেই। ইসলামের এই প্রাথমিক আগমনের বিষয়ে শেখ ড. আবু-আবদুল্লাহ আদেলাবু তাঁর গবেষণায় উল্লেখ করেছেন। তিনি আরব নৃবিজ্ঞানী আবদুহু বাদাওয়ির কথা উদ্ধৃত করেন, যিনি বলেন, মিশরের দক্ষিণাঞ্চলে কুশ সাম্রাজ্যের পতন এবং আফ্রিকায় আব্বাসীয় খিলাফতের রাজনৈতিক সুসময়ের কারণে নবম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে অনেক অভিবাসন প্রবাহ শুরু হয়েছিল, যা পশ্চিম আফ্রিকার নিম্ন-সাহারা অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়।[১২]
আদেলাবু আরো ব্যাখ্যা করেন, আব্বাসীয়দের খ্যাতি ও প্রভাব মুসলিম সমাজের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে নতুন চারণভূমি ও বসতি খোঁজার স্পৃহা বৃদ্ধি করেছিল। এই প্রক্রিয়ায় নীলনদ থেকে নাইজার নদীর তীর পর্যন্ত মুসলিম জনগোষ্ঠী ছড়িয়ে পড়ে এবং মরুভূমি থেকে আরব ব্যবসায়ীরা বেনুয়ে নদী অঞ্চলে পাড়ি জমায়। এটি প্রচলিত ঐতিহাসিক মতের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ যে, ৬৪৭ থেকে ৭০৯ সালের মধ্যে উমাইয়াদের নেতৃত্বে উত্তর আফ্রিকার ইসলামি বিজয় কয়েক শতাব্দী ধরে ক্যাথলিক ধর্মের প্রভাব শেষ করে দেয়।[১৩]
প্রাচীন ইয়োরুবা অঞ্চলে ইসলাম "এসিন ইমালে" নামে পরিচিত ছিল। প্রচলিত ভাষাগত ব্যাখ্যায় বলা হয় যে, "ইমালে" শব্দটি "মালি" শব্দ থেকে উদ্ভূত।[১৪] ১৪শ শতাব্দীতে মালি সাম্রাজ্যের ওয়াংগারা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই প্রথম ইয়োরুবা অঞ্চলে ইসলামের প্রবেশ ঘটে। তবে বৃহৎ পরিসরে ইয়োরুবা জনগণের ইসলাম গ্রহণ মূলত ১৮শ ও ১৯শ শতকে ঘটে।[১৫]
আল-আলুরি নামী এক ইতিহাসবিদের মতে, ইয়োরুবা সমাজে মধ্যে প্রথম মসজিদ নির্মিত হয় ওয়াইও-ইলে অঞ্চলে, যা আনুমানিক ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়। তবে তখন ইয়োরুবা জনগণের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। সেই মসজিদটি কেবলমাত্র ওয়াইওতে বসবাসকারী বিদেশি মুসলিমদের ধর্মীয় চাহিদা মেটানোর জন্য ব্যবহৃত হতো।

ক্রমে ক্রমে ইসলাম ইয়োরুবা অঞ্চলে বিস্তৃতি লাভ করে এবং মুসলিমরা মসজিদ নির্মাণ শুরু করে।[১৬][১৭] ইও শহর প্রথম মসজিদ নির্মাণ করে ১৬৫৫ সালে; এরপর ইশেইন শহরে ১৭৬০ সালে; লাগোসে ১৭৭৪ সালে; শাকিতে ১৭৯০ সালে ও ওসগবোতে ১৮৮৯ সালে মসজিদ স্থাপিত হয়।[১৮]
সময়ের সাথে সাথে ইসলাম পার্শ্ববর্তী অন্যান্য শহর; যেমন ওয়াইও, ইবাদান, আবেউকুতা, ইজেবু-ওডে, ইকিরুন ও এডেতেও ছড়িয়ে পড়ে, যা ১৯শ শতকের শুরুর দিকে সোকোতো জিহাদের আগের ঘটনা।[১৯]
১৯শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ইয়োরুবা অঞ্চলে ইসলামের প্রসারে একাধিক কারণ ভূমিকা রাখে। ওয়াইও সাম্রাজ্যের পতনের আগে এর আশপাশের অনেক শহরে বড় মুসলিম জনবসতি গড়ে উঠেছিল; পরবর্তীতে ওয়াইওর পতনে এই মুসলিমরা (স্থানীয় ইয়োরুবা ও অভিবাসী) নতুন শহর ও গ্রামে গিয়ে ইসলামের প্রবক্তা হয়ে ওঠেন।[২০]
এছাড়াও তখন ইয়োরুবা অঞ্চলে জনগণের ব্যাপক স্থানান্তর ঘটে। এই নতুন অভিবাসীদের মধ্যে অনেকেই মুসলিম ছিলেন, যারা তাদের নতুন বাসস্থানে ইসলাম প্রচার করে। গবেষক ইডসের মতে, ইসলাম তখন ইয়োরুবা সমাজ কাঠামোর সাথে বেশি মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়, বিশেষ করে বহুবিবাহের অনুমতির কারণে। ফলে ইজেবু অঞ্চলের সের্কি কুকু প্রভৃতি প্রভাবশালী ইয়োরুবারা ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তাদের প্রভাবের ফলে অনেক স্থানীয়ও মুসলিম হয়ে ওঠেন।[২১]
লাগোস শহরে ইসলাম ইয়োরুবার অন্যান্য শহরের মত প্রায় একই সময়ে আসে। তবে লাগোসের মুসলিমরা রাজকীয় সমর্থন পায় ওবা কোসোকো’র কাছ থেকে, যিনি এপে নগর থেকে নির্বাসন শেষে ফিরে আসেন।
গবাদামোশির (১৯৭২ ও ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত) গবেষণা অনুযায়ী, পরে ইয়োরুবা অঞ্চলে বিভিন্ন অন্তঃগোত্রীয় যুদ্ধের সময় ইসলামের প্রসার আরও বাড়ে। এ সময় ইসলামি শিক্ষকদের উচ্চ চাহিদা ছিল, যারা কুরআন শিক্ষাদান ও সৈনিকদের জন্য তাবিজ নির্মাণের কাজ করতেন।
ইসলাম খ্রিস্টধর্মের মত স্থানীয়দের ‘সর্বোচ্চ সৃষ্টিকর্তা’ বিশ্বাসের সাথে একটি মিলের ভিত্তি খুঁজে পায়। যদিও কিছু মতানৈক্য ছিল, তবুও ইসলামি শিক্ষকেরা স্থানীয় জনসাধারণকে মূর্তিপূজা পরিত্যাগ করে আল্লাহর উপাসনায় মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করেন।[২২]
সময় নষ্ট না করে ইসলামী পণ্ডিত ও স্থানীয় ইমামরা আরবি ও ইসলামি শিক্ষা দেওয়ার জন্য কুরআনীয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে সাধারণ স্কুলও প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেখানে নতুন মুসলিমদের শিক্ষিত করে ইসলাম প্রচার করা হতো।[২৩]
ইয়োরুবার বড় শহর ও নগরে ঐতিহ্যবাহী পূজাস্থল ও মন্দির ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়ে কেন্দ্রীয় মসজিদ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।[২৪][২৫]
মাইতাতসিনে আন্দোলন
[সম্পাদনা]১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৮০-এর দশকে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের কানু শহরে একটি বিভ্রান্ত ও গোঁড়া ধর্মীয় গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়, যার নেতৃত্ব দেন মুহাম্মদ মারওয়া মাইতাতসিনে। তিনি ক্যামেরুন থেকে আগত ছিলেন এবং দাবি করতেন যে, তিনি এমন এক ঐশী বার্তা পেয়েছেন যা, নবী মুহাম্মদের বাণীকেও অতিক্রম করে।
তাঁরা নিজেদের জন্য পৃথক মসজিদ তৈরি করে এবং প্রচলিত ইসলামি ও সামাজিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী মতবাদ প্রচার করেন। তাদের মূল অনুসারীরা ছিল নগরের দরিদ্র অভিবাসী সম্প্রদায়, যারা প্রচলিত শহুরে সমাজের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ফলে ধর্মীয় বিদ্রোহে যুক্ত হয়েছিল।
এই অসন্তুষ্ট গোষ্ঠী পরবর্তীতে ঐতিহ্যবাহী মসজিদ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রমণে লিপ্ত হয়, যার ফলে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের বহু শহরে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।[২৬]
কুরআনবাদী
[সম্পাদনা]নাইজেরিয়াতেও এমন কিছু মুসলমান রয়েছেন, যারা হাদিসের কর্তৃত্ব অস্বীকার করেন এবং তারা কেবল কুরআন অনুসরণে বিশ্বাসী বলে দাবি করে। এদেরকে কুরআনবাদী, কুরআনিয়ুন অথবা 'ইয়ান কালা কাটো' বলা হয়।[২৭]
তবে 'ইয়ান কালা কাটো' দলকে প্রায় ভুল করে একটি সহিংস দল 'ইয়ান তাতসিনে' বা মাইতাতসিনের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়; যদিও এই দুই দলের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। ইয়ান তাতসিনে গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা হল মোহাম্মদ মারওয়া, যিনি ১৯৮০ সালে নিহত হন।
তার উত্তরসূরি মুসা মাকানিকিও ২০০৪ সালে গ্রেপ্তার হন[২৮] এবং ২০০৬ সালে দণ্ডিত হন।[২৯] তবে পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।[৩০]
ইয়ান তাতসিনে গোষ্ঠীর অপর একজন নেতা মালাম বাদামাসি ২০০৯ সালে নিহত হন।[৩১]
নাইজেরিয়ার বিশিষ্ট কুরআনবাদী ব্যক্তিত্বদের মধ্যে অন্যতম হলেন মল্লাম সালেহ ইদরিস বেলো।
নাইজেরীয় সমাজে ইসলাম
[সম্পাদনা]
উত্তর নাইজেরিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসলাম সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ মুসলিমদের জন্য একান্ত কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়। পারিবারিক আইন পরিচালনার জন্য শরিয়াহ ভিত্তিক আইনি ব্যবস্থা প্রণয়নের প্রতি ও ব্যক্তিগত আচরণের ক্ষেত্রে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণের প্রতি সমাজে ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।[৩২]
২০১০ সালের পিউ রিসার্চের একটি জরিপ অনুসারে, নাইজেরিয়ার মুসলিমরা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ইসলামের বৃহৎ ভূমিকার ব্যাপক সমর্থন জানায়। নাইজেরিয়ার অধিকাংশ মুসলিম ব্যভিচারীদের পাথর ছুঁড়ে মারা বা চাবুক মারা, চুরি বা ডাকাতির অপরাধে হাত কেটে ফেলার এবং ইসলাম ত্যাগকারীদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।[৩৩]

শেখ আদেলাবু নাইজেরিয়ার সংস্কৃতিতে ইসলামের প্রভাব সম্পর্কে আরও কিছু দিক তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নাইজেরিয়ার স্থানীয় ভাষা, বিশেষ করে ইয়োরুবা ও হাউসা ভাষায় প্রচুর আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয়। যেমন; মঙ্গলবারের জন্য ‘আতালাতা’ (আ. ‘আস-সুলাসা: الثلاثاء), বুধবারের জন্য ‘আলারুবা’ (আ. ‘আল-আরবিয়া’: الأربعاء), বৃহস্পতিবারের জন্য ‘আলামিসি’ (আ. আল-খামিস: الخميس) ও শুক্রবারের জন্য ‘জিমোহ’ (আ. ‘আল-জুমুআহ’ - الجمعة)। [৩৪]
তিনি উল্লেখ করেছেন, ইয়োরুবা ভাষায় ‘এতি’ শব্দটি শুক্রবার বুঝাতে ব্যবহৃত হত, যার অর্থ হলো ব্যর্থতা, অলসতা বা পরিত্যাগ; তাই মুসলিমরা আনন্দের সাথে আরবি উৎস ‘জিমোহ’ শব্দটি গ্রহণ করেছেন। শেখ আদেলাবু আরও বলেন, ইসলামের ব্যাপক প্রসার ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রভাব নাইজেরিয়ার কথ্য ও লিখিত উভয় ভাষাতেই গভীরভাবে প্রোথিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, হাউসা ও ফুলানি ভাষার প্রায় সকল কারিগরি শব্দ ও সাংস্কৃতিক ব্যবহার আরবি উৎস থেকে গৃহীত। তিনি ইয়োরুবা ভাষায় নিম্নলিখিত আরবি উৎস থেকে উদ্ভূত শব্দগুলোর উদাহরণ দেন:[৩৫]
- আলাফিয়া (ভাল, সুস্থ), আরবি ‘আল-আফিয়া’ (العافية) থেকে
- বালে (স্বামী বা গৃহপ্রধান), আরবি ‘বাল’ (بعل) থেকে
- সান্মা (আকাশ বা স্বর্গ), আরবি সামা (السماء) থেকে
- আলুবারিকা (আশীর্বাদ), আরবি ‘আল-বারাকা’ (البركة) থেকে
- ওয়াকাতি (সময়), আরবি ‘ওয়াক্ত’ (وقت) থেকে
- আসিরি (গোপন বা লুকানো), আরবি ‘আস-সির্র’ (السرّ) থেকে।
শরিয়া আইন
[সম্পাদনা]২০০৮ খ্রিস্টাব্দো উত্তর নাইজেরিয়ার বারোটি রাজ্যে সম্পূর্ণরূপে শরিয়া আইন চালু হয়।[৩৬] এই বারোটি রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠ।[৩৭]
২০১৪ সালে ধর্মীয় পুলিশ হিসবা সমকামী পুরুষদের লক্ষ্য করে অভিযান চালায়।[৩৮] শরিয়াহ কমিশনের একজন সদস্য বলেছিলেন, সমকামীদের পাথর ছুঁড়ে মারা, ফাঁসি দেওয়া বা উঁচু স্থান থেকে ফেলে হত্যা করা উচিত। নাইজেরিয়ার ফেডারেল আইনেও সমকামিতা অপরাধ হিসেবে গণ্য, তবে শরিয়াহ-ভিত্তিক শাসিত রাজ্যগুলোতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।[৩৯]
সংস্কৃতিতে ইসলামি প্রভাব
[সম্পাদনা]ইতিহাসের ধারায় ইসলাম উত্তর আফ্রিকা ও পশ্চিম আফ্রিকার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রুস্তামীয় রাজবংশের সময় টিয়ারেট অঞ্চলের বারবার ব্যবসায়ীরা অডগাস্ট শহরের সঙ্গে বাণিজ্য করত। এই বাণিজ্য পথ আরও দক্ষিণে কানুরি ও হাউসা রাজ্যসমূহে প্রসারিত হয়। ইসলাম প্রসারের সাথে সাথে শরিয়াহ আইনও উত্তর নাইজেরিয়ায় চালু হয়। এছাড়া আইন ও বাণিজ্যের পাশাপাশি ইসলাম পোশাকের ধরন, ভাষা ও নাম রাখার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে।[৪০]
উদাহরণস্বরূপ, পশ্চিম আফ্রিকায় আগবাদা ধরনের পোশাক সাধারণত মুসলমান ও মাল্লামদের সাথে সংযুক্ত। দক্ষিণ নাইজেরিয়ার মুসলিমরা নামাজের সময় ইবরুন (গলাকাপড়) পরিধান করেন। ক্রোশেত টুপি হজ সম্পন্নকারী মুসলিমদের মধ্যে আগে বহুল ব্যবহৃত হত। হাউসা ও ইয়োরুবা ভাষার অনেক শব্দ আরবি থেকে এসেছে। ‘আস-সালামু আলাইকুম’ এবং ‘আল্লাহু আকবর’ এই আরবি বাক্যগুলি মুসলিমদের অভিবাদন ও আজানের সময় প্রচলিত। মোহাম্মদ, ইব্রাহিম, ইউনুসা, লামিদি, আলিউ ও সুলাইমান এই ধরনের নামগুলি মুসলিম শিশুদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।[৪০]
নাইজেরীয় মুসলিম নারী ও হিজাব
[সম্পাদনা]নাইজেরীয় মুসলিম জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী হিজাব পরিধান করেন। তবে স্কুল, পাবলিক স্থান ও কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরিধানের অধিকার নিয়ে বিরোধ রয়েছে। হিজাবধারী নারী ও মেয়েরা বিগত কয়েক বছরে প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে হয়রানি ও বৈষম্যের সম্মুখীন হয়েছেন।[৪১] ২০১৪ সালের ১৭ অক্টোবর লাগোস রাজ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হিজাব নিষিদ্ধ করার আদেশ বহাল রাখা হয়।[৪২] অন্য কয়েকটি রাজ্যেও একই রকম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।[৪৩] তবে ২০১৬ সালের ২১ জুলাই আদালত এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে দেয় এবং ঘোষণা করে যে, "পাবলিক স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ করা মুসলিম শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যমূলক"।[৪৪] পরে ২০১৭ সালে লাগোস সরকার পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা করলেও তা আদালত দ্বারা প্রতিহত হয় এবং হিজাব পরার অধিকার বজায় রাখা হয়।[৪৪]
ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষা
[সম্পাদনা]নাইজেরিয়ায় আলমাজিরি ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার শিশুরা ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করে। এখানে ছাত্রদের আলমাজিরি বলা হয়, যা আরবি 'আল-মুহাজিরুন' শব্দ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ ‘অভিবাসী’।
আলমাজিরি ব্যবস্থা অনেক বিতর্কিত। অনেকে মনে করেন, এই ব্যবস্থা যুবকদেকে দারিদ্র্য ও অপরাধে ঠেলে দেয়; পেশাগত দক্ষতা না শিখিয়ে কর্মসংস্থান অযোগ্য করে রাখে এবং তাদের চরমপন্থায় প্ররোচিত করে, ফলে তারা গ্যাং ও বোকো হারামের মত সংগঠনে যোগ দেয়।[৪৫] [৪৬][৪৭] তবে অন্যদিকে কিছু মানুষ মনে করেন যে, এই ব্যবস্থা শিশুদের ধর্মভক্ত, নীতিবান ও সমাজে কল্যাণকর নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।[৪৮] [৪৯]

চরমপন্থা
[সম্পাদনা]নাইজেরিয়ায় মুসলিমদের চরমপন্থী দলগুলোর প্রতি মনোভাব নিয়ে পিউ রিসার্চ একটি জরিপ পরিচালনা করে। জরিপ অনুযায়ী, নাইজেরিয়ার ৪৫% মুসলিম হিজবুল্লাহকে সমর্থন করেন; ৪৯% হামাসকে সমর্থন করেন এবং ৪৯% আল-কায়েদাকেও সমর্থন করেন। অন্যান্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর তুলনায় নাইজেরিয়া হল একমাত্র দেশ, যেখানে মুসলিমরা আল-কায়েদার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন। [৫০]
বোকো হারাম
[সম্পাদনা]বোকো হারাম হলো একটি বিদ্রোহী জিহাদি সংগঠন। এই সংগঠন তাদের প্রথম আক্রমণ পরিচালনা করে ২০০৯ সালে, যখন তারা বাউচি কারাগারে হামলা চালায়।[৫১]
- ২০১৪ সালের ১৪ থেকে ১৫ এপ্রিলের রাত পর্যন্ত চলমান এক হামলায় বর্নো প্রদেশের চিবক শহরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২৭৬ ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। [৫২] এই ঘটনার দায়িত্ব স্বীকার করে বোকো হারাম। অপহরণের পরবর্তী কয়েক মাসে ৫৭ জন ছাত্রী পালিয়ে আসতে সক্ষম হয় এবং বাকিদেরও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। [৫৩]
- ২০১৪ সালের ৫ থেকে ৬ই মে রাত পর্যন্ত বোকো হারামের সদস্যরা নাইজেরিয়ার বর্নো প্রদেশের গামবোরা ও নগালা নামক শহরে আক্রমণ চালায়। [৫৪] এই ১২ ঘণ্টাব্যাপী হামলায় প্রায় ৩১০ জন বাসিন্দা নিহত হন এবং শহর দুটো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ২০১৪ সালের ২৮শে নভেম্বর কানোর কেন্দ্রীয় মসজিদে এক ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। [৫৫]এই মসজিদটি কানোর আমির দ্বিতীয় মুহাম্মদ সানুসির প্রাসাদের নিকটবর্তী ছিল। তাদের হামলার সময় শুক্রবারের জামাত চলছিল এবং তখনই তিনটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে ১২০ জনের বেশি মুসল্লি নিহত হন এবং প্রায় ২৬০ জন আহত হন। [৫৬] হামলার সময় দুইজন আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় এবং আরও কিছু বন্দুকধারী মুসল্লিদের ওপর গুলি চালায়, যখন তারা পালানোর চেষ্টা করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদের উঠানে প্রথম দুটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং কিছুক্ষণ পর কাছাকাছি সড়কে আরো একটি বিস্ফোরণ হয়। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ইমাম নামাজ শুরু করতে যাচ্ছিলেন, তখনই একটি গাড়ি জোরপূর্বক মসজিদে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং বাধা পেয়ে গাড়িতে থাকা ব্যক্তি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এটি বোকো হারাম বিদ্রোহের সময় ঘটে যাওয়া অন্যতম প্রাণঘাতী হামলার একটি ছিল।[৫৬]
ইসলামি সংগঠন
[সম্পাদনা]সকাতো সালতানাতের ২০তম সুলতান সা'দু আবুবকর নাইজেরিয়ার মুসলিমদের আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে বিবেচিত হন। [৫৭]
নাইজেরিয়ায় বেশ কয়েকটি মুসলিম সংগঠন ও লবিং গ্রুপ রয়েছে; যেমন নসফাত, এমপ্যাক নাইজেরিয়া[৫৮] ও মুসলিম রাইটস কনসার্ন।[৫৯]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "The World Factbook — Central Intelligence Agency"। www.cia.gov। ৯ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ "Islam in Nigeria"। ১৫ নভেম্বর ২০০২। ৪ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "Sharia implementation in northern Nigeria after 15 years | Oxford Department of International Development"। www.qeh.ox.ac.uk। ৬ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৩।
- ↑ "The World's Muslims: Unity and Diversity"। Pew Forum on Religious & Public life। ৯ আগস্ট ২০১২। ১০ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১২।
- 1 2 3 Balogun, Ismail A. B (১৯৬৯)। The penetration of Islam into Nigeria (ইংরেজি ভাষায়)। Khartum: University of Khartoum, Sudan Research Unit। ওসিএলসি 427362।
- ↑ Kenny, Joseph (নভেম্বর ১৯৯৬)। "Sharia and Christianity in Nigeria: Islam and a 'Secular' State"। Journal of Religion in Africa। ২৪ (4)। BRILL: ৩৩৮–৩৬৪। ডিওআই:10.2307/1581837। জেস্টোর 1581837।
- ↑ Lapidus, Ira Marvin (২০০২)। "Islam in West Africa"। A History of Islamic Societies। Cambridge University Press। পৃ. ৪০৫। আইএসবিএন ০-৫২১-৭৭৯৩৩-২।
- ↑ Works of Sheikh Dr. Abu-Abdullah Adelabu at Awqaf Africa, Damascus: Islam in Africa – West African in Particular, and Missionary and Colonization in Africa see esinislam.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৭-১০-১২ তারিখে
- ↑ "Usman dan Fodio"। Encyclopædia Britannica। Chicago: Encyclopædia Britannica। ২০০৭।
- ↑ Comolli, Virginia (২০১৫)। Boko Haram: Nigeria's Islamist Insurgency। London: Oxford University Press। পৃ. ১৫। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৪৯০৪৪৯১২।
- ↑ Falola, Toyin (২০০৯)। Historical Dictionary of Nigeria। Lanham, Md: Scarecrow Press।
- ↑ Abduhu Badawi: Ma'a Harak ul-Islam fi Ifriqiyah (Siding Islamic Movement in Africa) 1979 Cairo page 175
- ↑ "Western North African Christianity: A History of the Christian Church in Western North Africa"। ২২ জুলাই ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৬।
- ↑ Mawsuaat Al-Islam Al-Kubrah (The Big Encyclopedia of Islam) Volume 2 page 939 and volume 3 646 and Abduhu Badawi: Ma'a Harak ul-Islam fi Ifriqiyah (Siding Islamic Movement in Africa) 1979 Cairo page 177
- ↑ "Islamic world - Consolidation and expansion (1405–1683)"। Encyclopedia Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ Shittu, H (2015) TREND OF ISLAMICOLOGY IN NIGERIA; PAST, PRESENT AND FUTURE. E-Proceeding of the 2nd International Conference on Arabic Studies and Islamic Civilization, iCASiC2015 (e-আইএসবিএন ৯৭৮-৯৬৭-০৭৯২-০২-৬), 9-10 March 2015, Kuala Lumpur, MALAYSIA.
- ↑ Ogunbado, Ahamad Faosiy (২০১২)। "Impacts of Colonialism on Religions: An Experience of South- western Nigeria"। Research gate। ৬ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "Trade and the Spread of Islam in Africa"। www.metmuseum.org। Department of the Arts of Africa, Oceania, and the Americas। অক্টোবর ২০০১। ৪ অক্টোবর ২০০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "The rise of Islamic empires and states (article) | Khan Academy"। Khan Academy (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ Alonso, Miguel C. (২০১৪)। The Development of Yoruba Candomble Communities in Salvador, Bahia, 1835–1986 (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ডিওআই:10.1057/9781137486431। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩৪৯-৫০৩৬৫-০।
- ↑ Peel, J. D. Y. (২০১৬), "The Three Circles of Yoruba Religion", Christianity, Islam, and Orisa-Religion, Three Traditions in Comparison and Interaction, University of California Press, পৃ. ২১৪–২৩২, জেস্টোর 10.1525/j.ctt1ffjng5.16
- ↑ "Islam"। Litcaf (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২০ জানুয়ারি ২০১৬। ১৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ Smith, Hawthorne Emery (১ জুলাই ১৯৮৮)। "The historical impact of Islam and its future prospects in Africa: a case study of Sudan and Nigeria"। Institute of Muslim Minority Affairs Journal। ৯ (2): ৩১১–৩৩০। ডিওআই:10.1080/02666958808716085। আইএসএসএন 0266-6952।
- ↑ Azeez, Waheed (১০ জানুয়ারি ২০০৪)। "Arabic and Islamic Education in Nigeria from Rote Learning to E-Learning" (ইংরেজি ভাষায়)। Rochester, NY। এসএসআরএন 2203728।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ "Religion - NigeriaInformation - NigeriaBusinessFile"। ১৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৪।
- ↑ Mathews, Martin P. (২০০২)। Nigeria: Current Issues and Historical Background (ইংরেজি ভাষায়)। Nova Publishers। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৯০৩৩-৩১৬-৭। ৩ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২০।
- ↑ Abdul Rauf Mustapha, Sects & Social Disorder: Muslim Identities & Conflict in Northern Nigeria, James Currey, 2014, pp. 79
- ↑ KAYODE FASUA (Mar 3, 2013). Maitatsine: Tale of religious war in the North[অধিগ্রহণকৃত!]. National Mirror Online.
- ↑ "HOAX.COM: unravelling the truth from fiction, past to present..."। publish.hoax.com। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Petroleum roundtable to dissect prospects of Nigeria's hydrocarbon"। www.dailytrust.com.ng। ১৫ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ docs.google.com https://docs.google.com/viewer?a=v&q=cache:Xe6Zk4AlURoJ:www.securityanddevelopment.org/pdf/ESRC%2520Nigeria%2520Overview.pdf+&hl=en&gl=us&pid=bl&srcid=ADGEESjsZ0aTSyrQvlkO7I4BC0UqWpbK8goP_V2nOt_RiEyg4aIFUBCXJiGs9ZNxv7-El1zq7xWQRjVht8gCpcboG5sAI0cd_UngWN4NDXRbf13xVQdr9YXXyHtdXH9bhjHxvtq5mD-r&sig=AHIEtbRnsV-nXknpgE4ZuHxU-DoBxI9uYA। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ↑ "Nigeria - Islam"। countrystudies.us। ১৬ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ "Muslim Publics Divided on Hamas and Hezbollah | Pew Research Center" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। Pew Research। ২ ডিসেম্বর ২০১০। ২১ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৯।|quote=However, opinions of al Qaeda and its leader, Osama bin Laden, are consistently negative; only in Nigeria do Muslims offer views that are, on balance, positive toward al Qaeda and bin Laden.
- ↑ Adelabu, EsinIslam The Muslim World Portal For Top News, Islamics And Information From The Awqaf The Society Of And Followers Of Sheikh Dr Abu-Abdullah; London, The Awqaf। "Ẹsin Islam الدين الإسلامي Religion of Islam Addinin Musulunci Agama Islam Religi�n del Islam 伊斯兰教 Dini ya Kiislamu Религия Ислам Religi�o do Isl� イスラム教 Esin Islam 이슬람의 종교 Portal African Muslim Website - Arabic English African Islamic Website For World News, Fatwas, Audios, Videos, Muslim News, Articles, Radio, Audio, Video, Quran, Hadith, TV Channels, Fatwas, Muslim News, Newspapers, Magazines Headlines, Forums, College, Schools, Universities, Mosques, Quranic, Sunnah, Fiqh, Prayers, Salat, Ramadan, Vidoes, Books, Fasting, PDFs On EsinIslam.Com And IslamAfrica.Com"। Esin Islam Religion of Islam (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শিরোনাম=এর 81 নং অবস্থানে replacement character রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Adelabu, EsinIslam The Muslim World Portal For Top News, Islamics And Information From The Awqaf The Society Of And Followers Of Sheikh Dr. Abu-Abdullah। "Arabic-English Dictionary By Sheikh Adelabu (Ph. D. Damas) - Fully Conjugated Arabic English Lexicon With Simplified Entries - Alphabetical Entries Indexed For Arabic-English Dictionary Of Sheikh Adelabu (Ph. D. Damas) :: ألفبيات مادّات مفهرسة للقاموس العربي الإنجليزي للشيخ أديلابو - دكتوراه من دمسق - Alphabetical Entries Indexed For Arabic-English Dictionary Of Sheikh Adelabu (Ph. D. Damas) :: ألفبيات مادّات مفهرسة للقاموس العربي الإنجليزي للشيخ أديلابو - دكتوراه من دمسق"। www.esinislam.com। ১১ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৮।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "Nigeria"। U.S. Department of State (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ Steiner, Susie (২০ আগস্ট ২০০২)। "Sharia law"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। ৬ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ Ross, Will (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "Nigerian gay men being hunted down" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ১১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ Bearak, Cameron। "Here are the 10 countries where homosexuality may be punished by death"। The Washington Post। ২৯ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৯।
- 1 2 A. R. I. Doi: Islamic thought and culture : their impact on. Africa . In: The Islamic quarterly 14 [1970], 104
- ↑ "Hijab Controversy: When discrimination, prejudice becloud human rights of Muslim women, girls"। The Guardian Nigeria News - Nigeria and World News (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ অক্টোবর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ ADDO (১৮ এপ্রিল ২০২৪)। "Tension, discrimination in Nigeria over the use of hijab"। Medium (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ "Nigeria's Anti-Hijab Employers – MPAC Nigeria" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৪।
- 1 2 "Supreme court upholds students rights to wear hijab to lagos school"। www.premiumtimesng.com। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ Omeni, Akali (২০১৫)। "The Almajiri in Northern Nigeria: Militancy, Perceptions, Challenges, and State Policies"। African Conflict and Peacebuilding Review। ৫ (2): ১২৮–১৪২। ডিওআই:10.2979/africonfpeacrevi.5.2.128। আইএসএসএন 2156-695X। জেস্টোর 10.2979/africonfpeacrevi.5.2.128। এস২সিআইডি 154968736।
- ↑ "Muhammed, a returnee Almajiri, puts his dream back on track"। www.unicef.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২১।
- ↑ "Sustainable Almajiri reforms - Nigeria"। ReliefWeb (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ আগস্ট ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২১।
- ↑ Hoechner, Hannah (২০১৪)। Pérouse de Montclos, Marc-Antoine (সম্পাদক)। Traditional Quranic Students (Almajirai) in Nigeria: Fair Game for Unfair Accusations?। Leiden: African Studies Centre। পৃ. ৬৩–৮৪।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|work=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Muhammed, a returnee Almajiri, puts his dream back on track"। www.unicef.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২১।
- ↑ "Muslim Publics Divided on Hamas and Hezbollah | Pew Research Center" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। Pew Research। ২ ডিসেম্বর ২০১০। ২১ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৯।|quote=However, opinions of al Qaeda and its leader, Osama bin Laden, are consistently negative; only in Nigeria do Muslims offer views that are, on balance, positive toward al Qaeda and bin Laden.
- ↑ "Boko Haram's Evolving Tactics and Alliances in Nigeria"। Combating Terrorism Center at West Point। জুন ২০১৩। ২১ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৯।
- ↑ "Nigeria says 219 girls in Boko Haram kidnapping still missing"। Fox News। ২৬ জুন ২০১৪। ২০ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪।
- ↑ The Chibok Kidnappings in North-East Nigeria: A Military Analysis of Before and After. Small Wars Journal. Volume 13, No. 4, 11 April 2017, Available here: http://smallwarsjournal.com/jrnl/art/the-chibok-kidnappings-in-north-east-nigeria-a-military-analysis-of-before-and-after ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৯-১১-০৩ তারিখে Retrieved 18 November 2017
- ↑ "Nigeria Chibok girls 'shown alive' in Boko Haram video"। BBC News Africa। ১৪ এপ্রিল ২০১৬। ১৪ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১৬।
- ↑ "Nigeria mosque blast: Scores die in attack during prayers in Kano"। France 24। ২৮ নভেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- 1 2 "Boko Haram Attack Kills Hundreds In Border Town"। The Huffington Post। ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৪।
- ↑ "Muhammadu Sa'adu Abubakar III - The Muslim 500"। themuslim500.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "MPAC Management Team Meets with the Vice President – MPAC Nigeria" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ "MURIC hails Sultan's leadership style"। The Guardian Nigeria News - Nigeria and World News (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ আগস্ট ২০২০। ১১ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২০।