নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মণ
নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মণ | |
|---|---|
| জন্ম | ১৮৫৪ |
| মৃত্যু | ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩১ |
| নাগরিকত্ব | ব্রিটিশ ভারত |
| পরিচিতির কারণ | বিশিষ্ট সেতারবাদক এবং ধ্রুপদ গায়ক |
| পিতা-মাতা |
|
মহামান্যবর রাজকুমার শ্রীলা-শ্রীযুক্ত নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মণ (১৮৫৪ - ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩১), ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় সেতারবাদক এবং ধ্রুপদ গায়ক। তিনি ছিলেন সুরকার শচীন দেববর্মনের পিতা এবং আরেক সুরকার রাহুল দেব বর্মনের দাদা। [১]
নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে অবস্থিত ত্রিপুরার রাজপ্রাসাদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ত্রিপুরার রাজা ঈশান চন্দ্র মাণিক্য (ঈশানচন্দ্র দেব বর্মণ) এর দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন (রাজত্বকাল ১৮৪৯-১৮৬২)। তার মা ছিলেন রানী কৈশম চানু জাতিশ্বরী। ১৮৬২ সালে তার পিতার মৃত্যুর পর তিনি এবং তার বড় ভাইকে তাদের চাচা বীর চন্দ্র মাণিক্য ত্রিপুরার সিংহাসন থেকে বাদ দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯২৩ থেকে ১৯২৭ সাল পর্যন্ত তিনি তার আত্মীয় ত্রিপুরার মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর দেববর্মনের (রাজত্বকাল ১৯২৩ - ১৯৪৭) জন্য ত্রিপুরার রিজেন্সি কাউন্সিলের সভাপতি ছিলেন। ১৯২৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তাকে ব্যক্তিগতভাবে মহামান্যবর উপাধি প্রদান করা হয়। [ উদ্ধৃতি প্রয়োজন ]
নবদ্বীপচন্দ্রের আত্মজীবনী "আবর্জনার ঝুড়ি" নামে পরিচিত। [২]
নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মনের বিয়ে হয়েছিল নিরুপমা দেবীর সাথে [৩] এবং তাদের ছিল নয়জন সন্তান। এর মধ্যে বিখ্যাত গায়ক এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র সঙ্গীত রচয়িতা শচীন দেব বর্মণ (পাঁচ পুত্রের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ) অন্যতম।[৪][৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Deb Barma, Aloy; Debroy, Prajapita (২০২২)। Cinema as Art and Popular Culture in Tripura: An Introduction (ইংরেজি ভাষায়)। Tribal Research and Cultural Institute। পৃ. ১৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৯৫৮৯৯৫-০-০। ওএল 44969662M।
- ↑ Manipur, Past and Present: The Heritage and Ordeals of a Civilization, Volume 4, Naorem Sanajaoba, 1988, p. 320
- ↑ "Archived copy"। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০০৭।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক) - ↑ "Sachin Dev Burman | Indian Music Composer & Singer | Britannica"। www.britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "Biography of SD Burman"। chandrakantha.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪।