নরেন্দ্রনাথ ধর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নরেন্দ্রনাথ ধর
Nndhar dover lane 2009.jpg
নরেন্দ্রনাথ ধর কলকাতার ডোভার লেন সংগীত সম্মেলনে বাজাচ্ছেন
প্রাথমিক তথ্য
জন্ম (1954-09-07) ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪ (বয়স ৬৫)
উদ্ভবকলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
ধরনহিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত
পেশাসরোদ বাদক, বাদ্যযন্ত্র সংগীতে অধ্যাপক
বাদ্যযন্ত্রসমূহসরোদ
কার্যকাল১৯৭১-বর্তমান
ওয়েবসাইটwww.narendranathdhar.in

নরেন্দ্রনাথ ধর (জন্ম: ১৯শে সেপ্টেম্বর ১৯৫৪) একজন ভারতীয় ধ্রুপদী বাদ্যযন্ত্র শিল্পী। তিনি সরোদ বাদ্যযন্ত্রটি বাজান। তিনি শাহজাহাপুর / গোয়ালিয়র সেনিয়া ঘরানার অন্যতম সেরা নজির। তিনি কেবল তাঁর বিশুদ্ধ বাজন শৈলীর জন্যই বিখ্যাত তা নয়, নিজের উদীয়মান শৈলীর জন্যও তিনি পরিচিত, যার মাধ্যমে সহজেই অন্যের থেকে তাঁর বাজন পদ্ধতি আলাদা করা যায়।

প্রাথমিক জীবন এবং প্রশিক্ষণ[সম্পাদনা]

ধর তাঁর পিতা প্রয়াত নিমাই চাঁদ ধরের অধীনে সরোদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শুরু করেন। খুব অল্প বয়সেই তাঁর পিতার মৃত্যু, তাঁর পড়াশোনা এবং বৃদ্ধিকে প্রতিহত করতে পারেনি। তিনি সমরেন্দ্র নাথ সিকদারের অধীনে প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন, যিনি পণ্ডিত রাধিকা মোহন মৈত্রের শিষ্য ছিলেন।[১] ১৯৬৯ সালে, পণ্ডিত মৈত্র ধরকে শিক্ষাদান শুরু করেন এবং তাঁকে তাঁর প্রজন্মের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রতিভা হিসাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর সংগীতের দক্ষতা ওস্তাদ আমজাদ আলি খানের শিক্ষাধীনে আরও বৃদ্ধি পেয়েছিল।[১]

বাজন শৈলী[সম্পাদনা]

ধর, তাঁর বাজন শৈলী বিশুদ্ধ রাখার পাশাপাশি তাঁর উপস্থাপনাগুলিকে নিজস্ব ছোঁয়া দেওয়ার জন্য প্রায়শই প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর বিশেষ আলাপের ধরনটি তন্ত্রকারী বিন আংয়ের আসল শৈলীকে প্রতিফলিত করে, পাশাপাশি 'আলাপ' এবং 'জোড়' এর ঐতিহ্যবাহী বাজনাকেও (বাজ) সামনে আনে। সরোদ বাজানোর সূক্ষ্ম দিকগুলি তাঁর উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার পরিচয় দেয় 'তন্ত্রকারী', 'লয়কারী' এবং 'একরা তান' এর বিভিন্ন শৈলীর মাধ্যমে। তিনি তাঁর প্রজন্মের ও অতীতের সেরা শিল্পীদের নিরবধি রচনাগুলি সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন।[২]

বাদ্য এবং কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ধরের প্রতিভা ভারতে এবং বিদেশের দর্শকদের কাছ থেকে কয়েক বছর ধরে যথাযথভাবে স্বীকৃতি পেয়ে এসেছে। তিনি প্রবীণ সংগীতশিল্পী ও নৃত্যশিল্পীদের সাথে একসাথে মঞ্চ এসে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ সংগীত সম্মেলনে সরোদ বাজিয়েছেন। তিনি ১৯৭০ সালে বাদ্যযন্ত্রের সংগীত প্রতিযোগিতায় অল ইন্ডিয়া রেডিওর পুরস্কার বিজয়ী ছিলেন। তিনি ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত সরোদে নিবিড় প্রশিক্ষণের জন্য ভারত সরকারের সংস্কৃতি বিভাগ থেকে জাতীয় বৃত্তি পেয়েছিলেন। ১৯৯৫ সালে, যন্ত্রসংগীতের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার তাঁকে সাম্মানিক নওশাদ পুরস্কারে ভূষিত করেছিল। ২০০০ সালে তিনি উত্তর প্রদেশ সংগীত নাটক একাডেমির পক্ষ থেকে একাডেমী পুরস্কারও পেয়েছিলেন। তিনি বেতার (এআইআর) এবং দূরদর্শনের নিয়মিত শিল্পী। এইচএমভি 'এইচএমভির গোল্ডেন ট্যালেন্ট' শিরোনাম দিয়ে তাঁর একটি শ্রুতি ক্যাসেট প্রকাশ করেছে।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Kumar, Kuldeep (জুলাই ৩০, ২০১৫)। "Soaking the seasonal Malhar"। The Hindu। 
  2. Gupta, Nilaksha (জুলাই ১৮, ২০০৯)। "Vintage compositions with a classical touch"। The Telegraph। 
  3. "NARENDRANATH DHAR – SAROD RECITAL"Rootstrata